শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২৪ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৪ মে, ২০২১ ০০:০৩

মিতু হত্যা মামলা

রিমান্ড শেষে সাক্কু কারাগারে

বাবুলের চিকিৎসায় বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

Google News

আলোচিত মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার আসামি সাইদুল আলম শিকদার সাক্কুকে রিমান্ড শেষে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই আদালত এ হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবুল আকতারকে কারা বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। গতকাল পৃথকভাবে এ আদেশ দুটি দেয় চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মেহনাজ রহমানের আদালত।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, ‘চার দিনের রিমান্ড শেষে রবিবার সাক্কুকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেয়।’

জানা যায়, মিতু হত্যার কিলিং মিশনে নেতৃত্ব দেওয়া কামরুল ইসলাম সিকদার ওরফে মুছার ভাই সাক্কুকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে নেয় পিবিআই। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে মিতু খুনের কাজে ব্যবহার করার জন্য চোরাই মোটরসাইকেল কেনাসহ নানা তথ্য দেন সাক্কু। কিন্তু তিনি সরাসরি খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেন। পুলিশের খাতায় পলাতক থাকা মুছার বর্তমান অবস্থান নিয়ে কোনো উত্তর দিতে পারেননি তিনি। পিবিআইর একাধিক সূত্র জানায়, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে সাক্কু এ খুনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেননি। তাই আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দির জন্য আবেদন করা হয়নি। পরে তাকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ : সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আকতারকে কারাবিধি অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বাবুল আকতারের আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল এ আবেদশ দেন চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মেহনাজ রহমান। বাবুল আকতারের আইনজীবী আরিফুর রহমান বলেন, ‘সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আকতার নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তার চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু কারাগারে পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই। তাই কারাগারের বাইরে অন্য যে কোনো হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আবেদন করি। শুনানি শেষে আদালত কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।’ প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ জুন নগরীর জিইসির মোড় এলাকায় ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে খুন হন সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদী হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। খুনের পাঁচ বছর পর পিবিআই তাদের তদন্তে এ খুনের সঙ্গে বাবুল আকতারের সংশ্লিষ্টতা পায়। পরে পুরনো মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে আসামি করা হয় বাবুল আকতারসহ আটজনকে।

এই বিভাগের আরও খবর