শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৫৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

উচ্চ আদালতে বাংলা নেই কেন?

ডক্টর তুহিন মালিক
অনলাইন ভার্সন
উচ্চ আদালতে বাংলা নেই কেন?

এক. বাংলাদেশ সংবিধানের সবচেয়ে ছোট অনুচ্ছেদটি হচ্ছে অনুচ্ছেদ ৩। তিনটি মাত্র শব্দের সমন্বয়ে এ অনুচ্ছেদটি গঠিত। ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা’। কিন্তু রাষ্ট্রভাষা বাংলা হলে কি হবে? আমাদের উচ্চ আদালতে তো একচ্ছত্র শাসন চলছে ইংরেজিরই। সেখানে বাংলা ভাষার যেন ‘প্রবেশ নিষেধ’। অথচ যে ভাষা আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে বিশ্ব দরবারে স্বীকৃতি লাভ করল, মহান ভাষা আন্দোলনের সেই দেশেরই উচ্চ আদালতে আজও স্বীকৃতি পায় না বাংলা ভাষা।  দেশের নির্বাহী বিভাগ, আইন বিভাগ বা সংসদ বাংলায় চললে বিচার বিভাগের উচ্চ আদালতে বাংলা থাকতে অসুবিধা কোথায়? যেখানে আমরা রাষ্ট্রের গণ্ডি পেরিয়ে বহুদূরে পৌঁছে জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা হিসেবে বাংলা চালু করার দাবি জানাচ্ছি, অথচ নিজ দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বাংলা চালুর সৎ সাহস দেখাতে পারি না কেন? আশ্চর্য, যে জাতি ভাষার জন্য রাজপথে বুকের রক্ত ঢেলেছে সেই দেশের উচ্চ আদালতে বাংলা পরবাসী! প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি এলেই আমরা যেন বাংলার জন্য আপ্লুত হয়ে পড়ি। অথচ আমাদের প্রতিবেশী মাদ্রাজ হাইকোর্টে তামিল ভাষা প্রচলনের দাবিতে যেখানে অনশন পর্যন্ত হয়েছে, সেখানে আমাদের দেশে অনশন তো দূরের কথা আজ অবধি এ নিয়ে শক্তভাবে কোনো একটা দাবিও করতে দেখিনি কাউকে।

দুই. আদালতে নিজের ভাষার দাবিটা শুধু ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্যই নয়। বরং নিজের ভাষায় রায় পাওয়ার স্বতঃসিদ্ধ অধিকার প্রতিটি মানুষেরই রয়েছে। অথচ আমাদের দেশে ব্যাপারটা এরকম যে, ফাঁসির আসামি বুঝতেই পারল না কেন তার ফাঁসি হলো! ১৯৬৬ সনের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির ১৪(৩) দফায় বিচারপ্রার্থীর বোধগম্য ভাষায় বিচার পাওয়ার অধিকার মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব সম্প্রদায়। বহু বছর আগেই বাংলাদেশও এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। কিন্তু নিজ দেশের উচ্চ আদালতে তা বাস্তবায়ন না করে বাংলাদেশ এই আন্তর্জাতিক আইনটিকে ১৪ বছর ধরে লঙ্ঘন করেই চলছে। ফেব্রুয়ারি এলেই আমরা সবাই এ নিয়ে যৎসামান্য আলোচনা করি। আর সারা বছর নিজেদের স্ট্যাটাস রক্ষায় চিবিয়ে ইংরেজি বলি। সুখের কথা, অতি সম্প্রতি ‘মাতৃভাষা ও দেশীয় সংস্কৃতি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান বিচারপতি বলেছেন, ‘উচ্চ আদালতের বিচারকাজ বাংলায় হওয়া উচিত। আমিও চিন্তা করছি, দু-একটি রায় বাংলায় দেওয়ার জন্য।’ আসলে উচ্চ আদালতে বাংলায় রায় দেওয়া দুরূহ কিছু নয়। কারণ নিম্ন আদালত যদি বাংলা ভাষায় চলতে পারে, তাহলে উচ্চ আদালতে কেন ভিন দেশি ভাষা হবে? ইংরেজিকে বাংলায় রূপান্তর করে স্বদেশী ভাষার প্রয়োগ করাটা কি এতটাই দুরূহ? এর আগেও বিচারপতি আমীরুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারপতি মুহম্মাদ হাবিবুর রহমান, বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, বিচারপতি হামিদুল হক, বিচারপতি খায়রুল হকসহ অনেকে বাংলায় রায় লিখে প্রমাণ দিয়েছেন, এটা অসাধ্য কিছু নয়। তাছাড়া ভাষা প্রয়োগে কোনো সমস্যা দেখা দিলে এ বিষয়ে বাংলা একাডেমিও ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখতে পারে। উচ্চ আদালতে বাংলা ভাষার যথার্থ প্রয়োগ ও প্রচলন করাটা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব? কারণ প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রয়েছে তার রায়টা বুঝতে পারার। যদি তার রায় বোঝার অধিকারকে ভাষা দিয়ে সীমাবদ্ধ করে ফেলা হয় তাহলে এটা হবে পরিষ্কার সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

তিন. বাদশাহী আমলে এদেশে আদালতের সরকারি ভাষা ছিল ফার্সি। ১৮৩৫ সালে ফার্সির পরিবর্তে ইংরেজিকে সরকারি ভাষা হিসেবে প্রচলন করার ২ বছর পর ১৮৩৭ সালে সব আদালতের সঙ্গে ফার্সির পরিবর্তে বাংলা প্রদেশে কোর্টকাচারিতে বাংলা ভাষা চালু হয়। তখন নিম্ন আদালতে বাংলা ও উচ্চ আদালতে ইংরেজির ব্যবহার শুরু হয়। আমাদের দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারায় ইংরেজির সঙ্গে দেওয়ানি আদালতে বাংলা ভাষার ব্যবহার স্বীকৃত ছিল। আর ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারায় নিম্ন আদালতে ফৌজদারি মামলার বিষয়ে কোন ভাষা ব্যবহার হবে তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সরকারকে। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর আদালতে বাংলার চেয়ে ইংরেজির ব্যবহার বেড়ে যেতে থাকে। পরবর্তীতে পাকিস্তানের ১৯৫৬ এবং ১৯৬২ সালের সংবিধানে বাংলা ভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। আমাদের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের সংবিধানে ৩নং অনুচ্ছেদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

চার. স্বাধীনতার পর থেকে আমাদের নিম্ন আদালতে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষাই চালু ছিল। কিন্তু হামিদুল হক চৌধুরী, যিনি মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলা ভাষা বিরোধী ছিলেন, আশির দশকে দেশে ফিরে তিনি হাইকোর্টে এর বিরুদ্ধে মামলা করলে আদালত তার পক্ষে রায় দেন। তখন নতুন করে নিম্ন আদালতে ইংরেজি চালু হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে এরশাদের সময় বাংলাদেশের সব অফিস-আদালতে বাংলা ভাষার প্রচলন নিশ্চিত করার জন্য ১৯৮৭ সালে বাংলা ভাষা প্রচলন আইন জারি করা হয়। ‘১৯৮৭ সালের বাংলা ভাষা প্রচলন আইনে’ বলা হয়েছে, ‘এই আইন প্রবর্তনের পর বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারি অফিস-আদালত, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যতীত অন্যান্য সব ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আইন আদালতে সওয়াল জবাব এবং আইনানুগ কার্যাবলি অবশ্যই বাংলায় লিখতে হবে। উল্লিখিত কোনো কর্মস্থলে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোনো ভাষায় আবেদন বা আপিল করেন তাহলে তা বেআইনি বা অকার্যকর বলে গণ্য হবে।’ এ আইন জারির পর আমাদের সব আদালতে বাংলা ভাষায় বিচারকার্য শুরু হয় এবং বাংলা ভাষায় সব অফিসের কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু শুধু ব্যতিক্রম ঘটে আমাদের সুপ্রিমকোর্টে। সেই সময় এ আইনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিমকোর্টে একটি মামলা হয়। সে মামলাটি বিখ্যাত হাসমতুল্লাহ বনাম আজমেরি বেগমের মামলা। ১৯৯১ সালে এ মামলায় সংবিধানে স্বীকৃত রাষ্ট্রভাষা থেকে আদালতের ভাষাকে বিচ্ছিন্ন করে আমাদের মহামান্য হাইকোর্ট একটি বাংলা ভাষাবিদ্বেষী রায় দেন। যেখানে সুপ্রিমকোর্ট স্বয়ং সংবিধানের অধীনে, সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক আইন বিধি যেখানে অসংঘর্ষপূর্ণ ও বাতিল সেখানে এ রায়ের মাধ্যমে তিন ধরনের ভাষার উদ্ভব ঘটানো হয়। রাষ্ট্রভাষা, সরকারি ভাষা ও আদালতের ভাষা হিসেবে তিনটি ভাষাকে সংজ্ঞায়িত করে আদালতের ভাষা হিসেবে বাংলাকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। অথচ ১৯৮৭ সালের বাংলা ভাষা প্রচলন আইনটি সংবিধানের ৩নং অনুচ্ছেদের আওতায় প্রণীত। তাছাড়া উচ্চ ও নিম্ন আদালত বলতে এ আইনে কোনো তফাৎ নেই। কিন্তু এ মামলার রায়ে যেভাবে বলা হলো আদালত বলতে নিম্ন আদালতকেই বুঝানো হবে, উচ্চ আদালতকে নয় সেটা একেবারেই অযৌক্তিক। কারণ আমাদের সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে আদালতের ব্যাখ্যায় যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তাতে কিন্তু নিম্ন আদালত ও উচ্চ আদালত বলতে কোনো পার্থক্য দেওয়া হয়নি। আদালত বলতে সব আদালতকেই বুঝানো হয়েছে।

পাঁচ. খুবই আশ্চর্য বিষয়, যেখানে আমাদের সুপ্রিমকোর্ট বাংলা ভাষার বিকৃতি ও ভাষা দূষণ বিষয়ে রুল জারি করে বলেন, ‘পৃথিবীতে বাংলাই একমাত্র ভাষা যার জন্য মানুষ রক্ত দিয়েছে, পৃথিবীর ইতিহাসে এরকম দৃষ্টান্ত আর দ্বিতীয়টি নেই। সুতরাং এ ভাষার পবিত্রতা আমাদের রক্ষা করতে হবে।’ অথচ এ সুপ্রিমকোর্টেই বাংলা নেই কেন? আমাদের সুপ্রিমকোর্ট প্রায়শই বিভিন্ন জনস্বার্থবিষয়ক স্বতঃপ্রণোদিত সুয়োমটো রুল জারি করে। অথচ ১৯৮৭ সালের বাংলা ভাষা প্রচলন আইনটি প্রয়োগের ব্যাপারে কোনো স্বতঃপ্রণোদিতা দেখি না কেন? উচ্চ আদালতে ইংরেজির পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে যারা ভারত বা পাকিস্তানের উদাহরণ টানেন তাদের জানা দরকার যে, বিভিন্ন ভাষাভাষীর দেশ ভারত কিংবা পাকিস্তানে জনগণের একক কোনো ভাষা নেই। তাদের সংবিধানে বহু ভাষার মধ্যে আপসকামিতা হিসেবে ইংরেজিকে আদালতের ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমাদের সংবিধানে ইংরেজিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। বাংলাকেই রাষ্ট্রভাষা করা হয়েছে। এমনকি আমাদের সংবিধানে বাংলা ও ইংরেজির মধ্যে বিরোধ হলে বাংলাকেই প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ভারতের সংবিধানে ৩৪৮ অনুচ্ছেদে আদালতের ভাষা করা হয়েছে ইংরেজি। কারণ আদালতের বিচারকরা সারা ভারত থেকে আসেন। ২২টি সরকারি ভাষার দেশ ভারতে হিন্দির সঙ্গে সব বিচারক পরিচিত নন। কিন্তু আমাদের দেশের আমরা সবাই একই ভাষার। আমাদের দেশে আইনজীবী, বিচারপতি, বিচারপ্রার্থী প্রত্যেকেরই ভাষা বাংলা।

ছয়. আদালতে ভাষার দাবিতে গোটা বিশ্বেই এখন জনমত প্রবল। ১৯৯৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্ট স্পষ্টতই বলেন, বিচারপ্রার্থীর বোধগম্য ভাষাতেই বিচার পাওয়ার অধিকার তার রয়েছে। একান্তই সম্ভব না হলে সেটার অনুবাদ তাকে করে দিতে হবে। তাদের সংবিধানেও অভিযুক্তের বোধগম্য ভাষায় বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কানাডার উচ্চ আদালতের সব রায় ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ ভাষায় ছাপানো বাধ্যতামূলক। মালয়েশিয়ার সংবিধান ও জাতীয় ভাষা আইনে আদালতের সব রায় তাদের ‘বাহাসা’ ভাষায় লেখা বাধ্যতামূলক। তাছাড়া সোভিয়েত রাশিয়া, জার্মানি, চীন, ফ্রান্স, স্পেন, নেদারল্যান্ডস, জাপান এমনকি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ নেপালেও তাদের নিজেদের ভাষায় আদালত চলে।

সাত. দুটো যুক্তি দেখানো হয় উচ্চ আদালতে বাংলা প্রচলনের বিরুদ্ধে। এক. আমাদের আইন ও বিদেশি মামলার নজিরগুলো ইংরেজিনির্ভর এবং দুই. উচ্চ আদালতে বাংলা চালু হলে বাংলাদেশ বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। আমার জানা মতে, দেশে বিদ্যমান প্রয়োজনীয় প্রায় সব আইনই বাংলায় রয়েছে। শুধু তাই নয়, আশ্চর্য হবেন এটা জেনে যে, সেই ১৯৩৭ সালেও ইংরেজদের সময় সব আইন বাংলায় অনূদিত ছিল। ১৭৯৩ সালের আইনের কোডগুলো, এমনকি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত আইনেরও বাংলায় অনুবাদ ছিল। অন্যদিকে আমাদের বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা প্রকারান্তরে ইংরেজি না জানা বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আদালত থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখার অপকৌশলই মাত্র। হাইকোর্টে বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে ইংরেজিকে যেখানে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেখানে বাংলায় রায় লিখতে না পারাকে কেন অযোগ্যতা হিসেবে দেখানো হয় না? আমাদের ভাবখানা এমন যেন বাংলায় লিখলেই আমরা সবাই অধম হয়ে গেলাম!

আট. ২০১২ সালের হাইকোর্ট বিধিমালার পর এখন আর উচ্চ আদালতে বাংলা ব্যবহারে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই। আসলে সব প্রতিবন্ধকতা একান্তই আমাদের মানসিকতার। যেখানে আমাদের সুপ্রিমকোর্ট বাংলা ভাষার বিকৃতি ও ভাষা দূষণ রোধে রুল জারি করে, সেখানে সংবিধানের ষোলটি সংশোধনীর পরও ৪৫ বছরেও সংবিধানের বাংলা শব্দের অসংখ্য ভুল বানান রয়েই গেছে। শুধু সংবিধানের প্রথম পাতাতেই প্রস্তাবনায় ‘খ্রিস্টাব্দ’ শব্দের ভুল বানান হিসেবে ‘খ্রীষ্টাব্দ’ লেখা আছে। আর ‘আশি’ শব্দের ভুল বানান হিসেবে ‘আশী’ লেখা আছে। কিন্তু এ বানান ভুলটি যদি ইংরেজির বেলায় হতো তাহলে বাঙালির শিক্ষাগত যোগ্যতায় বিশাল গলদ আবিষ্কৃত হয়ে যেত নিঃসন্দেহে। তাই নিজের ভাষাকে ভালোবাসতে পারলে কিছুই আর তখন অজুহাত হয়ে দাঁড়াতে পারবে না। বাংলা শুধু আমাদের মুখের ভাষাই নয়, এটা আমাদের পরিচয়ও বটে। পুরো পৃথিবীতে ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র মাত্র একটিই। আর সেটা হচ্ছে বাংলাদেশ। অথচ দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেদেশেরই উচ্চ আদালতে নিজের মাতৃভাষা যেন ‘অবাঞ্ছিত’।  দেশের সব সাইনবোর্ড থেকে শুরু করে গাড়ির নাম্বার প্লেট পর্যন্ত ইংরেজি শব্দ মুছে বাংলায় করার জন্য আমাদের যে আদালত নির্দেশ জারি করেন, সেই উচ্চ আদালতের নিজের সব শব্দই কেন ইংরেজিতে হবে?

 

লেখক : সুপ্রিমকোর্টের আইনজ্ঞ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ।

e-mail:[email protected]


বিডি-প্রতিদিন/ ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়