শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:২৭, মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ আপডেট:

কলকাতার চিঠি

ন্যাড়া বেলতলায় ক’বার যায়?

সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত
অনলাইন ভার্সন
ন্যাড়া বেলতলায় ক’বার যায়?

নির্বাচন সামনে আসা মাত্রই বঙ্গেশ্বরী এক ভয়ঙ্কর সাম্প্রদায়িক খেলায় মেতে উঠেছেন। টেনে এনেছেন বাংলাদেশকেও। তার দফতর নবান্নে বসে তিনি বাংলাদেশি নাগরিকদের পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে জেলা শাসকের কাছে আবেদন করলেই নাগরিকত্ব পাবেন বলে ঘোষণা করেছেন। তার এ ঘোষণা যে কত বড় অসত্য, অসাংবিধানিক এবং দেশবিরোধী তা তিনি হয়তো বুঝতেও পারেননি। একটি আঞ্চলিক দল এবং অঙ্গরাজ্যের প্রধানের এ মন্তব্যের অর্থ বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত করা। আর দেশের নাগরিকত্ব দেওয়ার অধিকার কি কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের মুখমন্ত্রীকে দিয়ে দিয়েছে! তার যে কত শিক্ষার অভাব তা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে পানির মতো পরিষ্কার হয়ে গেল। তিনি সাম্প্রদায়িকতার উদ্দেশ্যে এবং সংখ্যালঘু ভোট পাওয়ার জন্য ওই বিবৃতি প্রচার করেছেন। কদিন আগেই অর্থনীতিতে নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘুদের ওপর সমীক্ষার যে রিপোর্ট দিয়েছেন, তাতে দেখা গেছে, গত পাঁচ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদে পদে সংখ্যালঘুদের কীভাবে প্রতারিত করেছেন। বাঙালি মুসলিমরা মমতার এ ধাপ্পায় এতটুকু উল্লসিত নয়। কয়েকজন মৌলভি জানিয়েছেন, ন্যাড়া কবার বেলতলায় যায়? তিনি শুধু অসদুদ্দেশ্যে ধর্মকে সুড়সুড়ি দিয়ে ভোট বৈতরণী পার হতে চান। কোনো বিদেশি নাগরিককে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়ার ক্ষমতা জেলা শাসক কেন, রাজ্য সরকারেরও নেই। বাংলাদেশসহ বিশ্বের কোনো দেশের লোক যদি ভারতের নাগরিক হতে চায় তাহলে তাদের সেই অঙ্গরাজ্যগুলোর স্বরাষ্ট্র ও রাজনৈতিক বিষয়ক দফতরকে চিঠি লিখতে হয়। সে চিঠি যায় দিল্লির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটির কাছে পাঠায়। কমিটি সব দিক বিবেচনা করে যদি মনে করে তাদের নাগরিকত্ব দিলে দেশের নিরাপত্তা এবং সংবিধান লঙ্ঘিত হবে না, তাহলেই তারা নাগরিকত্ব পেতে পারেন। কোনো জেলা শাসক নাগরিকত্ব দিতে পারেন না। এ সবই মমতার নির্বাচনী চাল। কেন এ চাল? ১৯৪৭ সালে বঙ্গভঙ্গের পর উত্তর বিহার থেকে লাখ লাখ বিহারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চলে যান। ১৯৭১-এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় তারা আলবদর, আলশামস, রাজাকারের ভূমিকা নেন। এরা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাই করেননি, লাখ লাখ হিন্দু-মুসলমানকে খুন করেছেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তারা কলকাতা এবং আশপাশে এসে আশ্রয় নেন। বিহারে থাকাকালে তাদের কোনো না কোনো আত্মীয় চটকলে কাজ করতেন বা কল বিক্রি করতেন।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তারা কলকাতার পার্ক সার্কাস, খিদিরপুর, বারাকপুর এবং সীমান্ত জেলগুলোয় আশ্রয় নেন। ওইসব এলাকা থেকে হাজার হাজার রেশন কার্ডের দরখাস্ত জমা পড়ে। কলকাতার গোয়েন্দা দফতর রাজ্য খাদ্য দফতরকে সতর্ক করে বলে, এরা একশভাগই ওপার বাংলা থেকে আসা বিহারি মুসলমান। আমি তখন ঢাকায়। কলকাতায় এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী সন্তান তৎকালীন খাদ্য সচিব সুনীলবরণ রায় আমাকে ডেকেছিলেন। তিনি আমাকে একটা ফাইল দিয়ে বললেন, পড়ে দেখুন। সে এক অদ্ভুত ব্যাপার। খুলেই বলি। রাজ্য গোয়েন্দা দফতর খাদ্য দফতরকে রিপোর্ট দিয়েছিল, যাদের রেশন কার্ড দেওয়া হচ্ছে তারা সবাই পূর্ব পাকিস্তান থেকে আসা বিহারি মুসলমান। সুনীলবাবু জেলা শাসকদের নির্দেশ দেন রেশন কার্ড বণ্টন বন্ধ করতে। ওই সময় কলকাতার এন্টালি অঞ্চলের সিপিআই বিধায়ক ড. এ এম ও গনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের কাছে গিয়ে অভিযোগ করেন হিন্দু অফিসাররা মুসলিমদের রেশন কার্ড দিচ্ছেন না। সিদ্ধার্থ শঙ্কর তখন সুনীলবরণের সেই নির্দেশ বাতিল করে আবার রেশন কার্ড দিতে বলেন। সেই রেশন কার্ডের ওপর ভরসা করেই ভারত ও বাংলাদেশবিরোধী রাজাকাররা ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া শুরু করে। তাদের আত্মীয়স্বজনরাই এখন কলকাতায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। খাগড়াগড়সহ রাজ্যের বিভিন্ন নাশকতামূলক কাজে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা সব বিহারি মুসলমান। মমতা নিজেই তার বিবৃতিতে বলেছেন, যেসব রাজাকারের ভোটার কার্ড এবং রেশন কার্ড আছে, তাদেরই ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া উচিত। এরাই যে তার ভোটার তা মমতা খুব ভালো জানেন। কারণ বাঙালি মুসলমানরা মমতাকে ভোট দেন না। তারা কংগ্রেস এবং বামপন্থিদেরই ভোট দেন। তাই আসন্ন ভোটে বাঙালি মুসলমানদের ভোট পাওয়ার জন্য ভুয়া ভোটার আনতে তিনি এ লোভ দেখিয়েছেন। খাগড়াগড় কাণ্ডের পরই জঙ্গিবাদি জামায়াতের সঙ্গে তার জোট স্পষ্ট হয়ে গেছে। মমতার এ উক্তির নেপথ্যে কাজ করেছে তার দুই বিহারি সংসদ সদস্য সুলতান আহমেদ ও ইদ্রিশ আলি। এদের আত্মীয়রা এখনো ঢাকায় আছেন। তৃণমূলের হয়ে এরাই জামায়াতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। অঙ্গরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি তিস্তা চুক্তির আপত্তি করেছেন। তিনি জানেন না ভারত এবং বাংলাদেশ দুটি স্বতন্ত্র দেশ। তাই তিনি দুম করে বলে দিলেন জেলা শাসকরাই বাংলাদেশিদের নাগরিকত্ব দেবেন। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা নিজের প্রিয় মাতৃভূমির মাটি কামড়ে পড়ে আছেন। কারণ বাংলাদেশই তাদের নিজেদের দেশ। মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। তারা কিন্তু এ দেশে মমতার দ্বারস্থ হন না। তারা বাংলাদেশেই স্বচ্ছন্দ।

শুধু নির্বাচন নয়, আরও কিছু আছে কিনা তা আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে। তার পাঁচ বছরের কীর্তি পশ্চিমবঙ্গকে ধ্বংস করে দিয়েছে। মানুষ মুক্তি চাইছে। তা বুঝতে পেরেই তিনি বাংলাদেশের তাস খেলছেন। মমতা জানেন না, তার মুখ্য সচিবও বোঝেন না। তার জানারও কথা নয়। ১৯৭২ সালে ঢাকায় ইন্দিরা-মুজিব চুক্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে— ১৯৭১ সালের ৩১ মার্চের পর বাংলাদেশ থেকে যাওয়া কোনো নাগরিক ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন না। তাদের পাসপোর্ট ভিসা নিয়ে যাতায়াত করতে হবে। এ চুক্তি দুই দেশের সংসদেও গ্রহীত হয়েছে। মমতার উপদেষ্টারা, বিশেষ করে এ রাজ্যের মুখ্য সচিব কেন তাকে বলেননি, ৪৪ বছর ধরে যারা পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন তারা ঘুষ দিয়ে চোরা পথেই এসেছেন। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এবার বোঝা উচিত যে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর এ ধরনের প্রলাপ দুই দেশের সম্পর্কে ফাটল ধরতে পারে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করেন মমতার এ সিদ্ধান্ত পুরোপুরি ভোটকেন্দ্রিক। তারা অন্য গন্ধও পাচ্ছেন। বিরোধীরা বলছেন, দুই দেশের মধ্যে বিরোধ জিইয়ে রাখার জন্যই বাংলাদেশের লোকদের এ দেশে বেআইনিভাবে ঢোকার ব্যবস্থা করতে সীমান্ত পুলিশদের আর অসুবিধা হবে না। মমতার এ উক্তিকে যারা প্রকারান্তরে সমর্থন করেছেন নির্বাচনে তাদের দুটি ভোটও যদি বাড়ে তাহলে তারা বলতে পারবেন, রাজনাথ সিংয়ের জন্যই বাংলাদেশিরা এ দেশের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। সুতরাং মমতা যে তাস খেলেছেন তাতে সাম্প্রদায়িকতার বিষই ছড়ানো হবে। তা এ দেশ মেনে নেবে না।

 

বিডি-প্রতিদিন/ ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়