শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৫

আইনের শাসন নেই বলেই

হায়দার আকবর খান রনো
অনলাইন ভার্সন
আইনের শাসন নেই বলেই

বাংলাদেশ কি অকাম্য পরিণতির দিকেই ধাবিত হচ্ছে? দেশে আইন-কানুন আছে বলে তো মনে হচ্ছে না। ক্ষমতার দাপট ও অর্থবিত্তের জোরের কাছে মানবিকতা পরাজিত। সম্পূর্ণরূপে পরাভূত। আইনের শাসন নির্বাসিত। তাহলে গণতন্ত্রের অবশিষ্ট কি থাকল?

কয়েক দিন ধরে একের পর এক শিশু নির্যাতন ও হত্যার যে বীভৎস বিবরণ মিডিয়ায় আসছে, তাতে সামান্য বিবেকবান কোনো মানুষই স্বাভাবিক ও সুস্থ থাকতে পারে না। সিলেটের শিশু রাজন হত্যার ঘটনার পরপরই শুনলাম খুলনায় শিশু রাকিবের ওপর নির্যাতনের বীভৎস ঘটনা, যার পরিণতি ছিল মৃত্যু। এখানেই শেষ নয়, বরগুনায় নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা গেছে ১০ বছরের রবিউল, রাজবাড়ীর ১৫ বছরের বালক মিজু শেখ। একটা বিষয় লক্ষণীয় যে, এই শিশুরা গরিব ঘরের সন্তান এবং শ্রমজীবী। যে বয়সে তাদের স্কুলে যাওয়ার কথা, বাবা-মায়ের আদরে বড় হওয়ার কথা, সেই বয়সে তারা পরিশ্রম করছে বাবা-মায়ের সংসারে দুটো পয়সা জোগান দেওয়ার জন্য এবং নিজের দুবেলা অন্ন সংস্থানের জন্য। দেশে-বিদেশে শিশুশ্রমকে নিন্দা করা হয়। তা নিয়ে সেমিনার-সিম্পোজিয়ামও কম হয় না। কিন্তু শিশুশ্রম অব্যাহতভাবে আছেই। উপরন্তু এই শিশুদের প্রতি যে অমানবিক আচরণ করা হয় তারই কিন্তু চিত্র পাওয়া গেছে রাজন-রাকিব-রবিউল-মিজুর মৃত্যু সংবাদের মধ্য দিয়ে। যে সমাজ এ গরিব শ্রমজীবী শিশুর প্রতি সহানুভূতি দেখাতে পারে না, সেই সমাজকে ঘৃণাভরে ধিক্কার জানাই।

হঠাৎ করে এত অমানবিক হয়ে গেল কেন আমাদের সমাজ? এর জন্যও দায়ী ক্ষমতাসীনদের গণতন্ত্রহীনতার রাজনীতি ও লুটপাটের অর্থনীতি। বেপরোয়া লুটপাট কেবল অর্থনীতিতেই উৎপাদনবিমুখ নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে না, একই সঙ্গে কুৎসিত কালচারেরও জন্ম দিচ্ছে। একটা ধারণা জন্মেছে যে, ক্ষমতার কাছাকাছি থাকলে অথবা টাকা খরচ করতে পারলে আইনকে গ্রাহ্য না করলেও চলবে। পুলিশ-প্রশাসনও পক্ষে থাকবে। রাজনকে যারা নির্যাতন করেছিল তারা নির্যাতনের দৃশ্য ছবিতে তুলে ফেসবুকে দিয়েছিল। এর মধ্যে এক ধরনের পৈশাচিক আনন্দ আছে, যা মধ্যযুগীয় বর্বরতা অথবা উনবিংশ শতাব্দীর কলকাতার বাবু কালচারের বীভৎসতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য ফেসবুকে প্রচার করা হয়। প্রদর্শনবাদিতাও এ কালচারের অংশ। রাজন হত্যাকারীদের প্রধান আসামি ইতিমধ্যে পুলিশ ও প্রশাসনকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে দেশত্যাগ করে সৌদি আরবে চলে যেতে সক্ষম হয়েছে। কিছু দিন আগের আরেকটি খবর ক্ষমতাসীনদের বিকৃত মানসিকতার পরিচয় তুলে ধরেছে। দামি গাড়ি হাঁকিয়ে যাওয়া এক সংসদ সদস্যের ছেলে বখতিয়ার রাস্তায় জ্যামে পড়ে। এ রকম জ্যামে পড়লে আমাদেরও বিরক্তির উদ্রেক হয়। কিন্তু তাই বলে আমাদের মতন সাধারণ মানুষ খুন করার কথা ভাবতে পারে না। কিন্তু ক্ষমতার কাছাকাছি থাকলে আমাদের দেশে তা ভাবা যায়। সংসদ সদস্যের ছেলে লাইসেন্স করা পিস্তল দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি করে। তাতে নিহত হন রিকশাচালক আবদুল হাকিম ও জনকণ্ঠের সিএনজি অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী। গণতন্ত্রহীন পরিবেশে আইনের শাসন না থাকার ফলে ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা উদ্ধত যুবকের মনে এমন ড্যামকেয়ার মানসিকতা জন্ম নিয়েছে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেন, 'যখন একটি রাষ্ট্র বা সমাজে আইনের শাসনের দুর্বলতা দেখা দেয়, তখন নানা ধরনের অমানবিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও বৃদ্ধি পায়।' তিনি আরও বলেন, 'অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকসহ নানা ধরনের প্রভাব খাটিয়ে কিছু মানুষ অমানবিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে। তাদের ধারণা, এ প্রভাব কাজে লাগিয়ে তারা আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থান করতে পারবে এবং বিচার তাদের স্পর্শ করতে পারবে না। এ থেকেই ঘটনাগুলো বার বার ঘটেছে।' (সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৮ আগস্ট)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেছেন, 'দেশে কি আইনের শাসন আছে? মানুষ যখন দেখবে অপরাধ করে পার পাওয়া যায় না, তখন অপরাধপ্রবণতা কমবে। কিন্তু দেশে সে পরিস্থিতি নেই।'

সরকার বিরোধী দলকে দমন করার জন্য নিজস্ব সংগঠনের যুবক মাস্তানদের ব্যবহার করেছে, যাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল পিস্তল। এসব নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় ছবিসহ অনেক প্রতিবেদন ছাপা হয়েছিল। আগের সরকারগুলোও করেছিল, বর্তমান সরকারও করছে। এটা যেন একটা রাষ্ট্রীয় কালচারে পরিণত হয়েছে। দলীয় মাস্তানরা পুলিশের সামনেই এবং পুলিশের আশ্রয়েই এ ধরনের অপরাধ করে থাকে। তাহলে কেন ক্ষমতার কাছাকাছি কিছু লোকের এ ধারণা জন্মাবে না যে, তারা আইনের ঊর্ধ্বে। ক্রসফায়ারের নামে বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা বিগত বিএনপি আমলেও ছিল, এ আমলেও আছে। ক্রসফায়ারের জন্য যাদের ব্যবহার করা হয়, সেই র‌্যাব ও পুলিশ, তারা তো একপর্যায়ে আপেক্ষিক স্বাধীনতা ভোগ করবেই। র‌্যাবের মধ্যে যে সব অসৎ সদস্যরা যে একপর্যায়ে ভাড়াটে খুনিতে পরিণত হতে পারে, তা-ও তো জানা গেল নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনা প্রকাশিত হওয়ার পর। যে দলীয় ক্যাডারদের নির্বাচনে ভোট কেন্দ্র দখলের কাজে ব্যবহার করা হয়, তারা তো ওই পর্যন্ত গিয়েই থামবে না, তারা আরও কিছু দখল করতে চাইবে- সম্পত্তি দখল, জমি দখল, টেন্ডার বাক্স দখল ও নারী দখল।

এ দখলি মনোবৃত্তি ও মাস্তানি কালচার যে পরিণামে শাসকদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে তা বোধ হয় এখনো আমাদের শাসকদের বোধোদয় হয়নি। তবে অচিরেই হবে। যারা রাষ্ট্রীয় মদদে আইন ভাঙতে শিখছে, তারা সমাজে কেবল নৈরাজ্যই তৈরি করবে, যা কোনো শাসক দলের জন্য কখনই সুখকর হতে পারে না। এরা নিজেরা নিজেরা মারামারি-খুনাখুনি করছে, আরও করবে। সম্প্রতি মাগুরায় শাসক দলের এক অঙ্গ সংগঠন- যুবলীগের দুই দল তরুণের মধ্যকার দ্বন্দ্ব সশস্ত্র সংঘর্ষে রূপ নিয়েছিল, যার পরিণতিতে এক গর্ভবতী মা ও তার পেটের সন্তানও গুলিবিদ্ধ হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে (৯ আগস্ট, প্রথম পৃষ্ঠায়) বলা হয়েছে, 'নিরাপত্তাহীনতার পরিস্থিতি এমনই যে, পৃথিবীর আলো দেখবার আগেই ঘাতকের বুলেটে জীবন সংশয় হয়ে পড়েছে নবজাতকেরও।' আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য সংরক্ষণ কেন্দ্র থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে, ২০০৯-১৪ (ডিসেম্বর) পর্যন্ত ছয় বছরে শাসক দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে নিহত হয়েছেন ১৭২ জন। এসব কিছুর মিলিত ফল হলো আইনের শাসনের অনুপস্থিতি। যে কারণে তৈরি হচ্ছে দুর্বলের ওপর সবলের নির্যাতনের সামাজিক ভিত্তি। গরিব শিশু নির্যাতনকে এ প্রেক্ষাপটেই দেখতে হবে।

সমাজে আরও যেসব দুর্বল জনগোষ্ঠী আছে, তারাও নানাভাবে অত্যাচারিত ও বঞ্চিত হচ্ছে। বিশেষ করে আদিবাসী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। সম্প্রতি হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদ সংবাদ সম্মেলন ডেকে অভিযোগ করেছে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সম্পত্তি দখল করছেন বা দখলের চেষ্টা করছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও প্রশাসনের লোকজন। এদের মধ্যে মন্ত্রী-সংসদ সদস্যও আছেন। তারা কিছু তথ্য-প্রমাণও তুলে ধরেছেন। আমরা জানি যে, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদ আওয়ামী লীগ ও তার সরকারের প্রতি সহানুভূতিশীল। তবু কেন এ অভিযোগ? এমন অভিযোগও নতুন নয়। জমি হাতছাড়া হওয়া ও সামাজিক-অর্থনৈতিক বৈষম্যের কারণে হিন্দুধর্মাবলম্বী নাগরিকরা যে ক্রমাগত দেশত্যাগে বাধ্য হচ্ছেন, এটাও কোনো অজানা তথ্য নয়। আওয়ামী লীগ-বিএনপি-এরশাদ সব আমলেই এ দেশত্যাগের ধারা অব্যাহত ছিল ও আছে। অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বারকাত এক সমীক্ষায় দেখিয়েছেন, যারা হিন্দু সম্পত্তি দখল করছে তার ৬০ শতাংশ আওয়ামী লীগের এবং ৪০ শতাংশ বিএনপির প্রভাবশালী ব্যক্তি। আওয়ামী লীগ মনে করে হিন্দু নাগরিকরা তাদের রিজার্ভ ভোট। তবে তারা দেশত্যাগ করলেও আপত্তি নেই। কারণ সে ক্ষেত্রে তাদের বাড়ি-ঘর, জমি সহজে দখল করা যাবে। দেশে থাকলে ভোট নিশ্চিত, দেশত্যাগ করলে জমি দখল সহজতর।

এ সবই হচ্ছে আইনের শাসনের অনুপস্থিতির কারণে। ফলে সমাজের দুর্বল জনগোষ্ঠী, সংখ্যালঘু অথবা গরিব শিশু সবলের আঘাতে জর্জরিত। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেক মহাবিপদ। মৌলবাদী সন্ত্রাসীদের একের পর এক মানুষ খুন- ব্লগার হত্যা। গত ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত খুন হয়েছেন চারজন। প্রকাশ্য দিবালোকে। হয় জনবহুল রাস্তায় অথবা বাড়ির ভিতরে। অভিজিৎ, ওয়াশিকুর বাবু, অনন্ত ও সর্বশেষ নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায়। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের পুলিশ খুবই দক্ষ। তবু কেন এসব খুনের হদিস বের করতে পারছে না, তা ভাবতে অবাক লাগে। অভিজিৎকে চাপাতি দিয়ে খুন করার সময় পুলিশের গাড়ি পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। তার স্ত্রীর চিৎকারেও তারা সাড়া দেয়নি। ওয়াশিকুর বাবুকে হত্যা করে পালিয়ে যাওয়ার সময় দুই খুনিকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছিলেন কয়েকজন সাহসী ব্যক্তি, যাদের আমরা সাধারণত তৃতীয় লিঙ্গের বলে তুচ্ছজ্ঞান করি। খুনি ধরা পড়ার পরও পুলিশ কেন রহস্য ভেদ করতে পারছে না, তা বোধগম্য নয়। সব কটি খুনের কায়দা এক, মোটিভও এক। এরা যে মৌলবাদী সন্ত্রাসী গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত তাও অজানা নয়। তবে কেন পুলিশ ব্যর্থ হচ্ছে আসামিদের গ্রেফতার করে বিচারের ব্যবস্থা করতে।

মৌলবাদী সন্ত্রাস যদি আরও বিস্তার লাভ করে, যদি পাকিস্তানের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে তো বাংলাদেশ ভঙ্গুর (fragile) রাষ্ট্র বলেই বিশ্বে চিহ্নিত হবে। যতই মধ্য আয়ের দেশ হোক, আইনের শাসনের এই নিদারুণ করুণ অবস্থা বর্তমান থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়নও ব্যর্থ হতে বাধ্য। সব দিক দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির হঠাৎ অবনতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ প্রতিদিনের ৯ আগস্টের সংখ্যায় প্রথম পৃষ্ঠার শীর্ষ প্রতিবেদনে যথার্থই বলা হয়েছে, 'এ অবস্থায় জীবনের নিরাপত্তায় পুলিশি সহায়তা চেয়েও মিলছে না। নিরাশ সাধারণ মানুষ রীতিমতো উদ্বেগজনক সময়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।' সাধারণ মানুষ হিসেবে আমরা কি সামান্য নিরাপত্তা, একটু সুবিচার ও আইনের শাসন দাবি ও প্রত্যাশা করতে পারি না?

লেখক : রাজনীতিক

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়