শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৪৪, সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৫ আপডেট:

খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা না ফেরা

কাজী সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা না ফেরা

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। যাওয়ার সময় ফেরার যে সময়ের কথা বলা হয়েছিল সেই সময়ে তিনি ফিরছেন না, এটা পরিষ্কার। ‘বিলাতি’ বিএনপির এক নেতার বরাত দিয়ে ঢাকার কোনো কোনো পত্রিকা লিখেছে, আগামী ৩ নভেম্বর তার জন্য এয়ার টিকিটের বুকিং দেওয়া হয়েছে। তাতেও নিশ্চিত করে বলা হয়নি তিনি সেই তারিখেও আসবেন কিনা! বরং তার অসমাপ্ত চিকিৎসার যে বিবরণ দেওয়া হয়েছে, তাতে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, তার ফিরতে আরও বিলম্ব হবে।  কেউ কেউ বলছেন, তার ফেরার বিষয়টি অনিশ্চিত। বেগম খালেদা জিয়া বিলাত রওনা হওয়ার সময় বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে, চোখের চিকিৎসা এবং ছেলে তারেক রহমান, তার স্ত্রী ও কন্যা জায়মা রহমান, প্রয়াত ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী ও দুই কন্যাসহ ঈদুল আজহা উদযাপন করে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই তিনি দেশে ফিরে আসবেন। পাঠক, আপনাদের মনে থাকার কথা, তার যাওয়ার পরপরই এক লেখায় এই নিবন্ধকারের মন্তব্য ছিল না, ওই সময়ের মধ্যে তিনি আসবেন না। ঠিকই আসেননি তিনি। যে কারণে তিনি শিগগিরই দেশে না-ও ফিরতে পারেন বলে ধারণা করেছিলাম তা এখন বিদ্যমান। যে কারণগুলো তার দেশে ফেরা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি করেছে সেগুলো হচ্ছে : এক. তার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার গতি-প্রকৃতি দেখে মনে হয় তাতে তার সাজা হয়ে যেতে পারে। সরকার এ ব্যাপারে তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেবে বলে মনে হয় না। ওয়ান-ইলেভেনের পর মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীন সরকার তাকে এবং শেখ হাসিনাকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে বিশেষ কারাগারে রেখেছিল। কিন্তু তিনি হয়তো মনে করছেন, এবার আদালত সাজা দিলে শেখ হাসিনার সরকার তাকে সেই সুযোগও দেবে না। থাকতে হবে সাধারণ কারাগারে। এক মন্ত্রী তো খালেদা জিয়াকে কোন কারাগারে (কাশিমপুর) রাখা হবে তা আগাম বলেও রেখেছেন। সরকারের উঁচু মহলে এ ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা হয়েছে এবং তার ভিত্তিতেই ওই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী তা বলেছেন বলে পর্যবেক্ষকরা অনুমান করতেই পারেন। সরকারের অন্যতম শরিক দল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরেক সাবেক স্বৈরাচার হু. মু. এরশাদ সদম্ভে উচ্চারণ করেছেন যে, তিনি খালেদা জিয়াকে কারাগারে দেখতে চান। এটা থেকে দুটি বিপজ্জনক বিষয়ের আলামত স্পষ্ট হয় এক. বিএনপি চেয়ারপারসনকে জেল খাটানোর ব্যাপারে বোধহয় সরকারি উচ্চ মহল চিন্তাভাবনা করছে, দুই. এ ব্যাপারে আদালতের সিদ্ধান্তের জন্যও তারা অপেক্ষা করছেন না। আগে থেকেই খালেদা জিয়াকে জেলে দেওয়ার ব্যাপারে বলাবলি শুরু করেছেন। এতে যে বিচার কাজ প্রভাবিত হতে পারে তা-ও ভাবছেন না তারা। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কতটুকু আছে তা নিয়ে সরকারের বিরোধী পক্ষ এবং সুশীল সমাজের কেউ কেউ যে প্রশ্ন উত্থাপন করেন এতে তা কি আরও জোরালো হয় না? ফলে খালেদা জিয়া উল্লিখিত দুই মামলায় তার ভাগ্য নিয়ে যদি দুশ্চিন্তায় থাকেন, তার পেছনে যুক্তি তো থাকেই। এই বয়সে, এই শরীরে জেল খাটা তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ তো বটেই। দুই. ওই দুই মামলা ছাড়াও চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত তিন মাসের সহিংসতা-নাশকতার বেশকটি মামলায় খালেদা জিয়া হুকুমের আসামি। তার দলের অনেককেই এসব মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ারের বয়স এখন ৮৬ বছর; তার বাড়ি কুমিল্লা উত্তর জেলার হোমনা উপজেলায়, থাকেন ঢাকায়। তিনি এখন জেল খাটছেন চৌদ্দগ্রাম (দক্ষিণ কুমিল্লা জেলা) থানার পেট্রলবোমা সন্ত্রাসের এক মামলায়। খালেদা জিয়াও তেমন আশঙ্কা করতে পারেন। তিন. চোখের অপারেশন এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়। চার. বিলাতে জ্যেষ্ঠ পুত্র যাকে তিনি দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নিয়োগ করে জীবদ্দশায়ই তার সাকসেসর বানিয়ে রেখেছেন, তার সঙ্গে দলের পুনর্গঠন সংক্রান্ত আলোচনা করা। বিলাতে অবস্থান দীর্ঘায়িত করার জন্য খালেদা জিয়া এ ইস্যুগুলো অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে পারেন।

প্রিয় পাঠক, আমরা জানি, বিলাত যাওয়ার আগে খালেদা জিয়ার ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল। তার কোনো কোনো কর্মচারীর ভিসা জটিলতার কথা বলা হলেও তখন প্রচার ছিল যে, সৌদি আরব গেলে সরকার তাকে দেশে ফিরতে দেবে না। সে ভয়েই তিনি সৌদি সফর বাতিল করেছেন। বিলাত সফরও তিনি দুবার পিছিয়েছেন একই কারণে। এমন একটা কথা তখন বাজারে চাউর হয়েছিল যে, সরকার খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে ‘মাইনাস’ করতে চায়। যুক্তিটা এমন যে, জাতীয়-আন্তর্জাতিক নানা বাস্তবতায় সরকার দেশে একটা আগাম নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই এমন চিন্তা করে থাকতে পারে। আগাম নির্বাচন হলে খালেদা জিয়াকে সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং তার দলের পক্ষে প্রচার-প্রচারণা থেকে হয়তো সরিয়ে রাখতে চায় সরকার। তারা জানে খালেদা জিয়া এখনো বিএনপির ‘ভোট কারেন্সি’। ‘মাইনাসের’ পথ তো তিনটি। একটি হচ্ছে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যা করতে চাওয়া হয়েছিল; আরেকটি যে কোনো অজুহাতে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিয়ে পরে দেশে ঢুকতে আইনি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা, যা ওয়ান-ইলেভেনের সরকার শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে করতে চেয়ে খালেদা জিয়ার অনমনীয় মনোভাবের কারণে করতে পারেনি এবং তৃতীয় পথটি হলো ফৌজদারি মামলায় দুই বছরের দণ্ড হয়ে গেলে। ‘মাইনাস’ করার সেই চিন্তা সরকারের মাথায় এখনো থাকতে পারে বলে ভাবতে পারেন খালেদা জিয়া। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, সরকারের পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ করার জন্যও তিনি বিলাতে অবস্থান প্রলম্বিত করছেন। সম্প্রতি নতুন আরেকটি উপসর্গ যুক্ত হয়েছে। দেশ-দুনিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টিকারী দুই বিদেশি নাগরিক হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে সরকার পক্ষ সরাসরি খালেদা জিয়া এবং তার দল বিএনপিকে অভিযুক্ত করছে। অভিযোগ এমন জায়গা থেকে এসেছে যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তা আমলে না নেওয়ার সুযোগ নেই। আমলে না নিলে এমন এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকারের অতি উচ্চাসন থেকে আরেকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির অভিযোগ সত্য নয় বলে প্রমাণিত হবে। যদি তা-ই হয় তাহলে প্রশ্ন আসবে, অসত্য অভিযোগটি এমন উঁচু জায়গা থেকে করতে কে বা কারা তথ্য ও পরামর্শ দিয়েছে? কেন দিয়েছে? আর অভিযোগটি যদি আমলে নেওয়া হয়, তাহলে বিএনপি চেয়ারপারসন একটি কঠিন দেশদ্রোহিতার মামলার আসামি হবেন। কেননা, দুই বিদেশি হত্যাকাণ্ড কোনো ব্যক্তি, দল বা সরকারের ক্ষতি করেনি, ক্ষতি করেছে বাংলাদেশের। এ অবস্থায় খালেদা জিয়ার দেশমুখী হওয়া আরও পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইঙ্গিত এরই মধ্যে পাওয়া গেছে। তার বিলাত যাওয়ার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল চোখের চিকিৎসা। এই কাজটায় তিনি হাত দিয়েছেন অনেক পরে। এতদিনে তার একটি চোখের অপারেশন হয়েছে মাত্র। অপর চোখেও অপারেশন লাগবে। কবে সে অপারেশন হবে, কিছু বলা হচ্ছে না। নতুন করে বলা হচ্ছে, তিনি হাঁটুর চিকিৎসাও করাবেন। এটি তার পুরনো অসুস্থতা। এর জন্য দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা গ্রহণের প্রয়োজন আছে বলে বলছেন চিকিৎসকরা। সবকিছু মিলিয়ে চিন্তা করলে এ ধারণাই করা যায় যে, তিনি শিগগিরই হয়তো দেশে ফিরবেন না। তাহলে কী হবে? তার নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ, দলের ভবিষ্যৎ, দলের হাজার-লাখো নেতা-কর্মী, সংগঠক, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ীর স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষার কী হবে? একটি জাতীয় দৈনিক লিখেছে যে, তিনি এখন তার ছেলে তারেক রহমানের বাসায় আছেন তারই তও্বাবধানে। ‘বিলাতি’ বিএনপির দুই নেতা ছাড়া কেউ খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না। দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমেরিকায় চিকিৎসা শেষে বিলাতে নেত্রীর সঙ্গে দেখা করে আসতে চেয়েছিলেন। অনুমতি না পেয়ে তিনি সরাসরি দেশে চলে এসেছেন। দলের আরেকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুকও দেখা করার সুযোগ না পেয়ে আমেরিকা থেকে দেশে চলে এসেছেন। অথচ চালাকি করে অর্থশালী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং তার ছেলে তাবিথ আউয়ালকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারা ‘বিলাতি’ বিএনপির কয়েকটি অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ডানে-বাঁয়ে ছিলেন মঞ্চে। কী বিচিত্র রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে বিএনপি! দলের চেয়ারপারসনের সঙ্গে অনেক দিন, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে বহু দিন দেখা নেই গঠনতান্ত্রিকভাবে দলের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রধানের। ফেরার আগে ডেকে নিয়ে দেশে এসে করণীয় সম্পর্কে তার সঙ্গে পরামর্শ করাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু তাকে যেতে নিষেধ করে (মিডিয়ায় এ খবর বারবার প্রকাশিত হচ্ছে) জাতীয় রাজনীতিতে অগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ডেকে নেওয়া হয়েছে। তাবিথ আউয়াল এখনো নাকি ‘সেবা’ দিয়ে যাচ্ছেন। দলের তরুণ প্রভাবশালী নেতা যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন নাকি দেনদরবার করেও দেখা করতে পারেননি তার নেত্রীর সঙ্গে। তাকে নাকি সন্দেহ করা হয় মওদুদ আহমদের লোক হিসেবে। বিলাতে মা ও ছেলে কী করছেন, কিছুই জানছেন না দলের অন্যরা। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, এতে তাদের দলের ক্ষতি হচ্ছে, কর্মীরা হতাশ হচ্ছেন। এই মহলের মতে, তারেক রহমানের আপাতত কোনো রাজনৈতিক সম্ভাবনা নেই। খালেদা জিয়া এই দুঃসময়ে দলের নিবেদিতপ্রাণ নেতা-কর্মী-সংগঠকদের বাদ দিয়ে শুধু তাকে নিয়েই যদি স্বপ্ন দেখেন সেই স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে খালেদা জিয়া এবং বিএনপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখনো সম্পূর্ণ বিনাশ হয়নি। তারেকের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানকে দিয়ে কিছুটা চেষ্টা করা যায়। সেই সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপ দেওয়ার জন্যই কাজ করা উচিত। তারেক রহমানেরও বিষয়টি অনুধাবন করা উচিত।

তারেক রহমানের সাংগঠনিক অনেক গুণ থাকতে পারে। কিন্তু নেতিবাচক কিছু বিষয় তার সর্বজনীনতাকে নষ্ট করেছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করেন। এক্ষেত্রে তিনি তার বাবা প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়া এবং মা বেগম খালেদা জিয়ার কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেননি। দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়া এবং বর্তমান চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সমগ্র দলের নেতা ছিলেন, তারেক রহমান যা হতে পারেননি। হয়ে গেছেন ‘ভাইয়াপন্থি’দের নেতা। ‘ভাইয়াপন্থি’দের নেতা হতে গিয়ে তিনি সমগ্র দলের শ্রদ্ধা-ভালোবাসা ও আস্থার পাত্র হওয়ার সুযোগ নষ্ট করেছেন। এই ‘ভাইয়াপন্থি’রা আবার তারেক রহমানের কোনো উপকারও করতে পারেনি। সেই যোগ্যতা ও ক্ষমতা তাদের নেই। তাদের অক্ষমতা বিবেচনা করার সুযোগ তিনি পাননি স্তুতি-তোষামোদের কারণে। শোনা যায়, তিনি তা পছন্দ করেন। একদিকে ২১ আগস্ট শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা মামলাসহ কঠিন কঠিন মামলা-মোকদ্দমা, অন্যদিকে দলের ভিতরে-বাইরে দারুণ ভাবমূর্তি-সংকট নিয়ে এ সময়ে তার পক্ষে দেশে এসে দলের জন্য কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। আবার বিলাতে থেকে বাংলাদেশের দল চালানো অসম্ভব ব্যাপার। এই চিন্তা তার পরিহার করা উচিত। দেশে পার্টি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াই নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে একটা যৌথ নেতৃত্বের মাধ্যমে দল পুনর্গঠন করে এগিয়ে যেতে পারেন। তারেক রহমানের উচিত হবে আপাতত নিজের নেতৃত্ব জাহির না করে মা খালেদা জিয়ার নেতৃত্বকে দৃঢ় এবং তার হাতকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করা। কেননা, তার নেতৃত্ব এখন অকার্যকর।

পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, তারেক-নির্ভরতা বেগম জিয়ার নিজের, দলের এবং দলের অগণিত নেতা-কর্মীর ক্ষতি করবে। তারেকের জন্য সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি। তার অপেক্ষা করা, ধৈর্য ধরা উচিত। বছর দুই-তিনেকের জন্য দলের বড় দায়িত্ব থেকে তিনি অব্যাহতিও নিতে পারেন।  এতে তার মঙ্গল হবে। জনগণের ভালোবাসায়  হয়ে বিএনপি যদি আবার সরকার গঠনের সুযোগ পায়, তারেক রহমানের তখন দেশে ফিরে আসা কি অনেক সহজ হয়ে যাবে না? দল কি তখন তাকে ফিরিয়ে দেবে?

খালেদা জিয়া অতীতে অনেক সাহস দেখিয়েছেন। গণতান্ত্রিক সংগ্রামে, দেশের কাজে, জনগণের কল্যাণে অনেক অবদান রেখেছেন। দেশের বহু মানুষ আশা করে, তিনি এবারও সাহস দেখাবেন। জেলজুলুমের ভয়কে জয় করে দেশে এসে আবারও গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় শরিক হবেন। হিংসা-হানাহানির পথ পরিহার করে শান্তিপূর্ণ পন্থায় গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করবেন, পরবর্তী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেবেন। দল পুনর্গঠনের যে কথা বলেছেন, তিনি কি জানেন, পুনর্গঠনের নামে কী হচ্ছে? পুরনো কায়দায়ই নামকাওয়াস্তে ‘নতুন বোতলে পুরনো মদ’ ঢালা হচ্ছে। তৃণমূল পর্যায়েও হচ্ছে পারিবারিক কমিটি অথবা পকেট কমিটি। অভিযোগ পাওয়া যায়, মাঠের নিবেদিতপ্রাণ, সাহসী লড়াকুরা স্থান পাচ্ছে না কমিটিতে। ‘বিলাতি’ সংযোগের কথা বলে বা ভয় দেখিয়ে নাকি এমন অপকর্ম চলছে। কী যে এক ‘বিকাশ’ হয়েছে, যারা নেতৃত্বের প্রত্যাশী তাদের নাকি ‘বিকাশ নম্বর’ দিয়ে সেই নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়। কোথায় গিয়ে ঠেকেছে বিএনপির দল পুনর্গঠনের কাজ! দলের পদবিধারীরা অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। কিন্তু যা রটে তা কিছু তো বটে! দল পুনর্গঠন করে ফল পেতে হলে সবকিছু ভেঙেচুরে নতুন করে কাজে হাত দিতে হবে। এক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার দৃঢ় অবস্থানটা জরুরি। কমিটিতে তারেক রহমানের লোক বলে কাউকে ঢোকানোর কী প্রয়োজন? তারেক যখন দেশে আসার সুযোগ পাবেন, দলের সবাই তো তার লোক হওয়ার কথা। দুর্যোগ কাটিয়ে, সব প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে দেশে ফিরে আসতে পারলে গোটা দলই তখন তার পাশে থাকবে। শুভানুধ্যায়ীদের পরামর্শ হচ্ছে, তারেক রহমানের উচিত বিলেতে থেকে এখন নিজেকে তৈরি করা এবং অবিতর্কিত একটি ভাবমূর্তি গড়ে তোলার চেষ্টা করা। এই মুহূর্তে সবকিছু নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার দেশে ফিরে আসার ওপর। সপ্তাহ দুই আগে এক লেখায় উলে­খ করেছিলাম যে, বিএনপি এখন এক ‘ফেরারি’ দল। ব্যক্তি ফেরারি হওয়ার কথা জানি আমরা; কিন্তু কী দুর্ভাগ্য, বিপুল জনসমর্থিত একটি দল দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতি এবং সৎ, সাহসী ও যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে এখন ফেরারি। কেউ কেউ এখন বলছেন, দলটি এখন ‘সিসিইউ’তে আছে। সঠিক ‘চিকিৎসায়’ অবস্থার উন্নতি না হলে ‘আইসিইউ’তে পাঠাতে হবে। সেখানেও যদি সঠিক ‘চিকিৎসা’ না হয়, তাহলে কী হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, এ অবস্থায় খালেদা জিয়ার দেশে ফিরে আসা উচিত অতি দ্রুত। তার দ্রুত ফিরে আসাটাও সরকারের ওপর একটা চাপ সৃষ্টি করবে।  বিলাত থেকেই তিনি বড় বড় জনসভা, লংমার্চ, রোডমার্চের মতো কিছু শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ঘোষণা করতে পারেন।  সরকারকে ফেলে দিতে পারেন গণতন্ত্রের কঠিন পরীক্ষায়।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট।

ই-মেইল :  [email protected]

 

বিডি-প্রতিদিন/ ২৬ অক্টোবর, ২০১৫/ রশিদা

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়