শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৫ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০৬

ভুয়া পুলিশ কর্তা আজাদ আটক

চাকরি হারানোর ১৯ বছরেও গেল না তার প্রতারণার অভ্যাস

মহিউদ্দিন মোল্লা, কুমিল্লা

চাকরি হারানোর ১৯ বছরেও গেল না তার প্রতারণার অভ্যাস

শিক্ষানবিস পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) থাকতে দুর্নীতির দায়ে চাকরি চলে যায় ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ আজাদের। কিন্তু ১৯ বছরেও যায়নি তার প্রতারণার অভ্যাস। অবশেষে আজাদকে ঢাকার খিলগাঁও থেকে আটক করেছে পুলিশ। আজাদ কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার হরিশ্চর ইউনিয়নের বাকই গ্রামের মৃত আবদুল হামিদের ছেলে। বাস করেন খিলগাঁও আনসার কোয়ার্টারের পাশে খিলগাঁও আবাসিক এলাকায়। গতকাল কুমিল্লা পুলিশ কার্যালয়ে জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারক ফখরুদ্দিন জানান, ১৯৯১ সালে এসআই পদে যোগদান করার পর শিক্ষানবিস অবস্থাতেই ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অপরাধে তার চাকরি চলে যায়। এরপর ২০০০ সালে তিনি ডিবি পরিচয়ে ছিনতাইকালে তৎকালীন ডিএমপি ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। সাত মাস হাজতবাস শেষে তিনি স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত হন। তার পর থেকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সেজে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন। এভাবে তিনি লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। ফখরুদ্দিন কখনো ডিআইজি, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবার কখনো সহকারী পুলিশ সুপার। সর্বশেষ কনস্টেবল নিয়োগে কুমিল্লায় চাকরি দেওয়ার কথা বলে আশফাক আহমেদ নামে এক প্রার্থীর পিতাকে ডিআইজি চট্টগ্রাম রেঞ্জের স্বাক্ষরিত ভুয়া চিঠি দেখান। পরে প্রার্থীর পিতা সাইদুল ইসলাম (অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক) থেকে প্রতারক ফখরুদ্দিন ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগপ্রার্থী আশফাক আহমেদের মতো প্রতারণার শিকার হয়েছেন রেজাউল করিম ও আনোয়ারুল ইসলামসহ অনেকে। পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, প্রতারক ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ আজাদ ও তার গাড়িচালক পুলিশের কাছে আটক রয়েছেন। ফখরুদ্দিনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 


আপনার মন্তব্য