শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০১৫

মধ্যম আয়ের দেশ এবং ধনবৈষম্য

হায়দার আকবর খান রনো
অনলাইন ভার্সন
মধ্যম আয়ের দেশ এবং ধনবৈষম্য

ঈদের আনন্দের কয়েক দিন আগেই একটা সুখবরে আমরা বেশ উৎফুল্ল হয়ে উঠেছিলাম। বিশ্বব্যাংক বলেছে, আমরা মধ্যম আয়ের দেশ বলে স্বীকৃতি লাভ করেছি। এই মহাসুসংবাদে অবশ্য ক্ষুধাযন্ত্রণাপীড়িত ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের যন্ত্রণার লাঘব হবে না। অসহনীয় বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের নির্মম জ্বালা সহ্য করতে না পেরে যারা বেপরোয়া হয়ে নৌকা করে সমুদ্রপথে ভয়ঙ্কর যাত্রা করেছিল, তাদের জন্য চাকরি জুটবে না। অথবা ঈদ সামনে রেখে জাকাতের কাপড় নিতে গিয়ে ২৭ নর-নারী-শিশুর যে মৃত্যু হয়েছে, তার পুনরাবৃত্তি হবে না- এমন নিশ্চয়তাও দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ মাথাপিছু গড় আয়ের হিসাব একটা সংখ্যা মাত্র। এই গড় হিসাবে প্রকৃত চিত্র পাওয়া যায় না। কিছুসংখ্যক বিপুল ধনীর আয়ের সঙ্গে গরিব মানুষের আয় যোগ করলে যে গড় হয়, তার অংকটা বড় হলেও গরিবের সত্যিকারের আয় বৃদ্ধি হয় না।

তবু মধ্যম আয়ের দেশ বলে গর্ব করা যায় বৈকি! চাকরিসন্ধানী আট হাজার সমুদ্রে ভাসা মানুষের কথা অথবা জাকাতের কাপড়ের সন্ধানে পদপিষ্ট হয়ে মারা যাওয়া হতভাগ্যদের কথা আপাতত না ভেবে মনে একটু ফুর্তি ভাব রাখা যাক না। হাজার হোক আমরা তো এখন আর গরিব না। বিশ্বব্যাংক সার্টিফিকেট দিয়েছে। অর্থমন্ত্রীও বলেছেন, 'এ ধরনের স্বীকৃতিতে আত্দগরিমা বাড়ে।' গরিব কথাটা শুনতে খুব খারাপ লাগে। অসম্মানজনকও বটে। বিশ্বব্যাংকের স্বীকৃতি সেই অসম্মান থেকে আমাদের বাঁচিয়েছে।

জাতিসংঘের হিসাবে অবশ্য আমরা এখনো গরিবই রয়ে গেছি। বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের হিসাবে এবং মান নির্ণয়ে কিছু পার্থক্য আছে। তিন বছর পর পর মাথাপিছু বার্ষিক গড় আয় এক হাজার ৪৫ ডলার হলে বিশ্বব্যাংকের বিবেচনায় কোনো দেশকে মধ্যম আয়ের দেশ বলে গণ্য করতে হবে। আমাদের এখন গড় জাতীয় আয় এক হাজার ৩১৪ ডলার। জাতিসংঘের হিসাবে বার্ষিক গড় আয় যাকে বলে জিএনআই, তা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে হচ্ছে ৯২৬ ডলার। তা এক হাজার ১৯০ ডলারে উন্নীত করতে পারলে জাতিসংঘ আমাদের মধ্যম আয়ের দেশ বলে স্বীকৃতি দেবে। আমাদের রাষ্ট্রনায়করা ভরসা দিচ্ছেন, ওটাও হয়ে যাবে। তারা বলছেন, 'টার্গেট ছিল ২০২১ সাল, তার আগেই টার্গেট পূরণ করেছি। অতএব আমাদের ওপর ভরসা রাখুন।' অবশ্য তারা দেশ থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণ, বেকারত্বের অবসান এবং ধনী-দরিদ্র বৈষম্যের জন্য কোনো ভরসা দিতে পারছেন না।

মধ্যম আয়ের জন্য যে গড় সংখ্যাটি অর্জন করতে হয়, তা কিন্তু আমরা আরও আগেই দেখাতে পারতাম। কারণ অনেক দেশজ আয় ঠিকমতো হিসাবের মধ্যে আসেনি। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ভাষ্য অনুযায়ী অর্থনীতির ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ হচ্ছে কালো টাকা। এই টাকার হিসাব ঠিকমতো পাওয়া কঠিন। ফলে গড় হিসাব থেকে কিছুটা অংক বাদ পড়ে যায়। তার ওপর যে টাকা গোপনে বিদেশে পাচার হয়ে যায় সেটাও হিসাবের বাইরে চলে যায়। গত বছর সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জমা টাকার পরিমাণ ছিল ৫০ কোটি ৮০ লাখ সুইস ফ্রাঁ, বাংলাদেশি টাকার হিসাবে চার হাজার ৪৫৪ কোটি টাকার সমান। সুইস ব্যাংকে টাকা রাখে বাংলাদেশের অতিকায় ধনীরা। তাদের কল্যাণেই তো গড় আয় বেড়েছে। বিশ্বব্যাংকের মর্যাদা আমরা পেয়েছি। তাদের টাকার পরিমাণ এবং বিদেশে পাচার করা টাকার পরিমাণও ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০০৪ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমানো টাকার পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ১০ লাখ সুইস ফ্রাঁ। তার মানে প্রতি বছর পাচার করা টাকার পরিমাণ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (GFI)) প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০০১ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মোট এক লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এটা না হলে তো বিশ্বব্যাংক, এমনকি জাতিসংঘের সার্টিফিকেট আরও আগে পেতাম। আমাদের অর্থমন্ত্রী খুবই স্পষ্টভাষী। ব্যাংক লুট করা দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে যে নিজ দলের লোকদের জন্যই ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না, এ কথা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, দুর্নীতির কারণে জিডিপি ২ থেকে ৩ শতাংশ কমেছে। হিসাব করলে দেখা যাবে অংকটি বেশ বড়। এই দুর্নীতির প্রাপ্য টাকার একটা বড় অংশ হিসাবের মধ্যে ধরা পড়ে না। পাচারের টাকা, দুর্নীতির পুরো টাকা যোগ করতে পারলে আমাদের গড় হিসাব আরও বড় হতো। আমরা আরও আগেই মধ্যম আয়ের দেশ বলে ঘোষিত হতাম। আহা! কী পরিতাপের বিষয়।

গড় হিসাবটাই আসলে খুব গোলমেলে ব্যাপার। আমাদের দেশে যে ধনীর সংখ্যা ও বিত্তের পরিমাণ বাড়ছে, এতে আমরা যারা গরিব ও মধ্যবিত্ত তারা যেন হিংসা না করি। কিছু লোক অতিকায় ধনী হওয়ার কারণেই তো গড় আয়ের হিসাব বেড়ে গেছে। আমাদের মর্যাদা বেড়েছে। এখন আর কেউ আমাদের গরিব দেশ বলবে না। ধনীর সংখ্যা কীভাবে এবং কত দ্রুত বাড়ছে, সেই চিত্রটাও সামনে থাকা ভালো। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রদত্ত হিসাব মতে, ২০১০ সালে কোটিপতির সংখ্যা ছিল ২৩ হাজার ২১২ জন। আর মাত্র চার বছরে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজারের উপরে। মুদ্রাস্ফীতিকে হিসাবে নিলেও কোটিপতির সংখ্যা চার বছরে দ্বিগুণের বেশি হওয়া খুব স্বাভাবিক ব্যাপার নয়। এই অস্বাভাবিকতার কারণেই ব্যাপক জনগণ দরিদ্রে পড়ে থাকলেও আমরা মধ্যম আয়ের দেশ বলে গর্ব করতে পারি। মধ্যম আয়ের দেশ বলেই তো রাস্তায় এত দামি দামি গাড়ি দেখা যায়। গত বছরের নভেম্বরের হিসাব অনুযায়ী BRTA-তে নিবন্ধিত কোটি টাকার ওপর গাড়ির সংখ্যা ৪৯ হাজার। অবিশ্বাস্য মনে হলেও কোনো কোনো গাড়ির দাম ৪-৫ কোটি টাকা পর্যন্ত- যেগুলো বড় বড় ব্যবসায়ী ও অনেক রাজনীতিবিদ ব্যবহার করেন। এসব গাড়িই তো রাস্তায় যানজট বাধায়।

অতিকায় ধনীদের অতিকায় আয় আমাদের গড় আয়ের হিসাবটি বাড়িয়ে দিচ্ছে ঠিকই। কিন্তু এ কথা মনে করার কোনো কারণ নেই যে, দেশের প্রকৃত উৎপাদনে বা জাতীয় আয়ে তারা বড় অবদান রাখছেন। বড় অবদান রাখেন প্রধানত তিনটি শ্রেণি। সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আনছেন প্রবাসী শ্রমিকরা। এ বছর পহেলা জানুয়ারির হিসাবে বছরে পাঠানো রেমিটেন্সের পরিমাণ হলো ১৪ বিলিয়ন ডলার। আর গত জুনে বাংলাদেশ ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ প্রবাসী শ্রমিকদেরই অবদান সবেচেয়ে বেশি। অথচ আমরা জানি এই শ্রমিকরা মধ্যপ্রাচ্য বা মালয়েশিয়ায় প্রায় দাসসুলভ জীবনযাপন করেন। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে তারপর সবচেয়ে বেশি যাদের অবদান তারা হলেন গার্মেন্ট কারখানায় কর্মরত নারী-পুরুষ শ্রমিকরা, যাদের বলা যেতে পারে আধুনিক দাসশ্রম। জাতীয় উৎপাদনে আর অবদান রাখেন কৃষক, যারা ফসলের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে হতাশায় ভুগছেন। তার মানে, জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি করে একদল কিন্তু ভোগ করে আরেক দল। যারা হচ্ছে জনসংখ্যায় সংকীর্ণ স্তর, তাদেরই বিত্তবৈভব গড়কে বাড়িয়ে দিচ্ছে। কিন্তু তাতে কি ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের জীবনে ক্ষুধা, দারিদ্র্য দূর হয়? চিকিৎসা-শিক্ষা, এমনকি সুপেয় পানির প্রসঙ্গ তো বাদই দিলাম। বাংলাদেশ সরকারের পরিসংখ্যান ব্যুরো যে হিসাব দিচ্ছে, তাতে বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। এই সংখ্যাটি কিন্তু বেশ বড়- চার কোটি, যা পৃথিবীর অনেক দেশের লোকসংখ্যার চেয়ে বেশি। তবু এই চার কোটি মানুষের ব্যাপারে চোখ বুজে রেখে একটু আনন্দ করা যাক- 'আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছি।' সরকারের লোকজনও বেশ গর্বের হাসি হাসছেন।

কিন্তু সমস্যা অন্যখানে। ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য এত বিরাট হলে তা সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে, এমনকি অর্থনীতিকেও হুমকির মুখে ফেলে, যা সেই হাসি মুছে ফেলে দিতে পারে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মইনুল ইসলাম বলছেন, অর্থনৈতিক আয় বৈষম্য বৃদ্ধি বা হ্রাস পরিমাপ করা যায় যে 'গিনি সোহাগ' (এটি অর্থনৈতিক শাস্ত্রের একটি tool) দ্বারা, তা যদি বাড়তে বাড়তে শূন্য দশমিক পাঁচ-এর কাছাকাছি পৌঁছায় বা অতিক্রম করে তবে তা অর্থনীতির জন্য মারাত্দক সংকেত। এখন বাংলাদেশে গিনি সোহাগ এই সীমান্তরেখা প্রায় ছুঁতে চলেছে। অথচ তা ছিল বাংলাদেশে জন্মলগ্নকালে অর্থাৎ ১৯৭২ সালে মাত্র শূন্য দশমিক ৩২। তার মানে মোট জাতীয় আয় এবং মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় বৃদ্ধি পেলেও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে ধনবৈষম্য।

আমাদের সংবিধানে লেখা আছে সমাজতন্ত্র হচ্ছে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি। কিন্তু বাস্তবে আমাদের শাসক ও নীতিনির্ধারকরা অনুসরণ করছেন ঠিক তার উল্টা নীতি। এভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষকে দারিদ্র্যের মধ্যে রেখে, ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য বাড়িয়ে বিশ্বব্যাংকের সার্টিফিকেট 'মধ্য আয়ের দেশ', এই খেতাব লাভ করে কি আমরা সত্যিই গর্ব বা আনন্দ অনুভব করতে পারি?

আমাদের পাশের দেশ ভারত আঞ্চলিক সুপার পাওয়ার। অর্থনীতির আয়তনটাও বিরাট। পৃথিবীর মধ্যে তিন বা পাঁচ নম্বরে। (কোনো হিসাবে তিন, কোনো হিসাবে পাঁচ)। কিন্তু কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক রতন খাসনবিস বলছেন, দুটি ভারতবর্ষ আছে- ধনীর ভারত ও গরিবের ভারত। ২০০৯ সালের লেখা এক প্রবন্ধে তিনি বলছেন, 'ভারতের সেই বছরের জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.৭ শতাংশ, তার আগের বছর ছিল ৯.৪ শতাংশ। কিন্তু 'দরিদ্র, হতদরিদ্র, প্রান্তিক ও দুর্বল শ্রেণিভুক্ত ভারতীয় পরিবারের সংখ্যা হলো মোট পরিবারের ৭৬.৭ শতাংশ।

সম্ভবত এদের একটা বড় অংশই দুই বেলা পেট ভরে খেতে পারে না।' প্রায় একই রকম কথা কি বাংলাদেশ সম্পর্কেও প্রযোজ্য নয়? মধ্যম আয়ের দেশ বাংলাদেশেও রয়েছে দুই দেশ- ধনীর বাংলাদেশ এবং গরিবের বাংলাদেশ। গরিবের বাংলাদেশের লোকেরাই অথৈ সাগর জলে ভাসে, জাকাতের কাপড় জোগাড় করতে গিয়ে প্রাণ হারায়, বন্দীশালার মতো গার্মেন্ট কারখানায় দৈনিক ১৭-১৮ ঘণ্টা কাজ করেও ঈদের আগে বকেয়া বেতনের দাবিতে রাস্তায় নামে। মধ্যম আয়ের দেশের সার্টিফিকেট পেয়েও হতভাগ্য বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ যে সেভাবে হাসতে পারছে না। কঠিন দারিদ্র্য যে আমাদের হাসি কেড়ে নিয়েছে।

লেখক : রাজনীতিক।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়