শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ আপডেট: ০০:১৭, শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

বন্যপ্রাণী পাচারে ভয়ংকর চক্র

ক্রাইম করিডর বাংলাদেশ

► কুমির হাতি হনুমান গন্ধগোকুল কাছিম বনরুই বানর মায়াহরিণ পোষা প্রাণী প্রতিবেশীসহ বিভিন্ন দেশে পাচার হচ্ছে ► বিক্রি হচ্ছে থাইল্যান্ড সিঙ্গাপুর চীন মালয়েশিয়া ভিয়েতনাম লাওস ও মিয়ানমারে
জিন্নাতুন নূর
প্রিন্ট ভার্সন
ক্রাইম করিডর বাংলাদেশ

বাংলাদেশ এ মুহূর্তে বন্যপ্রাণী পাচারের ‘ক্রাইম করিডর’-এ পরিণত হয়েছে। দেশে বন্যপ্রাণী বেচাকেনার নেটওয়ার্ক এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সক্রিয়। বন্যপ্রাণী পাচারের ক্ষেত্রে যেমন শক্তিশালী সিন্ডিকেট আছে আবার ব্যক্তি উদ্যোগেও অনেকে এই অপরাধ করছেন। বিশ্বে মাদক ও মানব পাচারের পরই তৃতীয় আন্তর্জাতিক অপরাধ হচ্ছে বন্যপ্রাণীর পাচার বা অবৈধ ব্যবসা।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে কুমির, হাতি, হনুমান, গন্ধগোকুল, কাছিম, বনরুই, বানর, মায়াহরিণসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী প্রতিবেশী দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাচার হচ্ছে। এদিকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৫২৭টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট। এই প্রাণীগুলো পাচারের উদ্দেশে এবং অবৈধভাবে বিক্রির জন্য পাচারকারীরা ধরেছিল। এসব প্রাণীর মধ্যে আছে শিয়াল, বনবিড়াল, বিভিন্ন প্রজাতির সাপ, কাঠবিড়ালি, তক্ষক, মেছোবিড়াল ও কুমির।

‘ইলিগ্যাল ওয়াইল্ডলাইফ ট্রেড ইন বাংলাদেশ অ্যান্ড ইন্ডিয়া : এ স্টাডি অব কমপ্যারেটিভ ল’ শীর্ষক এক গবেষণায় জানা যায়, পাচারকারী চক্র বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাহিদার ভিত্তিতে কর ফাঁকি দিতে বাঘ ও সিংহের মতো প্রাণী বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারতে পাচার করে। এরপর এগুলো ভারত ছাড়াও সেখান থেকে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, চীন, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে পাচার করা হয়। এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে একটি ‘ক্রাইম করিডর’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আর বাংলাদেশকে করিডর হিসেবে ব্যবহার করে পাচারকারীরা বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করে।

ওই গবেষণায় বলা হয়, সীমান্ত দিয়ে অন্য দেশে হাতি ও বাঘ পাচারের বিষয়টি পাচারকারী চক্রের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। আর এসব ঘটনার সঙ্গে দেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ ছাড়া বেশ কিছু বন্যপ্রাণীর শরীরের বিভিন্ন অংশ ঐতিহ্যবাহী ওষুধের উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে প্রাণীর চর্বি, পিত্তের নির্যাস, মাংস, হাড় ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আবার দেশে যারা কবিরাজ হিসেবে কাজ করছেন তারাও অনেক সময় বন্যপ্রাণীর শরীরের অংশ তাদের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করছেন। সম্প্রতি ওষুধের কাজে তক্ষক শিকার করার ঘটনাটি এরই মধ্যে সামনে এসেছে।

জানা গেছে, দেশে ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত বন্যপ্রাণী অপরাধ ইউনিট মোট ১ হাজার ৭২৬টি অপারেশন চালায়। এতে ১৬ হাজারের ওপর বন্যপ্রাণী এবং ২৬৪টি প্রাণীর ট্রফি (বন্যপ্রাণীর চামড়া) উদ্ধার করা হয়। এ সময় ৩৩টি মামলা দায়ের করা হয়।

দ্য কনভেনশন অন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইন এনডেনজারড স্পিসেস অব ওয়াইল্ড ফোয়ানা অ্যান্ড ফ্লোরা (সিআইটিইএস) এর ওয়েবসাইটে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, বিশ্ববাজার থেকে বেশ কিছু বিপন্ন পাখি আমদানি করে তা পোষা পাখি হিসেবে বাংলাদেশে বিক্রি করা হচ্ছে। এর মধ্যে আছে দ্য গ্রেট গ্রিন ম্যাকাও, ব্লু থ্রোটেড ম্যাকাও, হাইব্রিড ম্যাকাও, মিলিটারি ম্যাকাও, রেড ক্রাউন প্যারাকেট, গোল্ডেন প্যারাকেট। সিআইটিইএস-এর পর্যবেক্ষণ বলছে, বাংলাদেশে এমন অনেক পাখি বিদেশ থেকে আসছে যেগুলো বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য নিষিদ্ধ। বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্তরা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, যারা পাখি বিদেশ থেকে আনছেন তা দেখতে একই প্রজাতির হওয়ায় অন্য প্রজাতির পাখিও আনছেন। সহজে শনাক্ত না হওয়ায় এই ব্যবসায়ীরা সংশ্লিষ্টদের বিভ্রান্ত করে বিপন্ন এসব পাখি দেশে নিয়ে আসছেন। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এক্সপ্লোরিং মার্কেট বেইজড ওয়াইল্ড ট্রেড ডায়নামিকস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয় যে, এশিয়ান দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, চীন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস ও মিয়ানমারে বন্যপ্রাণী বিক্রি হচ্ছে। দেশের মধ্যে পাহাড়ি এলাকা, জেলা শহরের নিকটবর্তী বন এলাকা এবং রাজধানী ঢাকার বাজারে দেশীয় প্রজাতি ছাড়াও দেশের বাইরের বন্যপ্রাণী বিক্রি হয়। প্রতিবেদনটি বলছে, বন্যপ্রাণীর মূল বেচাকেনার এক-তৃতীয়াংশ চট্টগ্রামেই হয়। এর কিছু দেশের বাইরে এবং কিছু ঢাকায় বিক্রির জন্য পাঠানো হয়। সাধারণত রয়েল বেঙ্গল টাইগার, কুমির, চিতাবাঘের মতো প্রাণী বাইপোড্রাক্ট হিসেবে বিক্রি হয়। জরিপে অংশগ্রহণকারী ২০ জন ব্যবসায়ী জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ধরা পড়ার ভয়ে এ ধরনের প্রাণীগুলো জীবন্ত অবস্থায় বাজার বা বাড়িতে রাখা বিপজ্জনক। স্থানীয় অনেকে এসব প্রাণীর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করার জন্য বিক্রি করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বন্যপ্রাণী বেচাকেনা ও পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে এমন সন্দেহজনক মানুষ যেসব জেলায় আছে তার তালিকা তৈরি করে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট তা ইন্টারপোলকে জানিয়ে দেওয়া হয়। সেই তালিকা ইন্টারপোল, বাংলাদেশ পুলিশকে পৌঁছে দেয়। এর মধ্যে পুলিশ বা বন বিভাগের কাছে কোনো ব্যক্তিকে সন্দেহ হলে তার মোবাইল ফোন ট্রাক করে তাকে চিহ্নিত করা হয়। দেশে যারা এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত তার বেশির ভাগই ‘সাপোর্টিং বিজনেস’ হিসেবে এটি করেন।

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক মো. ছানাউল্যা পাটওয়ারী গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, দেশে বন্যপ্রাণী পাচারের সিন্ডিকেট আছে আবার ব্যক্তিগতভাবেও অনেকে এ কাজে জড়িত। তবে সিন্ডিকেটের সঙ্গে যারা জড়িত তারা বিমানবন্দর দিয়ে এই কাজ করেন না। তারা স্থলসীমান্ত এবং উপকূলীয় সীমানা দিয়ে পাশের দেশ এবং চীনে বন্যপ্রাণী পাচার করেন। পাচারের আইটেমগুলোর মধ্যে আছে বনরুই, লজ্জাবতী বানর, পোড়ামুখ হনুমান, উল্লুক জাতীয় প্রাণী। গত এক দেড় বছরে ঢাকা শাহজালাল (রহ.) বিমানবন্দরে বেশ কিছু বন্যপ্রাণী ধরা পড়ে।

এই বিভাগের আরও খবর
পেটে এক কেজি ওজনের ৮০ কোকেন ক্যাপসুল
পেটে এক কেজি ওজনের ৮০ কোকেন ক্যাপসুল
বনশ্রীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
বনশ্রীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
৭১ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছে জাতিসংঘ
৭১ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছে জাতিসংঘ
পে-স্কেল নিয়ে আজ বৈঠক, আসতে পারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
পে-স্কেল নিয়ে আজ বৈঠক, আসতে পারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
বেতন-বোনাসের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ
বেতন-বোনাসের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ
চীনের ভিসা আবেদনে নতুন নিয়ম
চীনের ভিসা আবেদনে নতুন নিয়ম
১০ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় হত্যা
১০ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় হত্যা
ট্রান্সফরমার চুরিতে গিয়ে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের
ট্রান্সফরমার চুরিতে গিয়ে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের
দুই অ্যাম্বুলেন্সে এলো চার সহোদরের লাশ পাশাপাশি দাফন
দুই অ্যাম্বুলেন্সে এলো চার সহোদরের লাশ পাশাপাশি দাফন
দেশের ১০ জেলা দাবদাহের কবলে
দেশের ১০ জেলা দাবদাহের কবলে
শেবাচিমে নবজাতকের মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা
শেবাচিমে নবজাতকের মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা
বিদিশার কারাদণ্ড গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
বিদিশার কারাদণ্ড গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
সর্বশেষ খবর
‘রকস্টার’ টিজারে শাকিব-মিথিলার রোমান্স, রহস্যের আভাস
‘রকস্টার’ টিজারে শাকিব-মিথিলার রোমান্স, রহস্যের আভাস

১১ মিনিট আগে | শোবিজ

প্লে-অফের আশা বাঁচিয়ে রাখল কেকেআর
প্লে-অফের আশা বাঁচিয়ে রাখল কেকেআর

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কমনওয়েলথ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশ
কমনওয়েলথ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশ

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নরওয়ের সংবাদপত্রে ‘সাপুড়ে মোদী’
নরওয়ের সংবাদপত্রে ‘সাপুড়ে মোদী’

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঋণ খরায় ব্যবসা-শিল্প
ঋণ খরায় ব্যবসা-শিল্প

৫৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের আলোচনায় উঠে এলো গণমাধ্যম সংস্কার, বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ করণীয়
বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের আলোচনায় উঠে এলো গণমাধ্যম সংস্কার, বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ করণীয়

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আটক কর্মীদের নিয়ে উপহাসের ভিডিও ভাইরাল, চটলেন নেতানিয়াহু
আটক কর্মীদের নিয়ে উপহাসের ভিডিও ভাইরাল, চটলেন নেতানিয়াহু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নৌপথে ঈদ যাত্রার প্রস্তুতি দেখতে সদরঘাটে পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
নৌপথে ঈদ যাত্রার প্রস্তুতি দেখতে সদরঘাটে পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

কুষ্টিয়ায় সেতুতে টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
কুষ্টিয়ায় সেতুতে টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২১ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২১ মে)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচন বর্জনের ডাক
চট্টগ্রামে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচন বর্জনের ডাক

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রিটিশ নাগরিকত্বে আইপিএলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেন আমির
ব্রিটিশ নাগরিকত্বে আইপিএলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেন আমির

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিদিনের সড়কযুদ্ধ: আর কত প্রাণ গেলে বদলাবে বাস্তবতা?
প্রতিদিনের সড়কযুদ্ধ: আর কত প্রাণ গেলে বদলাবে বাস্তবতা?

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

বিশ্বকাপ শেষ ফারমিন লোপেজের
বিশ্বকাপ শেষ ফারমিন লোপেজের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরাফা দিবসের ফজিলত
আরাফা দিবসের ফজিলত

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শেরপুরে অটোরিকশা-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫
শেরপুরে অটোরিকশা-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দৌলতপুরে পরীক্ষায় জালিয়াতি, তিন শিক্ষক আটক
দৌলতপুরে পরীক্ষায় জালিয়াতি, তিন শিক্ষক আটক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন আইরিশ পেসার
বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন আইরিশ পেসার

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২০৩০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নস লিগের আদল হবে ইউরোপের বাছাই
২০৩০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নস লিগের আদল হবে ইউরোপের বাছাই

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খাগড়াছড়িতে পিলাক ও তৈইমাতাই খাল খননের উদ্বোধন
খাগড়াছড়িতে পিলাক ও তৈইমাতাই খাল খননের উদ্বোধন

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বাঞ্ছারামপুরে বাড়ছে সড়কে মৃত্যু, এবার প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর
বাঞ্ছারামপুরে বাড়ছে সড়কে মৃত্যু, এবার প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ
বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিরাজগঞ্জের কারাগারে থাকা সেই পিআইওকে বরখাস্ত
সিরাজগঞ্জের কারাগারে থাকা সেই পিআইওকে বরখাস্ত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেরপুরে বিপুল ভেজাল পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ১
শেরপুরে বিপুল ভেজাল পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ১

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জুলাই সনদ নিয়ে মাঠ গরম করার সুযোগ নেই: খায়রুল কবির খোকন
জুলাই সনদ নিয়ে মাঠ গরম করার সুযোগ নেই: খায়রুল কবির খোকন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ হারালেন ৪ শ্রমিক
সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ হারালেন ৪ শ্রমিক

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র ফের হামলা চালালে যুদ্ধ ‘মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে’: আইআরজিসি
যুক্তরাষ্ট্র ফের হামলা চালালে যুদ্ধ ‘মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে’: আইআরজিসি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘পরিমাপে আস্থা তৈরিতে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি’
‘পরিমাপে আস্থা তৈরিতে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি’

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঝিনাইদহে ট্রাকে মিলল চালকের মরদেহ
ঝিনাইদহে ট্রাকে মিলল চালকের মরদেহ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদানের চেক ও শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ
জয়পুরহাটে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদানের চেক ও শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা
বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ
রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)
রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের
ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান
ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা
আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়: পুলিশ
শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়: পুলিশ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অব্যবস্থাপনায় ম্লান ৪ ঘণ্টার সুফল, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ফিরেছে ৮-১০ ঘণ্টার ভোগান্তি
অব্যবস্থাপনায় ম্লান ৪ ঘণ্টার সুফল, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ফিরেছে ৮-১০ ঘণ্টার ভোগান্তি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন
সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২
যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম
বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিশু রামিসা হত্যায় গ্রেফতার সোহেলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
শিশু রামিসা হত্যায় গ্রেফতার সোহেলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা
যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড
প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘এ তরকারি কি আপনারা বাসায় খেতেন’, হাসপাতালের রান্না মুখে দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
‘এ তরকারি কি আপনারা বাসায় খেতেন’, হাসপাতালের রান্না মুখে দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি
রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’
‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?
স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে শান্তই সফল অধিনায়ক
বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে শান্তই সফল অধিনায়ক

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুঁজিবাজার, এনবিআর ও ব্যাংক বিকেন্দ্রীভূত করা হবে : অর্থমন্ত্রী
পুঁজিবাজার, এনবিআর ও ব্যাংক বিকেন্দ্রীভূত করা হবে : অর্থমন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

গরু বেচাকেনা বিতর্কে বিপাকে বিজেপি
গরু বেচাকেনা বিতর্কে বিপাকে বিজেপি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পুতিন, বৈঠকের মূল এজেন্ডা কী?
ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পুতিন, বৈঠকের মূল এজেন্ডা কী?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের মঞ্চে বর-কনের কুস্তি, হারলে সারাজীবন ঘরের কাজ করতে হবে
বিয়ের মঞ্চে বর-কনের কুস্তি, হারলে সারাজীবন ঘরের কাজ করতে হবে

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সকালের পদোন্নতি রাতে বাতিল; পরদিন সাময়িক বরখাস্ত বিমানের পরিচালক মিজানুর রশীদ
সকালের পদোন্নতি রাতে বাতিল; পরদিন সাময়িক বরখাস্ত বিমানের পরিচালক মিজানুর রশীদ

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের সবচেয়ে তপ্ত ১০০ শহরের সবগুলোই ভারতে!
বিশ্বের সবচেয়ে তপ্ত ১০০ শহরের সবগুলোই ভারতে!

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে মাটির নিচে মিলল আব্বাসীয় আমলের শতাধিক স্বর্ণখণ্ড
সৌদি আরবে মাটির নিচে মিলল আব্বাসীয় আমলের শতাধিক স্বর্ণখণ্ড

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
রোমহর্ষক জবানবন্দি
রোমহর্ষক জবানবন্দি

প্রথম পৃষ্ঠা

আসিফ নজরুলের হস্তক্ষেপে সিমিনের রেহাই
আসিফ নজরুলের হস্তক্ষেপে সিমিনের রেহাই

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন বাড়ছে খুনাখুনি
কেন বাড়ছে খুনাখুনি

প্রথম পৃষ্ঠা

গঙ্গার পানিবণ্টনে নতুন চিন্তা ভারতের
গঙ্গার পানিবণ্টনে নতুন চিন্তা ভারতের

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ভিতর থেকে ভেঙে যাচ্ছে সমাজ
ভিতর থেকে ভেঙে যাচ্ছে সমাজ

সম্পাদকীয়

রহস্যঘেরা তেঁতুল গাছ
রহস্যঘেরা তেঁতুল গাছ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভারের নিচে দখলের উৎসব
ফ্লাইওভারের নিচে দখলের উৎসব

রকমারি নগর পরিক্রমা

অচল দুদক, সচল হয়রানি
অচল দুদক, সচল হয়রানি

প্রথম পৃষ্ঠা

জুলাই শহীদ ও আহত উপকারভোগী বাড়ছে
জুলাই শহীদ ও আহত উপকারভোগী বাড়ছে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফারাক্কা বাঁধ, দরকার কূটনৈতিক উদ্যোগ
ফারাক্কা বাঁধ, দরকার কূটনৈতিক উদ্যোগ

সম্পাদকীয়

তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে বিএনপি সরকার
তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে বিএনপি সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

শুকনা মরিচে বাজিমাত
শুকনা মরিচে বাজিমাত

নগর জীবন

ঢাকনা খোলা ম্যানহোলে দুর্ঘটনার শঙ্কা
ঢাকনা খোলা ম্যানহোলে দুর্ঘটনার শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

বেগুনের দামেও সেঞ্চুরি
বেগুনের দামেও সেঞ্চুরি

নগর জীবন

সারচার্জের বদলে আসছে সম্পদকর
সারচার্জের বদলে আসছে সম্পদকর

পেছনের পৃষ্ঠা

শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে অপরাধীর
শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে অপরাধীর

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রামীণ ডানোন ফুডসকে জরিমানা
গ্রামীণ ডানোন ফুডসকে জরিমানা

দেশগ্রাম

অর্থনৈতিক চাপ ও সামাজিক অবক্ষয়
অর্থনৈতিক চাপ ও সামাজিক অবক্ষয়

প্রথম পৃষ্ঠা

এক মৌসুমে তিন শিরোপা
এক মৌসুমে তিন শিরোপা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচারহীনতার সংস্কৃতি দায়ী
বিচারহীনতার সংস্কৃতি দায়ী

প্রথম পৃষ্ঠা

আরাফা দিবসের ফজিলত
আরাফা দিবসের ফজিলত

সম্পাদকীয়

এ তরকারি বাসায় রান্না হলে খেতেন?
এ তরকারি বাসায় রান্না হলে খেতেন?

নগর জীবন

আবার কমল সোনার দাম
আবার কমল সোনার দাম

নগর জীবন

চামড়ার বাজার পুনরুদ্ধার করতে হবে
চামড়ার বাজার পুনরুদ্ধার করতে হবে

নগর জীবন

জুলাই সনদ নিয়ে জামায়াত মিথ্যাচার করছে
জুলাই সনদ নিয়ে জামায়াত মিথ্যাচার করছে

প্রথম পৃষ্ঠা

চোরের দৌরাত্ম্যে উদ্বিগ্ন নগরবাসী
চোরের দৌরাত্ম্যে উদ্বিগ্ন নগরবাসী

রকমারি নগর পরিক্রমা

ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার
ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার

দেশগ্রাম

ওয়াশ খাতে তিন বছরে বরাদ্দ কমেছে ৪০ শতাংশ
ওয়াশ খাতে তিন বছরে বরাদ্দ কমেছে ৪০ শতাংশ

নগর জীবন

আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হবে সৈয়দপুর
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হবে সৈয়দপুর

নগর জীবন