শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০১৫

ঘর ভাঙা না বি. চৌধুরী কর্নেল অলিদের ঘরেফেরা?

কাজী সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
ঘর ভাঙা না বি. চৌধুরী কর্নেল অলিদের ঘরেফেরা?

বেশ কিছুদিন ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনের একটি মুখরোচক খবর প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায়ও বেশ গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পাচ্ছে যে, বিএনপি ভেঙে যাচ্ছে এবং এই ভাঙন রোধ করার জন্যই পার্টির চেয়ারপারসন তার সৌদি আরব সফর বাতিল করেছেন। যাদের ব্যাপারে ভাঙন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা আকারে-ইঙ্গিতে বলা হচ্ছে এরা প্রায় সবাই ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী 'বিপ্লবী'। ওয়ান-ইলেভেনের পর এদের কেউ কেউ দুর্নীতির দায়ে জেল খেটেছেন। বিএনপির দু'একজন প্রবীণ নেতার টেলিফোন সংলাপ আড়ি পেতে সংগ্রহ করে বলার চেষ্টা করা হচ্ছে, বর্তমান বিএনপির হালচালে তারা মোটেও সন্তুষ্ট নন। অর্থাৎ তারাও নতুন কিছু করার কথা ভাবছেন। কিন্তু ওই টেলিফোন সংলাপ পর্যালোচনা করলে অনুমানটা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। নেতা-কর্মীদের মধ্যে দল নিয়ে, দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে কিংবা করণীয় নিয়ে এমন আলোচনা হতেই পারে। সেই আলোচনার সঙ্গে সবাইকে একমত হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। আবার মতামতটা যদি দলের জন্য উপযোগী এবং লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হয় তাহলে তা গ্রহণ করলেইবা ক্ষতি কি? ওয়ান-ইলেভেনের পর দলের তৎকালীন মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার উত্থাপিত সংস্কার প্রস্তাব নাকচ করে তার ব্যাপারে অগণতান্ত্রিক ও অগঠনতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত না নিয়ে যদি প্রস্তাবের ভালো দিকগুলো বিবেচনা করা হতো, দলটিকে এখন এত পস্তাতে হতো না এবং দল 'পুনর্গঠন-পুনর্গঠন' বলে গলা শুকাতে হতো না। দলে ভিন্ন মতের প্রকাশ হলেই তা দল ভাঙার প্রক্রিয়া হিসেবে ভাবা ঠিক নয়। তবে রাজনৈতিক ও আদর্শগত কারণে একটা দলে বিভক্তি আসতেও পারে। আওয়ামী লীগেও এমন ভাঙন হয়েছিল ১৯৫৭ সালে। পাক-মার্কিন সামরিক চুক্তি, সিয়েটো-সেন্টো চুক্তি, বাগদাদ প্যাক্ট এবং পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্নে (সোহরাওয়ার্দী বলেছিলেন ৯৮ ভাগ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়ে গেছে) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে দলের প্রতিষ্ঠাতা মওলানা ভাসানীর বিরোধ মীমাংসার অযোগ্য স্তরে পৌঁছে গেলে দল ভেঙে যায়। সোহরাওয়ার্দী ছিলেন মার্কিন অনুরাগী আর মওলানা ছিলেন ঘোর সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী। ফলে লীগ ভেঙে সেই সাতান্ন সালেই ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) জন্ম। বিএনপিতে তেমন কোনো রাজনৈতিক বিরোধ এখনো দৃশ্যমান নয়। মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ ও জামায়াতে ইসলামী প্রশ্নে মতাদর্শগত যে বিষয়টি নিয়ে দলে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে, এটা সমগ্র দলগতভাবেই হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। এ বিষয়টি বিএনপিতে একটি জটিল বিষয় তো বটেই। তবে বিএনপির রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অবস্থানে একটা তাৎপর্যপূর্ণ ও দৃশ্যমান পরিবর্তনের লক্ষণ দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে। বিএনপিকে বলা হতো 'ডানের বাম এবং বামের ডান'- অর্থাৎ মধ্যপন্থি একটি উদার গণতান্ত্রিক দল। দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদীদের একটি মিলনকেন্দ্র হিসেবেই ভাবা হতো দলটিকে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জীবদ্দশায় লক্ষ্যের প্রতি অবিচল ছিল দলটি। একটি স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তিনি 'জাতীয় ঐক্য, সমন্বয় ও সমঝোতা' তত্ত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন। সেই তত্ত্ব প্রয়োগের ক্ষেত্রে কিছু ভুল-ত্রুটি হয়তো হয়েছে; কিন্তু তিনি লক্ষ্যচ্যুত ও আদর্শচ্যুত হয়েছেন- এটা তার 'জাতশত্রু'রাই শুধু বলতে পারে, আর কেউ নয়। জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক দল হিসেবে কাজ করার সুযোগ প্রাপ্তি ঘটেছে জিয়াউর রহমান শাসন ক্ষমতায় আসার পর সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে।

আমরা জানি, এর আগে বঙ্গবন্ধুর শাসনকালে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় বাকশাল প্রথা কায়েম করা হয়। জনগণের মৌলিক সব নাগরিক অধিকার হরণ করা হয়। পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে একদলীয় ব্যবস্থার বদলে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করা হয়। সেই সুবাদে বাকশালের 'কোটর' থেকে আওয়ামী লীগ যেমন আবার আলোর মুখ দেখে, জামায়াতে ইসলামীও সেই সাংবিধানিক সুযোগটি গ্রহণ করে। জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেওয়ার সেই উদ্যোগটি যদি 'অপরাধ' হয়ে থাকে- যার সুযোগ জামায়াত নিয়েছে, পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ এবং তার ঘনিষ্ঠ মিত্ররা কী করেছে? সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এ সময় তো যথেষ্ট ছিল। স্পষ্ট বোঝা যায়, বিএনপিকে ঘায়েল করার জন্যই অভিযোগটি বারবার উত্থাপন করা হয়। উচ্চ আদালতে যেখানে নির্বাচন কমিশনে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল হয়ে গেছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াতে ইসলামীকে যেখানে দল হিসেবে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিবেচনার কথা বলেছেন, সে ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে লীগ সরকারের টালবাহানা রহস্যময়ই বটে!

তাই বলে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিএনপির বর্তমানে 'হরিহর আত্মা' হয়ে যাওয়ার মতো সম্পর্ককে কি অনুমোদন করা যেতে পারে? প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমলে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিএনপির এমন 'হানিমুন' সম্পর্কের কথা কল্পনাও করা যায়নি। ১৯৯৮ সালে চারদলীয় জোট গঠনের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপির সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর নিবিড় সম্পর্কের বিন্যাস শুরু হয়। জানা যায় আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে হারাতে ভোটের অঙ্কের হিসাব বুঝিয়ে খালেদা জিয়াকে রাজি করানো হয়। বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়া জামায়াতকে নিয়ে জোট গঠনের বিরোধিতা করেছিলেন; কিন্তু ঠেকাতে পারেননি। সেই যে শুরু, দেড় যুগে তা আরও পোক্ত হয়েছে।

তখন ভোটে জেতা বা আসন সংখ্যার চেয়েও জামায়াতের প্রয়োজন ছিল বিএনপির মতো একটি রাজনৈতিক বটবৃক্ষের আশ্রয়। সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য ছিল ভোটের জোটকে স্থায়ী মৈত্রী জোটে পরিণত করে জোটের রাজনীতির নামে সারা দেশে সংগঠনকে ছড়িয়ে দেওয়া। ১৯৯৮ সালে জামায়াতের সাংগঠনিক বিস্তৃতি, শক্তি ও সক্ষমতার সঙ্গে বর্তমান অবস্থা তুলনা করলে বলতে হবে, তারা তাদের লক্ষ্য অর্জনে সফলই হয়েছে। তৃণমূলে তাদের কর্মী-সমর্থক রিক্রুটমেন্টের 'টার্গেট গ্রুপ'ই ছিল বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কর্মী সমর্থকরা। বিএনপির 'বড় বাবুরা' হয়তো জানেনই না যে, তৃণমূলে তাদের দলের কী সর্বনাশই না হয়ে গেছে এরই মধ্যে! শুধু তৃণমূল কেন, থানায়, জেলায় এমনকি কেন্দ্রেও বিএনপির ওপর তাদের প্রভাব এতটাই বেশি বলে ধারণা করা হয় যে, দলের নীতি-নির্ধারণেও তারা কলকাঠি নাড়তে পারে। আবদুল মতিন চৌধুরীকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার পেছনে জামায়াতের জোর তদবির ছিল বলে একদা গুঞ্জন ছিল। বলা হয়ে থাকে, তার পৃষ্ঠপোষকতাতেই বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ইসলামী ছাত্রশিবির শক্তি আহরণ করে এবং বিএনপির প্রতাপশালী অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল দিন দিন দুর্বল হতে থাকে। জামায়াতের সঙ্গে জোট বাঁধার পর বিএনপি চরিত্রে এমন একটা লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখা যায় যে, তারা যেন 'ইসলাম গেল ইসলাম গেল' একটা রব তুলতে চাইছে। খালেদা জিয়া নিশ্চয়ই কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে একবার বলে ফেলেছিলেন, 'এখন থেকে মসজিদে আজানের পরিবর্তে উলুধ্বনি শোনা যাবে।' তেমন ঘটনা কিন্তু দেশে ঘটেনি। পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রেও বিএনপির ভুল আছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন। জিয়ার শাসনামলে বিএনপির বহু আন্তর্জাতিক মিত্র তৈরি হয়েছিল। তার শাহাদাতবরণের পর বিশ্ব প্রতিক্রিয়ায় তা লক্ষ্য করা গেছে। খালেদা জিয়া স্বল্পকালীন একবারসহ তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সরকার গঠন করেন। ১০ বছরের বেশি সময় তিনি ক্ষমতায় ছিলেন। কিন্তু এত দীর্ঘ সময়েও তিনি আন্তর্জাতিক পরিসরে না পেরেছেন দলের জন্য, না পেরেছেন নিজের জন্য কোনো শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য মিত্র তৈরি করতে। দ্বিতীয় দফার ক্ষমতাকালে অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী স্বল্পকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন ছাড়া ১০ বছরের বাদবাকি সময় ম্যাডামের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন কর্নেল (অব.) মুস্তাফিজুর রহমান এবং এম মোর্শেদ খান। অবাক বিস্ময়ে মানুষ এখনো ভাবে কোন বিবেচনায় তাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়েছিল! ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও বিএনপি ভুল নীতি অনুসরণ করেছে বলে এখনো সমালোচনা শুনতে হয় দলটিকে।

খালেদা জিয়া তা উপলব্ধি করেছেন বলে স্পষ্ট হতে থাকে শেখ হাসিনার দ্বিতীয় দফার শাসনামলেই। বাংলাদেশের ক্ষমতার রাজনীতিতে নিকট প্রতিবেশী ভারতের মনোভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থ ছাড়াও ইনসার্জেন্সি রোধে বাংলাদেশে একটি বন্ধুভাবাপন্ন সরকার তারা প্রত্যাশা করতেই পারে। বাংলাদেশে মৌলবাদী ও জঙ্গি তৎপরতাও ভারতের মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। শুধু ভারত কেন, মৌলবাদ-জঙ্গিবাদ এখন সারা বিশ্বের জন্য হুমকি বলে বিবেচিত।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনাহূত ভারত-বৈরিতার কুফল বিএনপির টের পাওয়ারই কথা। ২০১২ সালের অক্টোবরে সরকারি আমন্ত্রণে ভারত সফরে গিয়ে খালেদা জিয়া তার দলের ভারতনীতিতে পরিবর্তনের সুস্পষ্ট ঘোষণা দেন। ঘোষণা দেন তার দল ক্ষমতায় গেলে ভারতের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজে বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করতে দেবে না। অন্য আরও অনেক বিষয়েই তিনি অনুকূল অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, 'আমরা অতীত ভুলে যেতে চাই। পেছনে নয়, তাকাতে চাই সামনে।' কিন্তু কিছুদিন পরই আবার বিভিন্ন ইস্যুতে বিরোধ জন্ম নিতে থাকে হয়তো কারও উস্কানিতে। তার বড় আকারের দৃষ্টিকটু বহিঃপ্রকাশ ঘটে ২০১৩ সালের মার্চ মাসে ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির বাংলাদেশ সফরকালে। তার সঙ্গে পূর্ব-নির্ধারিত সাক্ষাৎ কর্মসূচি বাতিল করে দেন খালেদা জিয়া। তখন তার জোট আহূত হরতালের কর্মসূচিকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। অবশ্য সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি তার নিরাপত্তা হুমকিকেই কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নরেন্দ্র মোদির সফরকালে খালেদা জিয়া আবারও তার ভারতনীতির পরিবর্তনের বিষয় বেশ ভালোভাবেই পরিষ্কার করেছেন। নরেন্দ্র মোদিও খালেদা জিয়াকে যা বলেছেন তার মমার্থ না বোঝার কিছু নেই। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব ড. এস জয়শংকর বলেছেন, 'খালেদা জিয়ার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বেশকিছু বিষয় আলোচনা হয়েছে। বিএনপি নেত্রী স্থলসীমান্ত চুক্তি অনুস্বাক্ষরে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। এ অঞ্চলের এবং এর বাইরে পণ্যের অবাধ চলাচলের প্রতিও তিনি সমর্থন জানান। তিনি সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে তার অবস্থান তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন। আর তা হলো আমরা গণতন্ত্রের সমর্থক এবং আমরা মৌলবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরোধী।' রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, বাংলাদেশে ভারতের মতো নির্বাচনমুখী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে খালেদা জিয়ার সহযোগিতা কামনার জবাবে নরেন্দ্র মোদির বক্তব্য বিএনপির প্রতি জামায়াত ছাড়ারই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।

একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে জয়লাভ করার মতো বিপুল জনসমর্থন থাকার পরও দলটির নেতৃত্ব কাঠামোর অনেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, মৌলবাদী ঝোঁক দলটিকে দারুণ ইমেজ সংকটে ফেলেছে। খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে এই ইমেজ সংকট কাটানোর মতো ক্যারিশমেটিক নেতৃত্ব এখন বিএনপিতে নেই। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরুর পর দলটির অস্পষ্ট ভূমিকা ভাবমূর্তির সংকট আরও বাড়িয়ে দিয়েছে তরুণ প্রজন্মের কাছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে-পরে গড়ে ওঠা দেশি-বিদেশি সমর্থক মহলের এবং সর্বশেষ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের অন্তর্নিহিত বার্তার শর্ত পূরণ করে হারানো ভাবমূর্তি উদ্ধারে দলটি সচেষ্ট হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। একদিকে নীতি-নির্ধারণী নেতৃত্ব সংকট, অন্যদিকে রাজাকার অপবাদের ভাবমূর্তি সংকট থেকে উদ্ধারের জন্যই দলের প্রতিষ্ঠাকালীন মহাসচিব ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে সসম্মানে দলে ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে। এ ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য খবর বের হচ্ছে মিডিয়ায়। অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীও তার বক্তব্যে ইতিবাচক কথাবার্তা বলছেন। তবে তিনি একটা বিষয়ে বারবার গুরুত্ব দিচ্ছেন, বিএনপিকে জিয়ার বিএনপিতে ফেরত যেতে হবে অর্থাৎ বিএনপি তার জন্মকালীন আদর্শ থেকে বিচ্যুত। কর্নেল (অব.) অলি আহমদের ব্যাপারে শোনা যাচ্ছে তিনিও 'স্বগৃহে' প্রত্যাবর্তন করছেন। দুই নেতা একা নন, দল-বল নিয়েই পুরনো দলে ফিরছেন বলে খবর মিডিয়ায় আসছে। এমনকি আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে যারা ছিলেন, যারা এখনো দলে ফেরেননি বা ফেরার সুযোগ পাননি, সেই সংস্কাপন্থিরাও পুনরায় দলে ফিরছেন বা তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও খবর বেরুচ্ছে। দল ভাঙার খবরের সঙ্গে এসব খবর সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সরকারি চাপে বা অজ্ঞাত উৎস থেকে উপার্জিত বিপুল বিত্তবৈভব রক্ষার জন্য কেউ হয়তো সরকারি পৃষ্ঠপোষকতাধন্য একটা কিছু করার চেষ্টা করতে পারেন, কিন্তু তাতে সরকারের কোনো লাভ তারা করে দিতে পারবেন না। বি. চৌধুরী এবং কর্নেল (অব.) অলি আহমদদের স্বদলে প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনায় প্রগতিশীল, দেশপ্রেমিক, জাতীয়তাবাদী গণতন্ত্রীরা খুশি হলেও মৌলবাদের সমর্থকরা বিচলিত। এরই মধ্যে ২০-দলীয় জোটের প্যাডসর্বস্ব দু'একটি দল বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। অস্থিরতা বেড়েছে বিএনপিতে ওদের পৃষ্ঠপোষকদের মধ্যেও। তবে খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান যদি সিদ্ধান্তে অটল থাকেন, এসব প্রতিক্রিয়ায় কোনো কাজ হবে না। এদের যোগদানে বিএনপি লাভবান হবে সন্দেহ নেই। অধ্যাপক বি. চৌধুরীর যে রাজনৈতিক অতীত এবং উত্তরাধিকার, মুক্তিযুদ্ধে কর্নেল (অব.) অলির যে গৌরবদীপ্ত ভূমিকা তা থেকে সর্বত্র এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি পৌঁছবে যে, বিএনপি আবার জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসমৃদ্ধ বিএনপিতে ফেরত যাচ্ছে, প্রগতিশীল গণতন্ত্রী জাতীয়তাবাদের ধারায় ফিরছে। এতে নতুন প্রাণের স্পন্দন জাগবে দলটিতে। ফিরে আসবে অনেকে, নতুন যোগও দিতে পারে অনেকে। জামায়াত বর্জনে অর্জন হয়ে যেতে পারে অনেক বেশি।

এবং এটাও বলা যায়, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থার ঘোষিত-অঘোষিত বার্তা, সর্বোপরি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও প্রচ্ছন্নে যে বার্তা বিএনপিকে দিয়ে গেছেন, বিএনপি তা সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। বোঝা যায়, খালেদা জিয়ার এ ব্যাপারে অবস্থান সুচিন্তিত ও দৃঢ়। চিন্তা ও বিশ্বাসের সঙ্গে দলকে মিলিয়ে নিতে হলে যেসব শর্ত পূরণ জরুরি, তা তো দৃশ্যমান ও কার্যকর হতেই হবে। এখন দেখতে হবে, বি. চৌধুরী, কর্নেল (অব.) অলি আহমদরা দলে ফিরলে যে 'অথর্বদের' কপাল পুড়বে, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার যোগ্যতাহীন যারা সংসদ সদস্য পদে লড়ার খোয়াব দেখছেন, যে অযোগ্যরা দলে বড় বড় পদ দখল করে বসে আছেন তাদের সব প্রতিরোধ ও চক্রান্তকে প্রতিহত করে বেগম খালেদা জিয়া তার সিদ্ধান্তে অটল থাকতে পারেন কিনা।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট

ই-মেইল : [email protected]

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়