শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০১৫

এমপিরা নিজেরা নিজের বেতন বাড়ানো অশোভন

কুলদীপ নায়ার
অনলাইন ভার্সন
এমপিরা নিজেরা নিজের বেতন বাড়ানো অশোভন

বারবার সামরিক প্রভাবে পড়া দেশ পাকিস্তানের সুপ্রিমকোর্ট, বেশ কবছর ধরে দেখেছি, অবাধ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে থাকা ভারতের সুপ্রিমকোর্টের চেয়ে বেশি প্রগতিশীল। জিয়াউল হক ও পারভেজ মোশাররফের মতো সেনাপ্রধানরা প্রধান বিচারপতির ওপর যে জুলুম চালিয়েছেন তার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের আইনজীবীরা লড়াই করেছেন। বেশি দিন আগের কথা নয়। প্রধান বিচারপতির মর্যাদা ফিরিয়ে আনার সেই যুদ্ধে তারা জিতেছেনও।

আবার এটাও বলতে হয় যে, আয়নায় নিজের চেহারা দেখতে আমাদের বাধ্য করেছে পাকিস্তান সুপ্রিমকোর্ট। যুগান্তকারী এক রায়ে এই কোর্ট জানায় যে, প্রাসাদোপম প্রেসিডেন্ট ভবন, প্রধানমন্ত্রী ভবন, বিভিন্ন গভর্নরের বাসভবন ও এসব ভবনের বাসিন্দাদের এবং উচ্চপদের সরকারি কর্মকর্তাদের বিলাসী জীবনযাপন পদ্ধতি জিইয়ে রাখার পেছনে 'বিপুল ব্যয়' জনগণের জন্য ক্ষতিকর। 'রাজনৈতিক প্রশ্ন' জড়িত থাকায় 'সরকার যে নীতি গ্রহণ করে' তারই পরিণামে এটা ঘটে চলেছে।

ভারতে যে ধরনের রায় ঘোষিত হয় তার তুলনায় এই রায় অনেক অনেক তাৎপর্যবাহী। পাকিস্তান সুপ্রিমকোর্ট বলেছে, 'বিদেশি ঋণের ভারে কাতর এই দেশ, এর জনগণের বিরাট একটি অংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা আর শিক্ষা তারা পায় না। এমন দেশে এরকম লাগামহীন ব্যয় মহানবীর অনাড়ম্বর জীবনযাত্রার ঐতিহ্যের পরিপন্থীই শুধু নয়, এতে করে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারও লঙ্ঘিত হচ্ছে।'

রায়ের এই ভাষায় স্বাধীন ভারতে ক্ষমতার বিভিন্ন স্তরে নির্বাচিতদের উদ্দেশে মহাত্দা গান্ধীর দেওয়া উপদেশের প্রতিধ্বনি রয়েছে। তিনি বলেছিলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের আচরণ হতে হবে তত্ত্বাবধায়কের মতো, প্রভুর মতো নয়। তাদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যেন সাধারণ মানুষের গড়পড়তা আয়ের চাইতে অত্যধিক না হয়- গান্ধী এটাই চেয়েছেন। সংসদ সদস্যরা, বিধানসভার সদস্যরা আর যারা পৌরসভার উচ্চপদে নির্বাচিত হন, তারা এই উপদেশের পরোয়া খুব একটা করেন না। পাকিস্তান সুপ্রিমকোর্টের রায়ে আছে- 'সরকারি সম্পদ হচ্ছে জনসেবকের হাতে অর্পিত জনআস্থা।' এই বাস্তবতা অস্বীকার করা যাবে না।

নির্বাচিত সংসদ ও বিধানসভা সদস্যদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর যে দাবি উঠানো হয়, আশা করেছিলাম তার ওপর আদালত মন্তব্য করবে। কিন্তু আদালত তা করল না এই যুক্তিতে যে ব্যাপারটির সঙ্গে রাজনৈতিক প্রশ্ন জড়িয়ে যাবে। তত্ত্বগতভাবে আদালত ঠিকই ভেবেছে। তবে বিচারকদের পর্যবেক্ষণ জনস্বার্থ সংরক্ষণে সহায়ক হতে পারত। কারণ বিচারবিভাগ এখনো শ্রদ্ধেয়। কিন্তু রাজনৈতিক নেতারা আর তাদের সহযোগীরা যেরকম লাগামহীন ব্যয় করেন, বিচারকদের অভিমতের পর, তার বিরুদ্ধে জনমত সোচ্চার হতে শুরু করত।

তাদের বিলাসী জীবনযাপন রীতি উন্নত ও ধনী পশ্চিমা দেশগুলোর রাজনীতিকদের জীবনরীতির সঙ্গে খাপ খায় না। ভারতের রাজনীতিক জনপ্রতিনিধিরা যে ইতিমধ্যেই উচ্চ উপার্জনকারীদের পঙ্ক্তিভুক্ত হয়ে আছেন- সে কথা তাদের কে দেখিয়ে দেবে? একদা এই কাজটা গণমাধ্যম করেছে। কিন্তু এখন মালিকরা, তাদের লোকরা আর করপোরেট সেক্টরের তদারককারীরা পত্রিকা কী ছাপবে বা ছাপবে না, তা নির্দেশ তো করছেই, এমনকি প্রতিবেদনের শিরোনামও বলে দিচ্ছে। তাদের ব্যক্তিগত গোঁড়ামি আর জেদ গণমাধ্যমকে বিপর্যস্ত করছে। এই পরিস্থিতি বেদনাদায়ক অবশ্যই। কিন্তু এর চাইতে উন্নততর পদ্ধতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি, আমাদের এ অঞ্চলের সংবাদপত্রের পরিবেশের চাইতে অনেক উন্নত পরিবেশসমৃদ্ধ পাশ্চাত্যেও একই দশা।

সাংবাদিকতার উচ্চমান বাতলানোর লক্ষ্যে স্থাপিত প্রেস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের কী করা উচিত, কী উচিত নয় বলে দেওয়ার ব্যাপারে এক নম্বর প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেকে জাহির করার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। একদা এই কাউন্সিলের সদস্য ছিলাম আমি। ওই সময় সেন্সরশিপ চলছিল। কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ছিলেন সুপ্রিমকোর্টের অবসরভোগী এক বিচারক। সরকারের আনুকূল্য লাভের জন্য তিনি কী রকম তোষণ করেছিলেন মনে পড়ে। তদানীন্তন তথ্যমন্ত্রী বিদ্যাচরণ শুক্লার কাছে তিনি লিখলেন যে, প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি কাউন্সিল সদস্যদের এমনভাবে বাগে এনেছেন যে, তারা সেন্সরশিপের সমালোচনা করে কোনো প্রস্তাব পাস করবেন না।

জরুরি অবস্থার সময়কার প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আচরণ ও মনোভঙ্গি তুলে ধরে শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছিল জনতা সরকার। কিন্তু '১৯৮০ সালে শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী আবার ক্ষমতায় ফিরে এসে সেই একই আচরণ করতে থাকলেন, তখন গণমাধ্যমে বা প্রেস কাউন্সিলে কাউকেই তার বিরুদ্ধে আঙ্গুল উঁচিয়ে কিছু বলতে দেখা গেল না। সম্পাদক ও পেশাদার সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য ইদানীং প্রেস কাউন্সিল পুনর্গঠন করা হয়েছে। কিন্তু আজও অবস্থার খুব একটা হেরফের হয়নি।

প্রেস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার জায়গায় সম্ভবত আরেকটি প্রতিনিধিত্বশীল সংস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেমনটি হয়েছে যুক্তরাজ্যে। ওই দেশেও দেখা গেছে যে প্রেস কাউন্সিল গতিহীন হয়ে পড়েছে। আশির দশকে যুক্তরাজ্য প্রেস কাউন্সিলের বদলে গড়ে উঠল প্রেস কমপ্লেইনটস কাউন্সিল (পিসিসি)। ওই দেশে গণমাধ্যমের অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। তবুও সরকার বা গণমাধ্যম কেউই ফলপ্রদ অন্য কিছু উদ্ভাবন করছে না। ওভাবেই চলছে। স্বীকার করি, ভারতে পুনর্বার সেন্সরশিপ চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তা সত্ত্বেও প্রেস কাউন্সিল আরও অর্থবহ করে তোলা প্রয়োজন। নইলে প্রতিষ্ঠানটি শুধু একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।

লোকসভার সাবেক স্পিকার সোমনাথ চ্যাটার্জি সংসদ সদস্যদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা ইত্যাদি নির্ধারণের জন্য স্বতন্ত্র পে-কমিশন গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন। তার সঙ্গে আমি সহমত পোষণ করি। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় মেটানোর জন্য সংসদ সদস্যদের আরও বরাদ্দ দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, এতে সন্দেহ নেই। তবে কতটা বাড়ানো শোভন তা যথাযথভাবে যাচাই করা চাই। সোমনাথ চ্যাটার্জির বক্তব্যের একটি দিক খুবই তাৎপর্যময়। তিনি বলেছেন, 'নিজেদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এমপিরা নিজেরা নিতে পারেন না।'

বিভিন্ন রাজ্যের বিধান সভার সদস্যদের বেতন-ভাতা গ্রহণের মধ্যেও সমতা রক্ষা করা দরকার। বর্তমানে কেরালা বিধান সভার সদস্যরা মাসে ২১,৩০০ রুপি করে বেতন-ভাতা নিচ্ছেন। দিলি্ল বিধানসভার সদস্যরা নেন মাসে ৫০,০০০ রুপি। পাঞ্জাব বিধান সভার সদস্যের বেতন-ভাতা ৫৪,০০০ রুপি। কেরালা বিধান সভার সদস্যরা প্রত্যেকে মাসে পাচ্ছেন বেতন ৩০০ রুপি; বাকি ২১ হাজার রুপি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের বিল ও ভাতা। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে এমন একটা অংক দেওয়া উচিত যার মধ্যে যাবতীয় খরচের রুপি একই সঙ্গে থাকবে। সাকুল্য অংক দেখলে জনগণ বুঝতে পারবে একেকজন প্রতিনিধি পুষতে গিয়ে তাদের ট্যাঙ্ থেকে মাসে মাসে কত বেরিয়ে যাচ্ছে। নানা ধরনের খাত উল্লেখ করে পারিতোষিকের বর্ণনা দেওয়া হলে চট করে বোঝা যায় না, গোটা বিষয় বিভ্রান্তকর হয়ে ওঠে। রাজ্য আর কেন্দ্রের জন্য একটা মাপকাঠি রাখা ভালো। তাহলেই গান্ধীজীর উপদেশ অনুসরণ করে তদারককারীর ব্যবস্থাটা কতদূর এগিয়েছে জাতি তা অনুভব করবে।

লেখক : প্রবীণ ভারতীয় সাংবাদিক

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়