শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৯ জুন, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৯ জুন, ২০১৯ ০১:৪৮

ঋণখেলাপি হলেই খারাপ মানুষ নয় : শিল্পমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঋণখেলাপি হলেই খারাপ মানুষ নয় : শিল্পমন্ত্রী

শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেছেন, ঋণখেলাপি হলেই খারাপ মানুষ নয়। ঋণ নিয়েছে, ভেগে গেছে কিনা, দেশে আছে কিনাÑ সেটা দেখতে হবে। যে কর্মসংস্থান তারা তৈরি করেছে, সেটা কিন্তু একটা মন্ত্রণালয় বা একটা সরকারও করতে পারে না। ঘাত-প্রতিঘাত থাকবে। গতকাল রাজধানীর মতিঝিলে শিল্প মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিমসহ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০১৭ প্রদান উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। আজ রাজধানীর একটি হোটেলে এ পুরস্কার দেওয়া হবে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ পুরস্কার প্রদান করবেন।

এবার ছয় ক্যাটাগরিতে মোট ১৪টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হবে। তাদের মাঝে বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পাবে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড, দ্বিতীয় এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেড এবং তৃতীয় পুরস্কার পাবে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

সংবাদ সম্মেলনে নুরুল মজিদ মাহমুদ আরও বলেন, ‘ঋণ তো থাকবেই, ঋণ ছাড়া কোনো ব্যবসা হয় না। ঋণ নিতেই হবে। আমাদের কারও বাপ-দাদার এত পয়সা ছিল না যে, আমরা রাতারাতি শিল্পপতি হয়ে গেছি। আজকে আপনারা যে বাংলাদেশ ভোগ করছেন, সেটা কিন্তু ছিল না। অনেক ঘাত-প্রতিঘাতে এখানে এসেছে। ঋণখেলাপি কিনা, তাদের ট্যাক্স ফাঁকি আছে কিনাÑ এগুলো কিন্তু চেক করা হইছে। কোনো মামলা আছে কিনাÑ ক্রিমিনাল মামলা, ফৌজদারি মামলা, ট্যাক্স পরিশোধ করে কিনা নিয়মিত। যারা ঋণখেলাপি নয়, ট্যাক্স ফাঁকি নেই এই ধরনের লোকদেরই রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি পুরস্কার হিসেবে এ বছর ছয় ক্যাটাগরিতে ১৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান এ পুরস্কার পাবে। অন্যগুলো হলো- মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে গ্রিন টেক্সটাইল, ডি অ্যান্ড এস প্রিটি ফ্যাশনস, জি এম ই এগ্রো। ক্ষুদ্রশিল্প ক্যাটাগরিতে অটোটেক্স, এপিএস অ্যাপারেলস, বিএসপি ফুড। মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে স্মার্ট লেদার প্রোডাক্টস। কুটিরশিল্প ক্যাটাগরিতে কোর দি জুট ওয়ার্কস,  প্রতিবেশী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও কুটিরশিল্প উন্নয়ন সংস্থ। হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে সার্ভিস ইঞ্জিন লিমিটেড ও ন্যাসেনিয়া লিমিটেড।


আপনার মন্তব্য