শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২২ জুলাই, ২০১৫

বাংলা কবিতার আকাল

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
বাংলা কবিতার আকাল

কবি এবং কবিতা অনেক দিন যাবৎ আমার ভাবনায় ছিল না। কিন্তু কবি আল মাহমুদের ৮০তম জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ পাওয়ার পর সংগতকারণেই বাংলাভাষার জীবিত প্রধান কবির জীবন ও কর্ম নিয়ে কিছু পড়াশোনা করতে হচ্ছিল। ঘটনার দিন আমি গাড়িতে করে উত্তরা থেকে প্রেসক্লাবে যাচ্ছিলাম। যাত্রাপথে কবি আল মাহমুদের শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলোতে একটু চোখ বুলাচ্ছিলাম- ঠিক এমন সময় এক স্বঘোষিত সুন্দরীর ঢঙি ঢঙি কণ্ঠের ফোন এলো। স্বঘোষিত সুন্দরী বললাম এ কারণে যে, তাকে আমার কোনো দিনই সুন্দরী বলে মনে হয়নি- কিন্তু তার একদম সাফকথা তার মতো সুন্দরী নারী নাকি এই বাংলায় দ্বিতীয়টি নেই। বিরক্তি ভরা কণ্ঠে বললাম- এখন কথা বলতে পারব না। একজন মহান কবির জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যাচ্ছি- তাই একটু প্রস্তুতি নিচ্ছি। মহিলা বললেন, কোন কবি! আমি তো কবিতা নিয়ে যথেষ্ট পড়াশোনা করি, আমাকে বলুন, দেখি আপনাকে কোনো সাহায্য করতে পারি কিনা!

মহিলার কথা শুনে আমার মেজাজ চরমে উঠল। রোজার মাসের সংযম যথাসম্ভব ধৈর্য বজায় রেখে বললাম, আপনি কি বাংলা সাহিত্যের এই মুহূর্তের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রধান কবির নাম জানেন! মহিলা পুনরায় গলায় ঢঙি প্রকৃতির ছন্দ তুলে বলল, তা আপনিই বলুন না কী নাম ওনার? আমার মুখে কবি আল মাহমুদের নাম শুনে মহিলাটি তার কলেজপড়ুয়া মেয়েকে উচ্চকণ্ঠে ডেকে বলল, মায়েশামণি। তুমি কি কবি আল মাহমুদের নাম শুনেছ! আমি কথা না বাড়িয়ে ফোন রেখে দিলাম এবং কবির অবুঝের সমীকরণ কবিতাটি পড়তে আরম্ভ করলাম। কবি লিখেছেন- 'ও পাড়ার সুন্দরী রোজেনা, সারা অঙ্গে ঢেউ তার, তবু মেয়ে কবিতা বোঝে না।' কবি আরও লিখছেন- 'কবিতা বোঝে না এই বাংলার কেউ আর দেশের নগণ্য চাষী, চাপরাশি, ডাক্তার, উকিল, মোক্তার, পুলিশ, দারোগা, ছাত্র, অধ্যাপক সব-কাব্যের ব্যাপারে নীরব।' যিনি এই ধরনের কবিতা লিখতে পারেন তার সামনে দাঁড়িয়ে তার সম্পর্কে ভালোভাবে না জেনে কিছু বলা আর আত্দহত্যা একই ধরনের লজ্জাজনক কর্ম।

কবি আল মাহমুদের সঙ্গে আমার পরিচয় সেই শৈশবকালে তার নোলক কবিতার মাধ্যমে। এরপর তাকে আমি সরাসরি দেখি ১৯৮৬ সালে শান্তিনগরে তমুদ্দুন মসলিসের একটি অনুষ্ঠানে। বহুবার কথা হয়েছে এবং দেখা হয়েছে তার চেয়েও বেশিবার। প্রতিবছরই কবিকে দেখেছি নতুন নতুন ভালো লাগা, ভালোবাসা এবং সমীহ করার মতো সমীকরণ নিয়ে। আর এসবই হয়েছে আমার কবিতা প্রীতির জন্য। আমার কবিতার সেকাল বলতে সত্তর দশক এবং একাল বলতে ১৯৯০ সাল থেকে আজ অবধি সময়কে বুঝি। বাংলা কবিতার হাজার বছরের ঐতিহ্য সম্পর্কে আমি খুব কমই জানি। আমার শৈশব আলোকিত হয়েছিল রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জসীমউদ্দীন, সুফিয়া কামাল এবং কবি আল মাহমুদের কবিতা দ্বারা। আরও পরে পরিচিত হই শামসুর রাহমান, বন্দে আলী মিয়া, সুকুমার রায় প্রমুখের কবিতার সঙ্গে। কবিতা আমাকে কল্পনা করতে শিখাত- আমার ভাবনার জগৎ এলোমেলো করে দিত এবং আমাকে নিয়ে যেত স্বপ্নপুরীতে। যেমন আল মাহমুদের 'পাখির মতো' কবিতার কথামালা সব শিশুকেই অনাদিকাল পর্যন্ত আলোড়িত করবে। কবি বলেন, 'আম্মা বলেন, পড়রে সোনা- আব্বা বলেন, মন দে; পাঠে আমার মন বসে না- কাঁঠালচাপার গন্ধে। আমার কেবল ইচ্ছে জাগে- নদীর কাছে থাকতে। বকুল ডালে লুকিয়ে থেকে- পাখির মতো ডাকতে।' না ঘুমানোর দল কবিতায় কবি বলেন- 'নারকেলের ওই লম্বা মাথায়- হঠাৎ দেখি কাল- ডাবের মতো চাঁদ উঠেছে- ঠাণ্ডা ও গোলগাল। ছিটকিনিটা আস্তে খুলে- পেরিয়ে এলেম ঘর-ঘুমন্ত এই মস্ত শহর- করছিল থরথর।'

মহান কবিদের অনবদ্য কিছু কবিতা শৈশবে আমাকে পাগল করে দিত। আমি দুরন্ত একদল শিশু-কিশোর নিয়ে ফসলের মাঠ পেরিয়ে কখনো চলে যেতাম নদী দেখার জন্য। আবার কখনো সদলবলে ঝাঁপিয়ে পড়তাম গ্রামের তালপুকুর কিংবা পদ্ম পুকুরে। নির্জন দুপুরে বনজঙ্গল আমাকে প্রবলভাবে ডাকত। আমি আম-জাম-লিচু-বরই প্রভৃতি গাছের মগডালে উঠে পাখিদের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে হরবোলা হওয়ার চেষ্টা করতাম। আবার মাঝেমধ্যে তালগাছে উঠে তালের রস খেতে খেতে মৌমাছিদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতাম। একটু বড়সড় বা ডাঙ্গোর-ডোঙ্গর হওয়ার পর কবিতা লেখার নেশা আমায় পেয়ে বসল। চেহারায় কবি কবি ভাব ফুটিয়ে তোলার জন্য লম্বা চুল রাখলাম। কাঁধে ব্যাগ ঝোলালাম এবং পায়ে চটি স্যান্ডেল পরে কবিতা এবং কবির খোঁজে রাত-বিরাতে রাজপথে বের হওয়া আরম্ভ করলাম। একদিকে কবি আল মাহমুদ, কবি আল মুজাহেদী, আসাদ চৌধুরী- আর অন্যদিকে কবি শামসুর রাহমান, রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, সৈয়দ সামসুল হক, তসলিমা নাসরিন প্রমুখ। এরই মধ্যে হঠাৎ করে কবি সৈয়দ আলী আহসানের নেতৃত্বে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পৃষ্ঠপোষকতায় কবি এবং কবিতার নতুন যুগ আরম্ভ হলো। আমি চুলে আর্মি ছাঁট দিলাম। ব্যাগ ও স্যান্ডেল ফেলে দিয়ে কবিতার ভুবন থেকে ছুটি নিলাম। সেই যে নিলাম আর ফিরিনি ওপথে।

আমার কবিতার একালের মহামারী শুরু হয়েছে ১৯৯০ সালের পর থেকে। আর এখন তা গ্রাস করেছে সবকিছুকে। কবি আল মাহমুদ তার রবীন্দ্রনাথ কবিতায় লিখেছেন- 'এ কেমন অন্ধকার বঙ্গদেশ উত্থান রহিত-নৈশব্দের মন্ত্রে যেন ডালে আর পাখি বসে না। নদীগুলো দুঃখময়। নির্পতগ মাটিতে জন্মায়- কেবল ব্যাঙের ছাতা অন্য কোনো শ্যামলতা নেই। শুনুন, রবীন্দ্রনাথ আপনার সব কবিতা- আমি যদি পুঁতে রেখে দিনরাত পানি ঢালতে থাকি- নিশ্চিত বিশ্বাস এই, একটিও উদ্ভিদ হবে না- আপনার বাংলাদেশ এ রকম নিষ্ফলা, ঠাকুর।' কবি আরও বলেন, 'অবিশ্বস্ত হাওয়া আছে। নেই কোনো শব্দের দ্যোতনা,- দু'একটা পাখি শুধু অশ্বত্থের ডালে বসে আজও- সংগীতের ধ্বনি নিয়ে ভয়ে ভয়ে কাব্যালাপ করে, বৃষ্টিহীন বোশোখের নিঃশব্দ পঁচিশ তারিখে।'

কবির কবিতায় কালের যে অকাল ফুটে উঠেছে তাতে আমার কি সাধ্য তার রূপরেখা গদ্যে প্রকাশ করি- তবুও বলছি এরশাদীয় কবিরা প্রকৃতির পরিবর্তে ক্ষমতার প্রেমে মত্ত হয়ে কবিতা লেখা শুরু করল। এরশাদ এবং তার পত্নীর মুখ দেখলে তাদের কবিতার সাগরে জোয়ার আসত। অন্যদিকে শাসকের লেফট-রাইট কিংবা আরামে দাঁড়ানোর শব্দ শুনলে তারা একেকটা মহাকাব্য রচনা করে ফেলতে পারত। তাদের বংশবদ কবিরা ১৯৯০ সালের পর ভোল পাল্টে ফেলল। একদল হয়ে গেল ধানের শীষের কবি- অন্যদল নৌকার। বাকি কিছু দাড়িপাল্লা এবং চাঁদ-তারা মার্কার কবিত্বে বিলীন হয়ে কবিতার মাঠে এতসব বর্জ্য ত্যাগ করতে শুরু করল যে পুরো মাঠটিকে বন্ধ্যা বানিয়ে ছাড়ল। মনের দুঃখে কবি আল মাহমুদ তার 'হায়রে মানুষ' কবিতায় বলেন- "তারপরে সে কী হলো, এক দৈত্য এসে কবে- পাখনা দুটো ভেঙে বলে মানুষ হতে হবে। মানুষ মানুষ করে যারা মানুষ তারা কে? অফিস বাড়ির মধ্যে রোবট কলম ধরেছে। নরম গদি কুশন আসন চশমা পরা চোখ- লোক ঠকানো হিসাব লেখে, কম্পুটারে শ্লোক। বাংলাদেশের কপাল পোড়ে ঘূর্ণিঝড়ে চর- মানুষ গড়ার শাসন দেখে বুক কাঁপে থরথর। 'হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস'- গান শোননি ভাই? মানুষ হবার ইচ্ছে আমার এক্কেবারে নাই।"

৯০-পরবর্তী কবিদের একটি বিরাট অংশ রাজনৈতিক কারণে বিভক্ত হয়ে গেল। নিজেদের লোভ-লালসা এবং পদ-পদবি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার কাছে কবিত্ব বিসর্জন দিয়ে তারা কলমের পরিবর্তে লগি বৈঠা হাতে নিল। অন্যদিকে লগি বৈঠার মিছিল দেওয়ার জন্য লাঙ্গল, কাস্তে, কুড়াল ও খোন্তা নিয়ে নেমে পড়ল অন্য দলগুলো। একটা সময় ছিল কবিদের পেছনে প্রচুর মেয়ে ঘোরাঘুরি করত। সুন্দরী সব ললনা দল বেঁধে কবিকুঞ্জে গিয়ে কবিদের সুধারস গ্রহণ করত। আর পুরুষ ভক্ত তো ছিলই। ঠিক যেমন ফুলের কাছে মৌমাছি যায় কিংবা প্রজাপতি উড়ে বেড়ায় ফুলের চারধারে তেমনি ভক্তকুল কবিদের কাছে যেতেন। এই ভক্তদের মধ্যে ছিল রাজা বাদশাহ থেকে শুরু করে গ্রামের খেটে খাওয়া কুলিমজুর পর্যন্ত। বঙ্গবন্ধু নিজে কবি সুফিয়া কামাল, কবি জসীমউদ্দীন প্রমুখের কাছে ছুটে যেতেন। কবি নজরুলের সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা না হয় বাদই দিলাম। ওপার বাংলায় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ঠিক যেন দেবতার মতো সমীহ করা হতো। মহাত্দা গান্ধী, জওহর লাল নেহেরু প্রমুখের মতো বিশ্ববরেণ্য রাজনৈতিক নেতারা কবির চরণতলে বসে কাব্যসুধা গ্রহণ করতেন।

বাংলাদেশের ক্ষমতালোভী কবিরা ক্ষমতার পেছনে ছুটতে ছুটতে কখন যে কবিত্বের সৌরভ এবং সুধারস হারিয়ে ফেলেছেন তা তারা নিজেরাই জানেন না। প্রকৃতির ফুল, পাখি, বৃক্ষলতা এবং জ্যোৎস্নার স্বাদ যেমন প্লাস্টিকের তৈরি সামগ্রী এবং কেরোসিন তেলের প্রদীপ থেকে পাওয়া যায় না তেমনি এ যুগের পচে যাওয়া কবিদের কবিতারও হয়েছে একই হাল। আমি গাড়িতে বসে আল মাহমুদের কবিতা এবং কবি প্রতিভা নিয়ে ভাবতে গিয়ে বহুদিন পর কাব্য ভুবনের জঞ্জালসমূহ নিয়ে মাথা ঘামালাম। দেখলাম শত প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশের প্রবীণ কবি অন্যদের মতো চরিত্র বিসর্জন দেননি। সুদীর্ঘ জীবনে তিনি সর্বদাই রাজ রোষের শিকার হয়েছেন তার স্বাধীন চিন্তা এবং লেখনীর কারণে।

সম্মানিত পাঠক হয়তো ভাবতে পারেন- কবিতা নিয়ে এতো আলোচনার কী দরকার ছিল। আমাদের জীবনে গাড়ি-বাড়ি-নারী-অর্থ-বিত্তবৈভব এবং ক্ষমতা থাকলেই তো হয়। কবিতার কী দরকার। অনেকে হয়তো আরও একটু রাগান্বিত হয়ে বলতে পারেন শিল্পসাহিত্য সংস্কৃতি বা ঐতিহ্যের দরকার নেই। আমরা কেবল আমাদের ধর্মীয় গুরু এবং রাজনৈতিক গুরুর কথা শুনব এবং বিত্তবিলাসের মধ্যে ডুবে থেকে ভবলীলা সাঙ্গ করব। এমন সব চিন্তা যারা করেন তাদের বলছি- সাহিত্যের অপর নাম জীবন। ঘুরিয়ে যদি বলি তবে বলা যায়- জীবনই সাহিত্য। যে জাতির সাহিত্য ভাণ্ডার যত সমৃদ্ধ সেই জাতি তত বেশি উন্নত, সমৃদ্ধ এবং সম্মানিত। অন্যদিকে সাহিত্যের প্রাণভোমরা হলো কবিতা। কবিতা আমাদের গান করতে শেখায়, আমাদের ভাবনার জগতে সুর ও ছন্দ যোগ করে। ফলে কবিতার কারণেই আমরা নৃত্য, কলা এবং অভিনয় দ্বারা জীবনকে মধুময় করে তুলি। কবিতা আমাদের শিখিয়ে দেয় কী করে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হয় কিংবা কী করে সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য নিরূপণ করতে হয়। কবিতা নর-নারীর প্রেমে প্রেরণা দেয়- পরিবারে বন্ধন ও সম্প্রীতি সৃষ্টি করে এবং আল্লাহর প্রতি অনুগত করে তোলে।

কাজেই কবিতার জগতে বন্ধ্যত্ব শুরু হলে একটি জাতির ধ্বংস হতে খুব বেশি সময় লাগে না। আমরা আসলে কোন পর্যায়ে আছি তা বোঝার জন্য গত ২৫ বছরের সাহিত্য কর্মের দিকে নজর দিলেই স্পষ্ট হয়ে যাবে। এই সময়ে এমন একটি কবিতাও রচিত হয়নি যা বাংলার ৬৮ হাজার গ্রামের শিশু-কিশোরদের মন ও মননশীলতাকে আলোড়িত করেছে ঠিক যেন নজরুল-রবীন্দ্রনাথ, আল মাহমুদ এবং শামসুর রাহমানের কবিতার মতো। কবি ও কবিতা নিয়ে ভাবতে ভাবতে আমি যথাসময়ে প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠানস্থলে পেঁৗছে গেলাম। হলরুমটি কবিতাপ্রেমী কবি ভক্তদের দ্বারা পরিপূর্ণ। আমন্ত্রিত বক্তারা সবাই দেশের নামকরা পরিচিত কবি এবং সাহিত্যিক কেবল আমি ছাড়া। সবাই এসেছেন কিন্তু কবি তখনো আসেননি। হঠাৎ খবর এলো- কবি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে। পুরো অনুষ্ঠানস্থলে নেমে এলো বিষণ্নতা। কবিকে ছাড়াই অনুষ্ঠান শুরু হলো- কিন্তু তারপরও একজন দর্শক অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করল না। আমি বসে বসে ভাবতে লাগলাম ১৯৬৬ সালে প্রকাশিত কবির বিখ্যাত সোনালী কাবিন কবিতার কয়েকটি লাইন। কবি লিখেছেন- 'পরাজিত নই নারী, পরাজিত হয় না কবিরা; দারুণ আহত বটে আর্ত আজ শিরা-উপশিরা এ তীর্থে আসবে যদি ধীরে অতি পা ফেলো সুন্দরী, মুকুন্দরামের রক্ত মিশে আছে এ মাটির গায়।'

লেখক : কলামিস্ট।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়