শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:৩৭, বুধবার, ০৬ জানুয়ারি, ২০১৬

সবকটি জানালা খুলে দাওনা

আবু হেনা
অনলাইন ভার্সন
সবকটি জানালা খুলে দাওনা

একদিন কচিকাঁচার কেন্দ্রীয় মেলায় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন স্বাধীনতা যুদ্ধের ন’মাসের ঘটনা নিয়ে শিশুদের আঁকা ছবি দেখে কীভাবে আবেগে আপ্লুত হয়েছিলেন তার একটি বিবরণ হাশেম খানের একটি লেখায় ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিনে সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। মাতৃভূমির প্রতি ওদের ভালোবাসা এবং সহজ-সরল মনের সত্য প্রকাশ দেখে তিনি সেদিন সংকল্প নিয়েছিলেন ওদের এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে দেশের বাইরে সারা বিশ্বের মাঝে। এরপর শারীরিকভাবে অসুস্থ শিল্পাচার্য লন্ডনে চিকিত্সার জন্য যাওয়ার সময় ওদের আঁকা সত্তরটি নির্বাচিত ছবি সঙ্গে নিয়ে যান।  এরপর ১৯৭২ সালের ২২ জুন লন্ডনের কমনওয়েলথ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীতে স্বাধীনতা যুদ্ধের ভয়াবহতা আর হানাদার সেনাদের অত্যাচার ওদের কোমল হূদয়ে যে গভীর রেখাপাত করেছিল, তারই প্রতিফলন হয়েছিল এ ছবিগুলোতে। প্রতিটি ছবির বিষয় থেকে বাইরের জগতের সবাই জানতে পারল এদেশের মানুষের ওপর পাকিস্তানি সামরিক জান্তার অত্যাচারের প্রকৃত রূপটি কত বীভত্স ছিল। বাংলাদেশের শিশুরা সেদিন স্বাধীনতা যুদ্ধকে যেভাবে দেখেছে, উপলব্ধি করেছে, যেসব ঘটনা ওদের মনে দাগ কেটেছে, সহজ সরল মনকে বিচলিত, ভীতসন্ত্রস্ত করেছে, এগুলো তারই ছবি। গ্রামের পর গ্রাম, শহর-বন্দর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করেছে ওরা, নিরীহ মানুষগুলোকে ধরে বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে মেরেছে, যুবক ছেলেদের লাইন দিয়ে দাঁড় করিয়ে নির্বিচারে ব্রাশফায়ার করে হত্যা করেছে ওই ঘৃণ্য নরপশুরা। এসবই ছিল এসব ছবির প্রতিপাদ্য বিষয়। সেদিন সদ্য স্বাধীন দেশের সহজ সরল কোমলমতি শিশুরা এঁকেছে যুদ্ধ শেষের ছবি, বধ্যভূমির ছবি, কঙ্কালের স্তূপের ছবি।

লেখাটিতে উঠে এসেছে বিশ্ববরেণ্য শিল্পাচার্যের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার একটি লোমহর্ষ চিত্র। বুড়িগঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরে জিঞ্জিরায় যখন নরখাদকরা আগুন লাগিয়ে হাজার হাজার মানুষের ওপর গুলি করতে করতে ছুটে চলেছে যখন নিরুপায় মানুষ প্রাণভয়ে ছুটছে তখন একই সারিতে ছুটছেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনও। ছুটতে ছুটতে তিনি বলছেন, ‘আমাদের সবারই তো এখন একই অবস্থা, শুধু ছুটতে হচ্ছে, পালাতে হচ্ছে। আর না হয় মরতে হচ্ছে।’ পেছনে গোলাগুলির প্রচণ্ড শব্দ শুনে তিনি সবাইকে বলছেন, ‘থামবেন না, পালান, দৌড়ান।’ শাঁই শাঁই করে অগণিত গুলি যখন কানের পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছে তখন প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে সবাইকে নিয়ে তিনি রাস্তার পাশের একটি গাছপালায় ঢাকা গোয়ালঘরে ঢুকে পড়লেন। ওখানে একপাল ছাগল চুপচাপ দাঁড়িয়ে। ওই ছাগলগুলোর ফাঁকে ফাঁকে বসে পড়ে নিজেদের আড়াল করে জীবন বাঁচালেন সবাই। এতে ওদের সহায় হলো গাছপালা আর ছাগলগুলো। এভাবেই এদেশের অবলা প্রাণীরা গাছপালা, নদীনালা, খালবিল, ঝোপঝাড় এ মাটির সন্তানদের আঁকড়ে ধরে বাঁচিয়েছে নরপশুদের হিংস্র থাবার আঘাত থেকে।

এসব অভিজ্ঞতা আমাদের কারোরই অজানা নয়। ১৬ ডিসেম্বর হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের দৃশ্য দেখে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকা থেকে ফিরছিলাম। এ সময় যুদ্ধকালীন অনেক স্মৃতি মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিল। অনেক আত্মত্যাগের বিনিময়ে এই বিজয়। দীর্ঘ ন’মাস আমি চট্টগ্রাম বন্দর নগরীতেই ছিলাম। চট্টগ্রাম পোর্ট ট্রাস্ট, কাস্টমস এবং রেলওয়েতে কর্মরত আমরা বেশ কয়েকজন অফিসার ঠিক করেছিলাম নিজেদের অবস্থান থেকেই আমরা হানাদারদের পদে পদে প্রতিহত করব। আমাদের কাজ ছিল সমুদ্র, রেল, নদীপথে হানাদার বাহিনীর চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা। জাহাজ ডুবিয়ে বন্দর অচল করে দেওয়া যাতে ওরা যুদ্ধসামগ্রী আর সৈন্যসামন্ত আনতে না পারে, আমাদের পণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে না পারে। বন্দরে জাহাজডুবির প্রক্রিয়ায় আমি এবং আমার বন্ধু পোর্ট ট্রাস্টের নির্বাহী প্রকৌশলী নূর হোসেন সরাসরি যুক্ত ছিলাম। আমি তখন কাস্টম হাউস ছেড়ে মমিন রোডে একটি বাসায় থাকতাম। এক দিন সেখান থেকে একটি পোর্টের গাড়িতে ডুবুরিকে জাহাজ ডুবানোর কাজে পাঠিয়ে দেওয়ার পর নূর হোসেন তার পোর্ট ট্রাস্টের বাড়িতে যাওয়ার পথে হানাদারদের হাতে নিহত হয়। নূর হোসেনের আত্মত্যাগের এই স্মৃতি আজও আমাকে তাড়িত করে। এ সময় পোর্ট ট্রাস্টের প্রধান প্রকৌশলী সামছুজ্জামান, হারবার মাস্টার দস্তগীর, নূর হোসেনসহ শত শত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হত্যা করা হয়। চট্টগ্রাম সিআরবিতে কর্মরত চিফ প্ল্যানিং অফিসার এম এস সফিসহ তেরশ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এরা নৃশংসভাবে হত্যা করে। অনেককে ওরা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। ওরা আর কোনো দিন ফিরে আসেনি। ওই সময় নির্যাতনে ক্ষতবিক্ষত রক্তাক্ত দেহে ওদের অনেকে গভীর রাতে আমার স্থানটিকে নিরাপদ ভেবে সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল। লাহোর ফাইনান্স সার্ভিস একাডেমিতে প্রশিক্ষণের সময় আমার সতীর্থ হাফিজ উদ্দিন খানও এভাবে এখানে এসে আশ্রয় নিয়েছিল। মনে পড়ে আয়কর উপদেষ্টা রহমান ভাই আর পরান ভাবীর বাড়িটির কথা। আমরা প্রায়ই সেখানে ছুটির দিনে মিলিত হয়ে একান্ত পরিবেশে সময় কাটাতাম। পরে ওই বাড়িতে হানাদাররা ‘টর্চার চেম্বার’ খুলেছিল। চট্টগ্রামের এসপিসহ অনেক পুলিশ কর্মকর্তাকে ওরা হত্যা করেছিল।

এমন অনেক স্মৃতি এক এক করে স্মৃতিপটে ভেসে উঠছিল তখন। এমন সময় হঠাত্ করেই রাস্তার পাশ থেকে একজন ভারতীয় সেনা অফিসার আমার গাড়ি থামিয়ে বলল, ‘আমার ইউনিট আমাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে। আমাকে কি ফৌজদারহাট পর্যন্ত এগিয়ে দেবে?’ সেদিন এদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ ছিল না। তাই মনের তাগিদেই সায় দিলাম। কিন্তু ফৌজদারহাটে পৌঁছে তার ইউনিটের সন্ধান মিলল না। তাই এগোতে থাকলাম। এভাবে কথা বলতে বলতে বিলোনিয়া অতিক্রম করে হঠাত্ কখন ভারতীয় সীমানায় আগরতলায় পৌঁছে গেছি বুঝতে পারিনি। এবার ভারতীয় সেনা অফিসার ধন্যবাদ জানালেন আর আমি আমার দায়িত্ব পালন করে অনেক রাতে ঘরে ফিরলাম। সারা পথে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে দেখলাম ধ্বংসলীলা। ওরা যে ট্রেঞ্চগুলোতে থাকত সেগুলোর চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে মেয়েদের শাড়ি, পেটিকোট, ব্লাউজ ইত্যাদি— যারা ধর্ষিতা হয়েছে, যাদের ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে তাদেরই ব্যবহার্য সমাগ্রী এগুলো। পড়ে আছে খালি মদের বোতল আর সিগারেটের প্যাকেট।

গত ১৭ ডিসেম্বর, ‘দি ডেইলি স্টার’-এ প্রকাশিত ২১টি যুদ্ধকালীন শিশুর ছবিটি দেখে আমার চোখের সামনে আবার ভেসে উঠল ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরে নিজ চোখে দেখা সেই ভয়াবহ দৃশ্য। এ ছবিটি ইসলামপুরের শিশুভবনে ১৯৭২ সালের জুলাই মাসে তোলা। এদের ১৫ জন কানাডার সহূদয় ব্যক্তি দত্তক হিসেবে নিয়ে যায়। আজ ওদের সারা শরীরজুড়ে চিরঞ্জীব হয়ে আছে বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের সৃষ্টির পেছনে নিষ্ঠুর বাস্তবতা। কে হিসাব করে বলতে পারবে একাত্তরে এ সময়ে কত নারী ধর্ষিতা হয়েছে, কত ‘অবাঞ্ছিত’ শিশু জন্ম নিয়েছে, কতজনকে হত্যা করা হয়েছে? এ দেশে কি এমন কোনো পরিবার আছে যে পরিবারে অথবা তাদের আপনজনদের মধ্যে একজন শহীদ, ধর্ষিতা অথবা যুদ্ধাহত নেই?

যুদ্ধে যারা প্রাণ দিয়েছে তারা কেউ বিচ্ছিন্ন একক ব্যক্তি নন। এরা কারও সন্তান, কারও পিতা, কারও স্বামী, কারও স্ত্রী, কারও ভাই, কারও বোন, কারও বন্ধু, প্রতিবশী, অভিভাবক অথবা হিতৈষী। এবার হিসাব করুন একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা অথবা ধর্ষিতা আসলে কতজন। মার্কিন সাংবাদিক এবং লেখক সুসান ব্রাউনমিলারের তিন ধরনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২ থেকে ৪ লাখ নারী ধর্ষিত হয়েছে। এর অর্থ চার লাখ সামাজিক ক্ষত যা চার লাখ পরিবারকে সমাজের কাছে হেয়, প্রতিপন্ন করেছে। অর্থাত্ প্রায় ২০ লাখ মানুষ মানমর্যাদা হারিয়ে সমাজে নিগৃহীত হয়েছে। এ বোধশক্তি অবশ্য পাকিস্তানিদের নেই। কারণ ওরা একটি অসভ্য জাতি।

ড. বিনা ডি কোস্টার একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী সরকারিভাবে গর্ভপাত কর্মসূচি নেওয়ার আগেই ১ লাখ ৭৫ হাজার গর্ভপাত বিভিন্নভাবে ঘটানো হয়েছে। ১৯৭৩ সালের ৫ মার্চ নিউইয়র্ক টাইমসের একটি নিবন্ধে বলা হয়েছে— ‘অনেক ধর্ষিতা নারীকে তাদের পিতা-মাতা, স্বামীরা বাইরে বাচ্চার জন্ম দিয়ে খালি হাতে সমাজে ফিরে আসতে বলেছে।’ ১২ মে ১৯৭২ এর আর একটি নিবন্ধে ‘টাইমস’ লিখেছে— ‘বাচ্চাগুলোকে কখনো পানিতে ডুবিয়ে, কখনো অন্যভাবে হত্যা করা হয়েছে।’ এভাবেই অবাঞ্ছিত শিশুদের পরিত্যাগ করেই ধর্ষিতাদের সমাজে ফিরে আসতে হয়েছে। পাকিস্তানিদের যে কোনো বিবেক নেই, পরিবার নেই, সমাজ নেই তার প্রমাণ মেলে হামুদুর রহমান কমিশনের সামনে এদের বক্তব্য বিবৃতি থেকে। কমিশনের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ব্রিগেডিয়ার ইকবালুর রহমান শরীফ বলেছেন, ‘জেনারেল গুল হাসান সেনাছাউনি পরিদর্শনের সময় সেনাদের জিজ্ঞাসা করতেন, ‘কতজন বাঙালিকে গুলি করে হত্যা করেছ?’ হামুদুর রহমান কমিশন পরিষ্কারভাবে বলেছে, মর্টার ব্যবহার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি আবাসিক ছাত্রাবাস ধ্বংস করে দেওয়া হয়। ৮ম বেলুচ রেজিমেন্টের সিও কর্নেল আজিজ আহমেদ বলেছে, ‘ব্রিগেডিয়ার আরবাব আমাকে জয়দেবপুরের সব বাড়িঘর ধ্বংস করতে নির্দেশ দিয়েছিল। আমি যথাসম্ভব তা করতে চেষ্টা করেছি।’ ২৭/২৮ মার্চ ১৯৭১, ৫৩ ফিল্ড রেজিমেন্টের সিও ইয়াকুব মালিকের নির্দেশে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে ১৭ জন বাঙালি অফিসার এবং ৯১৫ জন বাঙালি সৈনিককে হত্যা করা হয়। মেজর জেনারেল ফরমান আলী কমিশনকে বলেন, ‘জেনারেল টিক্কা খানের কাছ থেকে দায়িত্ব নেওয়ার পর জেনারেল নিয়াজি বলেন, রেশনের ঘাটতি সম্বন্ধে আমি কি শুনেছি? এদেশে কি গরু ছাগলের অভাব আছে? এটা একটা শত্রু এলাকা। তোমাদের যা প্রয়োজন তা নিয়ে নিবে। আমরা বার্মাতে একইভাবে সবকিছু নিয়ে নিতাম।’ নিয়াজির নিজের কথাতেই ‘টিক্কা খানের বাহিনীর নির্বিচার হত্যার কারণেই সামরিক বাহিনীর নেতাদের ‘চেঙ্গিস খান’ এবং ‘কসাই’ নামে অভিহিত করা হয়েছিল।’ পাকিস্তানি আর্মি অফিসারদের মতে, নিয়াজি নিজেই একজন দুর্নীতিবাজ এবং ধর্ষণকারী ছিল। কমিশনের সামনে একটি বিবৃতিতে একজন সেনা কর্মকর্তা বলে, সেনা সদস্যরা প্রায়ই বলত ‘নিয়াজি নিজেই একজন ধর্ষণকারী। সে কেমন করে ওদের ধর্ষণ করতে বারণ করে?’ মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর কথায় ‘হত্যা, ধর্ষণ, লুট, ধ্বংস, নির্যাতন আর অপমানজনক ব্যবহারের লোমহর্ষ কাহিনী সাধারণভাবেই বিবৃত হয়েছে।’ এ নৃশংসতা আর বর্বরতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কমিশন সুপারিশ করেছিল। কিন্তু এরা তো ধর্ষণকারী, হত্যাকারীকে শাস্তি দেয় না, পুরস্কৃত করে। না হলে ১৯৫ জন স্বীকৃত যুদ্ধাপরাধীর আজও বিচার হয়নি কেন? আজও কেন ওরা স্বীকার করে না ওরা কত গুরুতর অপরাধ করেছে?

বাংলাদেশে এই গণহত্যার নীলনকশা তৈরি হয়েছিল ১৯৭১ সালের জানুয়ারি মাসে যখন নরখাদক ইয়াহিয়া খান লারকানায় জুলফিকার আলী ভুট্টোর বাড়িতে বক শিকারে যায়। এরা দুজনে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তানের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বাঙালিদের কিছুতেই সরকার গঠন করে পাকিস্তান শাসন করতে দেওয়া হবে না। জেনারেল নিয়াজি তার ‘দি বিট্রেয়াল অব ইস্ট পাকিস্তান’ বইয়ে লিখেছে, ‘ভুট্টো সংসদে বিরোধী আসনে বসতে রাজি ছিল না। সে এমন ভাবভঙ্গি দেখাতে শুরু করল যেন সে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে এবং অচিরেই সরকার গঠন করতে চলেছে।’ কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু বাঙালিদের হাতে শাসন ক্ষমতা তুলে নেওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ ছিলেন। তাই ইয়াহিয়া খান ১২ জানুয়ারি, ১৯৭১-এ ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাত্ করে নিশ্চিত হতে চাইল যে, বঙ্গবন্ধুর ক্ষমতা গ্রহণের পরও সে রাষ্ট্রপতি পদে বহাল থাকবে। বঙ্গবন্ধু তাকে এ নিশ্চয়তা দেননি। ফলে ইয়াহিয়া খান ভুট্টোর অপেক্ষমাণ আলিঙ্গনের কাছে আত্মসমর্পণ করল। এরপর লারকানায় দুই বক শিকারি ‘লারকানা ষড়যন্ত্রের সূত্রপাত করল। এরপর অপারেশন ব্লিজ’ নামের সামরিক অভিযানটির বিস্তারিত পরিকল্পনা হয় ২২ ফেব্রুয়ারি ইসলামাবাদে সেনাবাহিনীর নেতৃস্থানীয়দের একটি বৈঠকে। জেনারেল খাদেম হোসেন রাজা তার ‘এ স্ট্রেনজার ইন মাই ওন কান্ট্রি’ বইয়ে লিখেছে, ‘আমি ব্রিগেড কমান্ডারদেরকে তাদের নিজ নিজ এলাকায় বিশদ পরিকল্পনা তৈরি রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলাম। বস্তুত; এই ‘অপারেশন ব্লিজ’-এর উদ্দেশ্য ছিল দেশে সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থগিত করে দিয়ে আবার সামরিক শাসনে প্রত্যাবর্তন করা।’ তাই ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সমঝোতার অভিনয় চালাতে থাকল। একই সঙ্গে অব্যাহত রইল সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি। যেসব সামরিক কর্মকর্তা শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যা সমাধানে বিশ্বাসী ছিল তাদের সরিয়ে দিয়ে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটে সিদ্ধহস্তদের স্থলাভিষিক্ত করা হলো। জেনারেল ইয়াকুব গভর্নর এবং পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক কমান্ড প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করলেন। বললেন, ‘তিনি তার পাকিস্তানি ভাইদের হত্যা করতে পারবেন না।’ জেনারেল টিক্কা খান তার স্থলাভিষিক্ত হলো। ১৫ মার্চ ইয়াহিয়া খান ঢাকায় এসে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আবার আলোচনা চালাল। ১৭ মার্চ টিক্কা জেনারেল রাও ফরমান আলী আর খাদেম হোসেন রাজাকে জানিয়ে দিল যে, বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ইয়াহিয়ার কোনো সমঝোতা হয়নি। অতএব ইয়াহিয়ার নির্দেশ অনুযায়ী সামরিক অভিযানের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

এই দুই জেনারেলের সঙ্গে বসে টিক্কা ‘অপারেশন সার্চলাইটের’ নীলনকশা তৈরি করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী রাও ফরমান আলী ঢাকায় গণহত্যা চালাবে আর রাজা ঢাকার বাইরে সারা দেশে। একই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইয়াহিয়া ২৫ মার্চের সন্ধ্যায় কলম্বো হয়ে করাচি চলে গেল। এর কয়েক ঘণ্টা পরই ঢাকা সেনানিবাস থেকে ট্যাংক আর কামানের বহর এসে ঘুমন্ত ঢাকা নগরীতে ধ্বংসযজ্ঞ চালাল। যে নিয়াজি টিক্কার স্থলাভিষিক্ত হয়েছিল সে ২৫ মার্চের গণহত্যাকে এভাবে বিবৃত করেছে : ‘জেনারেল টিক্কা খান চরম আঘাত হানল। রাতের প্রশান্তি পর্যবসিত হলো আহাজারি, ক্রন্দন আর অগ্নিসংযোগে। মনে হলো জেনারেল টিক্কা তার সব শক্তি ব্যবহার করে যে অভিযান চালাল তা ছিল চরম শত্রুর ওপর অতর্কিত আক্রমণের শামিল। বিপথগামী অথবা ভুল পথে চালিত নিজের মানুষের সঙ্গে বোঝাপড়া নয়। এই সামরিক হামলা ছিল নিষ্ঠুরতার এক চরম অভিব্যক্তি যা চেঙ্গিস খান, হালাকুর ধ্বংসলীলার চেয়েও অধিকতর নিষ্ঠুর প্রকৃতির যা ব্রিটিশ জেনারেল ডায়ারের জালিয়ানওয়ালাবাগকেও হার মানায়।’

হানাদার বাহিনীর একটি ইউনিট কীভাবে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের পথে গোলাগুলি বর্ষণ করেছিল তার একটি বিবরণ ব্রিগেডিয়ার সিদ্দিক সালিকের লেখা ‘উইটনেস টু সারেন্ডার’ বইতে বিধৃত হয়েছে : ‘১ এপ্রিল ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল যাওয়ার পথে যে ইউনিটটির সঙ্গে আমি সহযাত্রী ছিলাম এটির একটি বিবরণ আমি এখানে দিতে চাই। পথে সবকিছুই এই সেনা ইউনিটের রোষানলে পড়ে। এতে পদাতিক বাহিনীর পেছনে একটি ট্যাংক আর কামানের বহর থেকে গোলাগুলির বর্ষণ অবিরামভাবে চলেছিল। সামান্য ছুঁতা পেলেই অথবা একটু সন্দেহ হলেই পদাতিকরা চারদিকে অজস্র গুলি ছুড়তে ছুড়তে চলেছে। গাছের শাখা-প্রশাখায় একটু দোলা অথবা শুকনো পাতার খড়খড় শব্দ হলেই স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রগুলো গর্জে উঠছে। সন্ধানী দৃষ্টি নিয়ে এ সেনা সদস্যরা পাশের কুঁড়েঘর আর বাঁশঝাড়গুলোতে আগুন লাগিয়ে জ্বালিয়ে দিচ্ছে। এভাবে তারা যখন চারদিক ভস্ম করতে করতে চলেছে তখন আগুনের তীব্র দহনে একটি বংশদণ্ড প্রচণ্ড আওয়াজ করে ফেটে গেল। সবাই ধরে নিল কেউ আড়াল থেকে গুলি করেছে। এরপর আর কারও রক্ষা রইল না। সেনাবাহিনী এই পুরো এলাকায় বেষ্টনী দিয়ে লোকালয়টি ঘিরে গাছপালাসহ যত্রতত্র ঘরবাড়িতে সব ধরনের অস্ত্র থেকে গোলাগুলি বর্ষণ করল।’

এটাই আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে অগ্নিসিদ্ধ রক্তাপ্লুত আত্মত্যাগের পশ্চাতে পাক বাহিনীর কাণ্ডজ্ঞানহীন কাপুরুষতার চিত্র যার বিশ্লেষণ আমাদের জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় চেতনাকে তড়িত্ প্রবাহে তীব্র, তীক্ষ আর প্রবল করে তোলে— সক্রিয় করে তোলে আমাদের আত্মোপলব্ধির প্রক্রিয়াকে। আমরা ভাবতে পারি না স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৪ বছর পর দেশবরেণ্য নেত্রী যিনি দুবার পূর্ণ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন, আশির দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে প্রশংসিত হয়েছেন, কী ভেবে এমন মন্তব্য করলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।’ তার পরপরই বিএনপি সরকারের এক সময়ের প্রতিমন্ত্রী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মূঢ় এবং পাকিস্তানিদের অর্থপুষ্ট তাঁবেদার হিসেবে ধিকৃত করে অশালীন এবং চরম ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সব সদস্য এবং সমর্থকদের মর্মাহত করেছে। বিএনপির ঘোষণাপত্র এবং গঠনতন্ত্রে এ কথা স্পষ্ট করে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে যে, ‘জাতীয় প্রগতি ও সমৃদ্ধির অগ্রসেনা মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১-এর মহান মুক্তি সংগ্রামের সেনানীরা আমাদের জাতীয় উপলব্ধি ও সংহতির কেন্দ্রীয় উপাদান।’ আজ এসব বক্তব্যে এদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করে বিএনপির ঘোষণাপত্র এবং গঠনতন্ত্রকে অবজ্ঞা করা হয়েছে। বেগম জিয়া ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় কাউন্সিলে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘ ছয় বছর অতিক্রান্ত হয়েছে দলের আর কোনো কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়নি। এদিকে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ২০০৯-এ অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের কার্যকারিতা ২০১২ সালে শেষ হয়ে গেছে। সে কারণে বেগম জিয়া অথবা গয়েশ্বর রায় কারোরই বক্তব্য গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলীয়ভাবে বৈধ নয়। এসব মন্তব্য, বক্তব্য তাদের একান্তই নিজস্ব, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নয়। আমরা বিএনপির সৈনিক— শহীদ জিয়ার আদর্শের অনুসারী, বিএনপির গঠনতন্ত্র, ঘোষণাপত্র, ১৯ দফার ধারক-বাহক। বিএনপির ঘোষণাপত্র এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা নিঃশেষে প্রাণ দিয়েছেন তারা এদেশের গর্বের ধন। মাতৃভূমিতে ওদের স্থান সর্বাগ্রে, সবার উপরে। ওরা মৃত নয়, ওরা মৃত্যুহীন, ওরা চিরঞ্জীব। ওরা আছে ১৬ কোটি মানুষের হূদয়জুড়ে।  ওদের কোনো সংখ্যা নেই, ওরা অজেয়— ওরা শত সহস্র, লক্ষ, অযুত— ওদের গতি সীমাহীন, ওরা অনন্ত। ওদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।

     লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা