শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২২ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ মার্চ, ২০২১ ২৩:৩০

আদালতে জবানবন্দি

টাকা ও বালা চুরির জন্য মা-মেয়েকে হত্যা

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের বাহুবলের দিগাম্বর বাজারের বাসায় টাকা ও স্বর্ণের বালা চুরির উদ্দেশ্যেই গৃহবধূ মালাকারকে গলা কেটে হত্যা করে প্রতিবেশী আমির হোসেনসহ তিনজন। এ সময় তার আট বছর বয়সী মেয়ে পূজা রায় জেগে ওঠায় তাঁকেও গলা কেটে হত্যা করা হয়।

আটককৃত দুই ঘাতকের মধ্যে প্রতিবেশী  আমীর হোসেন (৩০) আদালতে এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গত শনিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা হক আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে রাত রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা। বাহুবল মডেল থানা পুলিশ আগের দিন শুক্রবার আমীর হোসেনকে গ্রেফতার করে।

তিনি সিলেটের শাহপরান থানার  চৌকিদিঘী এলাকার আলমগীর মিয়ার ছেলে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মনির মিয়া নামে আরও একজনকে গ্রেফতার এবং একটি পুকুর থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছোরা, মোবাইল ফোন ও কিছু টাকা জব্দ করা হয়েছে।

স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার জানান, বাহুবল উপজেলার দীগাম্বর বাজার এলাকার বাসিন্দা সঞ্জিত দাশ (৪৫) ও আমীর হোসেন পূর্ব পরিচিত। প্রায় তিন মাস আগে সঞ্জিত দাশের মাধ্যমেই আমীর হোসেন পার্শ্ববর্তী বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন। কয়েক দিন আগে আমীর হোসেন সঞ্জিতের বাসায় এসে ৩ হাজার টাকা ধার নেন এবং জানতে পারেন তাদের বাসায় আরও ২ লাখ টাকা এবং সোনার বালা রয়েছে। গত ১৮ মার্চ সঞ্জিত তার স্ত্রী অঞ্জলী মালাকার (৩০) ও মেয়ে পূজা রানী দাসকে (৮) বাসায় রেখে ব্যবসার জন্য পণ্য কিনতে সুনামগঞ্জ গিয়েছিলেন। ওইদিন মা-মেয়ে বাসায় একা থাকার সুযোগে আমীর তার আরও দুজন সহযোগীকে নিয়ে টাকা চুরি করতে আসেন এবং এক পর্যায়ে মা ও মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করেন।


আপনার মন্তব্য