শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৮ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ মার্চ, ২০২১ ২৩:৫৯

অষ্টম কলাম

ধর্ষণ মামলায় অন্যকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন নিজেই!

বরগুনা প্রতিনিধি

ব্যক্তিগত আক্রোশে অন্যকে ফাঁসাতে গিয়ে ধর্ষণ মামলায় ফেঁসে গেলেন ছগির (৩৮) নামের এক আইনজীবী সহকারী (মহরার)। শুক্রবার সকালে ছগিরকে গ্রেফতার করে পুলিশ আদালতে হাজির করলে ওইদিনই বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বরগুনা সদর থানা সূত্রে জানা গেছে, বরগুনার ফুলঝুড়ি ইউনিয়নের গুদিঘাটা গ্রামের এক নারী (৪০) গত বৃহস্পতিবার বরগুনা সদর হাসপাতালের জাহিদ নামে এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই কেয়া ও ওই নারীসহ পুলিশের একটি টিম কথিত ধর্ষকের কর্মস্থলে গিয়ে ধর্ষককে চিহ্নিত করতে বললে ওই নারী অভিযুক্তকে সামনে দেখেও চিনতে পারেননি। এ ঘটনায় পুলিশের সন্দেহ হলে ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই নারী বলেন, মামলা সূত্রে ছগির নামে এক মহরার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ছগির নিজেই তাকে ধর্ষণ করে ২০ হাজার টাকার চুক্তিতে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে বলে।

এ বিষয়ে বরগুনা সদর হাসপাতালে কর্মরত জাহিদ বলেন, আমার সঙ্গে তাদের কোনো শত্রুতা নেই। তবে আমার স্ত্রীর বোনের সঙ্গে তার অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী স্বামী জহিরুল ইসলাম বাবুর সম্প্রতি ডিভোর্স হয়ে গেলে তারা আমার শ্যালিকাসহ আমাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে। মনে হয় জহিরুল ইসলাম বাবুর ইন্ধনেই মহরার ছগির আমাকে ফাঁসাতে এ মামলা দিতে চেয়েছিল। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম তারিকুল ইসলাম বলেন, মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে কাউকে ফাঁসানোর সুযোগ নেই। সদর থানার পুলিশ সব অভিযোগ শতভাগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। পুলিশ ওই নারীর মুখের বয়ান অনুযায়ী আইনজীবী সহকারীকে (মহরার) গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। সেই সঙ্গে ওই  নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরগুনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর