শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:০৯, সোমবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৫ আপডেট:

জঙ্গিবাদ দমন : ফ্রান্সে জজ মিয়া নাই

আমীর খসরু
অনলাইন ভার্সন
জঙ্গিবাদ দমন : ফ্রান্সে জজ মিয়া নাই

সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর পশ্চিমা দেশগুলো এবং এর সমর্থকদের পক্ষ থেকে এমন ধারণা পোষণ করা হয়েছিল যে, বিশ্বে তাদের আর কোনো শত্র“ নেই। প্রতিপক্ষ বধ করার উল্লাসে তারা ছিল বিভোর। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো থেকে ওইসব দেশের মনমতো গড়া শাসন ব্যবস্থা অর্থাৎ সমাজতন্ত্রের নামে কর্তৃত্ববাদী শাসন বিদায় নিয়ে বিশ্ব ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে এমন ধারণাও পোষণ করা হয়।  সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং এর বলয়ভুক্ত দেশগুলো বিদ্যমান থাকার সময় বিশ্ব ব্যবস্থা ছিল দুই মেরুতে বিভক্ত। কিন্তু বিশ্ব ব্যবস্থা হয়ে পড়ে এককেন্দ্রিক। তখন অনেক অতিউৎসাহী এমন প্রচার-প্রচারণা শুরু করে যে, পৃথিবীতে এখন উদার গণতন্ত্রের তরঙ্গ বইয়ে দিতে হবে। এরই একপর্যায়ে ১৯৯২ সালে ফ্রান্সিস ফুকাইয়ামা দ্য অ্যান্ড অফ হিস্টরি অ্যান্ড দ্য লাস্ট ম্যান নামে ৪১৮ পাতার একটি পুস্তক প্রকাশ করেন। এতে তিনি এমন একটা বয়ান দিলেন যে, উদার গণতন্ত্রই হচ্ছে মানব জাতির সবচেয়ে মহান ও টেকসই আদর্শ। এর পক্ষে চতুর ও কৌশলী প্রচার-প্রচারণাও চালানো হয়। তবে ওই পুস্তক প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে প্রভাবশালী টাইম ম্যাগাজিন ওই পুস্তকটির ওপর আলোচনা করতে গিয়ে ফ্রান্সিস ফুকাইয়ামার  তথাকথিত তত্তে¡র সমালোচনায় লিখেছিল, ‘বিগিনিং অফ নুইসেন্স’। টাইম ম্যাগাজিনের মন্তব্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে, উদার গণতন্ত্র একটি শাসন ব্যবস্থা ও রাষ্ট্র পরিচালনার উপায় ও পদ্ধতি মাত্র। এটি কোনোক্রমেই আদর্শ নয়। শাসন ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক মতাদর্শ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার বিপদটি হচ্ছে এতে এক ধরনের ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি হয়। আর এ ভারসাম্যহীনতার কারণটি হচ্ছে অন্য কোনো আদর্শের অনুপস্থিতি। পুরো বিশ্ব ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক হয়ে পড়ার কারণে যে ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি হয়, তার ফলে সৃৃষ্টি হয় একটি আদর্শিক শূন্যতার। এই আদর্শিক শূন্যতা পূরণের চেষ্টা হচ্ছে একেবারেই নেতিবাচক এবং ভয়ঙ্কর কিছু ব্যবস্থাবলীর উদ্ভবের মধ্যদিয়ে।

যে ভাবনা-চিন্তা ছিল পশ্চিমা দুনিয়ার তা স্বল্পকালেই তিরোহিত হয়। আগে হওয়া সোভিয়েত বনাম যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধটি পুনরায় শুরু হয় ২০০১ সালে, ৯/১১-এর মর্মান্তিক ও বেদনাময় ঘটনার পরে। এই দফায় ভিন্ন মাত্রায় এটি শুরু হয়েছে। আগে যারা পশ্চিমাদের হয়ে সোভিয়েতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল তারা এবার ঠিক উল্টো কাজটিই করে। তাদের জন্য সমাজতন্ত্রের স্থানে আরও বড় বিপদ পশ্চিমাদের সামনে আবিভর্‚ত হয়। আর সেটি হচ্ছে ধর্মীয় উগ্রবাদের উত্থান। আর এটি প্রকাশ ঘটে নানা মাত্রায় এবং নানা ধরনে। ওই যে শুরু তা এখনো চলছে। আফগানিস্তানের পরে ইরাক, এরপরে লিবিয়া এবং সিরিয়ায় যুদ্ধ চলছে। আফগান যুদ্ধের মধ্যেই উত্থান ঘটে ওসামা বিন লাদেন নামে এক চরিত্রের, যে চরিত্র বিনাশী কর্মকাণ্ডকে আদর্শিক লড়াই হিসেবে আখ্যায়িত করে এর বিস্তার ঘটিয়েছে। আর এর প্রকাশ ঘটতে থাকে আল-কায়েদাসহ নানা জঙ্গিগোষ্ঠীর উত্থানে। হালে যা আরও ভয়াবহ আকারে বিস্তার লাভ করেছে ইসলামিক স্টেট বা আইএস নামে।

এখানে বলা প্রয়োজন, এই যে ছায়ার সঙ্গে যুদ্ধ তাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। আর সামগ্রিক যুদ্ধ এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে মানব সভ্যতার জন্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে এই প্রতিজ্ঞা করা হয়েছিল যে, আর যুদ্ধ নয়। কিন্তু তাও মানা হয়নি। কারণ যুদ্ধ অনেকের জন্য ব্যয়বহুল এক অতি লাভজনক ব্যবসা। ২০০৯ সালে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ যোশেফ স্টিগলিজ ও লিন্ডা বাইস্লস-এর বিখ্যাত গ্রন্থ দ্য থ্রি ট্রিলিয়ন ডলার ওয়ার :  দ্য ট্রু কস্ট অফ দ্য ইরাক কনফ্লিক্ট-এ হিসাব দিয়েছেন যে, ওই সময় পর্যন্তই শুধুমাত্র ইরাক যুদ্ধে খরচ হয়েছে কম করে হলেও তিন ট্রিলিয়ন ডলার। তাদের হিসেবে মাত্র এক ট্রিলিয়ন অর্থ খরচ করলে ৮০ লাখ বাড়ি বানানো যায়, ১ কোটি ৫০ লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যায় প্রতি বছর, ১২ কোটি ছেলেমেয়ের শিক্ষা দেওয়া যায় ও ৫৩ কোটি শিশুর স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া যায় প্রতি বছরে এবং ৪ কোটি ৩০ লাখ ছাত্রছাত্রীকে চার বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার খরচ চালানোর বৃত্তি দেওয়া সম্ভব। তাহলে এ পর্যন্ত যুদ্ধ খাতে যে ব্যয় হয়েছে তাতে কত বাড়ি বানানো যেত, কত স্কুল প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হতো আর কত শিশুই বা শিক্ষা, স্বাস্থ্য সুবিধা লাভ করতে পারত। যোশেফ স্টিগলিজ এবং লিন্ডা বাইস্লস-এর হিসাবে, ইরাক যুদ্ধে ব্যয়িত অর্থের ছিটেফোঁটা খরচ করলেও ২০১৫ সালের মধ্যে যারা শিক্ষাবিহীন তাদের শিক্ষার আলো দেখানো সম্ভব ছিল। তারা এমন তথ্যও দিয়েছেন যে, যুদ্ধের প্রচার-প্রচারণায়ই বছরে খরচ হয় ৮০০ কোটি ডলারের মতো। এটি ওই সময়ের হিসাব। কিন্তু আগেই বলা হয়েছে, যুদ্ধ হচ্ছে এক লাভজনক ব্যবসার নাম। এই ব্যবসা এক পক্ষের নয়, যারা জড়িত তাদের সবার জন্য, জঙ্গিদের জন্যও। কাজেই বিষয়টি স্পষ্ট যে, এসব যুদ্ধ মানব জাতির কল্যাণের বিপরীতে একটি ব্যয়বহুল অবস্থার সৃষ্টি করেছে। আর এটি হয়েছে বিশ্বব্যাপী ভারসাম্যহীনতার কারণে সৃষ্ট নেতিবাচক ধর্মীয় জঙ্গিবাদের উত্থানের কারণে। কারণ ইতিহাস কখনোই ভারসাম্যহীনতার পক্ষে নয়।

শুধু যুদ্ধে ব্যয়ের হিসাবটিই যে প্রধান তা-ই নয়। যেসব দেশের ওপর হামলা হয়েছে তার তেল-সম্পদসহ সামগ্রিক ব্যবস্থার ওপরে যে চরম দুর্দশা নেমে এসেছে তাতেও সব যুদ্ধ শেষ হয়ে যায়নি। এমনকি মানুষ যে বাস্তুচ্যুত হচ্ছে বা হয়েছে তাতেও ক্ষ্যান্ত দেয়নি। বরং জম্ন নিয়েছে আল-কায়েদা, আইএসের মতো ভয়ঙ্কর সংগঠনের। পরিস্থিতি দিনে দিনে ভয়ঙ্কর হচ্ছে। কারণ চেহারাবিহীন, ছায়াবিহীন, অদৃশ্য সন্ত্রাস ও উগ্রপন্থা অনেক বেশি ভয়াবহ।

এ কথা মনে রাখতে হবে যে, বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় আল-কায়েদা বা আইএস কোনোক্রমেই কোনো আদর্শ নয়। বরং এটি হচ্ছে একটি নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার নাম। তারা এখন যুদ্ধ করছে, দখল করছে, মানুষের জীবনহরণ করছে এবং অর্থ লেনদেনের সামগ্রিক ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। যুদ্ধের লাভজনক একটি পক্ষও তারা। যুদ্ধকে তারা আদর্শ বলে প্রচার করতে চাইছে। কিন্তু যুদ্ধ বা ছায়াবিহীন আক্রমণ কোনো আদর্শ হতে পারে না। তারা তাদের নেতিবাচক আদর্শকে ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছে বিশ্বব্যাপী। ‘চরমপন্থা এবং জঙ্গিবাদ’ এখন এককেন্দ্রিক বিশ্ব ব্যবস্থার বিপরীতে দাঁড়িয়ে আরেকটি নতুন অবস্থার সৃষ্টি করেছে, যা সমগ্র বিশ্বকে করে তুলেছে আতঙ্কগ্রস্ত এবং বিপদাপন্ন। নতুন যে ব্যবস্থার সৃষ্টি হয়েছে তার নাম হচ্ছে আতঙ্ক এবং জীবনবিনাশী কর্মকাণ্ড। আর এর সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। আর এ থেকে মুক্ত নয় পশ্চিম থেকে পূর্ব, উত্তর থেকে দক্ষিণ কেউই। একযোগে সব মানুষ, সব দেশের এমন আতঙ্কের পরিবেশ বিশ্ব কখনোই আগে দেখেনি। এমনকি দুটো বিশ্বযুদ্ধের সময়েও নয়।

কিন্তু যুদ্ধ বা আক্রমণ কোনো সমাধান নয়। এই স্বতঃসিদ্ধ বাক্যটি এখন অকার্যকর। যুদ্ধ আরও যুদ্ধের জম্ন দেয়, সংঘাত সৃষ্টি করে সংঘাতের। এটাই হচ্ছে সাধারণ মানুষের নিয়তি। প্যারিসের ঘটনা তারই প্রমাণ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সময়ে প্যারিসে এমন বর্বরতম হামলার ঘটনা এই প্রথম। তবে এর মধ্যে গুণগত পার্থক্য আছে। কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে হামলা ছিল রাষ্ট্রীয় বাহিনীর। আর এবারের হামলা হচ্ছে ওই চেহারাবিহীন, ছায়াহীন, অদৃশ্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ফলে। আইএস এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। ফ্রান্স সরকারও ধরে নিয়েছে এটি আইএসের কর্মকাণ্ড। এখানে বলা প্রয়োজন যে, এর ফলে যুদ্ধাক্রান্ত দেশগুলো থেকে যাওয়া সাধারণ মানুষ যারা শরণার্থী হয়েছে, তারাই ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে নিদারুণ আশ্রয় সংকটের মধ্যে পড়বেন।


বাংলাদেশেও গেল কিছু দিন ধরে জঙ্গি তৎপরতা লক্ষণীয়। আগের বছরগুলোতে এই তৎপরতা স্থানীয় পর্যায়ের বলে ধরে নেওয়া যায়। তবে ২০১৫-তে এসে আমরা প্রথম আল-কায়েদা ভারতীয় শাখা এবং এর কিছু দিন পরে আইএসের উপস্থিতির কথা জানতে পারছি। তবে বাংলাদেশ সরকার আইএস ও আল-কায়েদা ভারতীয় শাখার উপস্থিতি নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বারবার বলছেন, এই প্রচারণা আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। ফ্রান্সের সঙ্গে আমাদের বিশাল অর্থনৈতিক দূরত্ব রয়েছে। তবে ফ্রান্স সরকারের সঙ্গে আমাদের সরকারের বেশ কিছু পার্থক্যও রয়েছে। ফ্রান্স সরকার এই হামলার সঙ্গে সঙ্গেই ওই দেশের ক্ষমতাসীনদের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দলকে কোনো তদন্তের আগেই তারা জড়িত ছিল এমন কথা বলেনি। এমন মহাবিপর্যয়ের মধ্যেও তারা এটিকে রাজনৈতিক স্বার্থে কখনোই ব্যবহার করবে না, এমন চিন্তাও তাদের মাথায় নেই। ফরাসি দেশে কোনো জজ মিয়াও নেই। সেখানে বিরোধী নেতা-নেত্রীর ওপরে গ্রেনেড হামলাও হয় না আবার তাদের সভা-সমাবেশ করতে বাধা দেওয়া, গ্রেফতার করা কিংবা অফিসবন্দী করে রাখার কোনো নজিরও নেই। হামলাসহ কোনো প্রশ্নেই দেশকে রাজনৈতিক বিভাজনে বিভক্ত করার মতো কোনো কর্মকাণ্ড, এমনকি বক্তব্য পর্যন্ত দেওয়া হয় না। জঙ্গি হামলায় এত মানুষের হতাহতের ঘটনার পরও এর কোনোটাই দেখা যায়নি। তারা তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সব সময়ই স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়। সবচেয়ে বড় কথা, যে সময় যা বেশি প্রয়োজন অর্থাৎ রাজনৈতিক ঐক্য এবং জনগণসহ পক্ষাপক্ষ নির্বিশেষে পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রত্যয় ও উদ্যোগ, তা তারা নিয়েছেন। কিন্তু আমাদের দেশে ওই সংস্কৃতিটি নেই। ওই দেশে ‘না বলার রাজনৈতিক সংস্কৃতি’ বা ‘পলিটিক্স অফ ডিনায়েল’ও নেই। কারণ ফ্রান্সে পুরো মাত্রায় গণতন্ত্র বিদ্যমান রয়েছে। সরকারও যেমন গণতন্ত্র চর্চা করে, সাধারণ মানুষকেও গণতন্ত্র চর্চায় কোনোভাবেই বাধাবিঘœ সৃষ্টি করতে দেওয়া হয় না।

ফ্রান্সের মতো উন্নত দেশ যেখানে কোন মাত্রায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিদ্যমান তা সহজেই অনুমান করা যায়। সে দেশটিতেই যখন এমন ঘটনা আইএস ঘটাতে পারে, তখন আমাদের দেশের নিরাপত্তাসহ সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা করা জরুরি। আর এর জন্য প্রয়োজন সামগ্রিকভাবে দলমত সব পক্ষের ঐক্য। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হচ্ছে, আমাদের দেশে তা নিদারুণভাবে অনুপস্থিত। আর এই অনুপস্থিতি ক্ষমতাসীনদেরই সৃষ্ট এবং তা করা হয়েছে ক্ষমতার স্বার্থেই। এই অনুপস্থিতি পূরণের প্রধানতম দায়িত্ব সরকারের। উন্নত দেশের কথা বাদই দেওয়া যাক, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও জাতীয় বিপর্যয় ও দুর্যোগের সময়ে ক্ষমতাসীনদের উদ্যোগে শুধুমাত্র প্রধান বিরোধী দলকেই নয়, অপরাপর দলকে নিয়ে শলাপরামর্শ করা হয়Ñ কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যাবে তার জন্য। জঙ্গিবাদের বিপদটি আমাদের সামনে হাজির হয়েছে, তা সমাধানে এ কারণেই সংলাপের কথা বলা হচ্ছে। সংলাপের পক্ষে জোরালো যুক্তি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনিয়র গবেষক এবং বাংলাদেশ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ লিসা কার্টিজ প্রভাবশালী ফরেন পলিসি ম্যাগাজিনে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে লিখিত একটি নিবন্ধে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও তা চায়। দেশের মানুষের মনোভাবও তাই। বিএনপি ইতিমধ্যে এমন প্রস্তাব দিয়েছে। তবে তাদের এ প্রস্তাবের মধ্যে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে কি নেই তা স্পষ্ট নয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এসব প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। এই না বলার সংস্কৃতি থেকে বের হতে না পারলে জঙ্গিবাদ দমন বা প্রতিরোধ সম্ভব নয় এটা নিশ্চিত।  কারণ রাজনৈতিক মতপার্থক্য বিদ্যমান থাকা ও গণতন্ত্রহীনতার পরিবেশকেই জঙ্গি শক্তিগুলো নিজেদের জন্য অতিমাত্রায় সহায়ক পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচনা করে।

কাজেই এ কথাটি সহজেই বলা যায়, না বলার রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বের হতে না পারলে জঙ্গিবাদ সহায়ক পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে এবং বিপদটি আরও বাড়বে।

লেখক : সম্পাদক, আমাদের বুধবারডটকম

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়