শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৫

জ্ঞান-বুদ্ধি ও বিবেকের জাতীয় বন্ধ্যত্ব!

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
জ্ঞান-বুদ্ধি ও বিবেকের জাতীয় বন্ধ্যত্ব!

বহু আগে হিন্দি সিনেমার একটি গান আমার বড্ড পছন্দ ছিল। গানটির প্রথম কয়েকটি শব্দ ছিল তানাহা তানাহা এ কই বাত নেহি। সুন্দরী নায়িকা উর্মিলা কোমর দুলিয়ে দুলিয়ে নাচতে গিয়ে মধ্য প্রদেশে ঝড় তুলে লক্ষ কোটি পুরুষকে মোহিত করেছিল নৃত্যকলার অপূর্ব জাদু এবং সংগীতের নবতর সুর লহরির মাধ্যমে। এই গানের বেশ কয়েক বছর পর তানাহা বা একাকিত্বের মর্মকথা নিয়ে সুদীর্ঘ এক ওয়াজ শোনার সুযোগ হয় একটি বিদেশি টেলিভিশনের মধ্য রাতের তুমুল জনপ্রিয় ইসলামী অনুষ্ঠানের কল্যাণে। কানাডা প্রবাসী ইসলামী চিন্তাবিদ ড. তাহের উল কাদরী সে রাতে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী একাকিত্বের কল্যাণময় বিভিন্ন দিক নিয়ে বক্তৃতা করেছিলেন। কেউ যদি আল্লাহ এবং রসুল (সা.) কে নিবিড়ভাবে পেতে চায় কিংবা আত্দার পরিশুদ্ধি অর্জন করতে চায় তবে তাকে অবশ্যই দিন ও রাতের একটি নির্দিষ্ট সময়ে নিজেকে একাকিত্বের মধ্যে আবদ্ধ করে ফেলতে হবে।

ড. কাদেরীর বক্তব্য শোনার পর আমি বহুদিন বহুবার বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেছি নিজেকে একাকিত্বের মাঝে বিলীন করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু একবারও পারিনি। আত্দীয়-পরিজন, বন্ধু-বান্ধবীদের সানি্নধ্য এবং জনারণ্যের কোলাহল আমাকে আজীবন বেঁচে থাকার প্রেরণা জুগিয়েছে। মানুষের মাঝে এবং বিশ্বজাহানের অন্যান্য প্রাণীর মাঝে সশব্দে বসবাস করেই আমি আল্লাহ রসুল (সা.)-কে খুঁজেছি। কর্মবহুল বিশ্ব সংসারে দিনের আলোতে ঘাম ঝরিয়ে কাজ করতে গিয়ে নিজেকে আবিষ্কারের চেষ্টা করেছি। অন্যদিকে দিনান্তের পরিশ্রম শেষে ক্লান্ত দেহে বিছানায় শুয়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার আগে নিজেকে নতুন করে মূল্যায়নের চেষ্টা করেছি। আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা এবং সুন্দর ভবিষ্যতের একবুক আশা নিয়ে আমি নিজের অজান্তে কখন যে ঘুমের ঘোরে বেহুঁশ হয়ে পড়তাম তা টেরই পেতাম না। সকালে যখন জেগে উঠতাম তখন ফিরে পেতাম সারা দিন কাজ করার জন্য সুন্দর ঝরঝরে একটি শরীর- সঙ্গে প্রফুল্লময় সতেজ মন। বিছানায় ঘুমঘুম চোখে হালকা গড়াগড়ি করতে করতে স্পষ্টভাবে স্মরণ করতে পারতাম ঘুমের ঘোরে দেখা ইতিবাচক বর্ণিল স্বপ্নগুলো।

অতীতের সেই সুদিন এখন আর নেই। ইদানীং একাকিত্ব আমাকে প্রবলভাবে পেয়ে বসেছে। জনারণ্যের আকর্ষণ এখন উল্টো ভীতিতে পরিণত হয়েছে। লোকজনকে দেখলে আমার মন খারাপ হয়ে যায়। কিছু মানুষের জন্য মায়া হয়- আবার কিছু মানুষের জন্য হৃদয়ে ক্রোধ এবং ঘৃণার উদ্রেক হয়। এর বাইরে একশ্রেণির মানুষ রয়েছে তাদের দেখলে ভয় হয়- প্রবল সে ভয়। বনের হিংস্র পশু কিংবা বিষধর সরীসৃপ দেখলেও আমার অতো ভয় হয় না। মানুষের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আমার কণ্ঠরোধ হয়ে আসে। প্রাণ খুলে দু'কথা বলা কিংবা দু'দণ্ড রঙ্গরসের কথা বলে নির্ভেজাল একটি আড্ডার পরিবেশ তৈরির জন্য আপনজনকে এক জায়গায় দাওয়াত করার সাহস আমি হারিয়ে ফেলেছি। রাস্তায় কোনো দাড়ি-টুপিধারী অচেনা মুরবি্বর সঙ্গে সালাম বিনিময় করতেও আমার ভয় হয়। রাজ পোশাকে আবৃত লোকজন দেখলে আতঙ্কিত হয়ে উঠি- ফলে রাস্তায় চলাফেরার সময় নিজের অজান্তে মাথাটি নিচু করে চলি- দৃষ্টি থাকে মাটির দিকে। আমার কণ্ঠ তো অনেক আগেই স্তব্ধ করে রেখেছি। নীরবে নিঃশব্দে চলতে গিয়ে আমি প্রায়ই নিজের শ্বাস-প্রশ্বাস উঠানামার শব্দ শুনতে পাই এবং আরও শুনতে পাই কলিজার ধুকধুকানী, কানের ফুসফুসানী এবং পেটের গুড়গুড়ানির শব্দ। মাঝে-মধ্যে বিষাক্ত মহানগরীর সিসাযুক্ত গরম দমকা হাওয়া, দৈত্যরূপী ট্রাকগুলোর গগনবিদারী ভেঁপুর শব্দ এবং বিকট শব্দে ফেটে যাওয়া বিদ্যুতের ট্রান্সফরমারগুলো আমার একাকিত্বকে আরও ভয়ঙ্কর করে তোলে।

একাকিত্ব আমার খাবারের রুচিকে কেড়ে নিয়েছে। কেড়ে নিয়েছে যাপিত জীবনের বর্ণালী সুখ নিন্দ্রা এবং সুন্দর সুন্দর স্বপ্নগুলো। প্রাত্যহিক জীবনের নানা উপাখ্যান আমার ঘুমকে কেড়ে নিয়েছে। ঘাটে পথে প্রান্তরে নিত্যনৈমিত্তিক নির্মম গণধর্ষণ, শিশু নির্যাতন এবং অসহায় দরিদ্রজনের ওপর পেশিবহুল হাতওয়ালা ক্ষমতাবানদের পৈশাচিক নির্যাতনের দৃশ্য আমার মানসপটকে কলঙ্কিত করতে করতে আমার চোখ দুটোকে মরু প্রান্তর বানিয়ে ফেলেছে। খুলনার ছোট্ট একটি শিশুর পায়ুপথে বাস-ট্রাকের চাকা পাম্প করার কম্প্রেসারের নল ঢুকিয়ে মেরে ফেলার দৃশ্য শিশুটির অন্তিম আহাজারি, চিৎকার কান্নাকাটি এবং বেঁচে থাকার আকুতির শব্দমালা আমার একাকিত্ব এবং ঘুমের রাজ্য ক্ষতবিক্ষত করছে। এরই মধ্যে পত্রিকায় দেখলাম বাংলাদেশের অনেক সমকামী যুবক ঢাকা শহরে একটি সমিতি করেছে। তারা পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর সমকামীদের মতো অবাধ সুযোগ-সুবিধা এবং নিজেদের অধিকার ও মর্যাদার জন্য আন্দোলনে নামার পরিকল্পনা করছে। এসব ঘটনার কারণে আমি মানসিকভাবে দিনকে দিন দুর্বল থেকে দুর্বলতর হয়ে পড়ছি। প্রায়ই আমি ভয়ঙ্কর সব দুঃস্বপ্নের কবলে পড়ি। দুঃস্বপ্নের ভয়ে একাকী ঘুমাতে সাহস পাই না। ঘুম থেকে জাগার পর সব দুঃস্বপ্ন মনে করতে পারি না। যা মনে করতে পারি তা আবার সবার কাছে বলতে পারি না।

অন্যদিকে নিদ্রাহীনতার ক্লান্তি কর্মদিবসে আমাকে অবসাদগ্রস্ত করে রাখে- আমি কাজ করতে পারি না। মানুষজনের সঙ্গে চলতে পারি না, একাকী চলি এবং নীরবে নিভৃতে স্বার্থপরের মতো চিন্তা করি। রাস্তাঘাটে চলতে গিয়ে লক্ষ্য করি- সবাই এক ধরনের বিষণ্নতা এবং মনোবেদনায় ভুগছে। কেউ কারও কথা শুনছে না- স্বার্থপরের মতো কেবল নিজেকে নিয়ে ভাবছে। শিল্প-সাহিত্য, বিজ্ঞান, যুক্তিতর্ক, মানবতাবোধ, গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, ধর্ম সব কিছুই যেন একদিকে ছুটছে। প্রকৃতির হাজারও রং, রূপ, রস, গন্ধ এবং স্বাদ যেন বিলীন হতে চলছে। ক্ষমতাবানদের দাপট ও হুকুম নির্ধারিত মতো পথ ও শব্দমালার বাইরে যাওয়া যাবে না। ইদানীং আমার মনে পড়ছে- আবুল ফজল, জ্ঞানতাপস আবদুর রাজ্জাক, ড. আহমদ শরীফ এবং আহমদ ছফার কথা। বরীন্দ্রনাথ, নজরুল ও শুকান্তর কথাও বড্ড মনে পড়ে। তারা কী করে নিজেদের চিন্তা-চেতনা ও মন-মানসিকতাকে বন্ধ্যত্বের কবল থেকে রক্ষা করেছিলেন।

আমি প্রায় ভুলতে বসেছি- আমার শিক্ষা-দীক্ষা-মানবতা এবং সভ্যতা-ভব্যতার রুচিবোধ আমি জানতাম- কেবল অশিক্ষা ও কুশিক্ষাই ক্ষমতাধরকে অহঙ্কারী করে তুলে। অজ্ঞতা তাকে বেপরোয়া বানিয়ে ফেলে। ফলে তার জবান-অঙ্গভঙ্গি এবং চিন্তা-চেতনা ও কর্মের কোনো মাত্রাজ্ঞান থাকে না। নিজের দৈন্য ঢাকার জন্য সে কাউকে শব্দ করতে দেয় না। অহঙ্কারী ক্ষমতাধরদের প্রধান সহযোগী হয় নীতি ও নৈতিকতা বিবর্জিত বিদ্বান ব্যক্তিরা। এরাই ক্ষমতাধরকে সকাল-সন্ধ্যার প্রশস্তিতে দেবতা বানিয়ে ফেলে। ক্ষমতাধর অহঙ্কারীদের জাতশত্রু তিন শ্রেণির মানুষ- সৎ সাহসী, নীতিবান পণ্ডিত এবং জ্ঞানী সাধু-সন্ন্যাসী এবং সচেতন জনগোষ্ঠী। এ জন্য সর্বকালের অহঙ্কারী ক্ষমতাবানরা প্রথম দুই শ্রেণির মানুষকে হয় দেশ ছাড়া করেছে, নয়তো কারারুদ্ধ কিংবা হত্যা করেছে অথবা তাদের পদলেহনে বাধ্য করেছে। অন্যদিকে তৃতীয় গোষ্ঠী অর্থাৎ সচেতন জনগণের চেতনার সব দরজা বন্ধ করে দিয়েছে।

ক্ষমতাবানদের ঔদ্ধত্য অহঙ্কার এবং যথেচ্ছাচারে আক্রান্ত জনগোষ্ঠী স্বাভাবিক নিয়মে স্বার্থপর হয়ে পড়ে। স্বার্থপরতার কারণে সামাজিক বন্ধন ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে ব্যক্তি পর্যায়ে মানুষ সাহস-শক্তি হারিয়ে দিনকে দিন কাপুরুষে রূপান্তরিত হয়ে যায়। মানুষের চিন্তা-চেতনা, জ্ঞান-বুদ্ধি এবং বিবেক অসাড় হয়ে পড়ে। এভাবে পুরো জাতির চিন্তার জগতে প্রবল বন্ধ্যত্ব দেখা দেয়। জাতির মন-মস্তিষ্কে এই মড়ক লাগতে দুই/তিন বছর সময়ই যথেষ্ট কিন্তু আরোগ্য লাভের জন্য কম করে হলেও তিন/চার দশক সময় লেগে যায়। আমার অতীতের সেই শিক্ষার কথা আজ আমি প্রায় ভুলতে বসেছি- আমার স্মরণে এখন আর কোনো ভালো জিনিস আসে না।

আমি বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো চিন্তা করতে পারি না। অতীত সম্পর্কে আমাকে সব কিছু নতুন করে শিখতে হচ্ছে- ক্ষেত্রবিশেষ এ শিক্ষা গ্রহণের কষ্ট ধর্ষিতার মনোবেদনার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়- কাজেই সব কষ্ট থেকে বাঁচার জন্য একাকিত্বই আমার ইদানীংকালের প্রধান অবলম্বন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে কেউ যদি একাকিত্বকে উপভোগ করতে চায় তবে তার জ্ঞান-বুদ্ধি ও বিবেককে বন্ধ্য বানিয়ে ফেলতে হবে। আর আমি হয়তো সে পথেই এগুচ্ছি যাতে অনাগত দিনে জাতীয় জ্ঞান-বুদ্ধি ও বিবেক বন্ধ্যাদের সভাপতি হতে পারি!

লেখক : কলামিস্ট।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়