শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০ ০৯:৩২
আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৩:২১
প্রিন্ট করুন printer

রোহিঙ্গা পাচারের নিরাপদ রুট সিলেট সীমান্ত

নয় দিনে ২৫ জন আটক

শাহ্ দিদার আলম নবেল, সিলেট

রোহিঙ্গা পাচারের নিরাপদ রুট সিলেট সীমান্ত

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাচারের নিরাপদ রুট হয়ে দাঁড়িয়েছে সিলেটের বিভিন্ন সীমান্ত। দালাল চক্রের মাধ্যমে তারা সিলেটে অবস্থান ও ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করছে। গেল নয় দিনের ব্যবধানে ভারতে যাওয়ার সময় সিলেটে র‌্যাব ও পুলিশের অভিযানে ২৫ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী আটক হয়েছে। পরে তাদের কক্সবাজার উখিয়া ক্যাম্পে পাঠানো হয়। রোহিঙ্গারা যাতে সিলেটে অবস্থান বা সীমান্ত দিয়ে আসা-যাওয়া করতে না পারে সে জন্য নজরদারি বাড়িয়েছে র‌্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দারা। সোমবার সকাল সাড়ে ৭টায় সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার যমুনা মার্কেটে মামুন বাস কাউন্টারের সামনে থেকে ১১ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করে মহানগর পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন নারী, চারজন শিশু ও তিনজন পুরুষ ছিলেন। এদের সবাই কক্সবাজার উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের বাসিন্দা। আটকের পর রোহিঙ্গা শরণার্থীরা জানান, তারা ভারতে যাওয়ার উদ্দেশে কক্সবাজার ক্যাম্প থেকে কৌশলে পালিয়ে সিলেট এসেছেন। ভারতে তাদের পরিচিত রোহিঙ্গারা রয়েছেন। দালালদের মাধ্যমে তারা সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। আটকের পর রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের নিজ নিজ ক্যাম্পে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এদিকে ৬ ডিসেম্বর সকালে দক্ষিণ সুরমার হুমায়ূন রশিদ চত্বর থেকে ১৪ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করে র‌্যাব। এ সময় দুই দালালকেও আটক করা হয়। আটক রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে সাতজন প্রাপ্তবয়স্ক ও সাতজন শিশু ছিল। প্রাপ্তবয়স্ক রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আদালতে হাজির করা হলে তারা কৌশলে ক্যাম্প থেকে পালিয়ে দালালদের মাধ্যমে ভারতে যাওয়ার চেষ্টার কথা স্বীকার করে। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠানো হয়। এদিকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাচারের অভিযোগে আটক কক্সবাজারের উখিয়া থানার কুতুপালং গ্রামের মো. ছাদেক ও সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ডনা রাতাছড়া গ্রামের সেলিম আহমদের নামে মানব পাচার আইনে মামলা হয়েছে। আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। ৯ দিনে ২৫ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী আটক ছাড়াও ইতিমধ্যে সিলেটের বিভিন্ন স্থান থেকে অন্তত অর্ধশত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এদের সবাই সিলেটের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। ভারতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে দালালরা সিলেটের জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট সীমান্তই বেশি ব্যবহার করছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার বি এম আশরাফ উল্লাহ তাহের বলেন, ‘দালালদের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা ক্যাম্প থেকে কৌশলে পালিয়ে আসছে। আটকের পর তারা বলছে, ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্যই তারা ক্যাম্প ছেড়ে আসছে। রোহিঙ্গারা যাতে সিলেট শহরে অবস্থান বা ক্যাম্প ছেড়ে সীমান্ত দিয়ে পালাতে না পারে সে জন্য মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কড়া নজরদারির কারণে ১১ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী সিলেট শহর ত্যাগের আগেই ধরা পড়েছে।’


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০১:০৯
প্রিন্ট করুন printer

রাজধানীতে মশা বেড়েছে চারগুণ, কেন বাড়ছে?

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে মশা বেড়েছে চারগুণ, কেন বাড়ছে?
সংগৃহীত ছবি

রাজধানী ঢাকায় গত বছরের এই সময়ের তুলনায় বর্তমানে মশার ঘনত্ব বেড়েছে চার গুণ। আর মশা নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত মশার ঘনত্ব বেড়ে চরমে পৌঁছাবে।

সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় এমন তথ্য জানানো হয়। গবেষণাটি পরিচালনা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ড. কবিরুল বাশার। তিনি বলেন, প্রতি মাসেই যাতে মশার ঘনত্ব কেমন হচ্ছে তা তুলনা করার জন্য এই গবেষণাটি পরিচালনা করছেন তিনি।

এর অংশ হিসেবে জানুয়ারির শেষের দিকে তিনি দেখতে পান যে, মশার ঘনত্ব অন্য সময়ে যা থাকে তার চেয়ে চারগুণ বেশি বেড়েছে। ‌‘গত বছরের এপ্রিল থেকে শুরু করা হলে জানুয়ারিতে অন্যান্য মাসের তুলনায় চারগুণ মশার ঘনত্ব পেয়েছি, বিশেষ করে লার্ভার ডেনসিটি।’

মশার ঘনত্ব কেমন বাড়ছে সেটা জানতে ঢাকার উত্তরা, খিলগাও, শনির-আখড়া, শাঁখারিবাজার, মোহাম্মদপুর ও পরীবাগসহ ছয়টি এলাকার নমুনা নিয়ে গবেষণা চলছে।

বাশার বলেন, ‘ছয়টা জায়গাতে গড় ঘনত্ব প্রতি ডিপে (মশার ঘনত্ব বের করার পরিমাপক) আমরা মশা পেয়েছি ৬০টিরও বেশি। যেখানে আমরা অন্যান্য সময় পাই ১৫-২০টি।’

মশা কেন বেড়েছে?

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কবিরুল বাশার বলেন, এই সময়ে যে মশা দেখা যাচ্ছে তার মধ্যে ৯৯% হচ্ছে কিউলেক্স মশা। যেটি আসলে এডিস মশা নয়। তিনি জানান, এই মশা সাধারণত পঁচা পানিতে হয়। নর্দমা, ড্রেন, ডোবা, বিল ঝিলে পানি এখন পঁচে গেছে। সেই সাথে বৃষ্টিপাত না হওয়ার কারণে এবং পানি বহমান না থাকার কারণে কিউলেক্স মশার জন্মানোর হার বেড়ে যায়।

শীতের শেষে তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে প্রকৃতিতে যে মশার ডিম থাকে সেগুলো একযোগে ফুটে যায়। যার কারণে ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে মশার ঘনত্ব বেড়ে যায়।

কিউলেক্স মশার কামড়ে অনেক সময় গোদ রোগ হয়। যেটাকে ফাইলেরিয়াসিস বা এলিফ্যান্টিয়াসিসও বলা হয়। এটি হলে হাত পা ফুলে বড় হয়ে যায়।

কয়েল বা স্প্রে-তেও মশা যাচ্ছে না কেন?

অনেকেই অভিযোগ করে থাকেন যে, মশা মারতে বা তাড়াতে এর আগে কয়েল এবং অ্যারোসল স্প্রে ব্যবহার করা হলে তা কাজ করতো। তবে ইদানীং কয়েল বা স্প্রে ব্যবহার করলেও মশা তাড়ানো যাচ্ছে না।

এমন প্রশ্নের উত্তরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ড. কবিরুল বাশার বলেন, নির্দিষ্ট কোন একটি কীটনাশক একটানা পাঁচ বছরের বেশি ব্যবহার করা হলে মশা সেই কীটনাশকের বিপক্ষে সহনশীলতা তৈরি করে।

"এটি একটি জেনেটিক মেকানিজম।"

এই প্রক্রিয়ায় ওই কীটনাশকের প্রতি সহনশীল হওয়ায় সেটি আর কাজ করে না। আর এজন্যই মশা নিয়ন্ত্রণে প্রতি পাঁচ বছর পর পর কীটনাশক পরিবর্তন করা দরকার। তার বিরুদ্ধে

মশা নিয়ন্ত্রণে আনতে কী করতে হবে?

বাশার বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে র‍্যাপিড অ্যাকশনের মতো পদক্ষেপ নিতে হবে। এর আওতায় সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি জায়গায় যেখানে পানি রয়েছে সেখানে একযোগে লার্ভা নিধনের ওষুধ দেয়া ছিটিয়ে দিতে হবে।

সেই সাথে জনগণের সহায়তা বিল-ঝিল-ডোবা-নর্দমা পরিষ্কার করতে হবে। কারণ এসব স্থানেই মশা বেশি জন্মায়।

আর প্রাপ্ত বয়স্ক মশা দমনে ফগিং করতে হবে। এই অভিযান শুরু করার পর তিন দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে। যাতে মশা আবার ডিম পাড়ার সুযোগ না পায়।

এছাড়া স্থায়ীভাবে মশা নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে সারা বছরব্যাপী সমন্বিত মশক ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

যার মধ্যে প্রথমেই পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা করতে হবে। অর্থাৎ আশপাশের পরিবেশ বা জলাশয় পরিষ্কার ও দূষণমূক্ত রাখতে হবে।

দ্বিতীয়টি হচ্ছে জৈবিক নিয়ন্ত্রণ। এক্ষেত্রে যেসব প্রাণী প্রাকৃতিকগতভাবেই মশা খেয়ে থাকে সেগুলো যেমন গাপ্পি ফিস, ব্যাং, ড্রাগন ফ্লাই-এগুলো ব্যবহার করতে হবে। এগুলোকে প্রকৃতিতে ছাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

তৃতীয়টি হচ্ছে কীটনাশক। দুই ধরণের কীটনাশক রয়েছে যাদের মধ্যে এক ধরণের কীটনাশক লার্ভা ধ্বংস করে এবং অন্যটি পূর্ণ বয়স্ক মশা মেরে ফেলতে ব্যবহার করা হয়।

আর চতুর্থটি হচ্ছে, মশা নিধন কর্মযজ্ঞে জনগণকে সম্পৃক্ত করা। শুধু কোন একটি কর্তৃপক্ষ বা সিটি কর্পোরেশনের একার পদক্ষেপে মশা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয় বলে মনে করেন তিনি। এর জন্য জনগণের সচেতনতা এবং অংশগ্রহণ দরকার।
 
সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ 

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:৫৭
প্রিন্ট করুন printer

রিজার্ভ ৪৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

অনলাইন ডেস্ক

রিজার্ভ ৪৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
ফাইল ছবি

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ ৪৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দিন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভের পরিমাণ ৪৪ দশমিক ০২৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।  

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের সঙ্গে রফতানি আয় বেড়েছে। যে কারণে রির্জাভের পরিমাণ ৪৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।  

গত ৩০ ডিসেম্বর দেশের রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪৩ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছিল। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) নভেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদের আমদানি বিল পরিশোধের পর তা ৪২ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসে। তবে রেমিটেন্সে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকায় এক মাস না যেতেই রিজার্ভ আবার ৪৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করল।

এই রির্জাভ দিয়ে আগামী ১১ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার মজুদ থাকতে হয়।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:৪১
প্রিন্ট করুন printer

বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ নিতে চায় ভুটান

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ নিতে চায় ভুটান

বাংলাদেশ থেকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভুটান। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সাথে বুধবার ভার্চুয়াল আলোচনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েনতসি এ আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেন। ভুটানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যান্ডইউথ রফতানির ব্যাপারে মন্ত্রী সম্ভাব্য সবধরনের সহযোগিতা প্রদানে আশ্বাস দেন। 

তথ্য অধিদফতরের এক তথ্যবিবরণীতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার বন্ধুপ্রতীম সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে ভুটানের সহযোগিতা ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ হিসেবে ভুটানের ভূমিকা তুলে ধরেন এবং ভুটানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‌‘বাংলাদেশ ও ভুটানের ভূপ্রকৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জীবনধারা প্রায় এক ও অভিন্ন।’ তিনি দেশের ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরে বলেন, ‘ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে পৃথিবীর যে কয়টি দেশ এগিয়ে বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বিশ্বে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমরা দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সংযোগ পৌঁছে দিয়েছি। দেশের প্রতিটি গ্রামে সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ বাংলাদেশ এখন রফতানি করছে।’ 

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আগামী দিনগুলোতে অনন্য এক উচ্চতায় উপনীত করতে তার প্রচেষ্টার কথা ব্যক্ত করেন। তিনি বাংলাদেশের ডিজিটাল প্রযুক্তি খাতের অব্যাহত অগ্রগতির প্রশংসা করেন।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:১৬
প্রিন্ট করুন printer

চলতি বছরের মধ্যে নদী খনন শেষ করার সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বছরের মধ্যে নদী খনন শেষ করার সুপারিশ

চলমান শুষ্ক মৌসুমকে কাজে লাগিয়ে চলতি (২০২১) বছরের মধ্যে নদী খনন কাজ দ্রুত শেষ করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। একইসঙ্গে খননকৃত মাটি ও বালু দ্বারা পুনরায় নদী ভরাট হওয়া রোধে নদীর তীর থেকে কমপক্ষে ১০০ মিটার বা নদী ভেদে ৫০০ থেকে ১০০০ মিটার দূরুত্বে নদী থেকে উত্তোলিত মাটি ও বালু ফেলার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অধিদপ্তর করার সুপারিশ করে কমিটি।

সংসদ ভবনে আজ অনুষ্ঠিত ‘পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি’র ১৬তম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি রমেশ চন্দ্র সেন। পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, এ. এম. নাঈমুর রহমান, সামশুল হক চৌধুরী এবং নুরুন্নবী চৌধুরী বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

সংসদের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, বৈঠকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জনবল সম্পর্কিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে জানানো হয়, সরকারের ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন। কমিটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সার্বিক কার্যক্রমের উন্নয়নের লক্ষ্যে একে অধিদপ্তরে পরিণত করার পাশাপাশি পানি মন্ত্রণালয়ের বাজেট বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে খুলনার কয়রা, নোয়াখালী ও ভোলা জেলার বাঁধগুলি উঁচুকরণ ও মূল ভূ-খন্ড সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:৪০
প্রিন্ট করুন printer

ঢাকায় পৌঁছেছে ‘আকাশ তরী’

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকায় পৌঁছেছে ‘আকাশ তরী’

বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের মধ্যে জিটুজি ভিত্তিতে ক্রয় করা ৩টি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজের ২য় উড়োজাহাজ দেশে পৌঁছেছে। 
আজ বুধবার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে উড়োজাহাজটি দেশে পৌঁছায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই উড়োজাহাজের নাম রেখেছেন ‘‘আকাশ তরী’’।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে উড়োজাহাজটি গ্রহণ করেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদুল হাসান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোকাব্বির হোসেন প্রমূখ।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী জানান, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরকে আধুনিকায়ন করার জন্য কাজ করছেন। তার অংশ হিসেবেই নতুন উড়োজাহাজ "আকাশ তরী" আজ দেশে এসেছে। আগামী ৪ মার্চ তৃতীয় ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজটি দেশে এসে পৌঁছাবে।  

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর