শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৩০, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৫

স্থানীয় সরকার নির্বাচন : দলীয় বনাম দলবাজি

রোবায়েত ফেরদৌস
অনলাইন ভার্সন
স্থানীয় সরকার নির্বাচন : দলীয় বনাম দলবাজি

ভালো যে, অবশেষে কোদালকে কোদাল বলা হলো। ইউনিয়ন, উপজেলা, পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন- স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরেই এখন থেকে দলীয় পরিচয় ও প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন হবে। আগে আইনগতভাবে দলীয় পরিচয়ে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন না হলেও কার্যত তা তীব্র দলীয় রূপই পরিগ্রহ করত; স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে হওয়ার কথা থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলো তা মানত না; তারা প্রকাশ্যেই দলীয় মনোনয়ন দিত, প্রচার-প্রচারণা চালাত; আসলে বাংলাদেশের মতো রাজনীতিপ্রিয় জাতির পক্ষে স্থানীয় বা জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের সম্পর্ককে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা প্রায় অসম্ভব।  মিডিয়াতেও নির্বাচনের ফলাফল দেওয়া হতো কিছুটা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের নিরিখে অর্থাৎ দলভিত্তিক; যেমন, বলা হতো সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ‘এতটি’ আসন আর বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ‘এতটি’ আসনে জয় পেয়েছে। শুধু দলীয় প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ তখন থাকত না। এখন থেকে দুটোই থাকবে- দলীয় প্রতীক ও দলীয় পরিচয়। এ লক্ষ্যে সরকার ওই পাঁচটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের আইন একযোগে সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি করেছে; জাতীয় সংসদের সামনের সেশনে এ অধ্যাদেশটি তোলা হবে এবং তখন তা আইনে পরিণত হবে। দেশে ইউনিয়ন পরিষদ ৪ হাজার ৫৫৩টি, উপজেলা ৪৮৮টি, পৌরসভা ৩২৩টি, জেলা পরিষদ ৬৪টি এবং সিটি করপোরেশন আছে ১১টি। দলীয় পরিচয় ও দলভিত্তিক প্রতীক নিয়ে দেশের প্রথম স্থানীয় নির্বাচনটি হতে যাচ্ছে আগামী ডিসেম্বরের পৌরসভা নির্বাচনে; এর পরে হবে ইউনিয়ন পরিষদ। সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, মেয়র, চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়ন ও দলীয় প্রতীক থাকতে হবে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদেরও সুযোগ থাকবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার, নির্বাচন কমিশন তাদের জন্য বিধিবিধান ঠিক করবে।

সরকারের যুক্তি ও দুগ্ধপোষ্য শিশু : সরকারের পক্ষ থেকে এই মৌলিক সংশোধনীর পেছনে যুক্তি হিসেবে বলা হচ্ছে, যেহেতু স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরাই অংশ নিয়ে থাকেন, তাই চলমান স্ববিরোধিতার কোনো প্রয়োজন নেই। বলছি নির্দলীয় কিন্তু করছি দলীয় নির্বাচন, তার চেয়ে বলা ও করা দুই ক্ষেত্রেই দলীয় পরিচয়ে নির্বাচন করাই বাঞ্ছনীয়। সরকারের তরফে আরও বলা হচ্ছে, এর মধ্য দিয়ে সরকার তৃণমূল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ক্ষমতায়ন এবং দেশে রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি বিকাশ লাভ করবে। কিন্তু আসলেই কি তাই? যেখানে ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে দেশে-বিদেশের অধিকাংশ মানুষ অসুষ্ঠু, একতরফা ও পক্ষপাতযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে; যেখানে শাসকবর্গ নামকাওয়াস্তে ‘মহাবিতর্কিত’ ওই নির্বাচন করে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে আছে, সেখানে তারা তৃণমূলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পরিবর্তন এনেছেন, দুগ্ধপোষ্য শিশুটিও সরকারের এহেন সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। সূর্যের চেয়ে বালুর তাপ বেশি- সরকার যা বলে পারিষদ বলে এর শতগুণ। সরকারের বশংবদরা এর পক্ষে হুক্কা-হুয়া করছেন এই বলে যে, যুক্তরাজ্য, ভারতসহ বড় গণতান্ত্রিক দেশগুলোয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে হয় এবং ওই দুটি দেশের উদাহরণ দেওয়ার কারণ, সরকারের স্তাবকরা বলছেন, বাংলাদেশের বিদ্যমান গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং এর প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কাঠামো নাকি ওই দুটি দেশের অনুরূপ। পাঠক বুঝুন, নারকেলের জোড়াও জোড়া আর সুপুরির জোড়াও জোড়া! ওই সব দেশে আমাদের মতো রাজনৈতিক ‘অপচর্চা’ হয় না; প্রশাসন, পুলিশ কিংবা নির্বাচন কমিশন সেখানে পুরোপুরি সরকারি/দলীয় প্রভাবমুক্ত; বিপরীতে বাংলাদেশে নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ স্বাধীন ও স্বতন্ত্র সত্তা নিয়ে দাঁড়ানোই শেখেনি বরং তারা ভীষণ ও তীব্রভাবে ‘সংকীর্ণ দলবাজি’র শিকার। ভারত কিংবা যুক্তরাজ্যে ৫ জানুয়ারি মার্কা নির্বাচন করে ক্ষমতায় থাকা কি আদৌ সম্ভব হতো? পাঠক, আপনারাই বিবেচনা করুন।   

রাজনৈতিক দল ও সিভিল সোসাইটির প্রতিক্রিয়া : বিএনপি তার প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, স্থানীয় নির্বাচন দলীয়ভাবে করার উদ্যোগ সরকারের একটি অসৎ পরিকল্পনা এবং এটি মোটেও বাস্তবসম্মত নয়। তারা বলেছে, মেয়াদোত্তীর্ণ হলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এটি সরকারের একটি উপরচালাকি, যাতে করে সরকার পছন্দমাফিক দলীয় লোকদের এখানে নির্বিচারে নিয়োগ দিতে পারে। বিএনপি মনে করে, এর ফলে স্থানীয় সরকারে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি থাকার ধারাবাহিকতাও ক্ষুণ হবে এবং বাংলাদেশের মতো বিভাজিত সমাজ ও রাষ্ট্র তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত আরও বাজেভাবে বিভক্তির শিকার হবে। নারীদের পক্ষে দলীয় মনোনয়ন জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়বে, ফলে বর্তমানে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে নারীর স্বতঃপ্রণোদিত অংশগ্রহণও কমে যাবে। সংকীর্ণ দলীয় পরিচয়ের কারণে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নাগরিকদের সম্পত্তির ওয়ারিশ নির্ধারণ, তাদের নাগরিক সনদ ও চারিত্রিক প্রত্যয়নপত্রসহ দৈনন্দিন সাধারণ নাগরিক সুবিধা প্রাপ্তিতে ভোগান্তি আরও বাড়বে; কারণ নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংকীর্ণ দলীয় দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে গিয়ে অন্য দলের মানুষদের জন্য কাজ করতে চাইবে না। অন্যদিকে ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে; তারা মনে করে, এর ফলে আওয়ামী লীগ-বিএনপির বাইরে তৃণমূলে অন্যান্য রাজনৈতিক দল সংগঠিত ও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ পাবে। সিভিল সোসাইটির পক্ষ থেকে সুজন  তার প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছে, এই উদ্যোগ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করবে এবং ক্ষমতাসীন দলই স্থানীয় সরকার গ্রাস করে ফেলবে। এ ছাড়া প্রভাবশালী, বিত্তশালী ও রাজনৈতিক দাপটে থাকা খারাপ লোকের নির্বাচিত হয়ে আসার সুযোগ প্রশস্ত হবে (প্রথম আলো, ১৩ অক্টোবর, ২০১৫)। এই সংশোধনীর সবচেয়ে সরাসরি আঘাত যে রাজনৈতিক দলের ওপর আসবে সেটা জামায়াতে ইসলামী। কারণ আইন সংশোধনের পর বর্তমানে নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলই কেবল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে। ২০১২ সালের ১ আগস্ট মহামান্য হাইকোর্ট রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেন; এর বিরুদ্ধে জামায়াত আপিল করেছে, যা এখনো বিচারাধীন। তবে এটা তো ঠিক যে, দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করতে সংবিধান বা আইনে কোনো বাধা ছিল না, এটি ছিল একটি প্রথা/ঐতিহ্য। আবার সামরিক শাসনামলের বিরাজনীতিকরণের একটি কৌশলও বটে।

কিছু বিবেচ্য বিষয় : স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে কার্যকর করে তুলতে, আমার প্রতীতি, কিছু বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া আবশ্যক। যেমন, নিবন্ধন পদ্ধতি ও নিবন্ধনের নীতিমালা আলাদা সংসদ নির্বাচনের মতো হওয়া বাঞ্ছনীয় হবে না; কারণ স্থানীয় পর্যায়ে যেসব রাজনৈতিক দল থাকে তাদের জন্যও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ অবারিত থাকতে হবে। যেমন- পার্বত্য চট্টগ্রামে জনসংহতি সমিতি একটি রাজনৈতিক দল; তারাও যাতে অংশ নিতে পারে তার ব্যবস্থা থাকতে হবে। নতুন এ ব্যবস্থাটির যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ দরকার। দলের সঙ্গে দলবাজি, দলীয়করণ আর দলতন্ত্রের পার্থক্য চিহ্নিত করা জরুরি। আমরা রাষ্ট্রকে সরকারে, সরকারকে দলে, দলকে মাস্তানিতে ‘রিডিউসড’ বা ‘সংকুচিত’ করে ফেলি; সরকার, রাজনীতি, প্রশাসনের স্বীকৃত বিভাজনকে গুলিয়ে ফেলি; এ জন্য প্রয়োজন শেকড় থেকে শিখর পর্যন্ত সুষ্ঠু, গঠনমূলক ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির চর্চা করা। দলীয় নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্য হওয়ার আশঙ্কা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায়; মনোনয়ন বাণিজ্য রোধে তাই ফুলপ্রুফ সিস্টেম তৈরি করতে হবে। সব নির্বাচনে সৎ, যোগ্য ও কমিটেড প্রার্থীদের মনোনয়ন নিশ্চিত করতে হবে- যারা নির্বাচিত হওয়ার পর সিটিজেন চার্টার মেনে চলবেন এবং জনগণের জন্য সেবার মান বাড়াতে কাজ করবেন। নির্বাচিতরা যেন নির্বাচনী ইশতেহার মেনে সার্ভিস ডেলিভারি দিতে নিরলস কাজ করে যাবেন তার গ্যারান্টি ক্লজ থাকতে হবে। স্থানীয় সরকারের কাজে, বাজেট প্রণয়নে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে; ‘ওপেন বাজেট’ এবং ‘পাবলিক হিয়ারিং’র ব্যবস্থা চালু করতে হবে। যতদিনের জন্য জনগণ তাদের ম্যান্ডেট দিবে, ততদিন তাদের কাজে স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের সময় সব দল যাতে অংশ নেয় তার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সমতল ক্ষেত্র ও সমান সুযোগ নির্মাণ করতে হবে। আশঙ্কা যে, সব জায়গায় প্রার্থী হতে বড় দলগুলোর ভিতরে নিজস্ব প্রতিদ্বন্দ্বিতা এত তীব্র হবে যে, তা সামাল দেওয়াই কঠিন হয়ে পড়বে; ঠিকমতো ম্যানেজ করতে না পারলে মনোনয়ন নিয়ে খুনোখুনি, হামলা-মামলা, জ্বালাও-পোড়াও কয়েকগুণ বেড়ে যেতে পারে। বিষয়টিকে এখন থেকেই সিরিয়াসলি নিতে হবে। প্রতিটি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বা প্রতিনিধিত্বকারী দলসমূহ আনুষ্ঠানিকভাবে যাতে তাদের মনোনীত প্রার্থীদের ভালো-মন্দ কাজের দায়িত্ব গ্রহণ করেন সে ব্যবস্থা করতে হবে। সব থেকে বেশি দরকার, চলমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনা। বছরের পর বছর একজনই দলীয় প্রধান, সব ক্ষমতা তার হাতেই  কেন্দ্রীভূত- এ অবস্থা পাল্টাতে হবে; দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা শুরু করতে হবে।  ভুলে গেলে ভুল হবে যে, তৃণমূল তথা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় গণতন্ত্রের চর্চা ও বিকাশ না হলে রাষ্ট্র ও সমাজে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া কখনোই সম্ভব নয়।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

[email protected]


বিডি-প্রতিদিন/ ২০ অক্টোবর, ২০১৫/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়