শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৩১ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩০ মে, ২০২১ ২৩:২৪

৭০ ভাগ মানুষকে টিকা না দিলে মহামারী শেষ হবে না : ডব্লিউএইচও

প্রতিদিন ডেস্ক

Google News

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ইউরোপ অঞ্চলের পরিচালক হ্যানস ক্লুগে বলেছেন, অন্তত ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনার আগ পর্যন্ত চলমান করোনা মহামারী শেষ হবে না। তাই দ্রুতগতিতে টিকা দেওয়ার কাজ এগিয়ে নিতে হবে। সূত্র : এএফপি।

এক সাক্ষাৎকারে হ্যানস ক্লুগে আরও বলেন, মহামারী দূর করতে মানুষকে টিকা দেওয়া জরুরি। তবে ইউরোপের দেশগুলোয় টিকা দেওয়ার গতি ‘খুব ধীর’। মহামারীর লাগাম টানার  ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনার বিভিন্ন ধরনই প্রধান উদ্বেগের বিষয় বলে মনে করেন হ্যানস ক্লুগে। তিনি বলেন, ‘উদাহরণ হিসেবে বলা যায় করোনার যুক্তরাজ্যের ধরনের চেয়ে ভারতীয় ধরন বেশি সংক্রামক। যুক্তরাজ্য থেকে ছড়িয়ে পড়া ধরনটিও করোনার আগের ধরনগুলোর চেয়ে বেশি সংক্রামক।’ অতিসংক্রামক এসব ধরন করোনা মহামারী নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। মহামারীর বিরুদ্ধে লড়তে ‘দ্রুততার’ বিকল্প নেই বলে মনে করেন হ্যানস ক্লুগে। তিনি বলেন, ‘ডব্লিউএইচও যখন করোনা সংক্রমণকে বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণা করল, তখনো অনেক দেশ এটা নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বেশি সময় নিয়েছে। আমরা মূল্যবান সময় নষ্ট করেছি।’ হ্যানস ক্লুগের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের সবচেয়ে ভালো বন্ধু হলো ‘গতি’। টিকা নিয়ে সময় নষ্ট করার সুযোগ নেই। অনেক দেশ ও অঞ্চলে টিকা দেওয়ার হার বেশ কম। মহামারী নিয়ন্ত্রণে দ্রুতগতিতে আরও বেশি মানুষকে টিকার আওতায় আনতে হবে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ৫৩টি দেশ ও অঞ্চলের মাত্র ২৬ শতাংশ মানুষ করোনা টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন। আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোয় ৩৬ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ করোনা টিকার অন্তত এক ডোজ নিয়েছেন। প্রত্যাশার তুলনায় এ হার বেশ কম।

ধূমপায়ীদের মৃত্যুর ঝুঁকি অধিক : ধূমপায়ীদের করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি অধিক বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও। গত শনিবার সংস্থাটির প্রধান টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস এক বিবৃতিতে এ ঝুঁকির কথা জানিয়েছেন। সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, টাইমস অব ইন্ডিয়া।

বিবৃতিতে টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস বলেন, ‘করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি ধূমপায়ীদের বেশি। ধূমপান শারীরিক নানা জটিল রোগের উৎস। হার্ট, ক্যান্সার এবং ফুসফুসজনিত রোগের অনুঘটক। তাই সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকতে এখনই ধূমপান ছাড়ুন।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘প্রত্যেকটি দেশকে এই উদ্যোগে শামিল হওয়ার আবেদন করছি। প্রতিটি দেশ যেন তামাক-মুক্ত পরিবেশ গড়ে মানুষের মধ্যে সুষম খাদ্যাভ্যাসের আবহ গড়ে তোলে।’

এই বিভাগের আরও খবর