শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০৪

শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ

দিনাজপুর প্রতিনিধি

প্রেমিকের ছদ্মবেশে ফোনে কথা বলে রাতের আঁধারে ডেকে নিয়ে ঘোড়াঘাটের এক আদিবাসী কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়েরের পর চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল দুপুরে আটক অভিযুক্ত তিনজনকে কোর্টের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে এবং গতকাল বিকাল ৫টার দিকে ঘোড়াঘাটে আদিবাসী দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় আরেক সাবেক প্রেমিক রাইহানকে আটক করেছে বলে নিশ্চিত করেন ওসি আজিমউদ্দিন।

গ্রেফতারকৃতরা হল- ঘোড়াঘাট উপজেলার ঘুুঘুরা (ভোতরা পাড়া) গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে নাইট গার্ড এবং ছদ্মবেশী প্রেমিক লাবু মিয়া (২৮), একই গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে রাজমিস্ত্রি আশরাফুল ইসলাম (৩৫), পৌর এলাকার বাউপুকুর গ্রামের বেল্লাল হোসেনের ছেলে রাজমিস্ত্রি ওমর ফারুক (২১) এবং রাইহান (২৫) ঘোড়াঘাট উপজেলার তেঁতুলতলা গ্রামের শেখের ছেলে।

এদিকে সোমবার সন্ধ্যায় ভিকটিমের বাড়ি ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন বিপিএম, সহকারী পুলিশ সুপার মমিন, হাকিমপুর-ঘোড়াঘাট সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিথুন সরকার।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ঘোড়াঘাট পৌর এলাকার বাউপুকুর গ্রামের দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া (১৭) সাথে রাজু নামের এক ছেলের প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে। দুজনের মাঝে ফোনে কথোপকথনের বিষয়টি জানতে পারে লাবু নামে এক যুবক। রাজু কৌশলে ওই মেয়েটির ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে মোবাইল ফোনে কথা বলে। শনিবার রাত তিনটার দিকে কিশোরীকে লিচু বাগানে তাকে দেখা করতে বলে।  সেখানে অন্য এক যুবককে দেখে চিৎকার করে পালানোর চেষ্টা করলে লাবুর সাথে বাগানে আগে থেকেই অবস্থান নেয়া দুই সহযোগী ওমর ফারুক এবং আশরাফুল (১৭) আটকে মুখ চেপে ধরে। পরে লিচু বাগানেই পালাক্রমে ওই তিনজন কিশোরীকে গণধর্ষণ করে বাগানে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে রবিবার সকালে লিচু বাগানে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা মেয়েকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে এবং তার মা মেয়ের মুখে ঘটনা শুনে থানায় যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনর্চাজ আজিম উদ্দিন, আদিবাসী শিক্ষার্থীর সাথে যে ঘটনাটি ঘটেছে এর সাথে জড়িত চারজনকে আমরা আটক করেছি। রবিবার দিবাগত সন্ধায় ভিকটিমকে নিয়ে তার মা থানায় এসে তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। ভিকটিমকের ডিএনএ টেষ্ট করানোর জন্য দিনাজপুর মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভিকটিমের পরিবারকে সব ধরনের আইনি সহযোগিতা দেওয়া হবে।


আপনার মন্তব্য