শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৩ অক্টোবর, ২০১৭ ০২:৪২

২৯ ঘণ্টা পানির নিচে তারপরও জীবিত!

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে ডুবে যাওয়ার ২৯ ঘণ্টা পর একটি বালুবাহী বাল্কহেড থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এর গ্রিজার (মিস্ত্রি) সোহাগ হাওলাদারকে (৩০)। ওই বাল্কহেডের ইঞ্জিন রুমের ভিতরে পানি না ঢুকায় তিনি বেঁচে যান। গতকাল বিকালে তাকে উদ্ধারের পর চিকিত্সার জন্য প্রথমে নারায়ণগঞ্জের একটি হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বুধবার বেলা ১১টায় বন্দর উপজেলার ২ নম্বর ঢাকেশ্বরী সোনাচড়া এলাকায় বিআইডব্লিউটিসির ডুবন্ত যশোর ফেরীর সঙ্গে ধাক্কা লেগে বালুবাহী বাল্কহেড ‘এমভি মুছাপুর’ ডুবে যায়। ওই সময়ে বাল্কহেডটিতে ৬ জন শ্রমিক ছিল। তাদের মধ্যে ৫ জন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও নিখোঁজ ছিল সোহাগ হাওলাদার। পরে বন্দর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তল্লাশি চালিয়ে সোহাগকে উদ্ধার করতে পারেনি। সোহাগ বরিশালের বাবুগঞ্জের বাদল হাওলাদারের ছেলে। 

বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়ের ডুবুরি মো. মাসুম বলেন, বাল্কহেডের ইঞ্জিন রুমে আটকে ছিল সোহাগ। বাল্কহেডটি কিছুটা কাত হয়ে ডুবে ছিল। আর ওই স্থানে শুধু মাথা রেখে বাকিটা পানির নিচেই ছিল। যার জন্য সে বেঁচে ছিল। ওই সময়ে সে মুখে শুধু আল্লাহর নাম জপছিল। তিনি বলেন, আমরা আধা ঘণ্টা চেষ্টার পর নিশ্চিত হই ভিতরে জীবিত কেউ আছে। পরে আরও আধা ঘণ্টা চেষ্টা করে বাল্কহেডের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর