শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২৩:১৭

হাই কোর্টের রুল

কক্সবাজার সৈকতের অবৈধ স্থাপনা অপসারণ কেন নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজার সৈকতের অবৈধ স্থাপনা অপসারণ কেন নয়

পরিবেশগত ছাড়পত্র ও সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ছাড়া কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ধ্বংস ও অপসারণে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাই কোর্ট। একই সঙ্গে ১২০ কিলোমিটার সমুদ্রসৈকতের অবৈধ দখল, নির্মাণ, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের দূষণ, পৌর বর্জ্য ও ওয়ান টাইম ইউজ প্লাস্টিক যেখানে সেখানে ফেলা বন্ধ করতে বিবাদীদের ব্যর্থতাকে কেন বৈআইনি ঘোষণা করা হবে না- তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। গতকাল বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) দায়ের করা এক রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, পরিবেশ সচিব, বিমান ও পর্যটন সচিব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, পানিসম্পদ সচিবসহ ২২ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

পাশাপাশি ২০১৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি টাস্কফোর্সের সভায় কক্সবাজারের সংরক্ষিত এলাকায় ১০ তলা সার্কিট হাউস ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত কেন স্বেচ্ছাচারী ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না; পরিবেশগত ছাড়পত্র ও সুয়ারেজ প্লান্ট ছাড়া কক্সবাজার পৌর এলাকায় হোটেল-মোটেল-রেস্তোরাঁ-মার্কেট-বাণিজ্যিক কাঠামো নির্মাণ ও কক্সবাজার পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন মিনহাজুল হক চৌধুরী, তাকে সহযোগিতা করেন সাঈদ আহমেদ কবির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। কক্সবাজারের সাতটি উপজেলায় অবৈধ হোটেল-মোটেল নির্মাণ এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ে জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন সংযুক্ত করে হাই কোর্টে রিট দায়ের করে বেলা।


আপনার মন্তব্য