শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:৫৩

কাশ্মীর ও লাদাখের ৯২ শতাংশ এলাকায় বিধিনিষেধ নেই

প্রতিদিন ডেস্ক

কাশ্মীর ও লাদাখের ৯২ শতাংশ এলাকায় বিধিনিষেধ নেই

গেল বছরের ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ রদ করার পর গঠিত কেন্দ্র শাসিত এলাকা জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের পরিস্থিতি যাতে স্বাভাবিক হয়ে আসে সেজন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এর ফলে বর্তমানে ওই দুটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের ৯২ ভাগ এলাকায় কোনোরকম বিধিনিষেধ নেই। দুটি অঞ্চলে ১৯৯টি পুলিশ স্টেশন রয়েছে, এর মধ্যে মাত্র ১১টি পুলিশ স্টেশন এলাকায় দিনের বেলায় কড়াকড়ি বলবৎ রয়েছে।

বার্তা সংস্থার খবরে বলা হয়, ৫ আগস্ট (২০১৯) জম্মু-কাশ্মীরের ২০ জেলায় ইন্টারনেট সেবার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এ বছরের ২৫ জানুয়ারি তুলে নেওয়া হয়েছে। এটা সবচেয়ে তাৎপর্যময় ঘটনা।      পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রাজনৈতিক তৎপরতার ওপর কড়াকড়ি আরোপ করার পর কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এবং নেতা ফারুক আবদুল্লাহ ও তার ছেলে ওমর আবদুল্লাহকে গৃহবন্দী করার বিরুদ্ধে রাজপথে কেউ মিছিল করেননি। যারা নিজেদের জনপ্রতিনিধি বলে দাবি করেন ময়দানে যে তাদের জনসমর্থন নেই তা পরিষ্কার। অবস্থার স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার যেসব উদ্যোগ নেয় তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো : প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া এবং বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ, স্বাস্থ্যসেবা ও পয়ঃনিষ্কাশনের মতো অত্যাবশ্যকীয় সেবাগুলো দিনরাত ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা। ‘অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ আর শিশুখাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে’- এই মিথ্যা সংবাদ যখন একটি মহল ছড়িয়ে দিচ্ছিল তখন কাশ্মীর ও লাদাখে বিভিন্ন ধরনের ৪ লাখ রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ভর্তি করা হয়েছে ৩৫ হাজার রোগী আর অস্ত্রোপচার করা হয়েছে ১১ হাজার মানুষের।

অর্থনৈতিক কার্যকলাপও বেড়ে চলেছে। কাশ্মীরের ৭ লাখ কৃষক ২২ লাখ মেট্রিকটন আপেল উৎপাদন করে। উৎপাদিত ফলের ৫০ ভাগের বেশি কিনে নেওয়ার জন্য সরকার পরিকল্পনা নিচ্ছে, এতে আপেল চাষিরা যে টাকা পাবেন তা ৮০ কোটি মার্কিন ডলারের সমান। যুব সমাজের জন্য সরকার ৫০ হাজার চাকরি সংস্থানের উদ্যোগ নিয়েছে। নবসৃষ্ট কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার ২০২০-২১ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ রেখেছে যথাক্রমে ৩৭ হাজার ৭৫৭ কোটি রুপি ও ৫ হাজার ৯৫৮ কোটি রুপি।

 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর