শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৯:১৪
আপডেট : ১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:০২
প্রিন্ট করুন printer

খবর টাইমস নাও'র

পোশাক নিয়ে পাইলটের আপত্তিতে অস্ট্রেলীয় তরুণীকে বিমানে উঠতে বাধা!

অনলাইন ডেস্ক

পোশাক নিয়ে পাইলটের আপত্তিতে অস্ট্রেলীয় তরুণীকে বিমানে উঠতে বাধা!
ফাইল ছবি

বিশ্বের রক্ষণশীল দেশগুলোতে নারীদের পোশাক নিয়ে জারি থাকে একাধিক নিয়মকানুন। নিয়ম ভাঙলে অবধারিত শাস্তি। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশেও পোশাক কাণ্ডে বিতর্ক তৈরি হলো? শুনতে অবাক লাগলেও ছোট পোশাকের কারণেই এক অস্ট্রেলীয় তরুণীকে উঠতে দেওয়া হল না দেশটির প্রথম সারির বিমানসংস্থার বিমানে। এমন খবর জানার পর অনেকেই হতবাক হয়েছেন।

জানা গেছে, ওই তরুণীর নাম ক্যাথরিন বাম্পটন। অ্যাডিলেড থেকে গোল্ড কোস্ট যাওয়ার জন্য ভার্জিন অস্ট্রেলিয়ার বিমানসংস্থার একটি টিকিট কেটেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বিমানে ওঠার সময়ই বাধাপ্রাপ্ত হন রিনি। বিমানসেবিকারা তাকে জানান, বিমানচালকের ক্যাথরিনের ছোট পোশাকে আপত্তি রয়েছে। তাই তিনি যেন নিজের পোশাক বদলে তবেই বিমানে চড়েন। গোটা ঘটনায় রীতিমতো অবাক হন ওই তরুণী। 

পরবর্তীতে অজি সংবাদমাধ্যমকে এক সাক্ষাৎকারে গোটা বিষয়টি প্রসঙ্গে জানান ক্যাথরিন। তিনি বলেন, ওই সময় যাত্রীদের সামনেই আমাকে পোশাক পরিবর্তনের কথা বলেন বিমানসেবিকা। যা আমাকে বিড়াম্বনায় ফেলে দেয়। আমাকে বলা হয়, এই পোশাকে শরীরের অনেকটা অংশ দেখা যাচ্ছে, যা বিমানচালকের পছন্দ নয়। ওই সময় সবাই আমাকেই দেখছিল। যা খুবই অস্বস্তিজনক ছিল। 

জানা গেছে, এরপরই একটি জ্যাকেট পরে ফেলেন ক্যাথরিন। তারপরই বিমানে চড়ার অনুমতি পান। এই ঘটনা জানতে পেরে অবাক ভার্জিন অষ্ট্রেলিয়া নামে ওই বিমানসংস্থার কর্মকর্তারা। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। সংস্থাটির এক মুখপাত্র জানান, ভার্জিন অস্ট্রেলিয়া এদেশের জনপ্রিয়তম এয়ারলাইন্স। আমরা যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়ে যথেষ্ট খেয়াল রাখি। ওই তরুণী সরকারিভাবে এই ঘটনা নিয়ে কোনও অভিযোগ জানাননি। তবে আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালাচ্ছি। এদিকে, ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই অনেকেই ওই বিমানসংস্থার সমালোচনায় মুখর হয়েছেন।  


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:২৬
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:০৩
প্রিন্ট করুন printer

ব্যস্ত রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছে ১৩৯ বছরের বাড়ি, দেখতে রাস্তায় ভিড়

অনলাইন ডেস্ক

ব্যস্ত রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছে ১৩৯ বছরের বাড়ি, দেখতে রাস্তায় ভিড়
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

কখনো দেখেছেন ব্যস্ত রাস্তায় ‘গুটিগুটি পায়ে’ এগিয়ে চলেছে একটা পুরো বাড়ি। সান ফ্রান্সিসকো শহরের এক রাস্তায় এমনই এক দৃশ্য দেখা গেল।

সবুজ রঙের একটা বাড়ি এ পাড়া থেকে ও পাড়ায় চলে গেল। আসলে চলে গেল না। গত ৮ বছর ধরে বাড়িটিকে সরানোর প্রস্তুতি চলছিল। গত রবিবার সেই কাজই সম্পন্ন হয়। আর বাড়ি সরানোর এমন দৃশ্য ভাইরাল হতে সময় নেয়নি মোটেই

সান ফ্রান্সিসকোর ফ্র্যাঙ্কলিন স্ট্রিটে ১৩৯ বছর ধরে ঠিকানা ‘ইংল্যান্ডার হাউস’ নামে এক বাড়ির। যাতে রয়েছে ৬টি শোবার ঘর এবং ৩টি স্নানের ঘর। কিন্তু ঐতিহাসিক সেই ঘরকে না ভেঙে সরানোর প্রয়োজন হয়। গত কয়েক বছর ধরে তার প্রস্তুতি চলছিল।

রাস্তার ২ ধারের গাছগুলোর ডাল ছেঁটে দেওয়া পার্কিংয়ের জায়গাগুলি খালি করে রাস্তা চওড়া করা এমন কি বিদ্যুতের তারও সরিয়ে ফেলে হয়। আর যে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বাড়িটিকে সেটি একটি একমুখী রাস্তা। তাতে আবার উল্টো দিকে বাড়িটিকে নতুন ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হয়।

হাইড্রোলিক ডলিতে তুলে ধীর গতিতে বাড়িটিকে ফ্র্যাঙ্কলিন স্ট্রিট থেকে ৭ ব্লক দূরে ফুলটনে নিয়ে যাওয়া হয়। রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে বাড়িসহ ডলিগুলোকে ১ মাইল প্রতি ঘণ্টা গতিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

আর আস্ত একটি বাড়ির এমন যাত্রা দেখতে রাস্তায় প্রচুর মানুষ দাঁড়িয়ে যান। তারা মোবাইলে সেই বিরল দৃশ্য রেকর্ড করেন। পরে যা ভাইরাল হয়ে যায়।

সূত্র : আনন্দবাজার

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:০৮
প্রিন্ট করুন printer

ছুটি পেতে 'অপহরণ' নাটক সাজিয়ে হারাতে হলো চাকরি!

অনলাইন ডেস্ক

ছুটি পেতে 'অপহরণ' নাটক সাজিয়ে হারাতে হলো চাকরি!
সংগৃহীত ছবি

কর্মস্থল থেকে ছুটি পাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ আপনি কী করবেন? অসুস্থতা হলে সেই কারণ দেখিয়ে বা অসুস্থতার নামে মিথ্যা বলে ছুটি নেবেন। অনেকে আবার আত্মীয়স্বজনদের মৃত্যুসংবাদের কথাও কাজে লাগান ছুটি পাওয়ার জন্য। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় ১৯ বছরের এক কিশোরের কাণ্ড শুনে হতবাক সকলেই। একটি কারখানার কর্মী ওই ছেলেটি। ছুটি পাওয়ার জন্য নিজেই নিজের অপহরণের নাটক সাজায় সে। যদিও শেষ পর্যন্ত চাকরিচ্যুত করা হয় তাকে।

ব্র্যান্ডন সোলস নামে ১৯ বছরের ওই কিশোর ছুটি পাওয়ার জন্য অপহরণের গল্প ফেঁদেছিলেন। পুলিশ সূত্রে খবর, সোলসকে খুঁজে পাওয়া গেছে। টায়ারের কারখানায় কর্মরত সোলসকে একটি পানির টাওয়ারের সামনে থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। এসময় তার মুখেও কাপড় আটকানো ছিল বলে জানা গেছে।

পুলিশকে সোলস জানিয়েছিলেন, তাকে দুই ব্যক্তি অপহরণ করেছিল। এই পানির টাওয়ারের কাছে ফেলে যাওয়ার আগে তাকে গাড়িতে তোলা হয়েছিল বলে দাবি সোলসের। অচৈতন্য অবস্থায় তাকে এই রাস্তায় ফেলে দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা বলে দাবি করে সে। পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে নেমে অবশ্য গোটা বিষয়টা অন্যভাবে সামনে চলে আসে। ব্র্যান্ডন সোলসকে অপহরণের কোনও প্রমাণ পাননি তারা। রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গোয়েন্দারা নিশ্চিত গোটা বিষয়টি সাজানো হয়েছিল ছুটি পাওয়ার জন্য।

পুলিশের জেরার মুখে পড়ে অবশ্য নিজের দোষের কথা স্বীকার করেছেন ব্র্যান্ডন। কাজ থেকে ছুটি পাওয়ার জন্যই এমন গল্প ফেঁদেছিলেন বলে দাবি করেছেন সোলস। তবে মিথ্যা গল্প ফেঁদে এভাবে পুলিশকে বিব্রত করার দায়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটক ব্র্যান্ডন নিজের বেল্ট দিয়েই নিজে হাত বেঁধেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। কারখানা থেকেও তাকে বিতাড়িত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৩:১৫
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:০৫
প্রিন্ট করুন printer

৮১ বছর বয়সী বৃদ্ধার ব্যায়াম

অনলাইন ডেস্ক

৮১ বছর বয়সী বৃদ্ধার ব্যায়াম
প্ল্যাংক, পুল-আপ আর নাচের ১০০-র বেশি ভিডিও টিকটকে আপলোড করেছেন তিনি

জার্মানির ৮১ বছর বয়সী এরিকা রিশকো টিকটিকে ১০০-র বেশি ভিডিও আপলোড করেছেন। প্ল্যাংক, পুল-আপ আর নাচের এসব ভিডিওতে ২০ লাখের বেশি লাইক পড়েছে। 

টিকটকে তার অনুসারীর সংখ্যা প্রায় সোয়া এক লাখ। গত বসন্তে জার্মানিতে লকডাউন শুরু হলে তার প্রথম ভিডিও আপলোড করা হয়। কিছু ভিডিওতে এরিকার সঙ্গে তার স্বামীকে দেখা যায়। 

‌‘এটা দারুণ, জাস্ট গ্রেট। নিজেকে নিয়ে আমি এখন যতটা আত্মবিশ্বাসী, আগে ততটা ছিলাম না’,- বলেন এরিকা রিশকো। 

তরুণদের মন্তব্য থেকেও উৎসাহ পান তিনি। 

তিনি বলেন, ‘তরুণরা যখন আমাদের বলে যে, তারা মনে করে, আমরা গ্রেট এবং আমরা কীভাবে এমনটা করি, এটা দারুণ অনুপ্রেরণা দেয়।’

সূত্র: ডয়চে ভেলে

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ 

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:১২
প্রিন্ট করুন printer

মোবাইলের নেটওয়ার্ক পেতে নাগরদোলায় চড়লেন মন্ত্রী!

অনলাইন ডেস্ক

মোবাইলের নেটওয়ার্ক পেতে নাগরদোলায় চড়লেন মন্ত্রী!
সংগৃহীত ছবি

মোবাইলে কথা বলতে বলতে সমস্যা হচ্ছিল। তাই নেটওয়ার্ক পেতে অদ্ভুত উপায় অবলম্বনও করলেন ভারতেরর মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী ব্রজেন্দ্র সিং। উঠে বসলেন ৫০ ফুট উঁচু নাগরদোলায়। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তার সেই ছবি এবং ভিডিও ভাইরাল হয়। এমনকী সংবাদপত্রেও প্রকাশিত হয়েছে সেই ছবি।

জানা গেছে, সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের আমখো গ্রামে নামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সঙ্গে একটি মেলাও বসেছে। সেখানেই মূল আকর্ষণ ওই নাগরদোলাটি। এদিকে, মন্ত্রী ব্রজেন্দ্র সিং মেলায় যেতেই অনেকেই তাঁর কাছে নানান সমস্যার কথা জানাতে শুরু করেন। সেই সমস্যা সমাধানে এরপরই ফোন করার চেষ্টা করতে থাকেন তিনি। কিন্তু কিছুতেই মোবাইলে নেটওয়ার্ক পাননি। এরপরই নাগরদোলায় উঠে বসেন। আর তারপর সেই ছবিটিই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। ভারতের প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে ফোনের নেটওয়ার্কের অবস্থা এতটাই খারাপ যে এর আগেও এই ধরনের ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:০৬
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:০৮
প্রিন্ট করুন printer

যে দ্বীপে মৃত্যুর কথাও ‘ভুলে’ যায় মানুষ!

অনলাইন ডেস্ক

যে দ্বীপে মৃত্যুর কথাও ‘ভুলে’ যায় মানুষ!
ইকারিয়া দ্বীপের এভডিলস গ্রাম। ছবি: সংগৃহীত

“জন্মিলে মরিতে হবে”- এটি চির সত্য। এই কথার খেলাপ আজও  হয়নি। এমনকি এই গল্পেও ব্যতিক্রম কিছু নেই। তবে শিরোনামের কথাটিও মিথ্যা নয়। এমন জায়গাও আছে যেখানে মরতে হবে সত্য, তবে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার পর। বলা যায়, ১০০ বছর বয়সেও মৃত্যু কী জিনিস তা নিয়ে চিন্তা করেন না সেখানকার বাসিন্দারা। 

করোনার পর মানুষের রোগ-ব্যাধির পরিমাণ যেমন বেড়েছে তেমনই বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যাও। তবে পৃথিবীর মধ্যেই এমন দ্বীপ আছে যেখানে ব্যাধির কোনও আঁচ পড়েনি। শত বছর বয়স হলেও অনেকে সেই দ্বীপে বাস করছেন সুস্থ-সবলভাবে। সেখানকার মানুষের গড় আয়ু ১০০ বছর। গ্রিসের একটি ছোট দ্বীপ ইকারিয়ার গল্প এটি।
 
২৫৪ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে দ্বীপটি। এই দ্বীপের মানুষ দীর্ঘজীবী হওয়ার কারণ হল পরিবেশ আর আবহাওয়া। জানা গেছে, স্তামাতিস মোরাইতিস নামে এক লোক মারণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ইকারিয়া দ্বীপে এসে দীর্ঘদিন বেঁচেছিলেন। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, তিনি কোনও রকম চিকিৎসা ছাড়াই সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন, এমনটাই লোকমুখে প্রচারিত। মানুষের গড় আয়ু যে শুধু ১০০ বছর তা নয়, বরং তার চেয়েও অবাক করার মতো বিষয় হল এই দ্বীপের বৃদ্ধদের সঙ্গে মিল নেই সারা বিশ্বের বাকি বৃদ্ধদের। কারণ ১০০ বছর বয়সেও তারা দিব্যি পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত গির্জার সিঁড়ি পার করে ফেলেন। এখনও এই দ্বীপের বাসিন্দারা জীবন নির্বাহের জন্য ঘড়ির ওপর নির্ভর করেন না।
 
তবে প্রশ্ন এটাই জাগে যে কী খেয়ে তারা দীর্ঘ জীবন লাভ করেছেন? তারা নাকি জীবনের কোনও সমস্যা নিয়েই মাথা ঘামান না। কেউ মাথা ঘামান না টাকা পয়সা নিয়েও। এখানকার বাসিন্দাদের খাদ্যাভ্যাসের মধ্যে রয়েছে বেশি পরিমাণে টাটকা শাক-সবজি এবং ফল-মূল। তাদের খাদ্যাভ্যাসে নেই কোনওরকম ফাস্টফুডের জায়গা। এমনকি তাদের খাদ্যের তালিকায় মাছ-মাংসের পরিমাণও খুবই নগণ্য। এখানকার ভূ-প্রকৃতি পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় আলাদা করে শরীরচর্চা করেন না তারা। ঠান্ডা পরিবেশে শরীর গরম রাখতে এখানকার লোকেরা নিজেদের তৈরি স্থানীয় মদ খান। তবে তাও ২ গ্লাসের বেশি না। পর্যাপ্ত ঘুমের জন্যে তাদের ভরসা এক ধরনের হার্বাল চা। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, বিবিসি

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর