শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:০৬, শুক্রবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১৬

দল ভাঙার লাভক্ষতির সাতকাহন!

গোলাম মাওলা রনি
Not defined
অনলাইন ভার্সন
দল ভাঙার লাভক্ষতির সাতকাহন!


বছরখানেক ধরে রাজনীতির বাজারে জোর গুজব— বিএনপি ভেঙে যাচ্ছে! প্রথমে বলা হতো, বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোট ভেঙে যাবে— জামায়াত বের হয়ে আলাদা রাজনীতি করবে এবং জাতীয় পার্টি সরকার থেকে বের হয়ে যাবে। বিএনপিকে একঘরে বন্দী করে জাতীয় পার্টি, জামায়াত এবং অন্য ছোট ছোট দল কৃত্রিমভাবে রাজপথ গরম করার চেষ্টা করবে এবং একটি মধ্যবর্তী নির্বাচন দাবি করবে। অনেক পুতুলসদৃশ রাজনৈতিক ভাঁড়ের নাচন-কুর্দনে যখন জনগণ বেশ আনন্দিত এবং আহ্লাদিত বোধ করবে তখন আরও উঁচুমাত্রার বিনোদন ক্ষেত্র প্রস্তুতের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচন নামক হোমযজ্ঞ শুরু হয়ে যাবে। বাংলাদেশের রাজনীতির রাজজ্যোতিষীদের কুষ্ঠি বিচার বলতে গেলে মাঠে মারা গেছে। কারণ গত দুই বছরে ২০-দলীয় জোট থেকে একটি নামসর্বস্ব দল নিয়ে শওকত হোসেন নিলু নামের জনৈক ব্যক্তি বের হয়ে কী করেছেন তা দেশবাসী তো দূরের কথা, ঢাকাবাসীর মধ্যে প্রেসক্লাবের আশপাশের লোকজনও জানে না। অতিসম্প্রতি আবদুল লতিফ নেজামী নামের অন্য এক ভদ্রলোকের নেতৃত্বে ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশ বিএনপি জোট থেকে বের হয়ে যাওয়ার পরও কোনো টুঁ-শব্দ না হওয়ার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি ভাঙার প্রসঙ্গটি সামনে চলে এসেছে।

বিএনপি কখন ভাঙবে, কারা ভাঙবে এবং কীভাবে ভাঙবে এসব নিয়ে আজ কোনো আলোচনা করব না। আজ বরং রাজনৈতিক দলগুলোতে ভাঙনের প্রকারভেদ এবং এসব ভাঙনের ফলে শেষ অবধি কার কতটুকু লাভ-ক্ষতি হয়েছে তা নিয়ে আলোকপাত করার চেষ্টা করব। প্রথমেই বলে নিই দল ভাঙার কারণ, সাধারণত আদর্শিক কারণেই এ উপমহাদেশের বেশির ভাগ দল ভেঙে গেছে এবং অনেক উপদলের সৃষ্টি হয়েছে। হাতে গোনা দু-একটি টিকে আছে এবং বাকিরা হারিয়ে গিয়ে নিজেদের ইতিহাসের পাতায় স্থান করে দিয়েছে। আদর্শিক কারণের বাইরে ব্যক্তিগত হানাহানি, স্বার্থের দ্বন্দ্ব, পদ-পদবির লোভ এবং টাকা-পয়সা ধন-সম্পত্তির বিলি-বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট বিরোধে অনেক বড় বড় দল ভেঙে যায়। উপমহাদেশের প্রথম রাজনৈতিক দল কংগ্রেসে ভাঙন ধরেছিল মূলত হিন্দু-মুসলিম জাতিগত সত্তা এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিরোধকে কেন্দ্র করে। অন্যদিকে, মুসলিম লীগের প্রথম ভাঙন হয়েছিল স্বাধীন পাকিস্তানে আঞ্চলিক বৈষম্যের কারণে।

আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দ বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ হওয়ার পরও দলটির ভাঙন ঠেকানো যায়নি। দলটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৯৫৭ সালে সদলবলে আওয়ামী লীগ থেকে বের হয়ে যান অনেকটা অপমানিত হয়ে। তার বের হয় যাওয়ার কারণ হিসেবে নীতি ও আদর্শের বহু কথা বলা হলেও তিনি সে আমলে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে নেতৃত্বের বিরোধে কোণঠাসা হয়ে পড়ার কারণে চলে গিয়েছিলেন তা কম-বেশি সবাই জানে। স্বাধীন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ থেকে জাসদের জন্ম হয়েছিল মূলত আদর্শিক কারণে। নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব কিংবা সংঘাত হয়তো ছিল কিন্তু তার চেয়েও বেশি ছিল আদর্শিক দ্বন্দ্ব। সেদিন যদি জাসদের জন্ম না হতো তাহলে হয়তো আমাদের ইতিহাস ভিন্নমাত্রার নান্দনিকতা লাভ করত।

স্বাধীন বাংলাদেশে অনেক দলের গঠন ও ভাঙন হয়েছে স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বন্দ্ব-সংঘাতের কারণে। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি, ন্যাপ, জাসদ, বাসদ প্রভৃতি দলের ভাঙনের জন্য বাইরের কাউকে কিছুই করতে হয়নি। দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, পদ-পদবির লড়াই, পারস্পরিক হিংসা-দ্বেষ, রেশ এবং লোভ-লালসার কারণে দলগুলোয় ভাঙনের সৃষ্টি হয়। কিছু কিছু আন্ডারগ্রাউন্ড পার্টির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-সংঘাতের কারণে দলের নেতা-কর্মী তো বটেই, সাধারণ লোকজনকেও রক্ত দিতে হয়েছে।

দল ভাঙার নানারূপ তেলেসমাতির মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা হলো ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল কর্তৃক রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে রাজপথ কাঁপানো প্রধান প্রধান বিরোধী দল ভেঙে চুরমার করে দেওয়ার অপচেষ্টা। পাকিস্তান আমলে আইয়ুব শাহির জমানায় রাষ্ট্রীয় মদদে সর্বপ্রথম হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং বঙ্গবন্ধুর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করা হয়। ফলে দল হিসেবে আওয়ামী লীগ ১৯৬০-৬৩ সালের দিকে খুবই দুর্বল হয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধুকে বেশির ভাগ সময় জেলে থাকতে হয় এবং সোহরাওয়ার্দী সাহেবের ওপর সৃষ্টি করা হয় প্রচণ্ড মানসিক চাপ। ফলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং চিকিত্সার জন্য চলে যান বৈরুতে। ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর তিনি সেখানেই ইন্তেকাল করেন।

সোহরাওয়ার্দী সাহেবের মৃত্যুর পর বঙ্গবন্ধু খুব দ্রুত ক্ষমতার পাদপীঠে চলে আসেন। তার অগ্রযাত্রা, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং অসম্ভব জনপ্রিয়তা ক্ষমতাসীনদের ভাবিয়ে তোলে। আইয়ুব খান পুনরায় চেষ্টা চালান আওয়ামী লীগকে ভেঙে ফেলার জন্য। দলের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বকে কোণঠাসা করার জন্য অথবা তাকে রাজনৈতিকভাবে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে দেওয়ার জন্য শুরু হয় নতুন চক্রান্ত। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর একমাত্র কন্যা বেগম আকতার সোলায়মানকে আওয়ামী নেতৃত্বের শীর্ষপদে বসিয়ে তাকে দাবার ঘুঁটি বানানোর চেষ্টা করা হয়। বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় মদদে দল ভাঙার খেলাধুলা শুরু হয়েছিল এরশাদ আমলে। কিন্তু রাজনৈতিক নেতাদের চরিত্রহননের কাজটি শুরু করেছিলেন জিয়াউর রহমান। ক্ষমতার লোভ দেখিয়ে এবং পদ-পদবির টোপ দিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীকে নিজ দলে নিয়ে আসার যে প্রকল্প তিনি হাতে নিয়েছিলেন বর্তমান জমানায় এসে তার সেই কীর্তি মহীরুহ আকার ধারণ করেছে। জিয়া-পরবর্তী ক্ষমতাসীনরা মূলত জিয়ার আদর্শ ধারণ করে এবং তাকে মানস পিতার আসনে বসিয়ে ভিনদলের নেতা-কর্মীদের লোভ দেখিয়ে নিজ দলে আনার যে প্রতিযোগিতা করেছেন তা দেখলে স্বয়ং জিয়াউর রহমান সাহেব অবশ্যই লজ্জা পেয়ে যেতেন।

এরশাদ আমলে আওয়ামী লীগের ওপর প্রথম আঘাতটি আসে প্রয়াত আবদুর রাজ্জাকের কাছ থেকে। তিনি দলের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী বিশেষ করে শীর্ষস্থানীয় ছাত্রলীগ কর্মীদের নিয়ে আওয়ামী লীগ থেকে বের হয়ে যান এবং ‘বাকশাল’ নামের নতুন দল গড়ে তোলেন। দ্বিতীয় আঘাতটি আসে ১৯৯২ সালে। ড. কামাল হোসেন, মোস্তফা মহসীন মন্টু প্রমুখের নেতৃত্বে গঠিত হয় গণফোরাম। গণফোরাম গঠিত হওয়ার অনেক আগে মোস্তফা মহসীন মন্টুর নিয়ন্ত্রণাধীন ছাত্রলীগের শক্তিশালী গ্রুপটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক তত্পরতা চালায়। বিভক্ত হয়ে যায় ছাত্রলীগ। মন্টু সাহেবের অনুসারীরা ছাত্রলীগ মিলু নামে আত্মপ্রকাশ করে। আওয়ামী লীগের ওপর তৃতীয় এবং সবচেয়ে ভয়াবহতম আঘাতটি আসে ১/১১-এর সময়ে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে। দলের প্রায় সব শীর্ষ নেতা ‘সংস্কারবাদী’ নাম ধারণ করে ক্ষমতাসীনদের মদদে এমন তাণ্ডব শুরু করেন যাতে দলীয় সভানেত্রীর পক্ষে অস্তিত্ব বজায় রাখাই সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। নিজ দলের সংস্কারবাদীদের চক্রান্তে তাকে শেষ পর্যন্ত জেলে গিয়ে দায় মেটাতে হয়।

আওয়ামী লীগের ভাঙনের ইতিহাসের চেয়ে বিএনপির ভাঙন প্রক্রিয়া নির্মম, নিষ্ঠুর এবং অভিনব। এরশাদ শাহি প্রাণান্ত চেষ্টা করেছিল বিএনপিকে নির্মূল করে দেওয়ার জন্য। পরিকল্পিতভাবে বিএনপিকে তিলে তিলে শেষ করে দেওয়ার সব আয়োজন পাকাপোক্ত করা হয়েছিল। জিয়া পরিবারকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে ব্যর্থ হয়ে এরশাদ বিএনপির বেশির ভাগ শীর্ষ নেতাকে পদ-পদবি, লোভ-লালসা এবং হুমকি-ধমকি দিয়ে নিজ দলে নিয়ে আসেন। এরপর দলটিতে প্রথম ভাঙন ধরান কে এম ওবায়দুর রহমান। পরে ডা. বি. চৌধুরীর নেতৃত্বে বিএনপির অনেক শীর্ষ নেতা দল ছেড়ে ‘বিকল্পধারা বাংলাদেশ’ নামক একটি রাজনৈতিক দল গড়ে তোলেন। হাল আমলের নাজমুল হুদার ‘তৃণমূল বিএনপি’ এবং ‘নতুন বিএনপি’র উত্পাত শুরু হওয়ার আগে দলটি মারাত্মক ধাক্কা খেয়েছিল গত ১/১১-এর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে।

এবার জাতীয় পার্টি সম্পর্কে কিছু বলে নিই। তারপর শিরোনাম প্রসঙ্গে আলোচনা করে উপসংহারে চলে যাব। জাতীয় পার্টি তার শাসনামলে বিএনপি-আওয়ামী লীগকে নাচানোর জন্য যে বাঁশের বাঁশি বাজিয়েছিল, তার চেয়েও বাঁকা বাঁশের তৈরি বাঁশি ও নাকি নাকি এবং চোয়া চোয়া সুর তুলে ক্ষমতাসীনরা গত ২৫ বছরে অন্তত ২৫ বার হ্যামিলনের বংশীবাদকের মতো জাতীয় পার্টির শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যন্ত হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে পদ্মা-মেঘনা-যমুনা-গৌরী-বুড়িগঙ্গাসহ পাঁচশটি নাম-করা নদ-নদীতে চুবিয়ে এনেছে। ফলে দলটির শরীরে কোনো প্রাণশক্তি আজ অবশিষ্ট আছে কিনা তা খালি চোখে দেখা যাচ্ছে না। অত্যাচার, নির্যাতন, মামলা-হামলা, ভয়ভীতি এবং অতিরিক্ত প্রেম-ভালোবাসার কারণে এই দলের অনেক নেতানেত্রীর মাথা আউলা-ঝাউলা হয়ে গেছে। তাদের চিত্ত বড়ই চঞ্চল, মন দুর্বল এবং শরীর অবিশ্বাস্য রকম নুয়ে পড়েছে। গত ২৫ বছরে জাতীয় পার্টি কমপক্ষে ২৫ বার ভেঙেছে— আবার বেশ কয়েকবার জোড়াও লেগেছে। তবে ইতিহাসের সবচেয়ে ক্রান্তিকাল হিসেবে জাতীয় পার্টি গত দুই বছর ধরে ভয়ানক একটি অস্বস্তিকর সময় পার করছে এবং নিজেদের অস্তিত্ব সংকটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

বাংলাদেশের দল ভাঙার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে এ কথা স্পষ্টভাবে বলা যায় যে, ভাঙা-গড়ার খেলায় কেউ লাভবান হয় না, বরং ক্ষতিগ্রস্ত হয় সবাই। এখন প্রশ্ন হলো, আমাদের দেশে কেন এত রাজনৈতিক নোংরামি হয়ে থাকে। এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে মানুষের আভিজাত্য, উন্নত চিন্তা, নৈতিক মূল্যবোধ এবং মাধুর্যময় চরিত্র সম্পর্কে কিছু বলা যাক। একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে বংশপরম্পরায় শিক্ষা-দীক্ষা, ভালো কাজ এবং ভালো চিন্তার অব্যাহত অভ্যাসকেই বলা হয় আভিজাত্য। দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু কিংবা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর কাছ থেকে জাতি যা আশা করত এবং জাতি যা পেয়েছিল তা কোনো ভুঁঁইফোড় রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে আশা করাটাই অবান্তর। বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাস গত ৭০ বছরে এতটাই আঁকাবাঁকা সর্পিল গতিতে চলে আসছে যে, এ পথের যাত্রীদের মধ্য থেকে সহজ-সরল এবং সুন্দর মনের মানুষ পয়দা হতে পেরেছে খুবই সীমিত সংখ্যায়। ফলে আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে সৌজন্য, নম্রতা, ভদ্রতা এবং বিনয় অত্যন্ত দুষ্প্রাপ্য হয়ে পড়েছে। ব্রিটিশ ভারতের শীর্ষ রাজনীতিবিদদের শিক্ষা-দীক্ষা, ব্যক্তিত্ব, রুচি, পারিবারিক সুনাম এবং ভালো মানুষের ভাবমূর্তির সঙ্গে তুলনা করলে বর্তমান জমানার জন্য আফসোস করা ছাড়া কীই বা করার আছে। আগেকার দিনে নেতারা অবশ্যই তাদের অনুসারী এবং সাধারণ মানুষের চেয়ে সব ব্যাপারে শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী হতেন। বর্তমানে হয়ে গেছে ঠিক বিপরীত। সারা জীবন ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হওয়া লোকটিকে তার জীবনের এক প্রান্তে এসে এমন এক লোককে নেতা হিসেবে মেনে নিতে হচ্ছে যে কিনা ছাত্রজীবনে কোনো দিন সামনের বেঞ্চে বসতে সাহস পায়নি এবং ম্যাট্রিক পাস তো দূরের কথা অষ্টম শ্রেণির ফাইনালে ফেল করতেও রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়েছে।

আমরা আজকের নিবন্ধের একদম শেষ প্রান্তে চলে এসেছি। কেন একটি ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে তার প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলে ভাঙন ধরায় এমনতর প্রশ্নের জবাবে বলতে হয়— কেবল বিশ্বাস এবং আস্থার সংকট থেকে তারা এসব কাজ করে থাকে। ক্ষমতাসীনরা প্রথমত নিজেদের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলে। দ্বিতীয়ত, তারা নিজেদের পতনের বা পরাজিত হওয়ার শঙ্কায় মারাত্মক উত্কণ্ঠাবোধ করে। তারা জনগণকে বিশ্বাস করতে পারে না, অন্যদিকে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীকে বিশ্বাস করার মানসিক শক্তিও হারিয়ে ফেলে।

এবার একটি সাপ্লিমেন্টারি প্রশ্নের জবাব দিই। প্রশ্নটি হলো— কেন ক্ষমতাসীনরা নিজেদের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলে এবং জনগণসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলকে বিশ্বাস করতে পারে না। ক্ষমতাসীনরা যখন কাজের চেয়ে প্রচার-প্রপাগান্ডা বেশি করে, কাজকর্মে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পরিবর্তে খামখেয়ালির আশ্রয় নেয় এবং দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে তখন নিজেদের প্রতি আস্থার সংকট আরম্ভ হয়। জনগণ এবং বিরোধী দলকে অবিশ্বাস করার প্রধান কারণ হলো তাদের দুর্বল, বোকা এবং ভীতু হিসেবে মূল্যায়ন করা। শাসক যদি অহরহ মিথ্যা বলে, ভাঁওতাবাজি করে এবং সবাইকে ঠকায় তবে তার পক্ষে কাউকে বিশ্বাস করা সম্ভব হয় না। অন্যদিকে অত্যাচার, অনাচার, অনিয়ম, দুর্নীতি, জুলুম এবং চিরদিন ক্ষমতায় থাকার অবারিত বাসনা শাসককে প্রবলভাবে অবিশ্বাসী এবং অহংকারী করে তোলে।

আজকের বিষয়ের আলোচনার উপসংহার একেবারেই সংক্ষিপ্ত, দল ভাঙার অতীত ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়— এটা ভালো কাজ নয়। ও কাজে নিজেদের ক্ষতি হয় বেশি এবং অতীতের সরকারগুলো ক্ষমতা হারানোর ঠিক অল্প কদিন আগে বিরোধী দল ভাঙার মন্দ খেলায় মেতে উঠেছিল।

তারপর ইতিহাসকে সাক্ষী রেখে তাদের শত্রুদের নাজেহাল করার আগে নিজেরাই ভয়ানক নাজেহালের শিকার হয়ে ছিটকে পড়েছিল ক্ষমতা থেকে।

লেখক : কলামিস্ট

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা