শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১২ জুলাই, ২০১৫

মন্ত্রিসভায় আরও রদবদল চাই

প্রভাষ আমিন
অনলাইন ভার্সন
মন্ত্রিসভায় আরও রদবদল চাই

বেশ কয়েক দিন ধরে গোটা জাতি অধীর আগ্রহে মন্ত্রিসভায় রদবদলের খবরের আশায় ছিল। নৌ পরিবহনমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামকে নিয়ে দেশজুড়ে যে আলোচনা, তাতে নৈতিক কারণেই তাদের সরে দাঁড়ানো উচিত, নইলে সরিয়ে দেওয়া উচিত। কিন্তু হঠাৎ মঙ্গলবার দেশজুড়ে মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে তোলপাড়। অনলাইনের পাতায় পাতায় খবর দায়িত্ব হারাচ্ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের স্ক্রলও রক্তাক্ত হলো। মঙ্গলবার সকালে একনেক বৈঠকে সৈয়দ আশরাফের অনুপস্থিতি এবং তাতে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াই এ ধরনের খবরের উৎস। শেষ পর্যন্ত দুই দিন পর সে গুজব সত্যি হলো। যে ঘটনা প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষুব্ধ করেছে, তেমন ঘটনা সৈয়দ আশরাফ প্রতিদিনই ঘটান।

ওয়ান-ইলেভেনের সময় থেকেই শেখ হাসিনার বিশ্বস্ততম সঙ্গী সৈয়দ আশরাফ। সাত বছর ধরে দলের সাধারণ সম্পাদক। কিন্তু দলের কোনো অফিসেই তাকে তেমন দেখা যায় না। সাধারণত দলের সাধারণ সম্পাদকই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হন। কিন্তু সাত বছর মন্ত্রী থেকে তিনি ক'বার সচিবালয়ে গেছেন, তা হাতে গুনে বলা যাবে। জানি না কোনো অভিমানে কিনা; তিনি দলবিচ্ছিন্ন, কর্মীবিচ্ছিন্ন, আসলে জগতবিচ্ছিন্ন মানুষ। কর্মীরা তাকে অফিসে পায় না, সচিবালয়ে পায় না, বাসায় যেতে পারে না। এসবই সত্যি। সৈয়দ আশরাফ প্রচলিত রাজনীতিবিদদের মতো নন। তিনি অন্যরকম। আমার কিন্তু সৈয়দ আশরাফকে দারুণ পছন্দ। আমার মনে হয়, তিনি ভুল সময়ে জন্ম নেওয়া ঠিক মানুষ। এমনকি তার কাছে কোনো তদ্বির নিয়ে যাওয়া যায় না, এটাও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হিসেবেই দাখিল করা হয়। কিন্তু বাসায় থেকে তিনি কী করেন? আমি যতদূর শুনেছি, তিনি প্রচুর পড়াশোনা করেন। আমরা আসলে চাই এমন সৎ, বিদ্বান, প্রাজ্ঞ, বিচক্ষণ, সংবেদনশীল মানুষরা রাজনীতিতে আরও বেশি করে আসুক। কিন্তু আওয়ামী লীগের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী গণমানুষের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি বড্ড বেমানান। সৈয়দ আশরাফের আগে আওয়ামী লীগের সব সাধারণ সম্পাদকই ছিলেন গণমানুষের নেতা। সৈয়দ আশরাফ আসলে তাত্তি্বক নেতা, গণমানুষের নেতা নন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়েও তিনি আসলে আনফিট। সৈয়দ আশরাফ অদক্ষ বা অপারগ নন, তিনি আসলে অনিচ্ছুক। আমার ধারণা সৈয়দ আশরাফ মনে করেন, সচিবালয়ে বা দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে এই টাউট-বাটপার আওয়ামী লীগারদের তদ্বির, ব্রিজ-কালভার্ট, রাস্তাঘাট- এসব নিয়ে আলোচনা করা মানে সময় নষ্ট। এর চেয়ে একটি ভালো বই পড়া অনেক আনন্দের। সৈয়দ আশরাফ মন্ত্রণালয়ে যান না, তাই বলে কি তার জন্য মন্ত্রণালয়ের কোনো কাজ আটকে আছে? খোঁজ নিয়ে দেখুন কোন মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়নের হার সবচেয়ে বেশি। বাসায় বসে যদি সুষ্ঠুভাবে মন্ত্রণালয় চালানো যায় তবে মন্ত্রণালয়ে গিয়ে দলকানা কর্মকর্তাদের তেলবাজি দেখতে হবে কেন?

সৈয়দ আশরাফের দায়িত্ব কেড়ে নেওয়ার দিন দিবাগত রাতে সরকারি দলের প্রভাবশালী একজন ফোন করলেন। ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে হাউমাউ কান্নার শব্দ। আমি তো ভড়কে গেলাম। কী হয়েছে? কাঁদতে কাঁদতেই তিনি বললেন, আপনারা লেখেন, সৈয়দ আশরাফ একটা চোর। তারপর আবার কান্না। আমাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে কাঁদতে কাঁদতেই ফোনটা রেখে দিলেন তিনি। আমি অবাক হয়ে গেলাম, সৈয়দ আশরাফের মতো একজন 'জনবিচ্ছিন্ন' নেতার জন্য একই দলের আরেক নেতা এতটা আবেগ পোষণ করেন, এটা আমার ভাবনার বাইরে। আমি নিশ্চিত সৈয়দ আশরাফ সেই নেতার কোনো উপকার করেননি। তাই তার এই নিঃস্বার্থ আবেগ আমাকেও কিছুটা ছুঁয়ে গেল। কিন্তু আমি জানি তার এই কান্না-ভালোবাসা যতটা না সৈয়দ আশরাফের জন্য, তার চেয়ে বেশি আওয়ামী লীগের জন্য। কারণ তিনি জানেন যে সরকার মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের দায়িত্ব কেড়ে নিয়ে রাজাকারের সন্তানকে দেয়, যে সরকারে সৈয়দ আশরাফরা দায়িত্ব হারায় আর মায়া-কামরুলরা বহাল তবিয়তে থাকে; সে সরকার কল্যাণকর নয়। কারণ তিনি আওয়ামী লীগের ইতিহাস জানেন, তিনি জানেন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাজউদ্দীনের বিচ্ছেদ, বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের সবচেয়ে ট্র্যাজিক অধ্যায়ের একটি। তাজউদ্দীন কোনো দিন অব দ্য রেকর্ডেও বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে কিছু বলেননি। শেষ পর্যন্ত জীবন দিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতি আনুগত্যের প্রমাণ দিয়ে গেছেন। তাজউদ্দীনের ছেলে সোহেল তাজের কাছেও মন্ত্রিত্বের চেয়ে মর্যাদা বড় মনে হয়েছে। তিনি দূরে সরে গেছেন, কিন্তু কোনো দিন দল বা সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বলেননি। যত অভিমানই থাকুক সৈয়দ আশরাফও কোনো দিন সরকার বা দলের বিরুদ্ধে কিছু বলেননি বা হয়তো বলবেন না। কিন্তু আওয়ামী লীগের অনেক বাঘা বাঘা মন্ত্রী বা নেতা আছেন যারা প্রকাশ্যে শেখ হাসিনার প্রশংসায় মুখে ফেনা তুলে ফেলেন। কিন্তু আড়ালে ঢেলে দেন বিদ্বেষের বিষ।

যেভাবে দুর্নীতিবাজ আর চাটুকাররা শেখ হাসিনাকে ঘিরে রেখেছে, তাতে সৈয়দ আশরাফদের মতো লোকদের বেশি করে দরকার; যিনি কোনো চিন্তা না করে শেখ হাসিনার মুখের ওপর সত্যি কথাটা বলতে পারবেন; যা দলের জন্য, সরকারের জন্য, দেশের জন্য ভালো হবে। বঙ্গবন্ধু আর তাজউদ্দীনের বিচ্ছেদ যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছিল। তেমনি আজ বাংলাদেশের উন্নয়নের ট্রেনে গতি দিতে দরকার হাসিনা-আশরাফের যুগলবন্দি।

তবে আওয়ামী লীগের মতো তৃণমূলে ছড়িয়ে থাকা একটি দলের নেতা-কর্মীদের চাহিদা মেটানোর জন্য সার্বক্ষণিক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এবং জনসম্পৃক্ত সাধারণ সম্পাদক দরকার। কিন্তু আমি মনে করি না, যেভাবে গুজব ছড়িয়েছে, সৈয়দ আশরাফকে সেভাবে সরিয়ে দেওয়া ঠিক হয়েছে। যতই জনবিচ্ছিন্ন হন, সৈয়দ আশরাফের মতো একজন শুধু দলের নয়, দেশের সম্পদ। তার প্রজ্ঞা অবশ্যই দল এবং সরকারের জন্য প্রয়োজনীয়। আপাতত তিনি দফতরবিহীন মন্ত্রী। তাকে বরং বিশেষ মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক ধরনের কোনো পদ দেওয়া যেতে পারে। তা যেন কোনোভাবেই তার আগের মর্যাদা ও গুরুত্বের চেয়ে কম না হয়। দলেও তাকে সাধারণ সম্পাদকের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ কোনো দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। দল এবং সরকারে তিনি হতে পারেন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক। দল এবং সরকার ঠিকমতো চলছে কিনা, তা পর্যবেক্ষণ করে এক ধরনের ন্যায়পালের ভূমিকা পালন করতে পারেন তিনি। কিন্তু কোনোভাবেই যেন সোহেল তাজের মতো অভিমান করে সৈয়দ আশরাফও রাজনীতি ছেড়ে না যান। ভালো মানুষেরা রাজনীতি ছেড়ে গেলে, তা শুধু একটি দলের জন্য নয়, দেশের জন্যই ক্ষতির।

সৈয়দ আশরাফ হয়তো দল বা সরকারের জন্য কাজ করছেন না। কিন্তু তিনি তো সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেননি। কিন্তু মন্ত্রিসভায় মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া আর অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের উপস্থিতি সরকারের জন্য অস্বস্তিকর। মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার বিষয়টি পরিষ্কার। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল। পরে হাইকোর্টে আপিল করে তিনি বেকসুর খালাস পান। কিন্তু সম্প্রতি আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বাতিল করে নিয়মিত আপিল শুনানির নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে মায়ার মাথায় এখন নিম্ন আদালতের দেওয়া ১৩ বছরের রায় ঝুলছে। আর সংবিধান অনুযায়ী নৈতিক স্খলনজনিত কারণে দুই বছরের বেশি সাজা হলেই তিনি এমপি হতে বা থাকতে পারেন না। সাংবিধানিক এবং নৈতিক দুই বিচারেই মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী আর এমপি বা মন্ত্রী থাকতে পারেন না। হাইকোর্টের নিয়মিত আপিলে যদি উনি খালাস পান, আবার ফিরে আসুন, তাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে মন্ত্রী বানানো হোক, আপত্তি নেই। কিন্তু দুর্নীতির দায়ে ১৩ বছরের সাজা মাথায় নিয়ে একজন মন্ত্রী ঘুরে বেড়াবেন, এটা দেখতে ভালো দেখায় না। মাঠের তুখোড় সংগঠক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া অবশ্য বারবার সরকারকে বিব্রত করেছেন। আগেরবার ছেলে আর এবার মেয়ের জামাইয়ের কারণে তিনি বিতর্কিত হয়েছেন। আর এবার নিজের কারণেই বিপাকে ফেলেছেন সরকারকে।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া তবুও আপিল বিচারাধীন, এই যুক্তি দিতে পারেন। কিন্তু খাদ্যমন্ত্রী কী যুক্তি দেবেন? আমি বলছি না, ব্রাজিল থেকে আনা গম কেলেঙ্কারির জন্য খাদ্যমন্ত্রীই দায়ী। তবে উনি যতই বলুন, ঘাপলা যে একটা হয়েছে, তা তো অস্বীকার করতে পারবেন না। যদি সব ঠিকই থাকে, তাহলে খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে ওএসডি করা হলো কেন? মাননীয় মন্ত্রী দীর্ঘদিন মাঠে-ময়দানে রাজনীতি করেছেন। তিনি নিশ্চয়ই জানেন, সত্যের চেয়ে ধারণা কখনো কখনো শক্তিশালী। আর সাধারণ মানুষের ধারণা, ব্রাজিল থেকে গম আনার ক্ষেত্রে নয়ছয় হয়েছে। মাননীয় মন্ত্রী গলাবাজি আর চাঁপাবাজি করে বিএনপিকে পচানো যাবে, কিন্তু পচা গম আর ভালো করা যাবে না। আপনাদের পুলিশ, এমনকি আপনার দলের এমপি যে গম নিতে চাইছে না, সে গম আপনি জনগণকে গেলাতে পারবেন না। মন্ত্রী সংসদে স্বীকার করেছেন, ব্রাজিল থেকে আনা গম দেখতে ভালো না, তবে গুণগত মান ভালো। কিন্তু মাননীয় মন্ত্রী আগে দর্শনধারী, তারপর গুণবিচারী। আর যারে দেখতে নারি, তার চলন বাঁকা। তাই দেখতে খারাপ গম তিনি চালাতে পারবেন না। মন্ত্রী বারবার একটা কথা বলেন, ব্রাজিল থেকে আনা গম খাওয়ার উপযোগী। আমি ধরে নিচ্ছি, তার বক্তব্য সত্যি। কিন্তু অভাবে পড়লে মানুষ কচুঘেচুও খায়। তাই 'খাওয়ার উপযোগী' এটুকু সার্টিফিকেটই যথেষ্ট নয়। বাংলাদেশ এখন নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ। আমরা দেখতে খারাপ, যে কোনো মানের গম খাওয়ার সময় অনেক আগে পার করে এসেছি। খাদ্যপণ্য মান যাচাইয়ের ১০টি ক্রাইটেরিয়া আছে। খাওয়ার উপযোগিতা তার একটি মাত্র। আপনাকে বাজারে পাঠানো হয়েছে, পোলাওয়ের চাল কেনার জন্য। আপনি নিয়ে এসেছেন কাঁকরযুক্ত মোটা চাল। সে চালও খাওয়ার উপযোগী। আমি কি সেটা মানব? আমি এখনো বলছি না, খাদ্যমন্ত্রী দায়ী। কিন্তু সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে তিনি দায়ী। যাই ঘটুক দায় মন্ত্রীকে নিতেই হবে। যত দেরি করবেন, ততই তার নামের সঙ্গে গম শব্দটি জুড়ে যাবে। এরশাদ আমলে কাজী জাফরের নাম 'চিনি জাফর' হয়ে যাওয়ার কথা মানুষ ভোলেনি। সুষ্ঠু তদন্ত এবং দলের স্বার্থেই মাননীয় মন্ত্রীর সরে দাঁড়ানো উচিত। নইলে গমের পোকা ধীরে ধীরে কেটে দেবে সরকারের উন্নয়নের সোনার পালঙ্কের ভিত।

আমরা মন্ত্রিসভায় আরও রদবদলের খবর শোনার অপেক্ষায় থাকলাম।

লেখক : সাংবাদিক।

[email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়