শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৯ মে, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৮ মে, ২০১৯ ২৩:৩৮

আদালত স্থানান্তর

খালেদার রিটের শুনানি ১০ জুন পর্যন্ত মুলতবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

খালেদার রিটের শুনানি ১০ জুন পর্যন্ত মুলতবি

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিচারে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে আদালত স্থানান্তর করে সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা প্রশ্নে রিটের শুনানি ১০ জুন পর্যন্ত মুলতবি করেছে হাই কোর্ট। গতকাল বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও এ জে মোহাম্মদ আলী। তাদের সহায়তা করেন ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। এ সময় জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। শুনানিতে এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, কেরানীগঞ্জ ঢাকা মহানগরের মধ্যে নয়। এ ছাড়া আইন অনুসারে পাবলিক ট্রায়ালের বিষয় আছে। এ সময় আদালত বলে, মামলার চার্জশিট দেওয়া উচিত ছিল। তাহলে আমাদের বুঝতে সুবিধা হবে। এ ছাড়া ওই আদালতের বিচারকের অধিক্ষেত্রের গেজেটটা দেবেন। আদালত বলে, এ মামলায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বিচার হয়েছে। সেটাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন কিনা। সেটা কি রেসটিক্টেড ছিল না? পরে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় ফারুক রহমানের বিচার জেলখানায় হয়েছে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মামলা চলেছিল। তারাই সেটা করেছেন। বিডিআর মামলার অনেক আসামি। সেটার বিচার আলিয়া মাদ্রাসার পাশে কারা অধিদফতরের মাঠে হয়েছিল। এ মামলাটাও ওখানে হতো। কিন্তু সেখানে কিছু সমস্যা হয়েছিল। গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। একটা মামলাও হয়েছে। পরে মামলাটি পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক কক্ষে স্থানান্তর করা হয়। এর মধ্যে জেলখানা ট্রান্সফার হয়েছে। এখন ওই কোর্টটা জেলখানার ভিতরে নয় সম্মুখে। আমাদের কাছে ল্যাপটপে বিষয়টি আছে। চাইলে দেখতে পারেন। এ সময় আদালত সিডি জমা দিতে বলে। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এখানে মেট্রো সেশনের কোনো বিষয় না। বিশেষ জজ আদালতের মামলা। সুতরাং এখানে কোনো মেট্রো সেশনের কোনো রিলেভেন্স নেই। এরপর এ জে মোহাম্মদ আলীর সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত শুনানি ১০ জুন পর্যন্ত মুলতবি করে।

এর আগে গত ২১ মে আদালত স্থানান্তরের বিষয়ে গেজেট বাতিলে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়ে আইন সচিবকে লিগ্যাল নোটিশ দেন খালেদার আইনজীবীরা। নোটিশে বলা হয়েছিল, এর মধ্যে গেজেটটি প্রত্যাহার বা বাতিল না করলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এরপর গত রবিবার হাই কোর্টে রিট করা হয়।


আপনার মন্তব্য