শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:৩৬

বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে হবে

-মুফতি ফয়জুল্লাহ

বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে হবে

ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেছেন, যখনই আমরা নেতৃত্বের দিকে তাকাই, অবিচল প্রস্তুতির জন্য শান্তির জন্য তাকাই তখন দেখতে পাই বিশৃঙ্খলা, বিভাজন, সহমর্মিতার অভাব। তখন হতাশা নেমে আসে। আমরা মনে করি, পরিবর্তন আনতে হলে এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে হবে। তাহলে আমাদের নীতির ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা অত্যাবশ্যক। এর ওপর নির্ভর করে আমাদের আগামীর সুন্দর জীবন। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি। মহাসচিব  মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেন, ইসলামের শিক্ষা ও অনুশীলন না থাকায় সমাজে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ বেড়েই চলছে। ইসলামের দৃষ্টিতে সন্তানদের প্রতিপালনে মা-বাবার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকাও কম নয়। পড়ালেখার পাশাপাশি সন্তানদের মানবিক মূল্যবোধ ও চারিত্র্যিক বৈশিষ্ট্য পূর্ণমাত্রায় বিকশিত করার লক্ষ্যে শিক্ষকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। ইসলামী শিক্ষার অভাবে সন্তানদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা যাচ্ছে না। ইসলামী দলগুলো সম্পর্কে মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেন, গুটিকয়েক মানুষ হাতে গড়া স্বপ্নের ইমানি আন্দোলনকে দেশের আপামর মানুষের কাছে বিতর্কিত করে চলছে। প্রকৃত নেতৃত্বের মধ্যে ভেদাভেদ তৈরি করেছে। কর্মপরিবেশ নষ্ট করে চলছে। যখনই এ দেশে ইসলামের সুদিন দেখতে পাই, তখনই গুটিকয়েক মানুষ নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ইসলামী শক্তিকে পিছিয়ে দেয়। বারবার উচ্চারিত এই ‘গুটিকয়েক’ মানুষের নাম জানতে চাইলে তিনি কৌশলে এড়িয়ে যান। বলেন, নাম নিচ্ছি না, তাতেই তো ঘরে থাকতে পারছি না। যে কাজ করবে, ওপরে উঠবে, কিন্তু তারা তার পেছনেই লাগবে। ওরা প্রতিনিয়ত আমার নামে কুৎসা রটাতে ব্যস্ত। কীভাবে আমার ক্ষতি করা যায়, আমার সম্মান ক্ষুণœ করা যায় সেই চিন্তা তাদের। তিনি বলেন, কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই আমার ব্যাপারে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন। যা আমার জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর। তিনি বলেন, এটি এক ধরনের সন্ত্রাস। এই গালিবাজ সহিংসতা ‘মর্মান্তিক, ভয়াবহ, হতাশাজনক ও লজ্জাজনক’। মুফতি ফয়জুল্লাহ আরও বলেন, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অভাবে ইসলামী দলগুলো নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারছে না। ইসলামী দলগুলোকে আল্লাহ ও তাঁর রসুলের আদর্শ বাস্তবায়নসহ আদেশ-নিষেধকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, ইসলামী ঐক্যজোট দেশের হাক্কানি ওলামায়ে কেরাম ও ধর্মপ্রাণ জনতার শক্তিশালী একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফরম। সারা দেশে দলের সাংগঠনিক তৎপরতা আরও জোরদার করা হচ্ছে।

 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর