শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৭ আগস্ট, ২০১৫

খবরদার! শোক যেন উৎসব না হয়!

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
খবরদার! শোক যেন উৎসব না হয়!

ছবিগুলো যখন প্রথম সোস্যাল মিডিয়াগুলোতে প্রকাশিত হলো তখন এ নিয়ে আমার তেমন মাথাব্যথা ছিল না। খুবই সাদামাটা কয়েকটি হাস্যোজ্জ্বল ছবি। সরকারের কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রী, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং একই সঙ্গে কয়েকজন তরুণ নেতা ছবিগুলো তুলেছেন। এগুলোর মধ্যে কয়েকটি আবার সেলফি অর্থাৎ স্ত্রী বা নেতারা নিজেরাই নিজেদের ছবিগুলো তুলেছেন। বিভিন্ন ঢঙে তোলা ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে নেতারা বেশ উৎফুল্ল মনে খোশগল্প এবং হাসি-তামাশা করছেন। তারা বাহারি মুখরোচক খাবার যথা খাশির মাংস, চালের রুটি, রোস্ট, ভুনা খিচুড়ি ইত্যাদি খাচ্ছেন এবং মহাআনন্দে ছবিগুলো তুলেছেন। এক তরুণ মন্ত্রী তার সবগুলো দাঁতে হাসি ফুটিয়ে তুলে এমনভাবে সেলফি তুলেছেন যাতে করে উপস্থিত সবার হাস্যরস এবং ভূরিভোজের দৃশ্য চমৎকারভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।

ফেসবুকে পোস্ট করা ছবিগুলোর ক্যাপশন দেখে বুঝলাম এগুলো সবই ১ আগস্ট ২০১৫ সালে তোলা। স্থান ভিআইপি ফেরি। ঘটনার দিন সরকারের শীর্ষ মন্ত্রীরা তাদের দলের শীর্ষস্থানীয় প্রবীণ ও নবীন নেতাদের নিয়ে বিরাট এক রাজকীয় বহর সাজালেন। বিলাসবহুল বাসে উঠে অনেকগুলো ছবি তুললেন, তারপর রওনা হলেন টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজারের উদ্দেশে। সেখানে পৌঁছে সম্ভবত মাসব্যাপী শোক দিবসের কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। পথে পদ্মা নদী পাড়ি দিতে গিয়ে বিলাসবহুল ফেরিতে উঠে ভিআইপি কেবিনে সদলবলে বসলেন। পোলাও-কোর্মা, কালিয়া-কোপ্তা, খাশি-মুরগির রোস্ট, দেশি চালের তৈরি ঐতিহ্যবাহী রুটি, সালাদ, ভুনা খিচুড়ি এবং পদ্মার ইলিশ ভাজির সুগন্ধের কবলে পড়ে তারা আরেক দফা মনের আনন্দে ছবি তুললেন। ফেরি পারাপারের সেই মুহূর্ত তাদের এতটাই আনন্দে উদ্বেলিত করল যে, তারা স্থান-কাল-পাত্র এবং পরিস্থিতি ভুলে তাল-বেতালে হাস্যরসের ছবি তুলতে লাগলেন। সরকারের এক সিনিয়র মন্ত্রী যিনি কিনা খুবই রাগী এবং কখনোই হাসেন না যিনি সর্বাবস্থায় মাথায় ঘোমটা দিয়ে চলেন এবং অতীতে বঙ্গবন্ধুকে গালাগাল দেওয়ার যে রেকর্ড তিনি করেছেন যা আজ অবধি কেউ ভাঙতে পারেনি সেই মহিমাময়ীও চর্বিযুক্ত খাবারের কবলে পড়ে মাথার বসন ফেলে দিয়ে হাস্যমুখে ছবি তুলেছেন।

ফেসবুকের কল্যাণে রাজকীয় বহরের চর্বিযুক্ত ভোজের আনন্দঘন মুহূর্তের গ্রুপ ছবিগুলো পৌঁছে যায় কোটি কোটি মানুষের কাছে। সরকারের সমালোচকরা নির্মমভাবে আজেবাজে কমেন্ট করতে থাকে। খোদ সরকারি দলের শীর্ষ নেতারা যদি শোকের মাসের উদ্বোধনীর দিনে নিজেরা হাস্যরসে মেতে ওঠেন এবং বিয়েবাড়ির খাবার খেয়ে শোকের পরিবেশকে উৎসবে পরিণত করেন তবে বিরোধীরা এই মাস নিয়ে সরকারি দলকে টেক্কা দেবে এবং মিঠাই-মণ্ডা খেয়ে সাজুগুজু করে নৃত্যগীত করবে এটাই তো স্বাভাবিক!

১৫ আগস্ট আমাদের জাতীয় জীবনের এক মহাকলঙ্ক। সেই দিনের বিয়োগান্ত ঘটনাকে হৃদয়ে ধারণ করতে হলে যেমনতরো মন-মননশীলতা এবং প্রজ্ঞা-মেধা দরকার সেটার ঘাটতি থাকলে মাসব্যাপী শোক পালন কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধ এবং মমত্ব না থাকলে আপনি যতই চেষ্টা করুন না কেন- নিজের অজান্তে কখন যে ৩২টি দাঁতের বে-আক্কল মার্কা হাসি বেরিয়ে পড়বে তা আপনি টেরও পাবেন না। এর বাইরে পকেটের অবস্থার ওপরও অনেক কিছু নির্ভর করে। পকেট যদি অতি মাত্রায় গরম হয়ে যায় তবে আপনি চান্দের দেশের মানুষের মতো নিজের ওজন ও অবস্থিতি হারিয়ে ফেলবেন- তখন কথায় কথায় আপনার হাসি পাবে- যখন-তখন লাফ মারার ইচ্ছা জাগবে এবং আপনি অকারণে তিডিং-বিডিং লাফাতে থাকবেন। টাকার গরমে আপনার হৃদয় কঠিন পাষাণে পরিণত হবে। সেখানে কারও জন্য মায়া-দয়া-মমত্ব নামক কোনো জিনিস থাকবে না। ফলে কারও মৃত্যু দিবসে মৃত ব্যক্তির লাশ সামনে নিয়ে আপনি যথেচ্ছ পানাহার অন্তে খিলখিলিয়ে হাসতে পারবেন। এসবই বহুত পুরনো বাত হ্যায় পণ্ডিতরা বলে গেছেন। আমি পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিলাম মাত্র।

১৫ আগস্টের শোক কায়মনো বাক্যে পালন করতে হলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ধারক ও বাহক হতে হবে। আর এ জন্য দরকার বঙ্গবন্ধুকে গভীরভাবে জানা, বোঝা এবং অনুসরণ করা। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি তার অনুগ্রহভাজন এবং ভাজনীদের ডাকেন এবং প্রশ্ন করেন- আচ্ছা বলেন তো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ কি? বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক, সামাজিক, পারিবারিক এবং ধর্মীয় আদর্শ কি ছিল? অথবা তিনি যদি প্রশ্ন করেন বঙ্গবন্ধুর প্রিয় ফুল, প্রিয় ফল, প্রিয় রং, প্রিয় কবিতা, প্রিয় গল্প, প্রিয় মানুষ, প্রিয় বন্ধু, প্রিয় গান, প্রিয় সিনেমা এবং প্রিয় নায়ক সম্পর্কে তাহলে কতজন সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন?

১৯৮১ সালে নেত্রী দেশে ফেরার পর বহুদিন পর্যন্ত ১৫ আগস্টের অনুষ্ঠানসমূহ সীমিত পরিসরে ঘরোয়া পরিবেশে পালিত হতো। ১৯৮১ থেকে '৯৫ সাল পর্যন্ত ১৫ আগস্টের অনুষ্ঠানমালা তা সে যত ক্ষুদ্র পরিসরেই পালিত বা যাপিত হোক না কেন- ওইসব অনুষ্ঠানে উপচে পড়ত অংশগ্রহণকারীদের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা। অনেকে রোজা রাখতেন- কেউ কেউ হয়তো পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের জন্য নিজেই বসে যেতেন। স্বয়ং নেত্রীও কয়েকটি অনুষ্ঠানে নিজে কোরআন তেলাওয়াত করেছেন। আমি ১৫ আগস্টের অনুষ্ঠানমালার ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে বেড়ে উঠেছি সেই কিশোর বেলা থেকে। আমাদের কাকা শাহজাহান তালুকদার ছিলেন থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি। বঙ্গবন্ধু তাকে অতিশয় স্নেহ করতেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর অনেক বঙ্গবন্ধু সৈনিক পালালেও কাকা পালাননি। বরং আগের মতো দাপট নিয়েই সদরপুর, চরভদ্রাসন এবং নগরকান্দা থানা এলাকায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করেছেন। আমার আব্বা ১৯৮০ সালে পটুয়াখালীর উলানিয়া নামক ছোট্ট একটি শহরে বাড়ি করে আমাদের সেখানে নিয়ে গেলেন।

কাকার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি সেই ১৯৮১ সাল থেকেই উলানিয়া শহরে বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি শুরু করি। আমরা ছাত্ররা মিলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে লোকজনের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে প্রতি বছর ১৫ আগস্ট পালন করতাম। উপজেলা বা জেলা পর্যায়ের কোনো নেতাকে আমরা চিনতাম না।

ওই সময় পটুয়াখালী জেলায় ১৫ আগস্ট পালন হতো কিনা জানি না তবে আমাদের থানা সদরে অর্থাৎ গলাচিপায় আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হতো না। থানা সদর থেকে প্রায় ১০ কি.মি দূরত্বে একটি নিভৃত পল্লীর ক্ষুদ্র একটি গ্রাম্য বাজারে স্কুলপড়ুয়া কয়েকটি ছেলের ১৫ আগস্ট যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্য পালন করা সত্যিকার অর্থেই কঠিন ছিল। ১৯৮৮ সালের ১৫ আগস্ট পালন করতে গিয়ে ভারি মুসিবতে পড়েছিলাম। আমি তখন ঢাকাতে থাকি। উপজেলা নির্বাচন উপলক্ষে গ্রামে যাই। নির্বাচনের তারিখ ছিল ১৪ আগস্ট। আমাদের প্রার্থী সাবেক এমপি বারেক মিয়া নির্বাচনে পরাজিত হন। বিএনপির প্রার্থী জয়লাভ করেন। ফলে ১৫ আগস্ট ভোরবেলা প্রায় শ'খানেক স্থানীয় বিএনপি কর্মী আমাকে ঘেরাও করে ফেলল। তাদের সাফ কথা কোনো মতেই উলানিয়ায় ১৫ আগস্ট পালন করা যাবে না। একদল লোকের দ্বারা আক্রান্ত হয়েও সেদিন সাহস হারাইনি কিংবা লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যাইনি, বরং রুখে দাঁড়িয়ে বলেছিলাম- আমার জীবনের বিনিময়ে হলেও ১৫ আগস্ট পালিত হবে এবং শেষ পর্যন্ত তাই হয়েছে।

পুরো আশির দশকে আমার মতো লাখ লাখ তরুণ-যুবক বাংলার আনাচে-কানাচে ১৫ আগস্ট পালন করেছে। কোনো রাজ আনুকূল্য কিংবা বাইরের কারও সাহায্য ছাড়াই সাধারণ মানুষ স্বপ্রণোদিত হয়ে দিবসটি পালন করেছে হৃদয়ের সব ভালোবাসা উজাড় করে। ওই সময় কাঙালিভোজ হতো না কিংবা ভোজের নামে শত শত গরু-ছাগল জবাই হতো না। ক্ষমতাবানরা পকেট দুলিয়ে টাকা পয়সার মহরত দিতে আসত না। কাঙালরূপী মানুষগুলো এসে বিরিয়ানির প্যাকেটের মধ্যে মাংসের আধিক্য খুঁজত না। একটি সাদামাটা অনুষ্ঠান হতো। জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা বলতেন। বক্তার অন্তর পরিপূর্ণ থাকত বঙ্গবন্ধুর মহব্বতের শ্রদ্ধারসে। ফলে শ্রোতারা কেবল মুগ্ধ হয়ে শুনতেন এবং মানসপটে অঙ্কিত করতেন এক মহামানবের চিত্র। বক্তার অনুরণিত ছন্দের সঙ্গে শ্রোতারা কখনো চলে যেতেন টুঙ্গিপাড়ায় কখনোবা কলকাতার বেকার হোস্টেলে আবার ফিরে আসতেন ৩২ নম্বরের দ্বিতল বাড়িটিতে। সেই বাড়ির হাসু, ছোট্ট রাসেল কিংবা পরিবারের কিশোরী নববধূ সুলতানার কথা শুনতে শুনতে শ্রোতার চোখ কোন ফাঁকে যে অশ্রুসজল হয়ে পড়ত তা তারা নিজেরাই টের পেত না।

১৫ আগস্টের সেই ভাবগাম্ভীর্য এখন আর নেই। রাষ্ট্রক্ষমতার প্রবল প্রতাপ আর ক্ষমতাবানদের দাপটে ১৫ আগস্ট দিনকে দিন কেবল বিস্তৃত হচ্ছে প্রাসাদ থেকে প্রাসাদান্তরে এবং বাহারি জৌলুস এবং জাঁকজমককে আমোদ-প্রমোদের অনুষ্ঠানকেও হার মানাচ্ছে। কোন নেতা কতটি গরু জবাই করল এবং বিরিয়ানি-তেহারি কিংবা পোলাও-কোরমা রোস্ট কয় মণ ঘি ঢাললো তা নিয়ে রীতিমতো প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে নব্য টাকার ঝনঝনানির দাপুটে কীর্তিমান ও কীর্তিমতিরা। এক নেতা কথা প্রসঙ্গে একবার আমাকে বললেন, তিনি গত বছর ১৫ আগস্টে একশ গরু জবাই করেছেন। আমি বললাম এত টাকা পেলেন কোথায়। ভদ্রলোক একটি জেলার দাপুটে সাধারণ সম্পাদক এবং এমপি। বললেন টাকার কোনো সমস্যা নেই। জেলার সব টেন্ডার থেকে আমি ১০% হারে চাঁদা কালেকশন করি। এর বিরাট একটি অংশ দল ও দলীয় কাজে ব্যয় করি। ফলে লোকজন আমাকে মি. ১০% বলেই জানে। আমি লোকটির দিকে অবাক বিস্ময়ে তাকালাম এবং কথা না বাড়িয়ে অন্যদিকে চলে গেলাম।

ইসলাম ধর্মে মৃত ব্যক্তির রুহের মাগফিরাত এবং পারলৌকিক কল্যাণ বিধানের জন্য কাঙালিভোজের কথা কোরআন-হাদিসের কোথায় কিরূপে বর্ণনা করা আছে সেই ব্যাখ্যা হয়তো আওয়ামী ওলামা লীগের নেতারা দেবেন। আজকের লেখায় এ ব্যাপারে অধিক কিছু না বলে বরং শিরোনাম প্রসঙ্গে চলে যাই। জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানমালাতে যেভাবে খানাপিনা, সাজসজ্জা এবং সেলফি তোলার প্রচলন শুরু হয়েছে তাতে ভয় হচ্ছে আগামী দিনে শোক দিবসের ভাবগাম্ভীর্য আদৌ থাকবে কিনা? কাজেই সাধু সাবধান- অনুগ্রহ করে খেয়াল রাখবেন- শোক যেন কোনোমতেই উৎসবে পরিণত না হয়।

লেখক : কলামিস্ট।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়