শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৩৫, রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৫

দুর্বোধ্য রাজনৈতিক সমীকরণ

হায়দার আকবর খান রনো
অনলাইন ভার্সন
দুর্বোধ্য রাজনৈতিক সমীকরণ

ইসলামী স্টেট নামক বীভৎস ইসলামী মৌলবাদী ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসী সংগঠনটি সম্প্রতি প্যারিসে যে নারকীয় হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ না থাকলেও বাংলাদেশে সম্প্রতি সংঘটিত কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের এক ধরনের যোগসূত্র অবশ্যই আছে। দুজন ইতালি নাগরিক (তার মধ্যে একজন ছিলেন মানবদরদী চিকিৎসক) ও একজন জাপানি নাগরিকের হত্যা, শিয়াদের তাজিয়া মিছিলে বোমা হামলা ও হত্যা, পরপর পাঁচজন মুক্তমনা লেখক, ব্লগার ও প্রকাশককে চাপাতির আঘাত দ্বারা হত্যা, ঈশ্বরদীতে খ্রিস্টান যাজককে গলা কেটে হত্যাপ্রচেষ্টা- এগুলো কোনোটিই কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।  এমনকি দূর ইউরোপে প্যারিসের হত্যাকাণ্ড আর বাংলাদেশের এসব ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড একই সূত্রে বাঁধা। পবিত্র ইসলাম ধর্মের নামে এই যে ইসলামবিরোধী ঘৃণ্য তৎপরতা চলছে তা সে আইএস হোক, আল নুসারা হোক অথবা আনসারুল্লাহ বাংলা টিমই হোক- সবাই একই ধরনের ভাবাদর্শের দ্বারা সংযুক্ত। কোনোটাই বিচ্ছিন্ন নয়। অথচ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বারবার এগুলোকে বিচ্ছিন্ন বলে বিবৃতি দিয়ে বস্তুত এসব হত্যাকাণ্ড বা হত্যাপ্রচেষ্টার ঘটনাগুলোর তাৎপর্যকে লঘু করে দেখছেন এবং দেখাচ্ছেন।

আর ঠিক সেই কারণেই এই ঘাতকদের ধরা হচ্ছে না, বিচার শুরু তো আরও দূরের কথা। সেজন্য অধ্যাপক ও লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্পষ্টতই বলেছেন, ‘মুক্তমনা লেখক, প্রকাশক ও ব্লগার হত্যাকারীদের ধরতে সরকার আন্তরিক নয়।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে খুনের ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্ন বলেছেন, সে প্রসঙ্গে লেখক-অধ্যাপক জাফর ইকবালের মন্তব্য ছিল- ‘হয় আমি বিচ্ছিন্নতার মানে বুঝি না অথবা উনি বিচ্ছিন্নতার মানে বোঝেন না।’ (বাংলাদেশ প্রতিদিন ৫ নভেম্বর ২০১৫)। তারপর ড. জাফর ইকবাল যে প্রশ্নটি উত্থাপন করেছেন সেটা আমারও প্রশ্ন, আমাদের অনেকেরই প্রশ্ন, ‘কিন্তু যে বিষয়টা আমরা বুঝতে পারি না, তা হলো আমাদের সরকার এত নির্লিপ্ত কেন?’

এর কদিন পর লেখক ও বিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল যে প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেছেন তা সত্যিই বড় ভাবনার বিষয়। আরও স্পষ্ট করে বললে দুর্ভাবনার বিষয়। তিনি বলেছেন, ‘(তরুণ সমাজ) বুঝে গেছে এ সরকার ব্লগার-লেখক-প্রকাশক হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে মোটেও আন্তরিক নয়। শুনে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে, অনেকে বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন, সরকার কোনো এক ধরনের দুর্বোধ্য রাজনৈতিক সমীকরণ সমাধান করার জন্য নিজেরাই এ ঘটনাগুলো ঘটিয়ে যাচ্ছে কিংবা ঘটতে দিচ্ছে।’ (বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৬ নভেম্বর ২০১৫)।

প্রায় একই ধরনের সন্দেহ প্রকাশ করেছেন গণজাগরণ মঞ্চের প্রধান ডা. এমরান এইচ সরকারসহ অনেকেই। শর্ষের মধ্যেই কি ভূত লুকিয়ে আছে? প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও দর্শনের অধ্যাপক হাসান আজিজুল হকও বলেছেন, (বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৫ নভেম্বর ২০১৫) ‘কম্পিউটার টেকনোলজি, টেলিফোন ইত্যাদির যুগে টানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে যাওয়া একজনও কেন ধরা পড়ে না, তা কারও বোধগম্য নয়।’

আমি সন্দেহবাতিক নই। আমি বিশ্বাস করতে চাই যে, সরকারের সদিচ্ছার অভাব নেই। কিন্তু মুশকিলটা হয় তখনই যখন সরকার প্রকৃত আসামি ধরার চেয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার সুযোগ খোঁজে। এ ক্ষেত্রে জামায়াত বা ধর্মীয় মৌলবাদী সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর চেয়ে সরকারের কাছে অধিকতর শত্র“ হলো প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি। সে জন্য এ ধরনের কোনো দুর্ঘটনা বা খুন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সরকারের মন্ত্রিবর্গ, নেতৃবৃন্দ এমনকি পুলিশ কর্মকর্তা (যারা এখন রাজনীতিকের ভূমিকা নিচ্ছেন) কোনো তদন্ত না করেই দোষ চাপিয়ে দেন প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর। ফলে প্রকৃত তদন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেমনটা হয়েছিল বিগত বিএনপি আমলে। জজ মিয়ার মতো ভুয়া আসামি তৈরি হয়। এ প্রসঙ্গে গত ৫ নভেম্বরের বাংলাদেশ প্রতিদিনের পাতায় কয়েকজন বিশিষ্ট লেখক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের মন্তব্য ছাপা হয়েছে। সেখান থেকে কিছু উদ্ধৃত করা যাক। অধ্যাপক হাসান আজিজুল হক বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে (দুই বিদেশি হত্যা) রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি হচ্ছে। বড় দলগুলো এ নিয়ে পারিবারিক ঝগড়ার মতো করছে। এটা কে করছে তার হদিস না করে পরস্পরকে দোষারোপ করছে। ব্লেম গেম করছে। এতে প্রকৃত অপরাধী আড়াল হয়ে যায়।

বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক অনুপম সেনও ব্লেম গেমের অভিযোগ এনেছেন। তিনিও বলেছেন, ‘ব্লেম গেমে অপরাধীরা আড়ালে যাচ্ছে।... অবিলম্বে দোষারোপের রাজনীতি বন্ধ করে আসল অপরাধীদের খুঁজে শাস্তি দিতে হবে।’ বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলামও একই অভিযোগ করেছেন- ‘রাজনৈতিক দলের পরস্পরনির্ভর অনুমানভিত্তিক দোষাদোষীতে ক্রমাগত হতাশা বাড়ছে।... দেশের প্রধান দুটি দল মনে করে দোষারোপের সংস্কৃতি দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করা যাবে। কিন্তু তারা বোঝে না, এতে মানুষ আরও বিরক্ত হয়।’

আওয়ামী লীগ কোনো আদর্শভিত্তিক দল নয়। একদা কিছুটা জাতীয়তাবাদী উম্মাদনা দলের তরুণদের মধ্যে ছিল। এখন সেসবের সামান্যতম অবশিষ্ট নেই। এখন এই দল লুটেরা ধনীদের দল। সম্পদ বৃদ্ধি ও ক্ষমতা দখলই একমাত্র আদর্শ। সেই দলের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি। জামায়াত নয়। এবং জামায়াতের সঙ্গে কোনো সমঝোতা করে বিএনপিকে বিচ্ছিন্ন করা যায় কিনা, সেই প্রচেষ্টাই রয়েছে দলের নীতিনির্ধারকদের। এটাকেই সম্ভবত লেখক ও বিজ্ঞানী জাফর ইকবাল দুর্বোধ্য রাজনৈতিক সমীকরণ বলে মনে করেছেন। অন্যদিকে বিএনপির তো আদর্শ বলে কোনো কিছু কোনো দিনই ছিল না। তবু একদা কিছুটা মধ্যপন্থি দল হিসেবে পরিচিতি ছিল। এখন তারা জামায়াতের মিত্রই শুধু নয়, মৌলবাদীদের ভাবাদর্শের কাছেই পুরোপুরি আÍসমর্পণ করেছেন। খালেদা জিয়া যখন গণজাগরণ মঞ্চকে নাস্তিক বলে গাল দেন এবং হেফাজতে ইসলামের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করেন, তখন তার অবস্থান হবে চরম দক্ষিণপন্থি প্রতিক্রিয়াশীল জায়গাতেই।

অন্যদিকে বর্তমান সরকারের অনেক সমালোচনা, সরকারের কর্তৃত্ববাদী আচরণ ও গণতন্ত্রের বিনাশ সত্ত্বে ও এ কথা স্বীকার করতেই হবে যে, বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে যুদ্ধাপরাধীর বিচার হতো না। হয়তো এ কথাও বলা যায় যে, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী না হলে অন্য কারও পক্ষে বিচার সম্পন্ন করা, এমনকি শুরু করা এবং ’৭১-এর অপরাধীদের ফাঁসিতে ঝুলানো সম্ভব হতো কিনা বলা কঠিন।

এই বিচারের ক্ষেত্রেও আমরা অনেক দ্বিধাদ্ব›দ্ব দেখেছি। সরকারের প্রতি সন্দেহ ও অবিশ্বাস থেকেই গণজাগরণ মঞ্চের সৃষ্টি। মনে পড়ে প্রথমে যে তদন্ত সংস্থা গঠিত হয়েছিল, দেখা গেল তার প্রধান ব্যক্তিটিই ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী। হয়তো ইচ্ছাকৃত ত্র“টি ছিল না। কিন্তু এর দ্বারা সরকারের চরম অমনোযোগিতা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় পাওয়া যায়। তবু শেষ পর্যন্ত বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে এবং কয়েকজন অপরাধীর ফাঁসিও কার্যকর হয়েছে।

একদিকে সরকার যেমন যুদ্ধাপরাধীর বিচার অব্যাহত রেখেছে, অপরদিকে ঠিক তার বিপরীতে নানাভাবে মৌলবাদী গোষ্ঠীর ভাবাদর্শের কাছেও আÍসমর্পণ করছে। এ কারণেই ব্লগার-লেখক-প্রকাশক হত্যাকারীদের ধরার ব্যাপারে এত নির্লিপ্ত। এ কারণেই দেখি, গত কয়েক মাসে কয়েক হাজার জামায়াত নেতা ও কর্মীকে আওয়ামী লীগে সসম্মানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই কারণে দেখি যে, আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ওলামা লীগ ব্লগারদের নাস্তিক বলে ঘোষণা দেয়। পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানকেও তারা ইসলামবিরোধী বলে নির্দেশ জারি করে। নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় নিহত হলে পুলিশ প্রধান ঘাতককে ধরার চেষ্টা না করে (ঘাতকরা এখনো ধরা পড়েনি, বিচার প্রক্রিয়া তো অনেক দূর) লেখকদের নসিহত দিচ্ছেন, এমন কিছু না লিখতে, যাতে ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে। এমন বক্তব্য কার্যত ঘাতকদেরই উৎসাহিত করে। মৌলবাদী ভাবাদর্শের কাছে শাসক গোষ্ঠীর আÍসমর্পণের আরও অনেক দৃষ্টান্ত দেওয়া যেতে পারে।

তাহলে রাজনৈতিক সমীকরণ কী ছিল বা আছে? সম্ভবত এমন হতে পারে, জামায়াত নেতাদের ফাঁসি দিলেও জামায়াতের অন্য নেতা ও কর্মীদের সঙ্গে সমঝোতায় আসা যেতে পারে। তারা বিএনপিকে পরিত্যাগ করলে শাসকদলের প্রধান প্রতিপক্ষ বন্ধুহীন ও দুর্বল হয়ে পড়বে। সম্ভবত এটাই হচ্ছে মুহম্মদ জাফর ইকবালের ভাষায় দুর্বোধ্য রাজনৈতিক সমীকরণ। এই সমীকরণ এতটাই দুর্বোধ্য যে তার সমাধান তদাধিক কঠিন।

এ রকম দুর্বোধ্য রাজনৈতিক সমীকরণ আমরা আন্তর্জাতিক পর‌্যায়েও দেখব। মার্কিন প্রশাসনসহ পশ্চিমা শক্তিগুলো তেলসমৃদ্ধ মুসলিম অধ্যুষিত মধ্যপ্রাচ্য দখল করার জন্য ইসলাম বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে, আবার অন্যদিকে তারাই তৈরি করেছে আইএস। একদা কমিউনিজমের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তারা তৈরি করেছিল আল-কায়েদা ও তালেবান। এখন সিরিয়ায় আসাদ সরকারের পতন ঘটানোর জন্য তারাই তৈরি করেছিল আইএস আজ থেকে আড়াই বছর আগে। তাদের অস্ত্র সরবরাহ করেছিল মার্কিনের বশংবদ সৌদি রাজতন্ত্র। আইএস সহযোগিতা পেয়ে আসছে মার্কিনের মিত্র রাষ্ট্র তুরস্কের কাছ থেকে। সে জন্য আইএস কখনো ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য দেয়নি, কোনো অবস্থান নেয়নি। কিন্তু মার্কিন প্রশাসন এখন বুঝতে পারছে তারা কী ধরনের ফ্রাঙ্কেনস্টাইন সৃষ্টি করেছে। অন্যদিকে বিকৃত মস্তিষ্ক উগ্র মৌলবাদী হিংস্র সন্ত্রাসী আইএস প্যারিসে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে যা করতে পেরেছে তা হলো- ইউরোপ ও আমেরিকায় মুসলিম জনগোষ্ঠীকে চরম বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে। শ্বেতাঙ্গ ইউরোপে চরম দক্ষিণপন্থিদের উত্থান ঘটেছে, যারা মুসলমান বিতাড়নের জন্য তৎপর হয়েছে। এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়ার অনেক কিছু আছে। আমাদের জন্যও শিক্ষাটা গুরুত্বপূর্ণ। বিষাক্ত সাপ নিয়ে খেলতে গেলে, সেই সাপের ছোবলে মৃত্যুর আশঙ্কা থেকেই যায়।  সরকার যদি সাময়িক স্বার্থে এমন কোনো রাজনৈতিক সমীকরণে আসে অর্থাৎ জামায়াত বা ওই ধরনের ভাবাদর্শের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় আসতে চায়, তবে তার পরিণতি সরকারের জন্যও ভালো হবে না। দেশের জন্য তো নয়ই।

                লেখক : রাজনীতিক।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়