শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৩৪, বৃহস্পতিবার, ১০ মার্চ, ২০১৬

জনগণের আস্থাই বিচার বিভাগের শক্তি

মইনুল হোসেন
অনলাইন ভার্সন
জনগণের আস্থাই বিচার বিভাগের শক্তি

গণতন্ত্র ও আইনের শাসন রক্ষার জন্য সুপ্রিমকোর্টের বিচারকদের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা শাসনতন্ত্রেই দেওয়া হয়েছে, যাতে ক্ষমতার রাজনীতি বিচারকার্যকে বিপর্যস্ত করতে না পারে। সরকারের পক্ষ থেকেই প্রচেষ্টা চলছে বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখার। সরকার কর্তৃক সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রিত সংসদ সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিদের বিচার করবে। ফলে মন্ত্রীদের সাহস তো বাড়ারই কথা।

বিচারাধীন মামলা নিয়ে সুপ্রিমকোর্টের ব্যাপারে প্রধান বিচারপতিকে জড়িয়ে দুজন মন্ত্রীর বক্তব্যকে অ্যাটর্নি জেনারেল শাসনতন্ত্র ভঙ্গের শামিল বলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।  মন্ত্রীদ্বয়ের বিতর্কিত বক্তব্যের সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই বলে পরিষ্কার বক্তব্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ভালো করেছেন। এখন সম্পৃক্তদেরই দায়দায়িত্ব বহন করতে হবে।

মুষ্টিমেয় লোকের দুর্বলতার মূল্য দিতে হচ্ছে সমগ্র জাতিকে। বিচার বিভাগের রাজনৈতিক দুর্বলতা এখন নিজেদের জন্যও অভিশাপ হয়ে দেখা দিচ্ছে। নির্বাচনী রাজনীতির বিলোপ সুপ্রিমকোর্টের রায়ের মাধ্যমেই হয়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্রে ক্ষমতাসীন সরকারকে ক্ষমতায় রেখে নির্বাচন কোথাও হয় না। সুপ্রিমকোর্ট সেটাকে শাসনতন্ত্রসিদ্ধ করার ফলে এখন ভোটের রাজনীতি আর জনগণের হাতে নেই। শুধু জনগণই ভোটের রাজনীতি হতে বঞ্চিত হয়নি, ভোটবিহীন ক্ষমতার রাজনীতি বিচার বিভাগের জন্যও সমস্যা সৃষ্টি করে চলছে। বিচার বিভাগও রাজনৈতিক অসহনশীলতার বাইরে থাকতে পারছে না।

বিচার বিভাগ এখন জনগণের আস্থা রক্ষার চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। সুপ্রিমকোর্টে বিচারাধীন মামলার রায়ের ব্যাপারে চাপ সৃষ্টির জন্য দুজন মন্ত্রীর বক্তব্য সরকারের ভাবমূর্তির জন্যও বিব্রতকর। তারা বলতে চেয়েছেন বিচার সম্পন্ন হবে রাজনৈতিক নির্দেশে। যারা দাবি করেন যে, কোর্টের ব্যাপারে সরকারি হস্তক্ষেপ নেই, তাদের মিথ্যা প্রমাণ করা হলো।

বিচারপতিদের যৌথ শক্তিতেই বিচার বিভাগের ওপর জনগণের আস্থা রক্ষা করতে হবে।

আমাদের ভাগ্য ভালো যে, অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ন্যায় এখন পর্যন্ত জনগণ বিচারব্যবস্থার ওপর তাদের আস্থা হারায়নি। কিন্তু তারপরও নিম্ন আদালতকে রাজনৈতিক চাপমুক্ত রাখার জন্য সুপ্রিমকোর্টকেই শক্তি জোগাতে হবে, দিকনির্দেশনা দিতে হবে। কারণ যা-ই হোক না কেন, ক্ষমতাসীনদের অনেকেই শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় বিচার বিভাগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে চান না। যখন লোকেরা বিচারবঞ্চিত হয় তখনই দেশে আইন না মানার প্রবণতা ও সংকট বিরাজ করে। যার ফলে সামাজিক ভারসাম্য ভেঙে পড়ে এবং নৈরাজ্যের পথকে প্রশস্ত করে।

সুবিচার নিশ্চিত করা জনগণের সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। শুধু কোর্ট-আদালতেই নয়, সরকারের সর্ব পর্যায়ের কর্মচারীদের দায়িত্ব জনগণের প্রতি সুবিচার করা। বর্তমান পরিস্থিতিতে সুবিচার পাওয়ার বিষয়টি সবার জন্যই অনিশ্চিত। সরকারি কর্মচারীরা রাজনৈতিকভাবে সিদ্ধান্ত দিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ভাবটা এমন যে, সুবিচার করার দায়িত্ব বিচারপতিদের। সভ্য সমাজে সব ক্ষেত্রেই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হয় যাতে নাগরিকদের অযথা কোর্টে ছোটাছুটি করতে না হয়। কোর্টে মামলার সংখ্যা বাড়ানো সরকারের কাজ হতে পারে না। বাস্তবে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মামলা করতে গিয়ে গরিব জনসাধারণকে সর্বস্বান্ত হতে হচ্ছে। মামলা যত ছোটই হোক সরকারের বিরুদ্ধে মামলা লড়া যে কত কঠিন তা সহজেই অনুমেয়।

সামগ্রিকভাবে মানবিক বিচার বিবেচনা বোধের দারুণ অভাব দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য জীবনযাপনের নিশ্চয়তা ও নিরাপত্তার অভাব এমন চাপ সৃষ্টি করছে যে সন্তানের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে না পেরে মাতা-পিতাই তাদের সন্তানদের হত্যা করেছে।

শিশু হত্যার একাধিক ঘটনা গণমাধ্যমের সুবাদে আমরা জানার সুযোগ লাভ করেছি। মনে হচ্ছে আমরা এত বিবেকহীন হয়ে পড়েছি যে নিষ্পাপ শিশুদের জীবনের নিরাপত্তাদানের প্রশ্নেও সোচ্চার হতে পারছি না। জনজীবনে নিরাপত্তা প্রদানকারী পুলিশ সব ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। এ জাতীয় সংবাদ এখন আর নতুন কিছু নয়। পুলিশ কর্মকর্তাদের নাম দিয়ে অভিযোগ করেও কোনো কাজ হচ্ছে না। পুলিশ হয়তো এটাই বলবে যে, সবাই করছেন এ জন্য তারাও করছেন। প্রশ্ন উঠছে, নিজেদের দুর্বলতার জন্য জনসাধারণ উপায়হীন অবস্থায় ও নিরাপত্তাহীনতায় আর কত দিন ভুগবে।

ভয়ভীতির অসহায়ত্ব আমাদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেছে। আমরা জাতি হিসেবে যে এত ভীত হতে পারি তা মেনে নিতে পারছি না। ধারণা করার যথেষ্ট কারণ আছে যে, প্রকৃত অপরাধীদের বিচার হয় না। তাই মামলা যতই বাড়ছে, জামিনে মুক্তি পাওয়া যতই কঠিন করা হচ্ছে, দেশে বড় ধরনের অপরাধসমূহ বিনা বাধায় ঘটেই যাচ্ছে। পরিস্থিতির সুযোগ নিতে বিদেশ থেকেও অপরাধীরা বাংলাদেশে আসছে। ব্যাংকের টাকা লুট করা এখন সবার জন্যই সহজ। 

ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের স্বেচ্ছাচারিতার হাত থেকে সমাজকে রক্ষা করার জন্য বিচার বিভাগের বিরাট দায়িত্ব রয়েছে। সবাইকে বুঝতে হবে, জাতি আজ কতটা নিঃসঙ্গ এবং তাদের নিরাপদে থাকার প্রত্যাশা কতটা অবাস্তব হয়ে পড়েছে।

বিচারব্যবস্থায় রাজনীতির অশুভ তত্পরতা মানুষকে হতাশ করছে সবচেয়ে বেশি। জাতি আজ অবাক বিস্ময়ে লক্ষ করছে মানহানির মামলা কোর্টে অন্যেরা দায়ের করছে। যার মানহানি হয়েছে তাকে কিছু করতে হচ্ছে না। কোর্ট এসব মামলা গ্রহণ করছে, সমনও জারি করছে। কথিত অপরাধীকে এভাবে কোর্টে হাজির হতে বাধ্য করা হচ্ছে। সত্য হচ্ছে, একজন সম্পাদকের বিরুদ্ধে খাঁটি মানহানির অভিযোগ আইনগতভাবেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় রুজু করা যেত। সমস্যা হলো রাজনৈতিক কারণে মানহানি মামলার আইনের অপপ্রয়োগে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। আমাদের দেশে দেওয়ানি এবং ফৌজদারি মানহানির একই সংজ্ঞা। কোটি কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে দায়েরকৃত মানহানির মামলা ফৌজদারি হতে পারে না।

এটা সত্যি যে, এ ধরনের অস্বস্তিকর পরিস্থিতির প্রতিকারের উদ্দেশ্যে সাংবাদিকরাই আইনটিতে যৌক্তিক পরিবর্তন আনার ব্যাপারে উদ্যোগী ও মনোযোগী হননি। প্রেস কমিশন রিপোর্টে (যে কমিশনে আমিও ছিলাম) এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করা হয়েছিল যে, মানহানির মামলাকে এমনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে হবে যাতে সব ধরনের মামলা ফৌজদারি মামলা হিসেবে দেখা হবে না। অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ক্ষতিপূরণ চেয়ে করতে হয়। তাতে সাংবাদিকদের জামিন নেওয়ার প্রশ্ন ওঠে না। একই মানহানির মামলা একাধিক স্থানে হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে না।

রিপোর্ট বেরিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি চিঠির ভিত্তিতে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা করেছে কিন্তু রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ হতে হলে যে উপাদান থাকা দরকার তা তলিয়ে দেখার ব্যাপারে বাদীপক্ষের কোনো মাথাব্যথ্যা নেই। একটি জাতীয় দৈনিকে এ রকম একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হতে দেখে আমরা অবাক হয়েছি। রাষ্ট্রদ্রোহিতার মতো গুরুতর অপরাধকে সহজ ব্যাপার মনে করা সরকারের জন্য দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ।

দেশে এত ঘন ঘন খুনখারাবির ঘটনা সংঘটিত হতে দেখে যে কেউ একে মানবতাবিরোধী অপরাধ বলতে পারে। বাস্তবে প্রত্যেকটি হত্যাকাণ্ডই মানবতাবিরোধী অপরাধ। রাষ্ট্রদ্রোহিতা বস্তুত সরকারের বিরুদ্ধে একটি মারাত্মক অপরাধ এবং কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এ জাতীয় অভিযোগ কোনো সরকার সহজে কোর্টে আনয়ন করে না। গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হলে গোপন তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে অবহিত হতে পারেন। গণতান্ত্রিক কোনো সরকার এ রকম বিচ্ছিন্ন মন্তব্যে মাত্রাতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখায় না। কিন্তু প্রায়শই কারও না কারও বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক মামলার ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এতে আসলে সরকারের নিজের ভীতি-সন্ত্রস্ততাই প্রকাশ পায়।

যেটা অত্যন্ত দুশ্চিন্তার বিষয় তা হচ্ছে, ক্ষমতার ভয়ভীতি দেখানোর জন্য ক্ষমতাসীনদের মধ্যে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করার সহজ প্রবণতা। এভাবে সুবিচার পাওয়ার বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। জনগণ কারও ওপর বিশ্বাস রাখতে পারছে না।

বিচার বিভাগের সুনাম ও মর্যাদার বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। দেশের আইনশৃঙ্খলাহীন পরিস্থিতির অবনতি রোধে বিচারব্যবস্থাকে হয়রানিমূলক হতে না দেওয়া একান্ত অপরিহার্য। বিচারব্যবস্থার নামে অসহায় মানুষদের জেলে রাখা বন্ধ করতে জামিন পাওয়ার ব্যাপারটি সহজ করা প্রয়োজন। একজনের অপরাধ অপরের ঘাড়ে চাপানো সহজ হলে আসল অপরাধীদের অপরাধ করার সুযোগ বেশি সৃষ্টি হয়। আমাদের দেশের রাজনীতি প্রকৃত অপরাধীদের রক্ষা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে চলেছে। 

পুলিশ যাতে আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ করে তা নিশ্চিত করতে হবে বিচার বিভাগকেই। পুলিশের ওপর রাজনৈতিক চাপ এত বেশি যে বিচার বিভাগ কিছুতেই তা উপেক্ষা করতে পারে না। পুলিশ মামলা দিয়ে যা বলে তাকেই সত্যি হিসেবে গ্রহণ করার মতো অবস্থা দেশে নেই। জনমনে ক্ষোভ দেখা দিচ্ছে তাদের অসহায়ত্বের জন্য। দোষের ভাগ নিতে হচ্ছে বিচার বিভাগকেই। জনজীবনের প্রায় সবক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে ক্ষমতার স্বেচ্ছাচারিতা। জবাবদিহিতার তোয়াক্কা করতে হয় না কাউকে।

জনগণের স্বাধীনতার সংরক্ষণকারী হিসেবে গুরুদায়িত্ব বহনের কারণে শাসনতন্ত্রে কেবল বিচার বিভাগকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। শাসনতান্ত্রিকভাবে সরকারের অন্য কোনো বিভাগকে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে এ ধরনের স্বাধীনতা ভোগ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার শক্তি সুবিচার করার সাহস। সুবিচারের সাহস ব্যতীত বিচার বিভাগের স্বাধীনতাও রক্ষা পায় না। আমাদের নিজেদের ব্যক্তি স্বাধীনতার ব্যাপারেও একই সত্য প্রযোজ্য। স্বাধীনতা রক্ষার সাহস না দেখালে কারও স্বাধীনতাই ভোগ করা যায় না।

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলাগুলোর ক্ষেত্রে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করাকে অবশ্যই নিরুৎসাহিত করতে হবে। আইনের অপপ্রয়োগকে আইনের সঠিক ব্যবহার হিসেবে দেখলে আইনের প্রতি কারও শ্রদ্ধা থাকতে পারে না। আইনের অপপ্রয়োগ তো দুর্বৃত্তদের কাজ।

রাজনৈতিক মামলাগুলো অধঃস্তন আদালতের ওপর অযথা চাপ সৃষ্টি করে জামিন ও রিমান্ড বিবেচনার ক্ষেত্রে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলাগুলোতে সরকারি অবস্থানই হলো জামিন মঞ্জুরের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য পুলিশ রিমান্ডে পাঠানো এখন সাধারণ ব্যাপার হয়ে গেছে। কারণ সরকার পক্ষ রাজনৈতিক মামলাগুলোর এ তাগিদ জোরালোভাবে অনুভব করে যে, অভিযুক্ত নেতা-কর্মীরা পুলিশ রিমান্ডের অসহায়ত্ব ভোগ করুক। এ ধরনের রিমান্ড শাসনতন্ত্রসম্মত, না শাসনতন্ত্রের লঙ্ঘন, সেটা কোনো বিষয় নয়। বিচারিক প্রক্রিয়ার সামনে বিচারপ্রার্থী জনগণকে অসহায় করা আইনের শাসনের কথা নয়।

কোর্ট-আদালত যে দুর্বল জনগণের শক্তি এ ধরনের চিন্তাভাবনা বিচারকদের মধ্যে অবশ্যই থাকতে হবে।

অধঃস্তন আদালতে যেখানে বিচারের ভিত্তি তৈরি হয় সেখানে বিচারিক ব্যবস্থার বিশুদ্ধতা রক্ষার জন্য সবকিছু করতে হবে। সাধারণ মানুষের ধারণা অধঃস্তন আদালতের ব্যাপক দুর্নীতি দূর করতে হলে বিচারব্যবস্থাকে ব্যক্তির অধিকারের রক্ষক হতে হবে। জামিনে মুক্তি দিতে হবে মামলা পরিচালনায় ব্যক্তির স্বাধীন অধিকার রক্ষার প্রয়োজনে।  দলীয় রাজনীতির স্বার্থে ব্যবহৃত পুলিশের বক্তব্য সন্দেহের চোখে দেখাই হবে সুবিচারের পূর্বশর্ত। সাক্ষ্য-প্রমাণের অপেক্ষায় থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নির্দোষ দেখা আইনের শাসনেরই কথা।

জনগণের প্রতি সুবিচার করার শক্তিই হবে বিচার বিভাগের শক্তি। বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে সবার কাছে যথার্থভাবেই আবেদন রেখে যাচ্ছেন। কিন্তু বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি বলতে বোঝায় বিচার বিভাগের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা।  নিজেদের সাহস ও বিবেক দিয়েই এ আস্থা তৈরি করতে হয় বিচারকদের।


লেখক : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা।


বিডি-প্রতিদিন/ ১০ মার্চ, ২০১৬/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়