শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২৯ জুন, ২০১৫

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্কের চ্যালেঞ্জ

মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার পিএসসি (অব.)
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্কের চ্যালেঞ্জ

গত ১৭ জুন নাফ নদীতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর টহল দলের মধ্যে গোলাগুলি হয় এবং বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সদস্য নায়েক রাজ্জাককে অপহরণ করে নিয়ে যায় মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিয়ানমারের সরকার ও তাদের বর্ডার গার্ড পুলিশের অকূটনৈতিকসুলভ বিরূপ আচরণে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্ক আবার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। মিয়ানমার প্রতিবেশীসুলভ আচরণ দেখাতে ব্যর্থ হয়। আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ও জেনেভা কনভেনশনের সব শর্ত ভঙ্গ করে চরম ঔদ্ধত্যের পরিচয় দেয়, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি সামরিক জান্তা নিয়ন্ত্রিত মিয়ানমারের অগণতান্ত্রিক সরকারের চরম হঠকারী সিদ্ধান্ত। কিন্তু বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। গণতন্ত্রে ধর ধর মার মার কায়দায় কিছু করা যায় না, তার ফলও আখেরে ভালো হয় না। তাই বাংলাদেশ ধীরস্থির ও ধৈর্য সহকারে কূটনৈতিক পরিপক্বতায় পরিস্থিতির মোকাবিলা করবে, সেটাই কাম্য। নায়েক রাজ্জাকের অপহরণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিয়ানমারের আচরণের বিরুদ্ধে বাংলদেশের পক্ষ থেকে কঠিন ও শক্তিশালী প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। অব্যাহত কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে ২৫ জুন শর্তহীনভাবে নায়েক রাজ্জাককে ফিরিয়ে এনেছে বাংলাদেশ। আপাত সমস্যার একটা শান্তিপূর্ণ সমাধান তাতে হয়েছে বলে মনে করা যায়। কিন্তু সমস্যার মূল কারণ রোহিঙ্গা ইস্যুর শান্তিপূর্ণ সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এ রকম ঘটনা আগে যেমন ঘটেছে, আগামীতেও ঘটতে থাকবে। সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে এবং তার সমাধান খোঁজার জন্য দুই দেশ নিজ নিজ নীতি ও দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে পারে, সমাধানের অনেক বিকল্পও হয়তো পাওয়া যাবে, কিন্তু সবার মনে রাখা উচিত প্রতিবেশী পাল্টানো যাবে না।

দীর্ঘদিনের লালিত অগণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ডজনেরও বেশি জাতিগত দ্বন্দ্ব ও সংঘাত চলছে যুগযুগ ধরে। রাখাইন প্রদেশের রোহিঙ্গাকেন্দ্রিক নিজস্ব জাতিগত সমস্যা বাংলাদেশের ওপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। জাতিগত দ্বন্দ্বের ইতিহাস শিক্ষা হলো- এতে তাদের সমস্যার সমাধান তো হবেই না, বরং সমস্যা আরও জটিল করবে। নির্যাতন ও নিস্তব্ধ করার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার অপদৃষ্টিভঙ্গির কারণে বৃহত্তম উপজাতি কারেন সম্প্রদায়ের সঙ্গে সশস্ত্র বিদ্রোহ ৬৭ বছরেও মিয়ানমার সমাধান করতে পারেনি। এটিকে বিশ্বের দীর্ঘতম সশস্ত্র বিদ্রোহ বলেও অভিহিত করা হয়। একই কারণে চলছে শান ও কাচিন সম্প্রদায়ের সশস্ত্র বিদ্রোহ। মিয়ানমারের সাড়ে ছয় কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় দুই কোটি মানুষ জাতিগত দ্বন্দ্ব-সংঘর্ষে জর্জরিত এবং একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠী ঘরবাড়ি ছাড়া ও বাস্তুচ্যুত। কিন্তু জান্তা সরকার এই সংঘর্ষগুলোকে জিইয়ে রেখে বিশ্ব দরবার ও মিয়ানমারের দরিদ্র সাধারণ মানুষের কাছে সামরিক কর্তৃত্বের অপরিহার্যতা প্রমাণ করতে চায়, তাদের দেশ শাসনকে জায়েজ করতে চায়। দেশ ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন নয়, ক্ষমতায় থাকাই মুখ্য। সব সামরিক শাসকের এটাই নীতি। আয়তনে বাংলাদেশের প্রায় চারগুণ বড়, খনিজ ও বনজ সম্পদে ভরপুর। ভৌগলিক অবস্থান আকর্ষণীয়। তা সত্ত্বেও মিয়ানমার এখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে পিছিয়েপড়া দেশ। নীতি ও করণীয় নির্ধারণে বাংলাদেশকে মিয়ানমার সামরিক সরকারের এই দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনায় রাখতে হবে।

রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে একটা ভ্রান্ত ধারণার জন্ম দেওয়া হয়েছে সেই ১৯৪৮ সাল থেকে, মিয়ানমার স্বাধীন হওয়ার পরপর। ভাষা, ধর্ম ও সাংস্কৃতিকভাবে বাংলাদেশের বৃহত্তর চট্টগ্রামের লোকজনের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের একটা সাদৃশ্য আছে। ফলে শুরু থেকে মিয়ানমারের সব সরকার, বিশেষ করে ১৯৬২ সালের পর থেকে সামরিক সরকারগুলোর একটা সন্দেহ হয় যে, এই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী চট্টগ্রামের অধিবাসীদের সহায়তায় সুযোগমতো মিয়ানমার থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার চেষ্টা করতে পারে। রোহিঙ্গাদের এই চেষ্টার পিছনে বিশ্বের অন্যান্য কিছু মুসলিম দেশের সমর্থন রয়েছে বলে মিয়ানমার মনে করে। এ ক্ষেত্রে তারা ফিলিপাইনের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দক্ষিণাঞ্চলের স্বাধীনতার জন্য পরিচালিত মরো ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্টের (MNLF) সশস্ত্র যুদ্ধের উদাহরণকে সামনে আনে, যাদের প্রতি কিছু মুসলিম দেশ ও সংগঠনের সমর্থন রয়েছে। একবার লিবিয়ার সাবেক শাসক গাদ্দাফি ঘোষণা দিয়েছিলেন আরাকান মুসলমানদের মুক্তির জন্য মুসলিম বিশ্বকে এগিয়ে আসতে হবে। যদিও বাস্তবে তার কোনো লক্ষণ কখনো দেখা যায়নি। এই আশঙ্কার কিছু ভৌগলিক ও নৃতত্ত্বগত কারণও আছে। সেখান থেকেই মিয়ানমারের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী ও সরকারের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের অবিশ্বাস ও সন্দেহের শুরু। মিয়ানমারের পক্ষ থেকে একটা প্রোপাগান্ডা চালানো হয় এই মর্মে যে, তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল থেকে ১৯৫০ সালের পর রোহিঙ্গারা রাখাইন রাজ্যে আসে। এ কথা ঐতিহাসিকভাবে একেবারে অসত্য। ১৮৯১ সালে ব্রিটিশ আদমশুমারি অনুসারে ৫৮ হাজার ২৫৫ জন রোহিঙ্গার অস্তিত্ব পাওয়া যায় আরাকানে। ১৯১১ সালের আদমশুমারিতে পাওয়া যায় এক লাখ ৭৮ হাজার ৬৪৭ জন। ১০০ বছর পর বর্তমান সময়ে সেই জনসংখ্যা ১০ লাখেরও অনেক ঊর্ধ্বে হওয়াটা অতি স্বাভাবিক। মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ১৮২৪ সালের অ্যাংলো-বার্মা যুদ্ধের সময়কে বেসলাইন ধরে নাগরিকত্ব নির্ধারণ করতে চায় এবং সেই পথ ধরে ১৯৮২ সালে আইন করে তারা রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার খর্ব করেছে। উলি্লখিত ভ্রান্ত ধারণা ও নীতি এবং জান্তা শাসন কায়েম রাখার লক্ষ্যে ১৯৭৮ সাল থেকে রাখাইন রাজ্যের প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা অধিবাসীকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে মিয়ানমার। সমস্যা মূলত এখান থেকেই শুরু। যার সাম্প্রতিক এপিসোড নায়েক রাজ্জাকের অপহরণ। রাজ্জাকের বিনিময়ে পরিচয় শনাক্ত ব্যতিরেকে সমুদ্র থেকে উদ্ধারকৃত বিদেশগামী রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার যুক্তিহীন শর্ত আরোপ করাতে প্রমাণ হয় রোহিঙ্গাদের বিতাড়নই তাদের লক্ষ্য। সেই ১৯৭৮ সাল থেকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে জোরপূর্বক ঢুকিয়ে দেওয়ার ফলে সৃষ্ট রোহিঙ্গা সমস্যার বাই-প্রোডাক্ট হিসেবে এখন মানব পাচার ও মাদক চোরাচালানের মতো ভয়াবহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সৃষ্টি হয়েছে। এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে দুই দেশের ক্ষমতাশালী চক্র এবং সরকারি এজেন্সিসমূহের ব্যক্তিরা। শক্তিশালী মানব পাচারকারী আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের চক্রান্তে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষও ফাঁদে পড়ছে। সংকট এখন বহুমুখী রূপ নিয়েছে, প্রতিনিয়ত ডালপালা ছড়াচ্ছে। বাংলাদেশ পড়ছে ত্রিমুখী সমস্যায়। বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মানবিক দিক এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও জন-নিরাপত্তার ঝুঁকি এখন পরস্পরের বিরোধী হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখাও বাংলাদেশের জন্য আবশ্যিক। একদিকে নজর দিলে অন্যদিক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যে বিরাট সংখ্যক রোহিঙ্গা এখন বাংলাদেশে আছে তার মধ্যে মাত্র ২৮ হাজার জাতিসংঘের শরণার্থী হিসেবে তালিকাভুক্ত। বাকি প্রায় তিন-চার লাখ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন জায়গায় দলবদ্ধ হয়ে সংঘবদ্ধভাবে, আবার কোথাও ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসবাস করছে। এসব বাস্তুচ্যুত মানুষের নানাবিধ দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে বহুরূপ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী। বাংলাদেশের ধর্মান্ধ রাজনৈতিক দলগুলো এবং জঙ্গিসন্ত্রাসী সংগঠনগুলো ধর্মীয় উসকানির দ্বারা রোহিঙ্গা যুবকদের উগ্রবাদী জঙ্গি দলে ভেড়াচ্ছে। যারা দেশের অভ্যন্তরে ও বিদেশে জঙ্গি সন্ত্রাসী কাজে জড়িত হয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে, দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপভিত্তিক কিছু এনজিও নানা ছদ্মবেশে রোহিঙ্গাদের ভিতর ধর্র্মীয় উন্মাদনা ছড়াচ্ছে। এর মধ্যে যুক্তরাজ্যভিত্তিক মুসলিম এইড ও মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক আল রাবেতার কার্যক্রম সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। আইন প্রয়োগ ও জঙ্গি কার্যক্রম বন্ধে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী একটু কড়াকড়ি করলেই ওই এনজিওগুলো মানবতার দোহাই তুলে চিৎকার করতে থাকে। অন্যদিকে বাংলাদেশের এক শ্রেণির দালাল, বাটপার, চোরাচালানিকে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় ক্ষমতাবান লোকজন রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করছে চাঁদাবাজি, মানব পাচার, মাদক এবং অবৈধ আদম ব্যবসায়। ফলে এসব প্রতাপশালী বাংলাদেশি মানুষের সংযোগে রোহিঙ্গাদের একেকটি বসতি এলাকা এখন একেকটি দুর্ভেদ্য পকেট হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে, যাদের ওপর সরকারি সংস্থাগুলোর কার্যত নিয়ন্ত্রণ খুবই কম। গত শতকের আশির দশকে বাংলাদেশের জামায়াত ও তাদের সহযোগী দলগুলো ধর্মীয় উন্মাদনায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি যুবককে পাঠিয়েছিল আফগানিস্তানে মুজাহিদ হিসেবে, সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে জিহাদে অংশ নেওয়ার জন্য। বাংলাদেশি যুবকদের সঙ্গে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা যুবকও ওই সময়ে আফগান জিহাদে অংশ নেয়। ১৯৯০-৯১ সালে এসব জিহাদি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ফিরে এসে রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (RSO), আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন (ARNO), আরাকান লিবারেশন ফ্রন্ট (ALF) জাতীয় কয়েকটি সশস্ত্র সংগঠন গড়ে তোলে, যারা আরাকানের ভেতরে সশস্ত্র আন্দোলন চালাতে থাকে। এতে সমস্যা আরও জটিল আকার ধারণ করে, দুদেশের মধ্যে আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়, ভুল বোঝাবুঝি বৃদ্ধি পায়।

১৯৯১ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে বাংলাদেশের সীমান্ত চৌকি বেজুপাড়াতে মিয়ানমারের নাসাকা বাহিনী অতর্কিত আক্রমণ চালায় এবং কয়েকটি অস্ত্র লুট করে নিয়ে যায়। মিয়ানমার তখন অভিযোগ করে তৎকালীন বিডিআরের সহযোগিতায় রোহিঙ্গা জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা নাসাকা বাহিনীর ওপর হামলা চালানোর পাল্টা হিসেবে তারা বেজুপাড়া সীমান্ত ফাঁড়িতে আক্রমণ চালিয়েছে। এ ঘটনার জের ধরে রাখাইন রাজ্যে ভয়াবহ দাঙ্গা বাঁধানো হয় এবং পুনরায় প্রায় দেড়-দুই লাখ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমার বাংলাদেশে জোরপূর্বক ঢুকিয়ে দিতে সক্ষম হয়। ১৯৭৮ ও ১৯৯১-৯২ সময়ে ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার যদি ২০১২ সালের মতো একই নীতিতে রোহিঙ্গা প্রবেশ প্রতিহত করত তাহলে আজ পরিস্থিতি এত জটিল আকার ধারণ করত না। তারপর থেকে এ রকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কিছু দিন পরপর ঘটেই চলেছে। এ রকম ধারাবাহিক আগ্রাসী আচরণ প্রতিবেশীর কাছ থেকে কাম্য নয় এবং এর কোনো যুক্তিগ্রাহ্য কারণ নেই। জোরপূর্বক ১০ লাখের অধিক জাতিগোষ্ঠীকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে মিয়ানমার উদ্ভূত সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। এটা অবাস্তব চিন্তা। বরং বাংলাদেশের বর্তমান সরকার, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব ধরনের জঙ্গি সন্ত্রাসী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীর বিরুদ্ধে যে জিরো টলারেন্সের নীতি ঘোষণা করেছেন তার সুবিধা নিয়ে এই সমস্যাটির সমাধান করতে পারে মিয়ানমার। যেমনটি করেছে ভারত, তাদের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর জন্য। একই নীতিতে ১৯৯৭ সালের শান্তিচুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের রক্তক্ষরণের অবসান ঘটিয়েছিল বাংলাদেশ, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। এই উদাহরণগুলো দিচ্ছি এই কারণে যে, আগে যাই হয়ে থাকুক, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সব ধরনের জঙ্গিসন্ত্রাসী ও বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরুদ্ধে, শান্তির পক্ষে। মিয়ানমার এই সুযোগটি গ্রহণ করতে পারে। মিয়ানমারের যতদিন এই শুভ বুদ্ধির উদয় না হচ্ছে, ততদিন নিজ দেশ ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রথমত, জরুরি ভিত্তিতে তিন-চার লাখ রোহিঙ্গাকে সঠিকভাবে তালিকাভুক্ত করতে হবে এবং একসঙ্গে বড়সংখ্যক রোহিঙ্গাকে সংঘবদ্ধভাবে না রেখে তার পরিবর্তে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত বসবাসের ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকা থেকে সরিয়ে দেশের অন্যান্য জেলায় স্থানান্তরের চিন্তা করতে হবে। মোট কথা নিশ্চিত করতে হবে, কোনো স্বার্থান্বেষী মহল যেন তাদের কোনো রকম অপকর্মে ব্যবহার করতে না পারে। একই সময়ে নিশ্চিত করতে হবে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে বন্ধুপ্রতীম দেশের অভ্যন্তরে কোনো রকম জঙ্গি সন্ত্রাসী কার্যক্রম তারা যেন চালাতে না পারে। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উন্নয়নকে যে দেশ ভালোভাবে নিতে পারছে না এবং যে পরাশক্তি বর্তমান সরকারের সঙ্গে নিজেদের স্বার্থ আদায়ে সুবিধা করতে পারছে না, তারা কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র করছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা দরকার।

তৃতীয়ত, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও জোর করে ঢুকিয়ে দেওয়ার সব অপচেষ্টা প্রতিহত করার জন্য আমাদের সীমান্ত ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। অভ্যন্তরীণ গডফাদারদের কোনো রকম ছাড় দেওয়া যাবে না। মনে রাখা দরকার এখানে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িত। চতুর্থত, সীমান্তে দায়িত্বরত আমাদের সব বাহিনীগুলোর মধ্যে নিবিড় সমন্বয় সাধন করে কর্তব্যে যেতে হবে, যাতে বিচ্ছিন্নভাবে ১৭ জুনের মতো কোনো ঘটনা আর না ঘটে। তবে শেষ কথা হলো- সব রোহিঙ্গাকে ফেরত নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতাপূর্ণ যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করলে মিয়ানমার চিরদিনের জন্য বিচ্ছিন্নতাবাদের আশঙ্ক্ষা থেকে মুক্ত হতে পারে। তাতে দুই দেশ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার সব অন্তরায় দূর হবে। BCIM এবং BIM-STEC-এর মতো অপার সম্ভাবনাময় কাঠামোগুলো সক্রিয় হলে উভয় দেশ লাভবান হবে।

লেখক : কলামিস্ট ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

[email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা