শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৫

স্বতন্ত্র কাউন্টার টেররিজম ফোর্স প্রয়োজন

মে. জে. এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার পিএসসি (অব.)
অনলাইন ভার্সন
স্বতন্ত্র কাউন্টার টেররিজম ফোর্স প্রয়োজন

বাংলাদেশসহ বিশ্ব অঙ্গনে ধর্মান্ধ উগ্র জঙ্গিবাদের বর্তমান পরিস্থিতি বোঝার জন্য শুরুতেই দৈনিক পত্রিকা থেকে কিছু প্রতিবেদনের উদ্ধৃত অংশ তুলে ধরছি। ১. জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগে তিন আইনজীবী গ্রেফতার। বিএনপিপন্থি আইনজীবীত্রয় বিভিন্ন সময়ে জঙ্গি সংগঠন হামজা ব্রিগেডের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে গোপনে এক কোটি আট লাখ টাকা অর্থায়ন করেছেন। এ ব্রিগেডের মাধ্যমে জঙ্গি প্রশিক্ষণ হতো, যার তাত্ত্বিক নেতৃত্ব দেয় হাটহাজারীর আবু বকর মাদ্রাসা (ইত্তেফাক ও জনকণ্ঠ ২০ আগস্ট ২০১৫)। ২. অভিজিৎ ও অনন্ত বিজয় হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা হয় কারাগারে। হত্যার নির্দেশ আসে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে বন্দী জঙ্গি সংগঠনের আধ্যাত্দিক নেতা আনসার উল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান মুফতি জসিম উদ্দিন রাহমানির কাছ থেকে (জনকণ্ঠ ১৯ আগস্ট, ২০১৫)। ৩. আইএস-এর অন্যতম লক্ষ্যস্থল দক্ষিণ এশিয়া (জনকণ্ঠ-৯ আগস্ট, ২০১৫)। ৪. জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গে সতর্কতা। ২০২০ সালের মধ্যে ভারতসহ বহু দেশ দখলের টার্গেট আইএসের (ইত্তেফাক ১১ আগস্ট, ২০১৫)। ৫. সৌদি মসজিদে আত্দঘাতী বোমা হামলায় নিহত ১৫ জন। আইএস-এর দায় স্বীকার (জনকণ্ঠ ৭ আগস্ট, ২০১৫)। ৬. পাকিস্তান কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার সাবেক মহাপরিচালক তারিক খোসা বলেছেন, ভারতের মোম্বাইতে ২০০৮ সালের সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা হয় পাকিস্তানে (প্রথম আলো ৫ আগস্ট, ২০১৫)। ৭. বিগত সাড়ে ৫ বছরে সারা দেশের কারাগারগুলো থেকে জামিনে বেরিয়ে গেছে ২১২ জন জঙ্গি। এর মধ্যে প্রায় ১০৫ জন উধাও (জনকণ্ঠ ২৭ জুলাই, ২০১৫)। ৮. বিভিন্ন নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে গত পাঁচ বছরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা ৩৫০টি মামলার একটিরও বিচার নিষ্পত্তি হয়নি। চার ধাপে অনুমোদন নিতে গিয়ে পার হচ্ছে দীর্ঘ সময়। গাফিলতির অভিযোগ সরকারি আইনজীবীদের বিরুদ্ধে (প্রথম আলো ২৩ জুলাই, ২০১৫)। ৯. মিসরে আইএসের সিরিজ হামলা, ৬০ জন সেনা নিহত। ভারতে হামলার আশঙ্কা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথের (ইত্তেফাক ২ জুলাই, ২০১৫)। ১০. ঈদের পর সিরিজ হামলার পরিকল্পনা ছিল আল-কায়েদার অনুসারীদের। বাংলাদেশের আঞ্চলিক প্রধানসহ আটক ১২ জন (বাংলাদেশ প্রতিদিন ৩ জুলাই, ২০১৫)। ১১. তিন দেশ- ফ্রান্স, তিউনেসিয়া ও কুয়েতে একই দিনে সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ৬৩ জন (প্রথম আলো ২৭ জুন, ২০১৫)। ১২. আইএসের ছাঁচে গড়ে উঠেছে নতুন নতুন সংগঠন। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলোর সদস্যরা এগুলোতে যোগ দিচ্ছে। বেশির ভাগ সদস্য উচ্চ শিক্ষিত, অনেকে আইটি এক্সপার্ট (কালের কণ্ঠ ১১ জুন, ২০১৫)। ১৩. আইএসের ভয়াবহ তৎপরতা। যুদ্ধে যেতে প্রস্তুত ৩০২ জন বাংলাদেশি তরুণ-তরুণী (বাংলাদেশ প্রতিদিন ২৭ মে, ২০১৫)। ১৪. আনসার উল্লাহ জঙ্গিদের পাহাড়ে পাহাড়ে প্রশিক্ষণ। সব ব্লগার খুনেই এই সংগঠনের সম্পৃক্ততা (কালের কণ্ঠ ১৭ মে, ২০১৫)। এএফপির বরাতে ডেইলি স্টার ৬ জুন খবর ছেপেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনিয়র কমান্ডার ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকগণের মন্তব্য হলো- ইরাক-সিরিয়ায় আইএসের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ সহজে শেষ হবে না, চলতে পারে যুগকাল ধরে। আরেকটি উদ্বেগমূলক তথ্য হলো- ২০১০ সালে ১১১টি দেশের গোয়েন্দাদের সমন্বয়ে একটি প্রতিবেদন বের হয়। তাতে বলা হয়- জঙ্গি বিস্তার ঘটার লক্ষ্যে ভারত উপমহাদেশে সুন্নি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আল-কায়েদার প্রথম টার্গেট। এতগুলো উদ্ধৃতি দেওয়ার জন্য দুঃখিত। এ উদ্ধৃতিগুলো গত চার-পাঁচ মাসে প্রকাশিত রিপোর্টের মধ্যে মাত্র কয়েকটি। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রিকার রিপোর্ট পড়ে বিচ্ছিন্নভাবে পরিস্থিতির খণ্ডচিত্র পাওয়া যায়। তাই চলমান পরিস্থিতির মোটামুটি একটি পূর্ণ চিত্র বোঝার জন্য উদ্ধৃতিগুলো একসঙ্গে উল্লেখ করলাম। উল্লিখিত রিপোর্টগুলো মনোযোগ সহকারে পড়লে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ডিডাকশন বা উপাত্ত পাওয়া যায় এবং জঙ্গি তৎপরতা কী মাত্রায় কোন দিকে যেতে পারে তার একটা পূর্বাভাসও বোঝা যায়, যার কয়েকটি নিম্নে উল্লেখ করছি। এক. বাংলাদেশে জঙ্গিরা ধরা পড়ছে। ২০০৯ সালের পর থেকে তারা বড় আকারের কোনো তৎপরতা চালাতে পারেনি। কিন্তু এর শেষ কোথায় তার কোনো ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না, বরং অনবরত তাদের প্রস্তুতি প্রশিক্ষণ চলছে। দুই. সমাজের উঁচু পর্যায়ের শিক্ষিত ছাত্র-শিক্ষকসহ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিবর্গ অর্থায়নসহ প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে জড়িত। তিন. আগামীতে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের টার্গেট হিসেবে ভারতের নাম বার বার আসছে। ভারতের সরকারও এ ব্যাপারে সতর্ক বাণী উচ্চারণ করেছে। ভারতের অভ্যন্তরে জঙ্গি তৎপরতায় পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই বহুকাল ধরে সরাসরি কাজ করছে।

বাংলাদেশেও পাকিস্তানি জঙ্গিদের তৎপরতা ইতিপূর্বে ধরা পড়েছে, কয়েকজন পাকিস্তানি জঙ্গি এখন বাংলাদেশের জেলে আছে। আর ভারতে জঙ্গি তৎপরতা বেড়ে গেলে তার বিরূপ প্রভাব অবশ্যই বাংলাদেশের ওপর পড়বে। চার. সুন্নি মুসলমানপ্রধান দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলো তাদের কার্যক্রমের জন্য উপযুক্ত জায়গা হিসেবে বাংলাদেশকে বেছে নেওয়ার বহু ইঙ্গিত ও ঘোষণা ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে। পাঁচ. আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জঙ্গি সংগঠনগুলোর বিস্তৃতি ঘটছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অফিসিয়াল বিশ্লেষণে বলা হয়েছে- সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সহজে শেষ হচ্ছে না, আরও কয়েক যুগ চলতে পারে। তা ছাড়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কতগুলো সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিরাজমান, যা সরাসরি জঙ্গি তৎপরতার বিস্তৃতি এবং তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বড় আকারের সহায়ক ভূমিকা রাখছে, যার থেকে দ্রুত পরিত্রাণ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। যেমন- এক. আমাদের রাজনীতির চরম বিভাজনে একটি বড় পক্ষের রাজনৈতিক নীতি ও দর্শন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের সম্পূর্ণ বিপরীত, সেটি প্রবলভাবে ধর্মাশ্রয়ী এবং একাত্তরে পরিত্যক্ত পাকিস্তানি আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ বড় পক্ষের সঙ্গে উগ্র ধর্মান্ধ রাজনৈতিক দল যেমন- জামায়াত, ইসলামী ঐক্যজোট, নেজামে ইসলাম, খেলাফত মজলিসসহ হেফাজতও তাদের সঙ্গে জড়িত। ফলে বাংলাদেশে জঙ্গিদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের জায়গাটি অনেক বড় ও বিস্তৃত। দুই. এক নম্বরে উল্লিখিত কারণেই রাষ্ট্রীয় প্রশাসন যন্ত্রের সব সেক্টরের সর্বস্তরে জঙ্গি ও জঙ্গিদের আশ্রয়দাতাদের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং সরাসরি তাদের আদর্শে বিশ্বাসী অগণিত কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। যার ফলে সন্ত্রাসী তৎপরতার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও নজিরবিহীনভাবে হাজার হাজার মাদ্রাসার শিক্ষক, এমপিওভুক্তি হচ্ছে অনায়াসে, জেলের অভ্যন্তরে বসে জঙ্গি নেতারা সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার অবাধ সুযোগ পাচ্ছেন। একই কারণে পুলিশের বিভিন্ন স্তরে গোয়েন্দা কার্যক্রমসহ গ্রেফতারে, তদন্তে এবং মামলা পরিচালনায় ভয়ানক দুর্বলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। জঙ্গিরা আদালত থেকে জামিন পেয়ে উধাও হয়ে যাচ্ছে। বছরের পর বছর ঝুলে থাকছে, কোনো মামলার নিষ্পত্তি হচ্ছে না। শাস্তি না হওয়ার কারণে ডেটারেন্ট বা জঙ্গিদের মনে কোনো ভীতি কাজ করছে না। তিন. মাদ্রাসা শিক্ষার সিলেবাসসহ সার্বিক পরিবেশ এবং অধিকাংশ শিক্ষকের উগ্র মতাদর্শগত অন্ধত্বের কারণে লাখ লাখ ছাত্রছাত্রী জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার ব্যাপারে খুবই দুর্বল অবস্থানে আছে, মাদ্রাসা শিক্ষার এই নেতিবাচক লেগেসি থেকে অদূরভবিষ্যতে পরিত্রাণ পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। চার. জামায়াতের যে বিশাল অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য, তার থেকে বছরে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা শুধু মুনাফা হয়। এ টাকার বড় একটা অংশ জঙ্গি অর্থায়নে ব্যবহৃত হচ্ছে সে সম্পর্কে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক সবাই একমত। এত সময় নিবন্ধে বাংলাদেশের বাস্তবতা এবং বিশ্ব অঙ্গনসহ আঞ্চলিক ও বাংলাদেশে জঙ্গি পরিস্থিতির বর্ণনা দিলাম। পরিস্থিতির মূল্যায়ন করে উদঘাটিত উপাত্তের ভিত্তিতে জঙ্গি দমনের চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতার সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরলাম।

এতে বোঝা যায় বাংলাদেশি উগ্রবাদী জঙ্গিদের ব্যাকওয়ার্ড ও ফরোয়ার্ড লিংক বা সংযোগ অত্যন্ত শক্তিশালী এবং টেকসই। জঙ্গিদের প্রযুক্তিগত ও সশস্ত্র কৌশলে আগামীতে নতুন মাত্রা যোগ হবে। সুতরাং জঙ্গিদের থাবা থেকে স্বল্প সময়ের ভিতর মুক্ত হওয়া যাবে না, বরং তাদের তৎপরতার আরও বিস্তার ঘটতে পারে। জঙ্গিদের কবল থেকে পরিপূর্ণভাবে মুক্ত হতে ব্যাপকভিত্তিক দীর্ঘমেয়াদি আদর্শগত লড়াই চালানোর কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু সেই সুদিন আসার আগ পর্যন্ত বা অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে এবং উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখার স্বার্থে জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপরই আমাদের নির্ভর করতে হবে। বাকি কথা বলার আগে এ কথা বলে নিতে চাই যে, বিগত ছয়-সাত বছরে পুলিশ, বিশেষ করে র‌্যাব জঙ্গি সন্ত্রাস দমনে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছে। এ কারণেই ২০০১-২০০৬ মেয়াদের মতো জঙ্গিরা এ সময়ে অবাধে গ্রেনেড-বোমা হামলা চালাতে পারেনি। সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা এখানে বড় ভূমিকা রেখেছে।

কোনো সমস্যা সমাধানের পূর্বশর্ত হলো সেটিকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করে তা স্বীকার করা। তারপর নিজেদের দুর্বলতাকে চিহ্নিতকরণ এবং শত্রুপক্ষের সক্ষমতার যথার্থ মূল্যায়ন করা। তাই এক্ষেত্রে সর্ব প্রথম যে প্রশ্নটি আসে তাহলো- আগামীতে জঙ্গিদের পক্ষ থেকে যে চ্যালেঞ্জ আসছে তা সফলভাবে মোকাবিলা করার জন্য আমাদের বর্তমান পুলিশ বাহিনী কি পুরোপুরি সক্ষম? পুলিশ দীর্ঘদিনের লেগেসি বহনকারী একটি প্রথাগত ফোর্স। এর প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি ও বৈশিষ্ট্য (Organizational Culture and Behaviour) বহু পূর্বে মান্ধাতার আমলে নির্ধারিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে একেবারে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে, আজকের আধুনিক সশস্ত্র্র জঙ্গিদের শক্তি এবং কলাকৌশলের সঙ্গে তা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আর অভিজ্ঞতায় বলে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রচলিত প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি ও বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করা প্রায় অসম্ভব। যার ফলে পুলিশের রিক্রুটমেন্ট, প্রশিক্ষণ, মোটিভেশন, চেইন অব কমান্ড, পরিবেশ এবং মনমানসিকতার উন্নয়ন প্রক্রিয়া আজ ভয়ানকভাবে ঘুণে আক্রান্ত। তাদের দ্বারা পুরনো ধাঁচের চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানি, খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ, ঘুষ, দুর্নীতি ইত্যাদি প্রথাগত অপরাধ দমনের মধ্যেই তাদের সক্ষমতা সীমাবদ্ধ। এ কাজের জন্য তাদের প্রয়োজন চিরদিন আবশ্যক থাকবে। র‌্যাবের কিছুটা ভিন্ন বৈশিষ্ট্য থাকলেও তাদের আইনগত, সাংগঠনিক কাঠামো এবং চেইন অব কমান্ডের যে সমস্যা আছে সেটিকে অতিক্রম করে আগামীদিনের জঙ্গি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কঠিন হবে। সুতরাং এ সংকট মোকাবিলায় আমাদের অন্যান্য দেশের যে উদাহরণ রয়েছে তার দিকে তাকাতে হবে। ভারতের প্রতিটি রাজ্যের নিজস্ব ফোর্স আছে। তাছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরাসরি অধীনে ১১টি স্বতন্ত্র ফোর্স আছে। জঙ্গি দমনের জন্য আছে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স। ২০০৮ সালের মোম্বাই তাজ হোটেলের জঙ্গি আক্রমণের মতো পরিস্থিতিকে মোকাবিলা করার জন্য ভারত এখন সুপার কমান্ডো বাহিনী তৈরি করছে। একইভাবে পাকিস্তানে আছে এলিট ফোর্স, শ্রীলঙ্কায় আছে স্পেশাল টাস্কফোর্স, মালয়েশিয়ায় রয়েছে পিজিকে, জার্মানিতে আছে জিএসজি-৯ এবং ৯/১১-এর পর আমেরিকা নতুন করে তৈরি করেছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ফোর্স। তাই সব কিছু মূল্যায়ন করে আমাদের কাছে মনে হয় আগামীদিনের উগ্রবাদী জঙ্গিদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য স্বতন্ত্র কাউন্টার টেররিজম ফোর্স গঠন করা একান্ত জরুরি। একটি ফোর্সকে নতুন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি করে কার্যকর করতেও সময়ের প্রয়োজন। হঠাৎ করে জোড়াতালি দিয়ে কিছু করতে গেলে ভালোর থেকে মন্দই হয় বেশি। স্বতন্ত্র ফোর্সের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, আইনি কাঠামো, চেইন অব কমান্ডসহ রিক্রুটমেন্ট, প্রশিক্ষণ ও মোটিভেশন নীতি কী হতে পারে সেটি একটি বড় বিষয়, তা নিয়ে আলাদা আলোচনা দরকার।

লেখক : কলামিস্ট ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

ই-মেইল : [email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়