শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:২০, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৫

চাঁদের আলোতে মৃত্যু দেখা

নঈম নিজাম
অনলাইন ভার্সন
চাঁদের আলোতে মৃত্যু দেখা

সেদিন আকাশে জ্যোৎস্না ছিল। মনে হচ্ছিল আকাশ ফেটে বেরুনো চাঁদের আলো ভাসিয়ে নেবে সব কিছু। সময়টা ২০০৭ সাল। কুমিল্লা থেকে ঢাকা ফিরছি। মেরামতের জন্য বন্ধ ছিল দাউদকান্দি ব্রিজ। কুমিল্লা ক্লাব থেকে বের হলাম রাত ১২টায়। আমার সঙ্গে নাঙ্গলকোটের আওয়ামী লীগের দুই নেতা, শহীদুল ইসলাম পাটোয়ারী ও সলিমুল্লাহ মিয়াজি বাচ্চু। তারা গাড়িতে ওঠেই বললেন, আজ না গেলে হয় না। আমি বললাম, আজ ভরা জ্যোৎস্না। রাস্তায় গাড়ির সানরুপ খুলে দেব। চাঁদের আলো খেতে খেতে যাব ঢাকায়। তারা আপত্তি করলেন না। গাড়ি চলছে ঢাকার পথে। কুমিল্লা পার হতেই চারদিকে খোলা প্রান্তর। সারি সারি ধান খেত। কোথাও জলাশয়। মাঝে মাঝে ঘরবাড়ি। গাড়িতে সিডি প্লেয়ারে গান বাজছে... ‘এমনও বরষা ছিল সেদিন...।’ ফোন বেজে ওঠল। হঠাৎ এ সময় খবর পেলাম আমাদের বন্ধু খলিল মারা গেছেন। জানাজা হবে সকালবেলা নাঙ্গলকোটের গ্রামের বাড়িতে। আসর জমানো যুবক ছিল খলিল। সেই খলিল নেই। আমরা ঢাকা ফিরব না কুমিল্লায় ফেরত যাব চিন্তায় পড়ে গেলাম। তিনজনই মন খারাপ করলাম। কিন্তু আমাদের আর ফেরা হলো না। ঢাকার পথেই আমাদের গাড়ি ছুটছে। কিন্তু পথে দুটি ঘটনা ঘটল। যার কোনো ব্যাখ্যা নেই। অথবা আছে। প্রথমটি ভৈরব ব্রিজ পার হতেই। পাশের লরি থেকে একটি বড় কনটেইনার ছিটকে পড়ল আমাদের গাড়ির পাশ ঘেঁষে। চমকে উঠলাম সবাই। বেঁচে গেলাম, ড্রাইভার গাড়ি এগিয়ে নিয়ে চলল। আমরা কিছুটা ভয় পেলাম। দ্বিতীয়টি কালিগঞ্জ পার হওয়ার পর। ড্রাইভার ঘুম চোখে গাড়ি সড়কের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে, আমরা তিনজন একসঙ্গে চিৎকার করে উঠলাম। চিৎকারে কাজ হলো। কোনোমতে গাড়ি আবার মূল সড়কে ফিরে এলো। খলিলের মৃত্যু এবং এ দুটি ঘটনার কি কোনো ব্যাখ্যা আছে? দুনিয়া বড়ই রহস্যময়।

কুমিল্লা-১১ আসনের এমপি জয়নাল আবেদীন ভূইয়ার মৃত্যুর পরের ঘটনা। নাঙ্গলকোট থেকে ঢাকায় ফেরার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কুমিল্লায় তিনি মারা যান। হৃদরোগে আক্রান্তের ৩০ মিনিট আগেও আমার সঙ্গে কথা হয়েছিল। ঢাকা আসছেন। জরুরি কথা আছে আমার সঙ্গে। বসবেন। এটিএন বাংলাতে কাজ করি তখন। জয়নাল ভাইয়ের মৃত্যুর পর নিকটজনরা আমাদের সতর্ক করলেন, সাবধান! জয়নাল ভাই একা থাকতে পারবেন না। সঙ্গী-সাথী খুঁজবেন। কাউকে না কাউকে নিয়ে যাবেন। তাই হলো। কয়েক মাস পরই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন আমাদের এক সঙ্গী মমিন। জয়নাল ভাইয়ের সঙ্গে সারাক্ষণ লেগে থাকতেন। ঢাকায় ব্যবসা করতেন। জয়নাল ভাই তার অফিসে বসতেন মাঝে মাঝে। জানি এ ঘটনারও কোনো ব্যাখ্যা নেই। ছোটবেলায় আমি কিছুদিন হাসপাতালে ছিলাম। আমার পাশের বেডে এক ভদ্রলোক ছিলেন। তিনি আমাকে বই পড়তে দিতেন। আমার বই পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে। ভদ্রলোক এক রাতে মারা গেলেন। সকালে ঘুম থেকে ওঠে জানলাম, মানুষটি চলে গেছেন। রাতেই পরিবার-পরিজন লাশ নিয়ে গেছে। ভীষণ মন খারাপ হলো। তারপর কিছুদিন দেখতাম ভদ্রলোক বসে আছেন তার বেডে। আমার দিকে তাকিয়ে হাসছেন মিটমিট করে। আমি ভয় পেতাম। বিষয়টি ডাক্তারকে বললাম। ডাক্তার বললেন হেলুসিনেশন। সেই হেলুসিনেশন কাটাতে আমার সময় লেগেছিল। আমার শ্বশুর সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া মারা গেলেন গত সপ্তাহে। তিনি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। মৃত্যুর সময় আমি পাশে ছিলাম। ইউনাইটেড হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়েছেন টানা ২৫ দিন। তার চার সন্তান দেশের বাইরে থাকে। কুয়েত থেকে এলো বড় ছেলে। বাকি দুই ছেলে লন্ডন থেকে। তিনি সবার সঙ্গে কথা বলেছেন। অপেক্ষা করেছেন কানাডা থেকে ছোট মেয়ে আসার। সেই মেয়েটিও আসার একদিন পরই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে বড় মেয়ে ফরিদা ইয়াসমিনকে কাছে টানলেন। আদর করলেন। বিদায় নিলেন। তারপর চলে গেলেন। আমার বাবা মোখলেসুর রহমান ভূঁইয়ার মৃত্যুর সময়ও পাশে ছিলাম। বাবা মারা গেছেন খবর শুনেই দ্রুত গ্রামের বাড়ি গেলাম। গিয়ে দেখলাম তিনি তখনো মারা যাননি। শেষ মুহূর্ত। আমাদের সঙ্গে কথা বললেন। কাছে টানলেন। তারপর চলে গেলেন।

প্রয়াত কামরুল ইসলাম সিদ্দিকের মৃত্যুর ঘটনা মনে পড়ছে। ২০০৮ সালে তিনি সুইডেন গেলেন পানিবিষয়ক একটি সম্মেলনে যোগ দিতে। সেখান থেকে যান যুক্তরাষ্ট্রে। ছিলেন পুত্র সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকের বাসায়। এক সকালে আমি তার পাঠানো ই-মেইল পড়ছিলাম। তিনি জানিয়েছেন, নিউজার্সিতে রমজান মাস কাটাবেন। ঈদের পর ফিরবেন দেশে। আমি উত্তর লিখছিলাম, তখনই ফোনে জানলাম কামরুল ইসলাম সিদ্দিক আর নেই। দুনিয়াটা আসলেই সাময়িক। এত লড়াই, এত সংগ্রামের কোনো মানে হয় না। মানুষের সম্পর্ক অনেক ঠুনকো। কারণ মানুষ খুব দ্রুত পরিবর্তনশীল। কিছু মানুষ একটি নির্দিষ্টগণ্ডিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে পারে না। অঙ্গীকার রক্ষা করতে পারে না। সামান্য বিষয়কে উসিলা করে নিজেকে বদলে দেয়। খোলস পরিবর্তনেই আনন্দ। এক জীবনে মানুষ অনেক কিছু পায় না। এক বয়সে জীবনের গতিতে লাগাম আসে। জীবনের প্রতি বিরক্ত হয়ে কবি নজরুল একদিন স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। দীর্ঘসময় বাকরুদ্ধ ছিলেন। কবি কি টের পেয়েছিলেন তার এমন হবে? না হলে তিনি লিখলেন কেন, ‘যদি আর বাঁশি না বাজে আমি কবি বলে বলছি না, আমি আপনাদের ভালোবাসা পেয়েছিলাম সে অধিকারে বলছি, আমায় আপনারা ক্ষমা করবেন। আমায় ভুলে যাবেন।... আমি এই প্রেমহীন নিরস পৃথিবী থেকে নীরবে অভিমানে চিরদিনের জন্য চলে যাব।’ নজরুল তার জীবদ্দশায় প্রিয় সন্তানকে হারিয়েছিলেন। ছোটবেলায় হারিয়েছিলেন বাবা-মাকে। পারিবারিক মৃত্যুর কষ্ট নজরুলের চেয়ে বেশি ছিল রবীন্দ্রনাথের। রবি ঠাকুর মাত্র ১৪ বছর বয়সে মা সারদাসুন্দরী দেবীকে হারান। আর স্ত্রী মৃণালিনীর মৃত্যু হয় মাত্র ৩০ বছর বয়সে। রবীন্দ্রনাথের জন্য আরেকটি কষ্টের মৃত্যু ছিল বৌদির আÍহত্যা। যা কঠিনতম ছিল তার জন্য। প্রথম জীবনে বৌদি কাদম্বরি দেবীই তাকে লেখালেখিতে উৎসাহিত করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের জীবনের সুখের চেয়ে দুঃখ ছিল বেশি। শুধু স্ত্রী নয়, সন্তানের মৃত্যুও তাকে ব্যথিত করেছিল। মেয়ে রেনুকা দেবী রানী, মাধবীলতা, পুত্র শমিন্দনাথের মৃত্যুর যাতনা ছিল ভয়াবহ। রবীন্দ্রকন্যা রানীর বিয়ে হয়েছিল ১০ বছর বয়সে। এ বিয়েতে রবীন্দ্রনাথের মত ছিল না। কিন্তু অনেকটা স্ত্রীর চাপেই বিয়েতে তিনি মত দিয়েছিলেন। তার হলো যক্ষা। কলকাতায় নিয়ে গেলেন কবি তাকে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। চলে গেলেন মেয়েটি। কবি পরিবারে যক্ষার আক্রমণ বারবার এসেছিল।

রবীন্দ্রনাথ অনেকগুলো বর্ষার গান লিখেছিলেন। শমিন্দনাথ একদিন বাবাকে বললেন, বর্ষার গান নিয়ে একটা উৎসব হোক না। পুত্রের উৎসাহে এরপর থেকে বর্ষা মঙ্গল ও বসন্ত উৎসব শুরু। রবীন্দ্রনাথ কলকাতা যাচ্ছিলেন। পুত্র বলল, বন্ধুদের সঙ্গে যাবে ভাগলপুর। সাত দিন পর রবীন্দ্রনাথ টেলিগ্রাম পেলেন শমিনের কলেরা হয়েছে। কবি গুরু ছুটলেন। যখন পৌঁছলেন জানলেন, সব শেষ। তার প্রিয় সন্তানের দেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিকালেই শান্তিনিকেতনের পথ ধরলেন কবি। বোলপুর স্টেশন থেকে শান্তিনিকেতনের দূরত্ব মাইল দেড়েক। ক্ষিতিমোহন সেন, বিধুশেখরসহ অনেক সহকর্মী স্টেশনে এসেছেন কবিকে নিয়ে যেতে। তারা শমিনের মৃত্যুর খবর জানতেন না। তারা জানতেন শমিন কবির সঙ্গেই ছিলেন। ভাগলপুরে পুত্র আর পিতা ছিলেন কলকাতায়। শেষ দেখাও তাদের হয়নি। একজন প্রশ্ন করলেন, শমিন কোথায়? কবি কথা বললেন না। ভারাক্রান্ত মনে পালকি কিংবা ঘোড়ার গাড়িতেও চড়লেন না। তিনি হাঁটতে শুরু করলেন। সেদিন আকাশে ছিল জ্যোৎস্না। চারদিকে সুনসান নীরবতা। কবি কারও সঙ্গে কথা না বলে হাঁটছেন। চাঁদের আলোতে চারদিক মাখামাখি। জ্যোৎস্না রাতে নির্বাক কবি। বাড়ি ফিরে দোতলায় উঠার সময় কবি সবার দিকে তাকালেন। তারপর বললেন, শমিনকে রেখে এসেছি।

কবির জীবনে আরও শোক ছিল। যক্ষা কবির পিছু ছাড়েনি। এর কয়েক বছর পর প্রিয় কন্যা মাধবীলতা যক্ষায় আক্রান্ত হলেন। কন্যার জামাতার সঙ্গে কবির ভালো বনিবনা ছিল না। এই কারণে জামাই যখন হাইকোর্টে প্রাকটিস করতে যেতেন কবি আসতেন কন্যার কাছে। দুপুর বেলা কন্যা বাবাকে পাখা দিয়ে বাতাস করতেন। বাপ কন্যার গল্প হতো অনেক। একদিন দুপুরে কবি আসলেন কন্যার বাড়িতে। চিৎকার আর কান্না শুনলেন ভিতর বাড়ি থেকে। কবি বুঝলেন এই কন্যাটিও তাকে ফাঁকি দিয়েছে। তিনি আর গাড়ি থেকে নামেননি। বিকালে বিচিত্রা ক্লাবে গেলেন কবি। মনটা ভীষণ খারাপ। কিন্তু কাউকে কিছু বলছেন না। দু-একজন জানত মাধবীলতা আর নেই। কবি লিখলেন, ‘হে মাধবী দ্বিধা কেন, আসিবে কি ফিরিবে কি/ আঙ্গিনাতে বাহিরিতে, মন কেন গেল ঠেকি।’ কবির জীবনে প্রথমে গেলেন স্ত্রী, তারপর একটি মেয়ে। তারপর ছেলে। এরপর আরেকটি মেয়ে। এভাবেই যেতেই থাকল। কবি বেঁচে ছিলেন ৮১ বছর। কন্যার স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ার বিষয়টিও কবিকে কষ্ট দিয়েছিল। এক পুত্র, এক কন্যা নিয়ে মীরা বাবার কাছে চলে আসেন। কবি আঁকড়ে ধরলেন নাতি, নাতনি আর কন্যাকে। কিন্তু কবির জীবনের শেষ কষ্টটিও এখানে। আবার যক্ষার আক্রমণ। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল মীরা দেবীর ছেলে নীতু। শেষ বয়সে নাতির এই মৃত্যুশোক কবিকে ভারাক্রান্ত করে। ভেঙে পড়েন কবি।

মৃত্যু নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের অনেক আক্ষেপ ছিল। কষ্ট ছিল। ক্যান্সার আক্রান্তের পর লেখকের আক্ষেপগুলো অনেক বেশি আকারে বেরিয়ে আসে। তার শেষ লেখাগুলোতে ছিল বেঁচে থাকার আকুতি। একটা কচ্ছপের জীবন সাড়ে তিনশত বছর। মানুষ কেন এত অল্প সময় বাঁচে? মৃত্যুর কিছুদিন আগে হুমায়ূন আহমেদ ওয়াশিংটন যান। পারিবারিক এক বন্ধুর বাড়িতে জমে ওঠে আড্ডা। স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন খালি কণ্ঠে গান গাইলেন, ‘মরিলে কান্দিস না আমার দায়রে... সূরা ইয়াসিন পাঠ করিও বসিয়া কাছায়...’ শাওন গাইছেন। হুমায়ূন কাঁদছেন। চোখের পানি মুছছেন। আহারে এই দৃশ্যটি ইউটিউবে দেখার পর আমার অনেক দিন মন খারাপ ছিল। আহারে আমাদের চাঁদের আলো বুঝানো, বৃষ্টির আনন্দ জানানো মানুষটি শিশুর মতো চোখ মুছছেন। মৃত্যু মানুষকে কোথায় নিয়ে যায়? হুমায়ূন এই নিয়ে লিখেছেন তার আকাশ জোড়া মেঘে, ‘অসম্ভব ক্ষমতাবান লোকেরা প্রায় সময় নিঃসঙ্গ অবস্থায় মারা যায়।’ দেবী বইতে লিখেছেন, ‘মৃত্যুর সময় পাশে কেউ থাকবে না, এর চেয়ে ভয়াবহ বোধহয় আর কিছুই নেই। শেষ বিদায় নেওয়ার সময় অন্তত কোনো একজন মানুষকে বলে যাওয়া দরকার নিঃসঙ্গ ঘর থেকে একা একা চলে যাওয়া যায় না, যাওয়া উচিত নয়। এটা হৃদয়হীন ব্যাপার।’


লেখক : সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন।

 
বিডি-প্রতিদিন/ ২৯ অক্টোবর, ২০১৫/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়