শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০১৫

সৈয়দ আশরাফ কি মন্ত্রী না মনিটর!

মেজর অব. মোঃ আখতারুজ্জামান
অনলাইন ভার্সন
সৈয়দ আশরাফ কি মন্ত্রী না মনিটর!

সম্প্রতি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফকে দফতরবিহীন মন্ত্রী করা হয়েছে, যা সঠিক এবং সৌজন্যমূলক হয়নি। প্রধানমন্ত্রী যা করেন তা সবই ঠিক, এ ধরনের ভাবনা কিন্তু সবসময় সঠিক হয় না। হয়তো ব্যক্তিগত নিরাপত্তার কারণে তাৎক্ষণিক কেউ প্রতিবাদ করে না বা মুখ ফুটেও কিছু বলে না। কিন্তু ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রীরা যে রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্ত নেন তার ভূরি ভূরি প্রমাণ ইতিহাসে পাওয়া যায়। সৈয়দ আশরাফকে মন্ত্রিত্ব থেকে বাদ দেওয়ার গুঞ্জনটি শুরু হয় ৭ জুলাইয়ের একনেকের একটি বৈঠকে। উক্ত বৈঠকে নাকি সৈয়দ আশরাফের অনুপস্থিতিতে গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে ৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনামন্ত্রী উপস্থাপন করলে অর্থমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী কেউ বৈঠকে উপস্থিত না থাকার কারণে প্রকল্পটি পাস না করার পক্ষে যুক্তি দেখান। অর্থমন্ত্রী নাকি তার আপত্তিতে আরও বলেন 'মন্ত্রী মনিটরিং না করলে প্রকল্প কিভাবে বাস্তবায়ন হবে? তাই এ বিশাল প্রকল্প নিয়ে চিন্তা করতে হবে।' ঘটনাটির সত্য-মিথ্যা আমরা জানি না। যেটুকু জেনেছি তা পত্র-পত্রিকার লেখা থেকে জেনেছি।

আমি সৈয়দ আশরাফের বিপক্ষের রাজনৈতিক ঘরানার লোক। তার রাজনৈতিক পতনের খবর স্বাভাবিকভাবেই আমার কাছে সুখবর। কিন্তু যেভাবে এবং যে পটভূমিকায় সৈয়দ আশরাফকে অসম্মান করা হয়েছে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে নিম্নলিখিত কারণে আমি তাতে ক্ষুব্ধ এবং এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

১। একনেক একটি রাষ্ট্রীয় কমিটি বা পরিষদ কিন্তু মন্ত্রী পরিষদের উপরে নয় এবং একনেক কোনো সাংবিধানিক কমিটিও নয়। যে কোনো মন্ত্রী একনেকের সদস্য হতে পারেন কিন্তু একনেকের সভায় উপস্থিত না থাকা কোনো মন্ত্রীর অপরাধ হতে পারে না। একনেক ১৯৮২ সালে স্বৈরশাসক এরশাদ প্রথম শুরু করেন যার বর্তমান প্রয়োজনীয়তা পুনঃমূল্যায়নের দাবি রাখে।

২। অর্থমন্ত্রী নিজে একনেকের একজন সদস্য হিসেবে অন্য সদস্যদের ব্যাপারে মন্তব্য করতে পারেন না।

৩। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী অর্থমন্ত্রীর ভাষ্যমতে কোনো প্রকল্পের মনিটরিংয়ের দায়িত্ব নিতে পারেন না। কোনো মন্ত্রীই কোনো মন্ত্রণালয়েরই মনিটর নন। মন্ত্রীর কাজ মনিটরিং করা নয়। মন্ত্রীরা নীতি-নির্ধারণমূলক সিদ্ধান্ত দিয়ে থাকেন।

৪। ৬ হাজার কোটি টাকার যে প্রকল্পটি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর মাথাব্যথা তার কিন্তু কোনো কেন্দ্রীয় কাঠামো বা নিয়ন্ত্রণ সিস্টেম নেই। পুরোটিই সংসদ সদস্যদের নিয়ন্ত্রণে উপজেলা কাঠামো থেকে নিয়ন্ত্রিত হবে যেখানে সৈয়দ আশরাফের কোনোই নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। জনশ্রুতি আছে সৈয়দ আশরাফ দুর্নীতিমুক্ত রাজনীতিবিদ হিসেবে এ ধরনের লুটপাট প্রকল্পের বিরোধী ছিলেন কিন্তু দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সরকারের গৃহীত নীতি মেনে নেওয়ার বাধ্যবাধকতায় তিনি নীরবে নিজেকে এ প্রকল্পের বাইরে রাখার মানসিক সিদ্ধান্ত নাকি নিয়েছিলেন যা তার মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের কাছে স্বাভাবিক কাম্য।

৫। সৈয়দ আশরাফ শুধু একজন মন্ত্রীই নন, তিনি একজন নিবেদিত রাজনীতিবিদ ও সরকারের রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদক। তার সম্মন্ধে এত হালকাভাবে আলোচনা করা শোভনীয় হয়নি।

সংবিধানের ৫৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যে মন্ত্রিসভা সেখানে কে থাকবে না থাকবে তা সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর একক এখতিয়ার। তবে একজন মন্ত্রীকে তার মানসম্মানের চিন্তা না করে ক্ষমতা আছে বলেই শীতের পরে ছিঁড়া কাঁথার মতো ছুড়ে ফেলে দেওয়ার মানসিকতা মেনে নেওয়া যায় না। হয়তো পদ-পদবি হারানোর ভয়ে আমরা অনেকেই তা মেনে নেই, চূড়ান্ত বিচারে কিন্তু প্রধানমন্ত্রীদের এর জন্য মূল্য দিতে হয়। এমনিতেই আমাদের সৎ, নিবেদিত, বিশ্বস্ত রাজনীতিবিদের বড় আকাল, তার মধ্যে যদি সৈয়দ আশরাফের মতো ব্যক্তিও এরকম অপমানের শিকার হন, তাহলে এই হতভাগা দেশে সজ্জন মানুষ রাজনীতি করবে না। চোর-বাটপাররাই রাজনীতির মাঠ দখল করে থাকবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে বুঝতে পারিনি মন্ত্রিত্ব খোয়ানোর মতো কি অপরাধ সৈয়দ আশরাফ করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে তো দুর্নীতির কোনো অভিযোগ কেউ শুনতে পায়নি। তার মন্ত্রণালয়ে কাজ হয়নি, এরকম কোনো প্রমাণও তো দেখা যায়নি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে কোনো মতবিরোধও দেখা দেয়নি। আমরা বাইরে থেকে যতটুকু জানি তাতে সবাই বলাবলি করে আশরাফের মতো প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বস্ত সহকর্মী আর একজনও নেই। আগেই বলেছি কাকে মন্ত্রী করা হবে বা হবে না তার সর্বময় ক্ষমতার মালিক প্রধানমন্ত্রী। জানি না সৈয়দ আশরাফের মতো একজন নিবেদিত, বিশ্বস্ত, অনুগত, কর্মক্ষম, সৎ মন্ত্রীকে বাদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কি লাভ হয়েছে। জোর গলায় বলতে পারি সততা, নিষ্ঠা, আনুগত্য ও বিশ্বস্ততা দুষ্টচক্রের কাছে হেরে যাবে। সেই পুরনো কথার পুনরাবৃত্তি করে বলতে চাই, 'অসৎ সবার সঙ্গে সবকিছু দিয়ে শেয়ার করতে পারে কিন্তু সৎ-এর শেয়ার করার কেউ নেই এবং কিছু নেই এবং সৎ-এর পক্ষে কেউ থাকে না।' তাই আজ জনগণ বলছে আশরাফের পতন একজন সৎ মানুষের পতন যা বঙ্গবন্ধু কন্যার কাছ থেকে তার আপন ও বিশ্বস্তজনরা আশা করেনি। মন্ত্রিত্ব কোনো চাকরি নয় যে, কোনো সভায় উপস্থিত না থাকলে চলে যাবে। মন্ত্রীদের কোনো নির্দিষ্ট অফিস নেই। মন্ত্রণালয়ের অফিস মন্ত্রীর অফিস নয়। এমন কি গণতান্ত্রিক দেশে প্রধানমন্ত্রীর আলাদা কোনো অফিস নেই। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তার ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের বাসস্থানে তার অফিস করেন। “10 Downing Street is the official residence and the office of the British Prime Minister.” ভারতের প্রধানমন্ত্রী অফিস করেন তার বাসস্থান পঞ্চবটী, ৭ রেসকোর্স রোডে। (7, Race Course Road (officially : Panchavati and also 7, RCR) is the official residence and principal workplace of the Prime Minister of India, where he lives and holds most of his official or political meetings)। মন্ত্রীদের দশটা-পাঁচটা অফিস করার রেওয়াজ স্বৈরশাসকরা করে গেছে যা হয়তো গণতান্ত্রিক মনোভাবাপন্ন আশরাফ মেনে নিতে পারেননি কিন্তু সহজ-সরল মানুষ হিসেবে প্রকাশ্যে চলমান সিস্টেমের বিরোধিতা করেননি যা এখন তার কাল হয়েছে।

আমার ব্যক্তিগত ক্ষুদ্র জীবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি স্মরণীয় ঘটনা আমি এ মুহূর্তে স্মরণ করতে চাই। ১৯৯৮ সালে তখনকার ডিজিএফআই-এর প্রধান জেনারেল হালিম আমাকে প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান গণভবনে নিয়ে গিয়েছিলেন আমাকে মন্ত্রী বানানোর উদ্দেশ্যে। সেখানে তৎকালীন এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা আলোচনা হয়েছিল কিন্তু আমি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে মন্ত্রিত্বের আহ্বান গ্রহণ করতে আপারগতা প্রকাশ করি এবং কোনো অবস্থায়ই মন্ত্রী হতে রাজি হইনি। কিন্তু স্মৃতিটি তা নয়। আমি আজও যে স্মৃতিটি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি তাহলো স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রী হওয়ার সরাসরি আহ্বান ফিরিয়ে দেওয়ার পরও তিনি কোনো উষ্মা দেখাননি, উল্টা তিনি তার ছেলের জন্য নিজের হাতে রান্না করা দেশি কৈ মাছ নিজের হাতে বেড়ে আমাকে ভাত খাওয়ায়ে ছিলেন। আমি সে জন্য কৃতজ্ঞ এবং আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাতৃস্নেহ অতুলনীয়। তবে আজকে সৈয়দ আশরাফের পরিণতি দেখে মনে হচ্ছে সেদিন মন্ত্রী হওয়ার খায়েশ যদি হতো তাহলে আমার পরিণতি না জানি কি হতো!

পরিশেষে বলতে চাই প্রধানমন্ত্রীদের পাশে সৈয়দ আশরাফের মতো যাদের রক্ত বেইমানি করে না এমন অনেক মানুষের প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীদের চাটুকারের অভাব হয় না কিন্তু আশরাফদের বড় অভাব। আশরাফদের দূরে ঠেলে দেওয়া সঠিক হবে না। সমাজে আশরাফদের শত্রু অনেক যেহেতু তারা অন্যায়কারীদের সঙ্গ দেয় না কিন্তু চূড়ান্ত লড়াইয়ে তাদেরই মূল্যায়ন হয়। সব বিরোধী দল যত না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষতি করতে পেরেছে আশরাফের বিরোধিতা করে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে প্রধানমন্ত্রীর তথাকথিত নিজের লোকেরা যাদের চেহারা অতীতে বহুবার আমরা দেখেছি। আমি সৈয়দ আশরাফের কোনো বন্ধু নই বরং তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, তবে যে রাজনীতির স্বপ্ন আমি দেখি সৈয়দ আশরাফ সেই রাজনীতির একজন কাণ্ডারি। আমি ব্যক্তিগতভাবে সৈয়দ আশরাফের শক্ত এবং সম্মানজনক রাজনৈতিক অবস্থান কামনা করি তবে যে অপমান তিনি পেয়েছেন তা আরও বড় কিছু দিয়ে পূরণ না করলে আমরা হয়তো তাকে হারিয়েই ফেলব। কারণ সৎ মানুষ বড় অভিমানীও হয়। তাই দুঃখ ও বেদনা নিয়ে কবির ভাষায় বলছি- 'তুমি যারে করেছ অপমান, অপমান হতে হবে তাদের সবার সমান'। চলমান এই পরিস্থিতিতে সৈয়দ আশরাফের বিদেশে না যাওয়া হবে সময়ের সঠিক সিদ্ধান্ত।

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়