শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০১৫

বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে

সৈয়দ বোরহান কবীর
অনলাইন ভার্সন
বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে

'একজন নেতার মৃত্যু কেবল তার শারীরিক প্রস্থানে হয় না, তার প্রকৃত মৃত্যু ঘটে যখন তার আদর্শের মৃত্যু হয়'- ভ্লাদিমি ইলিচ লেনিনের এই উক্তিটি যেমন অমরগাথা। আমরা পৃথিবীর দেশে দেশে দেখি, মহান নেতারা তাদের মৃত্যুর পর আরও প্রভাবশালী হয়েছেন, চিরঞ্জীব হয়েছেন। অক্টোবর বিপ্লবের নায়ক লেনিনের দেহাবসান তার আদর্শের মৃত্যু ঘটায়নি। রুশ বিপ্লবের ধারায় কমিউনিজমের লালঝাণ্ডায় তিনি ছিলেন আরও বেশি শক্তিশালী, আরও জাগ্রত। গর্বাচেভের গ্লাসনস্ত-পেরেস্তাইকার মাধ্যমে আসলে লেনিনের দ্বিতীয় মৃত্যু ঘটে। আজ লেনিন কেবল বইয়ের কপচানো বুলি, কারণ তার আদর্শের মৃত্যু ঘটেছে। তাই নেতাকে হত্যার চেয়েও কঠিন কাজ হলো তার আদর্শকে হত্যা করা। ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় দলের সভাপতি তাই যথার্থই বলেছেন, 'ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে তার আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি।' সত্যি '৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল; কিন্তু তার আদর্শকে হত্যা করা যায়নি। সপরিবারে হত্যার পরও বঙ্গবন্ধু আবার জেগে উঠেছেন বাংলায় তার কন্যা শেখ হাসিনার চেতনার মশাল হয়ে।

কিন্তু জাতির পিতার হত্যার ৪০তম বার্ষিকীতে এসে মনে হলো, আমরা কি তার আদর্শকে হত্যার সব আয়োজন সম্পন্ন করেছি? চাটুকার, মতলববাজরা কি জাতির পিতার প্রকৃত হত্যার মঞ্চ প্রস্তুত করে ফেলেছে? বঙ্গবন্ধু কি তার দ্বিতীয় মৃত্যুর অপেক্ষায়?

এবার বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। এবার ছিল জাতির পিতার ৪০তম শাহাদাতবার্ষিকী। আওয়ামী লীগ তাই এবার ৪০ দিনব্যাপী শোক কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছিল। সে অনুযায়ী ১ আগস্ট টুঙ্গিপাড়ায় আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা বাসে করে গিয়ে জাতির পিতার সমাধিতে শোক জানান। আগস্টের প্রথম দিন মনে হলো কালো বিলবোর্ডে ঢাকা যেন ঢেকে গেছে। ফার্মগেটে এক বিলবোর্ড দেখলাম যেখানে বঙ্গবন্ধুকে খুঁজে পাওয়া গেল না, পাওয়া গেল গোটা ছয় নেতার ঢাউস সাইজের ছবি। একই অবস্থা খামারবাড়ির সামনে, ধানমন্ডিতে, গুলশানে সর্বত্র।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বঙ্গবন্ধুর চেয়ে পাতি, আধাপাতি নেতাদের ছবিই বড়। কোথাও আবার এসব বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি বড় করে বঙ্গবন্ধুর ছবি ছোট করে রাখা হয়েছে। লাগামছাড়া ধৃষ্টতা ছাড়া এসব আর কি? এসব বিলবোর্ড কি জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে, নাকি ওইসব মতলববাজের আত্দপ্রচারের জন্য? এরা কি বুঝতে পারে এর মাধ্যমে এরা বাংলাদেশে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতাকে হত্যা করছে? এর মাধ্যমে আসলে এরা বাংলাদেশকে অপমানিত করছে। সংসদ ভবন থেকে খামারবাড়ি সংযোগ সড়কে ঢাউস সাইজের একটা বিলবোর্ডে দুই অর্বাচীনের ঢাউস সাইজের ছবি। কোনায় বঙ্গবন্ধু এবং শেখ হাসিনার ছবি। এরাই কি ছোট মোশতাক নয়। আগস্ট মাসের শুরু থেকে সারা দেশের অলিগলি সড়ক-মহাসড়কে বঙ্গবন্ধুর ছবি দিয়ে সয়লাব অথচ কোথাও যেন বঙ্গবন্ধু নেই। এ যেন স্যামুয়েল টেইলার কোলরিজের কবিতার পঙ্‌ক্তির মতো ‘Water water every where, not a drop to drink.’চারদিকে বঙ্গবন্ধুর এত ছবি টাঙানোর কোনোটাই হৃদয় থেকে যেন উৎসারিত নয়, সবই মেকি, সবই পোশাকি, সবই লোক দেখানো। আমার মনে পড়ল ১৯৯৪ সালের কথা। যখন জাতির পিতা নিষিদ্ধ। আমি তখন আজকের কাগজে কাজ করি। ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলামের ব্যাখ্যায় আমি একটি প্রতিবেদন লিখলাম 'সংবিধান অনুযায়ী এখনো বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা।' ব্যাখ্যাটা ছিল এরকম- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র যেহেতু সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এই ঘোষণাপত্র জিয়াউর রহমান পঞ্চম সংশোধনীতে বাতিল করেননি, তাই বঙ্গবন্ধু এখনো সাংবিধানিকভাবে জাতির পিতা। এই প্রতিবেদন লেখার পরদিন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের চক্ষু বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী তার অফিস কক্ষে বঙ্গবন্ধুর ছবি টানান। সেদিনের দৃশ্য আজও চোখে ভাসে। সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী এবং আজকের কাগজের সম্পাদক কাজী শাহেদ আহমেদ একে অপরকে জড়িয়ে ধরে যে কেঁদেছিলেন, আবেগের যে শিহরণ সেখানে উপস্থিত সবার মধ্যে ছিল, তা অনন্য। ওই একটি ছবির ওজন যেন এখানকার লাখো ছবির চেয়ে বেশি। ওই একটি ছবি জাতির পিতার আদর্শের অমরত্বের ঘোষণা দিয়েছিল। আর এবার শোক দিবসের লাখো ছবি যেন চাটুকার আর মতলববাজদের হাতে জাতির পিতার আদর্শকে ক্ষতবিক্ষত করছে।

এবার আগস্ট মাসে চাঁদাবাজি, নিজেদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে প্রতিদিন। কুষ্টিয়ায় দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, বাড্ডায় গোলাগুলি, চাঁদপুরে চাঁদার দাবিতে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের পেটানো- এ ঘটনাগুলো শোক দিবসের তাৎপর্যকেই কেবল ক্ষুণ্ন করেনি, জাতির পিতার আদর্শকে বিবর্ণ করেছে। সাধারণ মানুষ, যাদের হৃদয়ের কোণে বঙ্গবন্ধু দীপ্যমান তাদের ভ্রু কুঁচকে গেছে। প্রশ্ন উঠেছে, জাতির পিতার আদর্শের পতাকা বইবার শক্তি কি এই আওয়ামী লীগের আছে?

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো মাশরুমের মতো অনুষ্ঠান বানিয়েছে। অনুষ্ঠানের ধরন দেখে আমাদের মতো মূর্খ দর্শকরা ভিরমি খেয়েছে। এসব কি শোক দিবসের অনুষ্ঠান নাকি বিজয় দিবসের। এসব অনুষ্ঠানের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত অনুষ্ঠান নিঃসন্দেহে অসমাপ্ত আত্দজীবনী থেকে পাঠ। ১ আগস্ট থেকে একটি বহুল আলোচিত চ্যানেল এটি সম্প্রচার শুরু করে। প্রথম দিন অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় বইয়ের ভূমিকা অংশ পাঠ করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভূমিকা পাঠের আগে হঠাৎ করেই সাজানো-গোছানো ইমালসন করা স্টেজে কেতাদুরস্ত এক কবি ঝাঁপিয়ে উঠলেন। যে কবিকে চাটুকার শিরোমণিও বলা যায়। '৭৫-এর ১৫ আগস্ট শোকাবহ ঘটনার পর তিনি তারুণ্যকে 'খেলারাম' খেলে যার মাধ্যমে অশ্লীলতার তালিম দিয়েছেন। তারুণ্যের মধ্যে তিনি দ্রোহ এবং আদর্শবাদিতার বদলে লাম্পট্য এবং আদর্শহীনতাকে উসকে দিতে চেয়েছেন। স্বৈরাচারকে খুশি করতে যিনি কাব্যকাথা রচনা করেছেন। ইদানীং তিনি উপাধি বিতরণ করেন, সেই উপাধি সবাইকে বাধ্যতামূলক বলারও 'ফতোয়া' দিয়েছেন। যদিও জনগণ তার এই 'ফতোয়া' গ্রহণ করেননি। কোন আশায় তিনি সরব এ প্রশ্ন সাধারণ মানুষের সঙ্গে আমারও। ভূমিকার আগে তার প্রাককথন কেন তার বোধগম্যতা অনুভবের জন্যই এই অল্প ব্যাখ্যা দিতে হলো। এই আত্দকথন অনুষ্ঠানটি যত না বঙ্গবন্ধুর আত্দজীবনী পাঠ, তার চেয়ে বেশি হয়েছে চাটুকারিতা। চাটুকারদের জড়ো করে তাদের দিয়ে একেক দিন বঙ্গবন্ধুর আত্দজীবনী পাঠ করানো হয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজকরা 'পাঠ' এবং 'আত্দস্থ' দুটোর পার্থক্য করতে পারেননি। বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্দজীবনী' আত্দস্থ করার বিষয়। এটা হৃদয় দিয়ে অনুধাবন করার বিষয়। এই আত্দজীবনী যত না বঙ্গবন্ধুর জীবনী তার চেয়ে বেশি তার রাজনৈতিক দর্শন, তার চেতনা। চ্যানেলটি বঙ্গবন্ধুর আত্দজীবনীকেও একটি পণ্য বানিয়ে ফেলল। এই চ্যানেল ছাড়াও সব চ্যানেলে অনুষ্ঠান হয়েছে, তারকার অভাব হয়নি। এসব দেখেশুনে আমার স্মৃতিতে ২০০১ সালের জুলাই মাস ভেসে উঠল। বন্ধু নঈম নিজাম তখন এটিএন বাংলায়। এক সকালে আমাকে ফোন দিয়ে তার অফিসে দ্রুত আসতে বলল। কিছুক্ষণের মধ্যে এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান সাহেবের রুমে উপস্থিত হয়ে দেখলাম- সুলতান শরীফ খান (যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি), আবুল হাসান মাহমুদ আলী (বর্তমানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী), ইকবালুর রহিম (বর্তমানে হুইপ) বসে আছেন। দুই দিন আগে আওয়ামী লীগ বিচারপতি লতিফুর রহমানের নেতৃত্বে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হাতবদলের নজির স্থাপিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ছাড়ার পরপরই এটিএন বাংলায় প্রচার শুরু হয় মাহি বি চৌধুরী পরিচালিত এবং অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী উপস্থাপিত বিএনপির প্রযোজিত অনুষ্ঠান 'সাবাস বাংলাদেশ'। তখন অল্পকটা চ্যানেল। সত্য-মিথ্যার মিশেলে অনুষ্ঠান প্রচারের পরপরই ব্যাপক সাড়া পড়ে। আওয়ামী লীগ তখন হতবিহ্বল। নঈম নিজাম বলল, তুমি আওয়ামী লীগের জন্য প্রতিদিন একটি করে ডকুমেন্টারি বানিয়ে দাও। কি অবাস্তব কথা! কোনো রকম প্রস্তুতি ছাড়া প্রতিদিন একটি করে প্রামাণ্যচিত্র বানানো। মাহফুজুর রহমান বললেন, 'আমি কোনো টাকা (চাঙ্ক ভাড়া) নেব না। আমি ভাবলাম, পাঁচ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়। তথ্য প্রতিমন্ত্রী নিজে একজন গবেষকও বটে। অথচ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রস্তুতিহীন। যাই হোক, জাফর ভাই (প্রয়াত আবু জাফর সিদ্দিকী) এবং ফারুক ভাইকে (প্রয়াত আহমেদ ফারুক হাসান) নিয়ে আমরা 'মিশন ইমপসিবলে' ঝাঁপিয়ে পড়লাম। নঈম প্রতিদিন তদারকি করে। মোনায়েম সরকারের বাসা আমাদের ক্যাম্প অফিস। সুলতান ভাই আর মাহমুদ ভাই আমাদের সার্বক্ষণিক সঙ্গী। নির্বাচনের আগে শেষ অনুষ্ঠানটি আমরা জাঁকজমক করে করতে চাইলাম। সিদ্ধান্ত হলো প্রগতিমনা শিল্পী-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবীদের আহ্বান দিয়ে সাজানো হবে এই পর্ব। আমরা এখনকার চাটুকারদের দ্বারে দ্বারে গেলাম। একমাত্র শমী কায়সার ছাড়া কেউ রাজি হলেন না ক্যামেরার সামনে কথা বলতে। আজ যিনি সব অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কবিতা কপচান, যিনি স্বঘোষিত নাগরিক কমিটির নেতা, তিনি তো আমাদের রীতিমতো অপমান করলেন। যাক, সে কথা। শুধু প্রশ্ন, আজ যারা তোষামোদির পসার সাজিয়ে উৎসবের শোক দিবস পালন করছে, তাদের কি দুঃসময়ে পাওয়া যাবে?

এবার জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানমালার মধ্যে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু আলোকচিত্রের প্রদর্শনী। ঢাকা উত্তরের মেয়র রুচিবান মানুষ। এই একই ধরনের অনুষ্ঠান গত বছর বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ করেছিল শিল্পকলা একাডেমিতে। ওই অনুষ্ঠান ছিল মাসব্যাপী। ওই আইডিয়াকে আনিসুল হক আরও বিন্যস্ত আঙ্গিকে সাজিয়েছেন। কিন্তু যুবলীগের অনুষ্ঠানে যে আবেগ, শোক এবং নিস্তব্ধতা ছিল, উত্তর সিটি করপোরেশনের অনুষ্ঠানে ছিল উৎসব, আনন্দের একটা বেমানান মেজাজ। অনুষ্ঠানে আবার কবিতার প্রসার বসালেন ইদানীং তৎপর সেই কবি। অথচ ১৫ আগস্ট নিয়ে যদি একটি কবিতা পাঠ করা হয় তাহলে অবশ্যই সেটা হবে রফিক আজাদের 'এই সিঁড়ি', যে কবিতাটি বাঙালির হৃদয়ের স্পন্দনকে কলমে ফুটিয়েছে। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের উপস্থিতিতে মেয়র ভুল তথ্য দিলেন। বললেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধুর ছাত্রত্ব বাতিল করেছিল যা আর কোনো দিন প্রত্যাহার করা হয়নি। অথচ এ উপাচার্যের নেতৃত্বেই সিন্ডিকেটের এক সভায় বঙ্গবন্ধুর শাস্তির আদেশ বছর দুয়েক আগে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের জন্য এরকম একটি অনুষ্ঠানে ভুল তথ্য উপস্থাপন কি কাম্য? মেয়র আনিসুল হক সুদর্শন, সুবক্তাও বটে। উপস্থাপনায় তার জুড়ি ভার। কিন্তু ইতিহাস বাচনভঙ্গি দেখে না, ইতিহাস শুধু সত্য খোঁজে, ইতিহাস খোঁজে পূর্ণতা। আনিসুল হক তার বক্তব্যে দুটো গল্পের পর বঙ্গবন্ধুর একটি উক্তি উদ্ধৃত করলেন। 'ভিক্ষুক জাতির ইজ্জত থাকে না।' কিন্তু এ কথাটা বঙ্গবন্ধু কোন প্রসঙ্গে বলেছেন? পুরো উদ্ধৃতিটি এ রকম- 'ভাইয়েরা আমার, পরিশ্রম না করলে, কঠোর পরিশ্রম না করলে সাড়ে ৭ কোটি লোকে ৫৪ হাজার বর্গমাইল এলাকার এই দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি করা যাবে না।' এটাই ছিলও বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা, বঙ্গবন্ধুর দর্শন। ভিক্ষুক থেকে ধনী হওয়ার ১০১টা উপায় আছে। জিয়ার মতো রাজনীতিকে ডিফিক্যাল্ট করে কালো টাকার মালিক হওয়া যায়। এরশাদের মতো লুটপাট করে ধনী হওয়া যায়। তারেকের মতো কমিশন নিয়েও ধনী হওয়া যায়; কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারীরা পরিশ্রম এবং কঠোর পরিশ্রম করেই উন্নতি করবে। এটাই তার নির্দেশিত পথ। আনিসুল হকের বক্তৃতায় যদি পুরো কথা আসত তাহলে ভালোই হতো। তরুণ প্রজন্ম জানত চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি নয় বরং পরিশ্রমই উন্নতির চাবি। তারপরও তিন দিন এ প্রদর্শনীতে অনেকে আবেগ আপ্লুত হয়েছেন। ভেজালের ভিড়ে এই বা কম কি?

এবার ১৫ আগস্টকে সর্বজনীন শোক দিবস করার আহ্বান জানিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। কিন্তু আওয়ামী লীগই কি শোকের আবহ রাখতে পেরেছে? নাকি মতলববাজ সুবিধাবাদী, চাটুকাররা গ্রাস করে ফেলেছে শোক আর আবেগ? শোক দিবস যেন চাটুকারদের উল্লাসের নৃত্যে পরিণত হয়েছে। এসব ছলনা, প্রবঞ্চনায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের মৃত্যুর বিপদ সংকেত স্পষ্ট।

এত হতাশার মধ্যেও শোক দিবসের দুটো ছবি সব বাঙালির হৃদয়ের ফ্রেমে বন্দী হয়ে আছে। ১৫ আগস্ট বনানী কবরস্থানে জাতির পিতার দুই কন্যা যখন ফুল ছিটিয়ে দিচ্ছিলেন আর টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে একাকী বড় বোন যখন তার অনুজাকে পাশে নিয়ে শোকার্ত কিন্তু দৃঢ় চিত্তে দাঁড়ালেন, এটাই বোধহয় শোককে শক্তিতে পরিণত করা। এই দুজনের এ দৃশ্যটি আবার আশায় বুক বাঁধায়। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের মৃত্যু হবে না। এসব চাটুকার এবং আবর্জনা হয়তো তারাই পরিষ্কার করবেন সহসাই।

 

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, পরিপ্রেক্ষিত

ইমেইল :  [email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়