শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৫০, সোমবার, ০৪ জানুয়ারি, ২০১৬ আপডেট:

সভ্যতার সংকট ও প্রগতির পথ

আবুল কাসেম ফজলুল হক
অনলাইন ভার্সন
সভ্যতার সংকট ও প্রগতির পথ

অত্যুন্নত নতুন প্রযুক্তির বিস্তার ও সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পর বিশ্বব্যবস্থা যে রূপ নিয়েছে তা নিয়ে পৃথিবীর সব রাষ্ট্রে কায়েমি-স্বার্থবাদীরা অত্যন্ত আশাবাদী। কায়েমি-স্বার্থবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা ও বিশ্বব্যবস্থা নিয়ে দুনিয়াব্যাপী বিভিন্ন রাষ্ট্রের শাসকবর্গের মধ্যে মতের ঐক্য আছে। কথিত উদার গণতন্ত্র, বহুত্ববাদ, মুক্তবাজার অর্থনীতি, অবাধ-প্রতিযোগিতাবাদ ইত্যাদি নিয়ে তাদের মধ্যে প্রখর কোনো মতপার্থক্য নেই। তবে বৃহত্ শক্তিবর্গের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও স্বার্থগত বিরোধ আছে। প্রচারমাধ্যমে পরস্পর-প্রতিদ্বন্দ্বী কয়েকটি কেন্দ্র বেশ স্পষ্ট। যেমন— ওয়াশিংটন, মস্কো, বেইজিং, দিল্লি, তেহরান ও পিয়ংইংয়ের কথাও উল্লেখ করা যায়। বলাই বাহুল্য, সবার শক্তি সমান নয়।

রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপ ও প্রকৃতিতেও বৈচিত্র্য আছে। রাশিয়া, চীন, ভারত, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, পূর্ব ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার কয়েকটি রাষ্ট্র, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থার দিক দিয়ে দৃষ্টিগোচর স্বাতন্ত্র্যের অধিকারী। তা সত্ত্বেও ক্ষমতাকেন্দ্রের দিক দিয়ে পৃথিবীকে বহুকেন্দ্রিক বলা যায় না। অবশ্য সম্প্রতি ওয়াশিংটন ও মস্কোকে প্রতিদ্বন্দ্বী কেন্দ্র মনে হচ্ছে। তবে মস্কো মানবজাতির জন্য কোনো আদর্শ বা কর্মসূচি অবলম্বন করছে না। মস্কো, বেইজিং, দিল্লি কোনোটা কোনোটার প্রতি আনুগত্যশীল কিংবা শ্রদ্ধাশীল নয়। তাদের মধ্যে পারস্পরিক প্রতিযোগিতা আছে। কানাডা, লন্ডন, সিডনি ও টোকিওকে দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্ধ অনুসারী। ন্যাটোতে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃত্ব আছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের অনুসারী ও অনুগত।

যুক্তরাষ্ট্র মুক্তবাজার অর্থনীতি, উদার গণতন্ত্র, বহুত্ববাদ, অবাধ-প্রতিযোগিতাবাদ ও বিশ্বায়ন অবলম্বন করে চলছে। বলা যায়, এসব নিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের আদর্শ। সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলোপের ঠিক পরে প্রকাশিত ফুকুয়ামার The End of History, হান্টিংটনের The Clash of civilizations, ড. ইউনূসের সামাজিক ব্যবসাবিষয়ক দু-তিনটি গ্রন্থ ইত্যাদিতেও মানবজাতির ভবিষ্যত্ নিয়ে বিধৃত আছে ওয়াশিংটনের কর্মনীতি ও আদর্শ। মস্কো, বেইজিং, দিল্লি, তেহরান কারোরই বহুব্যাপ্ত ও সুদূরপ্রসারী কোনো কর্মনীতি ও আদর্শ নেই। দিল্লি ওয়াশিংটনের বলয়ের মধ্যে অবস্থান নিয়েছে। দিল্লির তুলনায় মস্কো ও বেইজিংয়ের স্বাধীন আত্মবিকাশের ও বড় হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। দিল্লি যুক্তরাষ্ট্রের বলয়ে গিয়ে স্বাধীন আত্মবিকাশের সুযোগ হারিয়েছে।

সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পর যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র প্রতিপত্তির মধ্যে ঘটে চলছে যুদ্ধের পর যুদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্রই সর্বত্র আগ্রাসী যুদ্ধের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী। বসনিয়া, হার্জেগোবিনা, সার্বিয়ায় গেছে যুদ্ধ, যুদ্ধ গেছে আফগানিস্তানে, ইরাকে লিবিয়ায়, যুদ্ধ চলছে সিরিয়ায়। সামরিক আক্রমণের আতঙ্কে আছে মধ্যপ্রাচ্যের সব রাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগী শক্তিগুলো মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রগুলোতে যে আগ্রাসী নীতি নিয়ে যুদ্ধ, হত্যাযজ্ঞ ও লুটতরাজ চালাচ্ছে তারই প্রতিক্রিয়ায় দেখা দিয়েছে জঙ্গিবাদী শক্তি। জঙ্গিবাদীরা যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য-ন্যাটোর শোষণ-পীড়ন ও আগ্রাসী যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় সশস্ত্র কর্মকাণ্ডের দ্বারা এশিয়া, আফ্রিকা, আমেরিকা ও ইউরোপের অনেক রাষ্ট্রকে, রাষ্ট্রের নাগরিককে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত বিশ্বায়নের কর্মনীতি ও কার্যক্রম কায়েমি-স্বার্থবাদী গণবিরোধী-সভ্যতাবিরোধী। এ তো গেল কায়েমি-স্বার্থবাদীদের দিক, উদারতাবাদীদের দিক, সাম্রাজ্যবাদীদের দিক, বিশ্বায়নবাদীদের দিক। জনগণের দিক থেকেও পরিবর্তিত বাস্তবতার দৃশ্যাবলিকে দেখা যেতে পারে।

বিজ্ঞান প্রযুক্তির ও শ্রমিক-কৃষকদের শ্রমের কল্যাণে উত্পাদন ও সম্পদের দিক দিয়ে মানবজাতি আজ এমন এক অবস্থায় উত্তীর্ণ হয়েছে যে, সামাজিক ন্যায় বাড়ালে, রাষ্ট্রব্যবস্থা ও বিশ্বব্যবস্থাকে পুনর্গঠিত ও উন্নত করলে পৃথিবীর সব দেশের সব মানুষই খেয়ে-পরে সম্মানজনক জীবনযাপন করতে পারবে। উত্পাদন বাড়ছে, সম্পদ বাড়ছে, আরও বেশি উত্পাদন ও সম্পদ সম্ভব। মাথাপিছু গড় আয়, মোট জাতীয় আয় ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। সব রাষ্ট্রেই উচ্চশ্রেণির ও উচ্চ-মধ্যশ্রেণির লোকদের  প্রাচুর্য ও ভোগবিলাস বাড়ছে। তারা চলছে ভোগবাদী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে। গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও আন্তর্জাতিকতাবাদকে বিভ্রান্তিকর ও  প্রতারণামূলক রূপ দেওয়া হয়েছে। গণতন্ত্রকে উদার গণতন্ত্র নাম দিয়ে নির্বাচনতন্ত্রে পর্যবসিত করা হয়েছে। বাংলাদেশে নির্বাচন ও উদার গণতন্ত্রকে আমরা জীবন দিয়ে প্রত্যক্ষ করছি। ধনী-গরিবের বৈষম্য বাড়ছে, অসাম্য বাড়ছে, অন্যায়-অবিচার ও জুলুম-জবরদস্তি বাড়ছে, মানুষ মানবিক গুণাবলি হারিয়ে চলছে। প্রাচুর্যময় পৃথিবীতে শতকরা ৯০ ভাগ মানুষের নিরাপত্তাহীনতা ও অশান্তি বেড়ে চলছে। মানুষ কষ্টে আছে— খুব কষ্টে আছে। একদিকে চরম ভোগবাদ, অপরদিকে বঞ্চনা। চলমান ধারায় মানবীয় দুর্দশা কমার ও উন্নতির সম্ভাবনা দেখা যায় না।

পৃথিবীর সর্বত্রই রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সমাজব্যবস্থা শিথিল। মানব পরিস্থিতি কষ্টকর-দুঃসহ। জীবনানন্দের সেই বিখ্যাত কবিতা, ‘অদ্ভুত আঁধার এক’— আগের চেয়ে অনেক বেশি সত্য হয়ে সামনে আসছে :

‘অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ,

যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দেখে তারা;

যাদের হূদয়ে কোনো প্রেম নেই— প্রীতি নেই

—করুণার আলোড়ন নেই

পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া।

যাদের গভীর আস্থা আছে আজও মানুষের প্রতি

এখনও যাদের কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হয়

মহত্ সত্য বা রীতি, কিংবা শিল্প অথবা সাধনা,

শকুন ও শেয়ালের খাদ্য আজ তাদের হূদয়।’

কবি আল মাহমুদের একটি কবিতাও এখন অনেকের মুখে খুব শোনা যায় :

এ কেমন অন্ধকার, বঙ্গদেশ উত্থান রহিত

নৈশ্বব্দের মন্ত্রে যেন ডালে আর পাখি বসে না

নদীগুলো দুঃখসময়, নির্পতগ মাটিতে জন্মায়

কেবল ব্যাঙের ছাতা, অন্য কোনো শ্যামলতা নেই।

বুঝি না রবীন্দ্রনাথ কী ভেবে যে বাংলাদেশে ফের

বৃক্ষ হয়ে জন্মাবার অসম্ভব বাসনা রাখতেন।

গাছ নেই নদী নেই অপুষ্পক সময় বইছে

পুনর্জন্ম নেই আর জন্মের বিরুদ্ধে সবাই।

শুনুন রবীন্দ্রনাথ, আপনার সমস্ত কবিতা

আমি যদি পুঁতে রেখে দিনরাত পানি ঢালতে থাকি,

নিশ্চিত বিশ্বাস এই, একটিও উদ্ভিদ হবে না।

আপনার বাংলাদেশ এ-রকম নিষ্ফলা ঠাকুর।

এসব কবিতায় আজকের বাস্তবতার বিস্ময়কর রকম সুন্দর প্রতিফলন আছে। চতুষ্পার্শ্বের এই তো অবস্থা। হাজার পৃষ্ঠা লিখে যা বর্ণনা করা যায় না, দশ/বারো লাইনের কবিতায় একজন কবি তা বিস্ময়কর রকম সুন্দর করে প্রকাশ করেন! বাংলাদেশে আজ সে রকম কবিতা কোথায়? একটা ভালো গান কেউ লিখেছেন গত পঁয়ত্রিশ বছরে? কত গল্প, উপন্যাস। চারদিকে জোয়ার আছে বিনোদনমূলক সাহিত্যের, ব্যবসায়িক সাহিত্যের, জনপ্রিয় সাহিত্যের। প্রগতিমূলক সাহিত্য কোথায়?

মহত্ সাহিত্য ছাড়া নোংরা রাজনীতি নিয়ে জাতি উঠতে পারবে? সত্যের সন্ধানে আলোচনা-সমালোচনা কোথায়? কেবল প্রতিপক্ষকে পরাজিত করে কর্তৃত্ব দখল ও অর্থ-সম্পদ অর্জনের লক্ষ্যে যে বিতর্ক ঝগড়া-ফ্যাসাদ, হিংসা-প্রতিহিংসা, জুলুম-জবরদস্তি, তা দিয়ে তো কস্মিনকালেও যথার্থ কল্যাণকর কিছু হয় না। মানবিক গুণাবলির কেবল পতন ঘটতে থাকলে মানুষ জন্তু-জানোয়ারের পর‌্যায়ে নেমে চললে ক্ষমতাধর দম্ভ আর সম্পদের পাহাড়-পর্বত দিয়ে কী হবে।

পৃথিবীর সর্বত্র দেখা যাচ্ছে কেবল অপশক্তির ক্ষমতায়ন এবং শুভশক্তির পরাজয়, ক্ষমতাচ্যুতি, অপসৃতি, দুর্গতি। বৈষয়িক প্রাচুর্যের মধ্যে নিদারুণ মানসিক রিক্ততা। এই তো সভ্যতার সংকট। রাজনীতিতে ধর্মের নামে চলছে অধর্ম, গণতন্ত্রের নামে চলছে গণপ্রতারণা, সমাজতন্ত্রের নামে যা কিছু চালানো হচ্ছে তাতে আছে অবাস্তব সব চিন্তা, নির্বুদ্ধিতা, ভণ্ডামি, প্রতারণা। জাতীয়তাবাদের ঘোষণা দিতে দিতে রাজনৈতিক নেতারা চলে যান বৃহত্ শক্তিবর্গের স্থানীয় দূতাবাসগুলোতে। প্রগতিপ্রয়াসী কোনো লেখক-সংগঠন বাংলাদেশে নেই। প্রগতিশীল কোনো লেখক কি বাংলাদেশে আছেন।

যদি রাষ্ট্রব্যবস্থা ও বিশ্বব্যবস্থাকে সর্বজনীন কল্যাণে উন্নতিশীল রাখা হতো, তাহলে তথ্যপ্রযুক্তি ও জীবপ্রযুক্তির বিপ্লবের এই কালে পৃথিবীর সর্বত্র সব রাষ্ট্রে মানুষ খেয়ে-পরে সম্মানজনক জীবনের অধিকারী হতে পারত। যে সম্ভাবনা মানবজাতির সামনে আছে তার বাস্তবায়নের জন্য দরকার প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থা ও বিশ্বব্যবস্থার আমূল সংস্কার। আইন-কানুন, বিধি-ব্যবস্থা, অর্থনীতি-রাজনীতি ইত্যাদি সব কিছুর আমূল সংস্কার অপরিহার্য। এসবের পূর্বশর্ত হিসেবে প্রথমে দরকার নৈতিক জাগরণী ও সঙ্ঘশক্তি। জনগণের সঙ্ঘশক্তি না থাকলে, রাজনৈতিক দল না থাকলে কিছুই করা যাবে না। গণবিরোধী, সুবিধাবাদী দল ও নেতৃত্ব দিয়ে জনগণের কোনো সুফল হবে না। তথ্যপ্রযুক্তি ও জীবপ্রযুক্তির বিপ্লব আর সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলোপের পর যে অবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে তাতে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, আন্তর্জাতিকতাবাদ ইত্যাদি সব আদর্শকে বিভ্রান্তিকর রূপে দেখা যাচ্ছে। অনেক কিছুই সেকেলে হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় অতীতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন কালের নতুন সম্ভাবনাকে বাস্তবায়িত করার জন্য সর্বজনীন গণতন্ত্র  এবং জাতীয়তাবাদ ও তার সম্পূরক আন্তর্জাতিকতাবাদের ধারণাকে নতুনভাবে উদ্ভাবন করে পৃথিবীর সর্বত্র রাষ্ট্রব্যবস্থা ও বিশ্বব্যবস্থাকে পুনর্গঠিত করতে হবে। প্রত্যেক জাতির এবং গোটা মানবজাতির সামনে বিরাট-বিপুল সম্ভাবনা আছে। অভাব আগ্রহের, অভাব নৈতিক শক্তির, অভাব আত্মবিশ্বাসের, অভাব পরিকল্পনা ও কর্মসূচির, অভাব সঙ্ঘশক্তির রাজনৈতিক দলের। সব কিছু অপশক্তির দখলে আছে। অভাব নতুন রেনেসাঁদের। অভাব গণজাগরণের। গণজাগরণ আর হুজুগ এক নয়। গণজাগরণের মধ্যে জনগণের মধ্যকার মহত্ সব মানবীয় গুণাবলির জাগরণ ঘটে। হুজুগ সৃষ্টি করে হীন-স্বার্থান্বেষী লোকেরা। হীন উদ্দেশ্য সফল করে নেওয়ার জন্য তারা প্রচার-প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে জনসাধারণকে আন্দোলনে মাতায় এবং নিজেদের হীনস্বার্থ হাসিল করে নেয়। ১৯৮০-র দশক থেকে বাংলাদেশে গণআন্দোলনের নামে সৃষ্টি করা হচ্ছে হুজুগ এবং তাতে রাজনীতি সম্পূর্ণ গণবিরোধী চরিত্র লাভ করেছে। এ অবস্থার অবসান ঘটিয়ে উন্নত নতুন অবস্থা সৃষ্টি করতে হবে। এর জন্য কাজ করতে হবে। কোনো চিন্তা দিয়ে হবে না, চিন্তা ও কাজ দুটোই লাগবে।

পৃথিবীর সর্বত্রই আজকের সভ্যতার সংকটের উপলব্ধি অগভীর। কায়েমি-স্বার্থবাদী প্রচার মাধ্যম এমনভাবে প্রচার চালায় যে, সাধারণ মানুষ কায়েমি-স্বার্থবাদী শক্তির প্রতি নির্ভরশীল মানসিকতা নিয়ে চলে। জনমনে ধারণা বদ্ধমূল করে দেওয়া হয়েছে যে, অন্যায়-অবিচার মেনে নিয়েই চলতে হবে। কায়েমি-স্বার্থবাদীদের বাইরে এমন কোনো নেতৃত্বের উত্থান জনগণ আশা করতে পারে না, যা সর্বজনীন কল্যাণের জন্য কাজ করবে। এটাই হলো আজকের সভ্যতার সংকটের গভীরতম জায়গা। জনগণের ওপর প্রচারমাধ্যম এখন প্রায় সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। যে সংকট চলছে তা গতানুগতিক রাজনীতি নিয়ে স্বল্প সময়ে কাটিয়ে ওঠা যাবে, এমনটা মনে করা ভুল। দীর্ঘস্থায়ী, দূরদর্শী সাধনা ও সংগ্রাম লাগবে।

দুর্বল রাষ্ট্রগুলোকে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো থেকে উন্নত জ্ঞান-বিজ্ঞান প্রযুক্তি গ্রহণ করতে হবে, পশ্চিমের দার্শনিক-বৈজ্ঞানিক ও শিল্পী-সাহিত্যিকদের মহান সব ভাবধারা আত্মস্থ করতে হবে। এতে তারা শক্তিশালী হওয়ার উপায় বের করতে পারবে। এর কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু তাদের কূটনীতি, গোয়েন্দানীতি, প্রচারনীতি, আধিপত্য ও নির্ভরশীলতা নীতি এবং লগ্নি পুঁজির জালে আটকা পড়লে সর্বনাশ। বাংলাদেশে আমাদের আজ দরকার এমন জ্ঞান, যা জনজীবনের উন্নতিতে কাজে লাগবে— কর্মের অবলম্বন হবে— যা হবে at once a method of enquiry and a mode of action. সাম্রাজ্যবাদীদের চাপিয়ে দেওয়া উন্নয়নতত্ত্ব ও উদার গণতন্ত্রের ধারণা নিয়ে আমাদের স্বাভাবিক উন্নতির ও গণতন্ত্রের সম্ভাবনা নস্যাত্ হয়ে যায়— আমাদের স্বাভাবিক চিন্তা-চেতনা বিকৃত হয়। দরকার পরনির্ভর চিন্তা ও কাজ পরিহার করে কর্মনীতি, রাজনীতি, পরিকল্পনা সব বিষয়ে আমাদের নিজেদের চিন্তা— স্বাধীন চিন্তা।

যে সভ্যতার সংকটে মানবজাতি আজ নিপতিত, তা সৃষ্টি হয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কালে। পরে তা ঘনীভূত ও গভীর হয়েছে। মাঝখানে মার্কসবাদ অবলম্বন করে সংকট নিরসনের চেষ্টা করা হয়েছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পর সে চেষ্টা থেমে গেছে। সে ধারার অগ্রগতি আর সম্ভব নয়।

সর্বজনীন কল্যাণে আজ প্রত্যেক রাষ্ট্রে দরকার জাতি রাষ্ট্রের পুনর্গঠনের জন্য এবং আন্তর্জাতিক ফেডারেল বিশ্বরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে বিশ্বব্যবস্থার পুনর্গঠনের চিন্তা। সর্বজনীন কল্যাণ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল গঠনে পরিপূর্ণ গুরুত্ব দিতে হবে।

     লেখক : শিক্ষাবিদ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা