শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ জানুয়ারি, ২০১৯ ২৩:২২

হলি আর্টিজানে হামলা

অর্থ জোগানদাতা রিপন নিখোঁজ ছিলেন ৫ বছর

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

অর্থ জোগানদাতা রিপন নিখোঁজ ছিলেন ৫ বছর

রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলার অর্থ জোগানদাতা বগুড়ার নন্দীগ্রামের মামুনুর রশিদ রিপন ওরফে রেজাউল করিম ওরফে রেজা ৫ বছর ধরে নিখোঁজ ছিলেন। তার কোনো খোঁজ পাচ্ছিল না পরিবারের সদস্যরা। রিপন ৩ বছর আগে শেষবারের মতো তার পরিবারের কাছে মোবাইলে ফোন দিয়েছিল। তার গ্রেফতারের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। জানা যায়, রিপন নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শেখের মারিয়া গ্রামের মৃত নাছির উদ্দিনের দ্বিতীয় ছেলে। মৃত নাছির উদ্দিনের দুই ছেলে দুই মেয়ে রয়েছে। গ্রামের লোকজন মামুন সরদার নামেই তাকে চিনেন। স্থানীয়রা জানান, উপজেলার আঁচলতা মাদ্রাসায় পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন মামুন সরদার ওরফে মামুনুর রশিদ। পরে ২০০৯ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ দারুস হাদীস মাদ্রাসা থেকে দাওরায়ে হাদিসে পড়াশোনা শেষে বগুড়ার একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে অফিস অ্যাপ্লিকেশন কোর্স করে ওই প্রতিষ্ঠানেই চাকরি নেন। তার মা হাসনা হেনা বেগম জানান, ছোট থেকেই মামুন বাইরে থাকত। ৮ বছর আগে মামুনের বাবা মারা যান। লেখাপড়া শেষ করে বগুড়ায় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে চাকরি করেন বলে তিনি বাড়িতে জানান। বাড়িতে বেশি আসত না। ৫ বছর আগে বাড়ি থেকে হারিয়ে যায়। তার কোনো সন্ধানও পাইনি। এর মধ্যে তিন বছর আগে ফোন করে বাড়ির সবার খবর নেয় এবং সে ভালো আছে বলে ফোন কেটে দেয়। সোমবার গ্রামের লোকজনের মুখে জানতে পারেন গ্রেফতার হওয়ার সংবাদ। বড় ভাই মাসুদ সরদার বলেন, মামুন কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে চাকরির সময় জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার গোবরগাড়ীতে বিয়ে করেছে বলে শুনেছি। ৫ বছর আগে হারিয়ে যায় মামুন। হলি আর্টিজানে হামলার পর পুলিশ বাড়িতে এসে অনেক তথ্য নিয়ে গেছে। তার সঙ্গে পরিবারের কারও কোনো যোগাযোগ নেই। সে গ্রামেও আসেনি আর। নন্দীগ্রাম থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দিন বলেন, গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলার মামলায় একটি ওয়ারেন্ট ও নাটোরের বড়াইগ্রামে হত্যা মামলায় একটি ওয়ারেন্ট রয়েছে রিপনের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, ১৯ জানুয়ারি রাতে গাজীপুর বোর্ডবাজারে একটি বাস থেকে রিপনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর