শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:১৪, মঙ্গলবার, ০১ মার্চ, ২০১৬ আপডেট:

সাহস আর ধৈর্যের চেয়ে কোনো বড় শক্তি নেই

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
Not defined
অনলাইন ভার্সন
সাহস আর ধৈর্যের চেয়ে কোনো বড় শক্তি নেই

এশিয়া কাপ টি-২০ হচ্ছে আমাদের দেশে। সেদিন ছিল ভারত-পাকিস্তানের খেলা। যেখানে পাকিস্তান খুবই খারাপ করেছে। ৮৩ রানে খেলা শেষ। এটা আশা করা যায় না। কিন্তু বাস্তবে তাই হয়েছে। বেশ আগ্রহ নিয়ে টিভিতে খেলা দেখছিলাম। দর্শকের মধ্যে কয়েকজনকে পাকিস্তানের সমর্থক দেখে ভালো লাগেনি। মুক্তিযুদ্ধের কথা মনে হলে কোনো পাকিস্তানির দিকে তাকাতে ইচ্ছা করে না। মন বিষিয়ে যায়। তবু এশিয়ার বাইরে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে খেলা হলে হয়তো পাকিস্তানের পক্ষ নেওয়া যায়। কিন্তু এশিয়ায় ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানকে সমর্থন করা আত্মহত্যার নামান্তর। কিন্তু তা-ও অনেককে করতে দেখি। হ্যাঁ, গত বিশ্বকাপে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে কোয়ার্টার ফাইনালে যে অন্যায় করেছে তার ক্ষমা হয় না। অমন জালিয়াতি তারা না করলেও পারত। কিন্তু তার পরও ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানকে সমর্থন আত্মঘাতী ব্যাপার।

এ পর্যন্ত তিন খেলায় বাংলাদেশ একটিতে হেরে দুটিতে জয়ী হয়েছে। আরব আমিরাতকে হেলাফেলা করলেও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বেশ শক্তপোক্ত মনে হয়েছে। বাংলাদেশ আরব আমিরাতের সঙ্গে বেশ ভালোভাবেই খেলেছে। আমরা হারি-জিতি ধৈর্য নিয়ে খেলা দরকার। কিন্তু আমাদের ধৈর্যের বড় বেশি অভাব। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সেদিনের খেলায়ও তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। টি-২০-তে দুজন খেলোয়াড় সোজা হয়ে দাঁড়ালে কী হয় তা রবিবারে দেখা গেছে। ২ রান, ২ উইকেট, ২ ওভার ২ বল— শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। অথচ ৩ উইকেটে সাকিব আল হাসান আর সাব্বির  ১১২-১৩-তে নিয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার মতো সিংহের সঙ্গে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের জয় গর্ব না করে উপায় কী? ওর আগেও ভারতের সঙ্গে সাকিব আল হাসানের হাতে ওই ক্যাচ ছুটে না গেলে সেদিনের ফল কী হতো বলা যায় না। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমাদের ক্রিকেট দলকে বলব সাহস আর ধৈর্যের চেয়ে বড় কোনো শক্তি বা সম্পদ দুনিয়ায় নেই। তাই কোনো কিছুতে লোভাতুর না হয়ে হার-জিতকে একইভাবে নিয়ে খেলায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এ বিজয়ের সুবাদে ক্রিকেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভ কামনা জানাচ্ছি।

লিখেছিলাম ৭ মার্চ সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা করলে কী হতো আর না করায় কী হয়েছে। যে যাই বলুন, স্বাধীনতা যেভাবে আসার সেভাবেই এসেছে। যারা হাঁস-মুরগির ডিমের মতো সহজে স্বাধীনতা চেয়েছিল তাদের হয়তো মনঃপূত হয়নি। জনগণ থেকে প্রায়-বিচ্ছিন্ন একটা সরকারের সঙ্গে যুঝতে আজ যেখানে সবার ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা, সেখানে আমাদের নেতৃবৃন্দ দারুণ কৌশলী হয়ে কাজকর্ম না করলে বিজয় আসত না। শুধু ছপ্পন ধরে থেকে ত্রুটি ধরা সহজ। কিন্তু কাজের কাজ করা অত সহজ না। যারা পাকিস্তানের সেবক ছিলেন সামরিক-বেসামরিক যেই হোন, পাকিস্তানের পতনের আগে তারা তেমন কেউ আমাদের সঙ্গে আসেননি, লাখের মধ্যে মাত্র কয়েকশ এসেছেন। এখন যেমন বর্তমান সরকারকে গদিতে রাখতে রক্ত ঘাম করছেন, গণেশ উল্টে গেলে তারা কেউ ঘাম ঝরাবেন? মোটেই না। বাতাসের দিকে পাল তুলবেন। এটা কোনো দোষের নয়। এটা সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তাদের সারা জীবনের নিয়ম বা কৌশল। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব বুঝলেও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা কোনো দিন বোঝেননি, এখনো বোঝেন না। তাই যারা হাঁস-মুরগির আণ্ডার মতো সকাল-বিকাল বিনা পরিশ্রমে স্বাধীনতা চেয়েছিলেন তাদের দোষ দেওয়ার কী আছে? আজও অনেকে ছপ্পন ধরে আছে আওয়ামী লীগ ভীষণ অপ্রিয়, তাদের সরকারে থাকার কোনো যোগ্যতা নেই, সুযোগ পেলেই বিএনপি ক্ষমতায় চলে যাবে। কিন্তু আশি মণ ঘিও জুটবে না, রাধাও নাচবে না। পরের ধনে পোদ্দারি সহজ হলেও কষ্ট করে আয় করে পোদ্দারি করা খুব কঠিন।

২৫ মার্চ হানাদার পাকিস্তানিরা সর্বত্র এক বিভীষিকা সৃষ্টি করার পরও সরকারি-বেসরকারি, সামরিক-বেসামরিক লাখ লাখ বাঙালি পাকিস্তানের পদলেহন করেছে। মুরগির ডিম পেতেও অপেক্ষা করতে হয়, মুরগিকে পাল-পোষ করে বড় করতে হয়, তবেই ডিম পাড়ে। এমন কষ্টও যারা করতে চায়নি তাদের নিয়ে কী বলব?  তখন পূর্ব পাকিস্তানের ১৯ জেলা ছিল। ১৯টা জেলার কয়টা ডিসি, কয়টা এসপি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল? পাবনার ডিসি নূরুল কাদের, আর কে? আমার তো তেমন মনে পড়ে না। প্রায় সব সরকারি কর্মচারীই মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের বন্দনা করেছে, কায়মনে পাকিস্তান রক্ষা করার চেষ্টা করেছে। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া সশস্ত্র বাহিনীর লোকজন যারা রাজনীতিতে এসেছেন তাদের কত সমালোচনা বা গালাগাল করা হচ্ছে। কিন্তু সশস্ত্র বাহিনীর বহু বাঙালি পাকিস্তানি হানাদারদের সঙ্গে থেকে লুটতরাজ, হত্যা, ধর্ষণ, করেছে। কেউ কেউ তো তাদের নাম করে না। ফিরোজ সালাউদ্দিন নামে এক কর্নেলকে দেখেছি। যিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গভবনে গভর্নর মালেকের মিলিটারি সেক্রেটারি ছিলেন। বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ঢাকায় এলে তিনিই মিলিটারি সেক্রেটারি ছিলেন। মানে ১৫-সাড়ে ১৫ ডিসেম্বর পাকিস্তানের প্রাদেশিক গভর্নরের মিলিটারি সেক্রেটারি। তারপর রাতারাতি স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রপতির মিলিটারি সচিব। দেশ বা সরকার বদলাতে পারে, কিন্তু তাদের বদল নেই। তারা চিরস্থায়ী। ১০ জানুয়ারি দেশে এসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি পদ ত্যাগ করে প্রধানমন্ত্রী হলে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী হন রাষ্ট্রপতি। পাকিস্তান হানাদারের এই অনুগত ব্যক্তি ফিরোজ সালাউদ্দিন সেদিনও ছিলেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব। পাকিস্তানের অনুগত দালাল যারা তারা এক দিনে বাংলাদেশ সরকারের নতুন কর্মচারী হয়ে গিয়েছিলেন। এটাই জাতির দুর্ভাগ্য। প্রবল পাকিস্তানি হানাদারদের রক্তে ডুবিয়ে মারতে পেরেছিলাম বলেই এত বড় বড় অসংগতির পরও আমরা এখনো বেঁচে আছি, টিকে আছি।

কত অভিযোগ আমাদের ওপর, আমাদের নেতাদের ওপর। জনাব এ কে খন্দকার যুদ্ধের সময় ভারতে ছিলেন। এক দিনের জন্য কোনো যুদ্ধে অংশ নেননি। বিমানবাহিনীর লোক তার তো যুদ্ধ করতে বিমান দরকার, তা পাবেন কোথায়? পাকিস্তানি একটি যুদ্ধবিমান উড়িয়ে নেওয়ার মুরোদ হয়নি। তাই আজ যত বড় কথাই বলুন, বসে বসে খাওয়া ছাড়া তার তেমন কাজ ছিল না। তিনি নিজেই বলেছেন, ১৬ ডিসেম্বর হানাদারদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে তাকে কলকাতা নিউমার্কেট থেকে ধরে আনা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক কাজের খেতাব কমিটির তিনি চেয়ারম্যান ছিলেন। নীতিমালা ছিল প্রত্যক্ষ সম্মুখযুদ্ধে যারা সাহসী ভূমিকা পালন করবেন তাদের উত্সাহিত করতে তত্ক্ষণাত্ বীরত্বসূচক পদক দেওয়া হবে। প্রত্যক্ষ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি বা করতে পারেননি বলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদকে বীরত্বসূচক খেতাব দেওয়া হয়নি। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য যদি কাউকে খেতাব দেওয়া হয় তাহলে সবার আগে তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং অন্য নেতৃবৃন্দকে দিতে হয়। সেই সময়ের সব কজন এমএনএ, এমপিকে দিতে হয়। ছাত্রনেতা, যুবনেতা ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে দিতে হয়। কিন্তু মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীকেও দেওয়া হয়নি প্রত্যক্ষ যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করার জন্য। অথচ জনাব এ কে খন্দকার কোনো সম্মুখযুদ্ধে অংশ না নিয়ে নিজের খেতাব নিজেই নিয়ে নিয়েছিলেন। এরাই কেউ কেউ ভারতে নিরাপদে থেকে বলার চেষ্টা করছেন, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ভারতের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ বা বোঝাপড়া না করে তাদের অথই সাগরে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন। সত্যিই যদি যোগাযোগ না হতো, শরণার্থীদের কথা বলছি না, সামরিক-বেসামরিক কর্মচারীদের কথা বলছি, পাকিস্তানি কর্মচারী হিসেবে সীমান্ত পেরিয়ে এক পা দিতেই তাদের কারাগারে ঢোকানো হতো। খালি হাত-পায়ে গেলেও ছাড় দেওয়া হতো না। আর যারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন তাদের ফাঁসি না হলেও যাবজ্জীবন কোর্ট মার্শাল হতো। কষ্ট হলেও জামাই আদরে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারতেন না। তাই নব্য পণ্ডিতদের ধারণামত ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা না করে আকারে-ইঙ্গিতে ‘আক্কেল মানকে লিয়ে ইশারা হি কাফি’ তেমন ঘোষণা করে আমাদের মঞ্জিল মকসুদে পৌঁছতে যে পথ দেখিয়ে ছিলেন, সেটাই ছিল যথার্থ। ভালো শিকারির মতো আমাদের নেতা কাজ করেছিলেন। সাপও মরেছে, লাঠিও ভাঙেনি। আর সরাসরি ঘোষণা দিলে অপরিণামদর্শী হিসেবে নেতাকে তো ফাঁসিতে ঝোলানো হতোই, আমরা শত বছরে স্বাধীনতা পেতাম না। মাঝখান থেকে আক্রমণকারী হিসেবে চিহ্নিত হতাম। জনতার আদালতে পাকিস্তানিদের বদলে আমাদের আসামি হিসেবে দাঁড়াতে হতো।

কী লিখি ছাই, বড় জ্বালায় আছি। এই সেদিন একটা ভাই তার দুইটা ছোট্ট ছোট্ট বৈমাত্রেয় ভাইকে শ্বাসরোধে মেরে ফেলেছে। গ্যাসের চুলায় বিস্ফোরণ ঘটে চারজনের একটা পরিবার তছনছ হয়ে গেছে। দুই সন্তানসহ কর্তা ইতিমধ্যেই মারা গেছেন। যে মহিলা বেঁচে আছেন তারও অবস্থা ভালো নয়। পাকিস্তানি হানাদাররা বাঙালিদের হত্যা করে এক গর্তে মাটিচাপা দিত। সেদিন শুনলাম হবিগঞ্জে চারটি শিশুকে হত্যা করে একত্রে মাটিচাপা দিয়েছে। কত কিছু ভাবী পিতাকে নিয়ে লিখব, তার পিতৃত্ব নিয়ে লিখব। কিন্তু যখনই এসব দেখি এলোমেলো হয়ে যাই। যে জাতি শুধু আত্মমর্যাদার জন্য এত রক্ত দিয়েছে, ভোটাধিকারের জন্য জীবন দিয়েছে আজ তারা ভোটাধিকারহীন কাঙাল। এমন এক অথর্ব নির্বাচন কমিশন, যার কোনো সকাল-বিকাল নেই। দেশে প্রথম দলীয়ভাবে ঘোমটা খোলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। শতাধিক আসনে যেনতেন করে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছে। আইয়ুব খানও অত জনপ্রিয় ছিল না, যে রকম জনপ্রিয়তা দেখাচ্ছে বর্তমান সরকার বা সরকারি দল। যে দেশে পদের জন্য মানুষ জীবন দেয়, সেই দেশে জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনের ১৫৩টা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়, বাকিগুলো বিনা ভোটে। আবার ইউপি নির্বাচনে এমন আশা করা যায়? আমি চাই রাজনৈতিক দল হিসেবে সরকারি দলের যথাযথ মর্যাদা থাক। শুধু পুলিশের শক্তিতে নয়, জনগণের শক্তিতে রাষ্ট্র চলুক। কিন্তু সে গুড়ে বালি। জনগণ সরকারের সঙ্গে নেই, সরকারও জনগণের সঙ্গে নেই। এই দড়ি টানাটানিতে অনেকের নাভিশ্বাস উঠেছে। কে কার কথা শোনে, কেউ কারও কথা শোনে না। সবার যে ঘোড়ারোগ হয়েছে।

গত পয়লা সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল-৪, কালিহাতী আসন শূন্য হলে ১৫ সেপ্টেম্বর তাতে অংশ নেওয়ার ঘোষণা করেছিলাম। ওই একই দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষিত হয়েছিল, মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর, যাচাই-বাছাই ৩ অক্টোবর, ভোট ২৮ অক্টোবর। যেই আমি অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিলাম, পরদিন আবার পুনঃ তফসিল করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১১ অক্টোবর, যাচাই-বাছাই ১৩ অক্টোবর, ভোট গ্রহণ ১০ নভেম্বর। আমি ১১ অক্টোবর বৈধভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিলে ১৩ অক্টোবর যাচাই-বাছাইয়ের সময় অবৈধভাবে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করলে নির্বাচন কমিশনে আপিল করি। সেখানে কোনো প্রতিকার না পেয়ে হাইকোর্টে যাই। ২১ অক্টোবর মহামান্য হাইকোর্ট মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করলে ২২ অক্টোবর রিটার্নিং অফিসার আমার নামে মার্কা বরাদ্দ করলে আমরা নির্বাচন কার্যক্রম চালিয়ে যাই। এক সপ্তাহ পর সবাইকে অবাক করে দিয়ে ২৭ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন সুপ্রিমকোর্টে আপিল করে। সেই ছেলেবেলা থেকেই কোর্ট-কাছারিতে চলাফেরা। মুনসেফ কোর্টের কোনো রায় জজকোর্টে আপিল হলে কখনো মুনসেফ কোর্টকে বাদী হতে দেখিনি। জজকোর্টের রায় হাইকোর্টে আপিল হলে কোনো দিন জজকোর্ট হাইকোর্টে বাদী হয়নি। নির্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান। তার কাজ নির্বাচন পরিচালনা করা। সেই কমিশন যদি কোনো প্রার্থীর প্রতিপক্ষ হয় তাহলে সে নির্বাচন পরিচালনা করবে কী করে? মাননীয় চেম্বার জজ বিষয়টি ২ নভেম্বর সুপ্রিমকোর্টের ফুল বেঞ্চে বিচারের জন্য পাঠিয়ে দেন। মাননীয় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে সুপ্রিমকোর্টের চারজন মাননীয় বিচারপতির ফুল বেঞ্চ সেদিন সামান্য শুনানির পর ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য মামলাটি হাইকোর্টের এক নির্দিষ্ট বেঞ্চে পাঠান। আমাদের বিষয়বস্তু ছিল মনোনয়ন বৈধ, কি বৈধ নয়। আমরা আমাদের কাগজপত্র দিয়েছিলাম। নির্বাচন কমিশন ব্যাংকের হয়ে অনেক কাগজপত্র দিয়েছিল। তাদের কাগজপত্রেই তাদের জালিয়াতি ধরা পড়েছিল। এক নাগাড়ে আট দিন শুনানি হয়েছে। শুনানিতে জজ সাহেবরা অনেক কথা বলেছেন। আমি নিবিষ্ট মনে তাদের কথা শুনে অভিভূত হয়েছি। সুপ্রিমকোর্ট হাইকোর্টে পাঠিয়েছিলেন ব্যাংক সম্পর্কে অমীমাংসিত প্রশ্নের মীমাংসার জন্য। শেষ পর্যায়ে মহামান্য কোর্ট একেবারে ব্যাংকের ব্যাপারে না গিয়ে বলে দিলেন সংবিধানের ১২৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে রিট পিটিশনটি সধরহঃধরহধনষব নয়। মহামান্য হাইকোর্ট আমাকে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে যেতে বলেছেন যা হবে নির্বাচনের পরে। অথচ নির্বাচনে অংশ না নিলে ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার কোনো পথ নেই। আর আমরা প্রতিকার চেয়েছি নির্বাচনের আগে, নির্বাচনের পরে নয়।

যেখানে মার্কা দিয়ে দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের আপিলের কোনো সুযোগ ছিল না। নির্বাচনের পর প্রতিকারের জন্য তাদের ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার কথা, সেখানে আমাদের ট্রাইব্যুনালে যেতে বলেছেন। আমরা যথাযথ সময় সুপ্রিমকোর্টে এর প্রতিকারে আপিল করেছি। সুপ্রিমকোর্ট রায়ের সার্টিফাইড কপি পাওয়া পর্যন্ত দুই সপ্তাহ সময় দিয়েছিলেন। গত বুধবার রায়ের সার্টিফাইড কপি পাওয়া গেলে বৃহস্পতিবার আমরা এফিডেভিট করি। রবিবার সুপ্রিমকোর্ট ইলেকশন কমিশনকে নোটিস করে। অথচ সেই ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন সুপ্রিমকোর্টে আপিল থাকার পরও শুধু ভোটারদের বিভ্রান্ত করার জন্য ২০ মার্চ নতুন করে নির্বাচনী তারিখ ঘোষণা করেছে। জানি না, এতে করে আদালত অবমাননা হয়েছে কিনা।

     লেখক : রাজনীতিক

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়