শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:২২, মঙ্গলবার, ০৫ জানুয়ারি, ২০১৬

কী এমন লিখেছিলাম?

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
কী এমন লিখেছিলাম?

৫ জানুয়ারি আমরা যে কলঙ্কের মালা গলায় পরেছি তা থেকে কবে যে মুক্তি পাব সে শুধু দয়াময় আল্লাহই জানেন। সেদিন গাজীপুরের পথে টঙ্গীতে ব্যানারে দেখলাম, ‘বিশ্ব ইজতেমা সফল হোক— গাজীপুর পুলিশ’। ভালোই লাগল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একটি ইসলামী জলসার সফলতা কামনা করছে— খুশি না হয়ে উপায় কী?

গত সংখ্যায় কী এমন লিখেছিলাম বুঝতে পারছি না। তাড়াহুড়া থাকায় লেখায় তেমন গতি ছিল না। বই ছাপার জন্য যখন আবার চোখ বুলাব, হৃদয় ছোঁয়াব তখন লেখাটি আরও একটু উন্নত হবে। সাত-আট বছর ধরে নিয়মিত লিখি। এমনকি গত বছর চরম উত্তেজনা জ্বালাও-পোড়াওয়ের মাঝেও ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩০৮ দিন ঘরের বাইরে অবস্থানের মাঝে ফুটপাথে, তাঁবুতে বসেও লিখেছি। সে যে কী নিদারুণ কষ্ট, লিখে বোঝানো যাবে না। সে সময়ও পাঠকদের বঞ্চিত করিনি। যত কষ্ট হোক রাস্তার পাশে ছোট্ট কাঠের টুল নিয়ে পাঠকদের জন্য লেখা তৈরি করেছি। কিন্তু গত মঙ্গলবার ‘মা-বাবা-মামার দেশে টিউলিপকে প্রাণঢালা অভিনন্দন’ তাতে কী এমন লিখেছি? টিউলিপ আমার ভাগিনী, আমি তার মামা। এ তো শাশ্বত সত্য— কারও কোনো সন্দেহ আছে? সে ব্রিটেনে পার্লামেন্ট সদস্য হয়েছে, এ জন্য আমি আনন্দিত, গর্বিত। আমার মনে হয়েছে রাস্তাঘাটের মানুষও বেশ খুশি, তাই লিখেছি। আমি তো এখানে একদিকে আনন্দের বান, অন্যদিকে আসমান ভেঙে পড়ার কিছু দেখি না। এত ফোন, এত চিঠি, এত জনের শুভ কামনা আর কোনো লেখায় পাইনি। রেহানা একবার বলেছিল, ‘কাদের ভাই, দুইটা মা একত্র হলে তবেই মামা হয়। মামা যেনতেন ছোটখাটো কিছু নয়, মামা বড় অমূল্য ধন।’ ব্যাপারটা আমি আমার সমস্ত অন্তর দিয়ে বিশ্বাস করি। আমি যখন সম্পূর্ণ নিঃস্ব-রিক্ত ম্রিয়মাণ, আশপাশে ভরসার তেমন কেউ ছিল না, তখন চাঁদের মতো বোন শাহানার মেয়ে ইয়া আমাদের অন্ধকার ঘর আলো করেছিল। জয়-পুতুল-ববি-টিউলিপ-রূপন্তীও আমার কাছে তেমনি। আমার মন, আমার হৃদয় যদি ওদের কল্যাণে ব্যাকুল হয় কার কী করার আছে? কুশিমণি যে এখন আমার সমস্ত অস্তিত্বজুড়ে বিরাজ করে সেটা ফেরানোর ক্ষমতা কারও আছে, কোনো পথ বা শক্তি আছে? কয়েক বছর আগে এক বিমানযাত্রায় রেহানা ববিকে বলেছিল, ‘যা, দেখ, মামা ভাগ্নে চিনে কিনা?’ আমি আমার বুকের ধন চোখের আলো ভাগিনা ববিকে ঠিকই চিনেছিলাম। আর কদিন পর আমার কলিজার টুকরা, হৃদয়ের স্পন্দন কুঁড়িও পড়তে বিলেত যাবে। আমি নিশ্চয়ই বলব, রেহানাকে গিয়ে বলতে ভাইঝিকে চেনে কিনা। ববি-টিউলিপ-রূপন্তী তার বোনকে চিনতে পারে কিনা। আমি জানি আমার বোন তার ভাইঝি, ভাগিনা-ভাগিনী তাদের বোনকে অবশ্য অবশ্যই চিনতে পারবে।

সেদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া টিউলিপের সংবর্ধনায় আমাকে না দেখে একজন ক্ষমতাবান উচ্চ পর্যায়ের ভদ্রলোক বলছিলেন, ‘গণভবনে আপনাকে দেখলাম না! আপনি যাননি?’ উত্তর দেওয়ার সুযোগ না দিয়েই আবার প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘আপনার উপনির্বাচনের কী হলো? মনে হয় সরকার আপনাকে নির্বাচন করতে দিতে চায় না।’ ভদ্রলোককে তেমন কিছু বলতে পারিনি। এ ধরনের ক্ষমতাবানরা খুব একটা শোনার জন্য বলে না, বলার জন্য বলে, নিজেকে জাহির করার জন্য বলে। আমার জন্য যাদের এখন সুবিধা তারা তাদের চেষ্টা চালাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সামনে রেখে তারা যদি এটাওটা করতে পারে তারা তা করবে। কিন্তু আমি সেটা নিয়ে ভাবতে যাব কেন? আমরা যখন বড় হয়েছি তখন নেতাদের সালাম দিলে তারা সালাম নিতেন। আমাদেরও যারা সালাম দিত, তাদের সালাম আমরা নিতাম। সারা জীবন শত্রু-মিত্র সবার সঙ্গে মানবিক আচরণ করার চেষ্টা করেছি। দয়া-মায়া-ভালোবাসায় আমরা মানবতার শিক্ষা পেয়েছি। আমাদের নেতা বঙ্গবন্ধু তার চরম বিরোধী জনাব শাহ আজিজ, সবুর খান এমনকি ফজলুল কাদের চৌধুরীকেও সম্মান দেখিয়েছেন, তাদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করেছেন। স্বাধীনতার পর জনাব শাহ আজিজুর রহমান যখন জেলে বঙ্গবন্ধুর হুকুমে আমি তার বাড়ি গিয়ে প্রতি মাসে বাড়ি ভাড়াসহ খরচের টাকা দিয়ে এসেছি। অথচ সেই জনাব শাহ আজিজ বীরউত্তম জিয়াউর রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার বিয়ের পাত্রী নাসরিনের পাসপোর্ট সিজ করে বাধার সৃষ্টি করেছিলেন। একেই বলে কৃতজ্ঞতা! খান আবদুস সবুর খানের ছোট্ট এক চিঠিতে বঙ্গবন্ধু তাকে মুক্তি দিয়ে বাড়ি পাঠিয়েছিলেন। ফজলুল কাদের চৌধুরীকে জেলে বাড়ির খাবার দিতে বাধা দেওয়ায় তার ছোট মেয়ে বঙ্গবন্ধুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলে জেলে বাড়ি থেকে খাবার-দাবারের সব বাধা উঠিয়ে নিতে বলেছিলেন। একবার গ্রেফতার করতে জনাব অলি আহাদের ঘরে পুলিশ গেলে বিরক্ত হয়ে পুলিশ কর্তাকে বলেছিলেন, ‘তোমাদের সাধারণ ভদ্রতাও নেই অমন একজন প্রবীণ নেতার শোবার ঘরে যেতে হয়?’ বেল নেই তাই বলে লাভ নেই। ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন এক দিনের জন্যও বঙ্গবন্ধুকে সম্মান করেননি। সব সময় নাহক গালাগাল করেছেন। স্বাধীনতার পরপরই রাজশাহীর কোথাও অস্ত্রসহ ধরা পড়েছিলেন। কারণ তারা এই স্বাধীনতা মানতে চাননি। আমাদের রক্তের স্বাধীনতা তাদের পছন্দ নয়। বঙ্গবন্ধুর হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে তারা আবার নতুন করে দেশকে স্বাধীন করতে চেয়েছিলেন। তাই রক্ষীবাহিনী তাকে গ্রেফতার করে পিঠমোড়া করে বেঁধে এক পুলিশ ট্রেনিং ক্যাম্পের মাঠে ফেলে রেখেছিল। তখন এত ফোন ছিল না। জনাব সরদার আমজাদ হোসেন তখন হুইপ। রাজশাহী থেকে ফোন করেছিলেন, ‘রক্ষীবাহিনী আবদুল মতিনকে ধরে পিঠমোড়া করে মাঠে ফেলে রেখেছে। এখন আমরা কী করব?’ শোনা মাত্র বলেছিলেন, ‘তোরা করেছিস কী? এখনই তাকে রাজশাহী সার্কিট হাউসে নিয়ে যা। গোসল আসল করিয়ে নাস্তা খাইয়ে আমাকে ফোন দে।’ নেতা আমাকে সন্তানের মতো দেখতেন। তাই বসেছিলাম। ৪০-৫০ মিনিটের মধ্যেই ফোন এসেছিল। ফোন ধরে বলেছিলেন, ‘মতিন ভাই চিন্তা করবেন না। কয়েক দিন এ-জেল ও-জেল করুন। তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে।’ হয়েছিলও তাই। কিন্তু তারা কেউ বঙ্গবন্ধুকে সম্মান করেনি। স্বাভাবিক মানবিক মর্যাদাটুকুও দেয়নি। এই যে মাননীয় মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বঙ্গবন্ধুকে কী গালাগালই না করেছেন। এখানে সেখানে তার বক্তৃতা শুনে নিজেকে ধরে রাখতে পারতাম না। কদিন আগে শেরপুর আওয়ামী লীগ নেতা হুইপ আতিউর রহমান তাকে ষড়যন্ত্রকারী বলে খেতাব দিয়েছেন। ধন্যবাদ আতিউর রহমান দেরিতে হলেও তাকে চিনেছেন। আমাদের নেতা ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। মানবতা ভালোবাসা তাদের কাছে শিখেছি। একবার সিরাজ সিকদার গিয়েছিলেন সন্তোষে। ঠিক সেই সময় হুজুরের কাছে আমিও গিয়েছিলাম। তিনি সিরাজ সিকদারকে আমার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। যেই মাত্র তিনি আমার পরিচয় পান একেবারে আঁতকে ওঠেন। হুজুর মওলানা ভাসানী তাকে ধমকে উঠে বলেছিলেন, ‘মেহমানকে কীভাবে আশ্রয় দিতে হয় তা কাদ্রী জানে না? তুমি না বিপ্লবী। তুমি আবার ছটফট কর, থাম?’ আমাকেই দায়িত্ব দিয়েছিলেন সিরাজ সিকদারকে নিরাপদে এগিয়ে দিতে। আমি সে দায়িত্ব পালন করেছিলাম। ঘটনার দুই-তিন মাস পর একদিন বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলাম। তিনি মাথায় হাত দিয়ে বলেছিলেন, ‘তুই ঠিক করেছিস।’ অমন জাতীয় নেতার কাছে শত্রু-মিত্র আবার কী? সব সমান, সন্তানের মতো। তিনি সবাইকে আশ্রয় দেবেন। এতে আবার দোষের কী? বেশি কী বলব? আ স ম আবদুর রব এখনো বেঁচে আছেন। তার যেদিন গুলি লাগে বঙ্গবন্ধু খবর শুনে ভীষণ মর্মাহত হয়েছিলেন। পিজিতে চিকিৎসা চলছিল। আ স ম রবের চিকিৎসায় যাতে কোনো ত্রুটি না হয় এটা বললে তুখোড় আওয়ামী নেতারা বিস্মিত হয়ে এটাওটা বলছিলেন। বঙ্গবন্ধু গর্জে উঠে বলেছিলেন, ‘তোরা রবকে মেরে ফেলতে চাস? ও তো তোদের সঙ্গেই মুক্তিযুদ্ধে ছিল। আমি বেঁচে থাকতেই ওকে মেরে ফেলবি?’ তার পরও বঙ্গবন্ধুকে কত গালাগাল শুনতে হয়েছে, এখনো শুনতে হয়। কত কঠিন সময় আমরা পার করছি। এখন কারও অত বিদ্বেষ দেখি না। তবে হ্যাঁ, ইদানীং কিছু বিশ্রী ফোন, চিঠিপত্র পাচ্ছি। যেমনটা ’৭৫-এর আগে পেতাম। তখন কিছু করার ছিল, বলার ছিল। জনাব তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল হক মণি, আবদুর রাজ্জাক, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ফণি দা— এদের দরজা ছিল আমার জন্য সব সময় খোলা। অনেক কথাই তাদের বলেছি। স্বয়ং বঙ্গবন্ধুকেও কত কথা বলেছি। তখন বঙ্গবন্ধুকে কিছু বলতে কাউকে জিজ্ঞাসা করতে হতো না। তিনি মাথায় হাত দিয়ে পুত্র স্নেহে কতবার বলেছেন, ‘যুদ্ধ করেছিস তাই সব দিকে শত্রু দেখিস। চিন্তা করিস না, আর যাই হোক কেউ আমাকে মারবে না, মারতে পারবে না। পাকিস্তানিরাই পারে নাই, কোনো বাঙালি আমাকে মারবে? তোর চিন্তা আমাকে ভাবিয়ে তোলে।’ কিছু করার মতো তখন বয়স ছিল, শক্তি সামর্থ্যও ছিল। আজ শক্তিও নেই, বয়সও নেই। মঙ্গল অমঙ্গল জানানোর জায়গাও নেই। কিন্তু এমন বিদ্বেষ মানুষের মধ্যে থাকে এটা স্বপ্নেও ভাবতে পারি না। যারা চিঠিপত্র লেখে তারা অধিকাংশই বিরোধী। লেখা এবং ভাষায় মনে হয় বেশিসংখ্যক ধর্মীয় দলের। ইসলামপন্থি ধর্মীয় দলের লোকজনের লেখা অন্যের প্রতি এমন নির্মম হতে পারে ভাবতে পারি না। তারা কেউ কেউ বঙ্গবন্ধুকে যে নামে ডাকেন, আমি এখানে তাদের বয়ান লিখতেও লজ্জাবোধ করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে যে ধরনের জঘন্য ভাষা প্রয়োগ করে ভাবতেও অবাক লাগে। ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত কেউ অমন জঘন্য ভাষা ব্যবহার করতে পারে তা ছিল ধারণার অতীত। অন্যের প্রতি দয়া-মায়া-সম্মান না দেখাতে পারলে সে আবার কীসের মুসলমান? আরব বেদুইনরা না জেনে নিজের সন্তানের খুনিকেও আশ্রয় দিয়ে জানার পর তার কোনো ক্ষতি না করে বরং নিরাপদে পথ দেখিয়ে দেয়। অথচ আমরা নাম গোপন করা চিঠিতে কত কী যে দেখি যা বলার মতো নয়।

এবার অসন্তুষ্টির কথা বলি। বেগম খালেদা জিয়া শহীদদের সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ করেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বঙ্গবন্ধুর অবদান ও ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাই বলেছিলাম, ওসব বলার অর্থ স্বাধীনতাকেই অস্বীকার করা। কতজন ইনিয়ে-বিনিয়ে বলার চেষ্টা করেছেন। দু-চার জন তো লিখেছেনই, ‘এ সময় বেগম জিয়ার ও কথা না ধরলে পারতেন না? তিনি তো ওভাবে বলেননি।’ যা সত্য তা না বলে আমি থাকতে পারি না। তাই যারা বঙ্গবন্ধুকে স্বীকার করে না, আমার দৃষ্টিতে তারা বাংলাদেশকেও স্বীকার করে না। আর বাংলাদেশকে স্বীকার না করে বাংলাদেশে রাজনীতি চলে না— এ সাদা কথাটিই বলেছিলাম। তাতে আসমান ভেঙে পড়ার কী ছিল? গত কয়েক বছর বিএনপি মানুষকে পাত্তা দেয়নি। যেমন আজকাল আওয়ামী লীগ দেয় না। ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিয়ে সবচেয়ে বড় অন্যায় করেছে, আওয়ামী লীগ এটা জনগণের কাছে অনেকটা প্রতিষ্ঠাও করেছে। নির্বাচন বর্জন ’৮৬ সালে বিএনপিই সূচনা করেছিল। ’৮৬-র এরশাদবিরোধী আন্দোলনে যখন নির্বাচনের কথা হয় তখন এমনও হয়েছিল, প্রয়োজনে দুই নেত্রী ১৫০+১৫০ = ৩০০ আসনে দাঁড়াবেন। সে জন্য হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আদেশ জারি করেছিলেন ৫ আসনের বেশিতে কেউ দাঁড়াতে পারবেন না। রাজাকারদের সঙ্গে নিয়ে তিন জোটের এরশাদবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে ’৮৬-তে ভোটে যাওয়ার কথা ছিল। আওয়ামী জোট ভোটে যাচ্ছে বলে বিবৃতি দিয়ে দেয়, আড়াইটা পর্যন্ত বিএনপি জোট ভোটে অংশ নেওয়ার বিবৃতি দেয়নি। পর দিন বিএনপি সরে দাঁড়ায়, আওয়ামী লীগ ভোটে যায়। সে যাত্রায় বিএনপি আওয়ামী লীগকে এরশাদের দালাল বলে জনগণের কাছে তুলে ধরতে সফল হয়। আবার ’৯৬ সালে বিএনপির ডাকা ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন আওয়ামী লীগ বর্জন করে। বিএনপিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মেনে নিতে বাধ্য করে। ১২ জুনের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ২৩ জুন পলাশী দিবসে ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতা গ্রহণ করে। আন্দোলনের মধ্যে পতিত বিএনপি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু তা হয়নি। ১১৬টি আসন নিয়ে বিএনপি বরং সরকার গঠনের কাছাকাছি চলে গিয়েছিল। আওয়ামী লীগ ১৪২, বিএনপি ১১৬, জাতীয় পার্টি ৩৫। বিএনপি ১১৬+জাতীয় পার্টি ৩৫ = ১৫১। তারা কোয়ালিশন সরকার গঠন করতে পারত। জাতীয় পার্টিকে সব কটি মন্ত্রিত্ব দিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করতে চেয়েছিল।

ব্যাপারটা তখন এমন দাঁড়িয়েছিল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ একটু ঝুঁকলেই আবার সেই বিএনপি সমর্থিত সরকার। শোনা যায়, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে ভারতই আওয়ামী লীগের দিকে টেনেছিল। যে কারণে ঐকমত্যের সরকার হয়েছিল। যার ফলে জাতীয় পার্টির আনোয়ার হোসেন মঞ্জু হয়েছিলেন যোগাযোগমন্ত্রী। ’৮৬ সালের নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি জনগণকে পাশে পেয়েছিল। ’৯৬-র ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জন করে আওয়ামী লীগ মানুষকে জাগাতে পেরেছিল। কিন্তু ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন বয়কট করে বিএনপি মানুষের কাছে যেতে পারেনি বা যায়নি। তা না হলে ৩০০ আসনের ১৫৩টি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়, বাকি আসনেও ভোট পড়েছিল ৪-৫ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন নিজেই বলেছে ভোট পড়েছে ৪০ শতাংশ। অর্ধেক আসনে ৪০ শতাংশ ভোট পড়লে পুরো সংসদ ২০ শতাংশ ভোটের ওপর দাঁড়িয়ে— এ সাদা কথাটিও বিএনপি দেশবাসীকে এবং বিশ্ববাসীকে বোঝাতে পারেনি। জাতীয় নির্বাচন বর্জন করার পরপরই কাউকে কিছু না বলে তাড়াহুড়া করে উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়। নিবন্ধিত দল যারা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়নি তাদের তো জিজ্ঞাসা করা হয়ইনি, নিজের জোটের কাউকে কোনো কিছু না বলেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। এরপর ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন। সেখানেও বিরোধী দল বিএনপি লাল কার্ড দেখেছে। সদ্য সমাপ্ত পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি যা পাওয়ার তা-ই পেয়েছে। কেন যেন মনে হয় যা পেয়েছে অনেক বেশিই পেয়েছে। সাদা চোখে যা দেখেছি তাতে বিএনপি মনে করেছিল দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে না, তাহলে বিএনপি ছাড়া কাকে দেবে? সব ভোট ধানের শীষে দেবে তাই তারা প্রচারে নামেনি। মাগনা পেলে কে আবার পরিশ্রম করে? এমপি, মন্ত্রীদের প্রচারে বাধা ছিল। বিএনপি নেত্রী এখন এমপিও নন, মন্ত্রীও নন। আর তা ছাড়া কোনো দলীয় প্রধানের নির্বাচনী প্রচারে কোনো বাধা ছিল না। এক দিনের জন্যও ম্যাডাম বাইরে বেরোননি, প্রচারে যাননি। বরং ভোটের দু-এক দিন আগে শহীদের সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ, স্বাধীনতায় বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা ও অবদান অস্বীকার করেন। এতে আর কিছু না হোক শতকরা ১০টি ভোটও যদি কমে তাহলে তার জন্য কম করে ২৫ জন প্রার্থী হেরেছেন। কারণ ১৪ ভোটে চুনারুঘাটে বিএনপি জিতেছে, ১৩ ভোটে বিএনপি জিতেছে তানোরে। ঠিক তেমনি ১৭৬ ভোটে বিএনপি হেরেছে ভূঞাপুরে, ১১৭ ভোটে বাগেরহাটে, ১৭২ ভোটে ধামরাইয়ে, রায়গঞ্জে ২৫৭ ভোটে, ৮৩ ভোটে শায়েস্তাগঞ্জে, ২৬৭ ভোটে শেরপুরে, ১৫৪ ভোটে জকিগঞ্জে। শতকরা ১০টি ভোট বেশি পেলে এরা সবাই হয়তো জিততেও পারত। নিজের খেয়ে আর কত বনের মোষ তাড়াব? ম্যাডাম তো নির্বাচনী প্রচারে বের হননিই, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব একবার ঢাকা থেকে সড়কপথে সুদূর ঠাকুরগাঁও গিয়ে চ্যানেলের সামনে ভোট প্রার্থনা করেছেন। তিনি গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর পথে পথে ভোট চাইতে চাইতে যেতে পারতেন। নির্বাচনে গুরুত্ব দিলে এমনটা হতো না।

লেখক : রাজনীতিক


বিডি-প্রতিদিন/ ০৫ জানুয়ারি, ২০১৬/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা