Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০২:৩৮

দুদকের মামলায় সাজা শতভাগ

------ ইকবাল মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

দুদকের মামলায় সাজা শতভাগ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) অভিযোগে দুদকের করা মামলায় সাজার হার শতভাগ। গতকাল দুদকের প্রধান কার্যালয়ে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।  সংস্থাটির কারিগরি পরিচালক রবার্ট লকারির নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল দুদক চেয়ারম্যানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, বিদ্যমান আইনে অর্থ পাচারসংক্রান্ত মামলা পরিচালনার একক দায়িত্ব দুদকের নয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরসহ একাধিক সংস্থা এ অপরাধের তদন্ত করে। তিনি বলেন, ছোট ছোট দুর্নীতি অঙ্কুরেই বিনাশ করা গেলে, বড় বড় দুর্নীতির পথ সংকুচিত হয়ে আসে। তা না হলে এই ছোট ছোট দুর্নীতি একসময় দুর্নীতির মহিরুহে পরিণত হয়, যা সমাজকে বিপন্ন করে ফেলে এবং তা উপড়ে ফেলাও দুরূহ।

দুদক চেয়ারম্যান বাংলাদেশের অর্থ পাচারসংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধে তদন্ত কর্মকর্তা, আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট বিচারকদের প্রশিক্ষণে সহায়তার আহ্বান জানান। প্রতিনিধি দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু আমেরিকায় গিয়ে প্রশিক্ষণ নিতে হবে তা নয়, বরং আপনারা আপনাদের দক্ষ ব্যক্তিদের বাংলাদেশে এনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারেন। তিনি বলেন, কমিশনের কোনো আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন নেই, কমিশনের প্রয়োজন জ্ঞানের। কমিশনের বেশি প্রয়োজন দেশি-বিদেশি জ্ঞানের মিশ্রণ। এক প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, অর্থ পাচারের মাধ্যমে শুধু সন্ত্রাসে অর্থায়ন হয় না, বরং দেশের পুঁজি অন্য জায়গায় স্থানান্তর (ক্যাপিটাল ফ্লাইং) হচ্ছে, যা দেশের অর্থনৈতিক বিকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা দুদক চেয়ারম্যানকে জানান, তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। অপরাধ দমনে কার্যকর তদন্ত ও আইনজীবী প্রয়োজন। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদকের তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার সক্ষমতা এখনো হয়তো কাক্সিক্ষত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। তবে দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তদন্ত কর্মকর্তা ও আইনজীবীদের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। দুদকের স্থায়ী আইনজীবী নেই জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, এর পরও দুদক আইনজীবীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য কমিশন অনুমোদিত নীতিমালার আলোকে ব্যবস্থা নিচ্ছে।


আপনার মন্তব্য