শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৫৪, শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৬

পুলিশি পদ্ধতি ন্যায়বিচারের সহায়ক হতে হবে

মইনুল হোসেন
Not defined
অনলাইন ভার্সন
পুলিশি পদ্ধতি ন্যায়বিচারের সহায়ক হতে হবে

সবারই দেখতে পাওয়ার কথা, পুলিশের ঢালাও ক্ষমতা কিভাবে দেশকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে। প্রমাণ হয়ে গেছে যে পুলিশের ক্ষমতার প্রদর্শনী প্রকৃত অপরাধীদের জন্য বিশেষ কোনো হুমকি নয়। স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ হিসেবে শুধু প্রকাশ্য রাজনৈতিক বিক্ষোভকে দমন করা হয়েছে।

বড় ধরনের অপরাধ করতে প্রকৃত অপরাধীদের কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। তারা দেখিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফুটো করে দিয়ে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে কত সহজে ১০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হাতিয়ে নেওয়া যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিজের দায়িত্ব ভুলে গিয়ে অন্য বিষয় নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। জনগণের টাকার এত বড় ডাকাতির ঘটনাটিকে গোপন রেখে তার পক্ষে ভারত সফরে যেতে অসুবিধা হয়নি। তিনি জানতেন তার কিছু হবে না। গোয়েন্দা বিভাগকে ব্যস্ত রাখা হয়েছে রাজনীতি নিয়ে। বাংলাদেশ ব্যাংকে কি হচ্ছে সে সম্পর্কে তাদের কিছু জানা ছিল বলে মনে হচ্ছে না।

ব্রিটেন নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশ থেকে লন্ডনে বিমানযোগে পণ্য পরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে; যদিও বিমানবন্দরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের লোকজনের বিপুল উপস্থিতি চোখ এড়ানোর মতো নয়। বিমানবন্দরে বিদেশে যাওয়ার কার্গো পরীক্ষা করা কোনো দুর্লভ টেকনোলজির বিষয় হতে পারে না— বিমানবন্দরে কর্মরত কর্মকর্তাদের সততা ও দক্ষতার বিষয়ই যথেষ্ট। এখন দেশের প্রধান বিমানবন্দর থেকে বিদেশে মালামাল পাঠানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিদেশি কোম্পানিকে নিয়োগ করতে হবে।

কোনো অপরাধ ঘটে গেলে পুলিশি রাষ্ট্রের আদলে পুলিশ মামলা দায়েরে ব্যস্ত থাকে। পুলিশের কাজ যেন শুধু মামলা করা, জনজীবনের নিরাপত্তা দেখা নয়। পুলিশ নিজেরাও তাদের অবাধ ক্ষমতার সুযোগ নিচ্ছে, এতে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে পুলিশ বাহিনী এবং রাষ্ট্র। বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে পুলিশের অপরাধ দমনের সাফল্য। যদি কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করলেই মামলা হয় তাহলে পুলিশি তদন্তের প্রয়োজন থাকে না। তারপরও সম্পূর্ণ অসহায়ভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ রিমান্ডে নেওয়া হয়। পুলিশি রিমান্ড ব্যবস্থা আমাদের বিচার ব্যবস্থায় বিচার প্রার্থীর অসহায়ত্বই প্রকাশ করছে।

অপরাধীরা যখন অপরাধ সংঘটনের অফুরন্ত স্বাধীনতা ভোগ করছে তখন সঙ্গত কারণেই পুলিশের কাছে সাধারণ মানুষের অসহায়ত্ব বেড়ে যাচ্ছে। অন্যায়কারীদের ব্যাপারেও পুলিশের সাহায্য নিতে জনগণকে ভয় পেতে দেখা যাচ্ছে। তাদের ভীতির কারণ, পুলিশ বাস্তবে সাধারণ জনগণকে কতটা সাহায্য করতে পারবে সে ব্যাপারে সংশয়। রাজনীতির মাধ্যমে পুলিশি কর্মকাণ্ড ভীষণভাবে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। দেশে চলছে মামলা দেওয়ার রাজনীতি। 

আমাদের বিচার ব্যবস্থা দেশের বাস্তবতা হতে বিচ্ছিন্ন হতে পারে না। তাহলে সুবিচার অসম্ভব হতে বাধ্য। পুলিশ মামলা দিলেই তাকে জেলে যেতে হবে, এটা তো আইনের শাসনের কথা নয়। সুবিচারের কথাও নয়। কোনো গণতন্ত্রেই বিচার ব্যবস্থা আমাদের দেশের মতো জামিন না-মঞ্জুর করা এবং পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করা দ্বারা ভারাক্রান্ত নয়। অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের স্বাধীনতা দেওয়া না হলে বিচার ব্যবস্থা স্বচ্ছতা হারায়। জামিন না-মঞ্জুর করা অপরাধ প্রতিহত করার সহজ পথ হতে পারে না। এতে বরং প্রকৃত অপরাধীরা ধরা না পড়ার এবং সাজা না পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। পুলিশি বিচার ব্যবস্থার মতো পুলিশের মাধ্যমেই অপরাধীরা রক্ষা পেতে চায়। যাতে পুলিশ মামলা না দেয় বা দিলেও চার্জশিট থেকে অব্যাহতি দেয়।

অপরাধসংক্রান্ত পুলিশি পদ্ধতি অবশ্যই সুবিচারের সহায়ক হতে হবে। পুলিশি বিচার পদ্ধতি নয়, বরং পুলিশের মাধ্যমে মানুষের অধিকার রক্ষার সক্রিয় বিচার ব্যবস্থাই সমাজকে অপরাধমুক্ত রাখতে সাহায্য করে। এটা তো অস্বীকার করার উপায় নেই যে, পুলিশের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি করা হয়েছে, তাদের তত্পরতাও বেড়ে গেছে। মামলার চাপে কোর্টসমূহ দিশাহারা হওয়ার উপক্রম। কিন্তু সন্ত্রাসী তত্পরতা বেড়েই চলেছে। শিশুরা পর্যন্ত খুনিদের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। ব্যাংক ডাকাতি তো স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে পড়েছে। অন্যান্য অপরাধও বেড়ে চলেছে। বলা হচ্ছে খুন-খারাবির মতো অপরাধে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য ভাড়াটিয়া পাওয়া যায়। তাদের নিরাপত্তা শেষ পর্যন্ত কাজে লাগে কিনা জানি না। কিন্তু এরূপ দলবদ্ধ লোকেরা সেই আশ্বাসই দিয়ে থাকে। পুলিশের অস্তিত্ব উপেক্ষা করে প্রকাশ্যে খুন-খারাবির ঘটনা তো বেড়েই চলেছে। মোটকথা, প্রচলিত পুলিশি পদ্ধতি অপরাধ বৃদ্ধিতেই সাহায্য করছে।

বিচার ব্যবস্থায়ই পারে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে। পুলিশকে অপরাধ দমনের শেষ ভরসা ভাবলে বিচার ব্যবস্থাই প্রহসনে পরিণত হবে। পুলিশের ওপর আস্থা রাখা সম্ভব করতে হবে। কিন্তু পুলিশকে সততার সঙ্গে কাজ করার স্বাধীনতা কতটা আমাদের দেশে রয়েছে সেটাই বড় প্রশ্ন। 

যদি বিচার ব্যবস্থা ব্যক্তিগত ও সরকার বাদী মামলায় সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার সহজ হাতিয়ারে পরিণত হয় তবে সত্য গোপন থাকা এবং অপরাধীদের রক্ষা করার প্রবণতার কারণে ন্যায়বিচার বাধাপ্রাপ্ত হবেই। বাংলাদেশের জনগণ সেই ভোগান্তিতে ভুগছে। হয়রানিমূলক মামলা বন্ধের পথ মামলা দিয়ে জেলে আটক রাখা নয়। জামিন সহজ করার যুক্তি এখানেই।

আমাদের আচরণ এমন যে পুলিশ একটা মামলা দায়ের করার সঙ্গে সঙ্গে সাজা ভোগের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। কীভাবে জামিন নেবে, পুলিশ রিমান্ড থেকে রক্ষা পাবে এসব দুশ্চিন্তায় অভিযুক্তের জীবন দুঃস্বপ্নময় হয়ে ওঠে। এতে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার হয়। প্রকৃত অপরাধীরা নিরাপদ দূরত্বে থাকার সুযোগ পায়। বিপজ্জনক অপরাধী হিসেবে অতীত রেকর্ড না থাকলে অভিযুক্তকে জামিন দেওয়া উচিত। জামিনকে বিনা বিচারে সাজার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা আইনের শাসনের পরিপন্থী।

জামিন না পেয়ে কারাযন্ত্রণা ভোগকারী একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি মনে করেন যে, আমাদের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা হচ্ছে ‘আগে শাস্তি, পরে বিচার করে দেখা হবে অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী না নির্দোষ’ তাহলে তাকে দোষ দেওয়া যাবে না। জামিন প্রদানে বিরোধিতা এবং অতি সহজে পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করা আমাদের বিচার প্রক্রিয়াকে ভীতিকর ও দুর্নীতিগ্রস্ত করে ফেলেছে।

পুলিশি বিচার মেনে নেওয়া সুবিচার নয়।

দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হওয়া ছাড়া কোনো দেশেই ন্যায়বিচার সম্ভব নয়। রাজনৈতিক ব্যবস্থার কারণে আমাদের দেশে ন্যায়বিচার করা অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়েছে। এখানে রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ। এখানে আইনের শাসন ব্যবস্থা টিকে থাকার বিষয়টি অসহায়ত্বে ভুগছে। কিন্তু বিচারকরা তো হাল ছেড়ে দিতে পারেন না। আইনের শাসনভিন্ন বিচার বিভাগের তো প্রয়োজনীয়তা থাকে না।

স্বীকার না করে উপায় নেই যে, আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ন্যায়বিচার করা বিচারকদের জন্য বিরাট সাহসের ও ঝুঁকির ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। কারণ আইনের শাসন কি তা ক্ষমতাসীনদের অনেকেই বুঝতে চান না এবং তাদের অনেকেই এর প্রয়োজনীয়তাও স্বীকার করেন না। পুলিশের রাজনৈতিক বিচারের গুরুত্বই যেন তাদের কাছে বেশি। বিচার বিভাগের সংবিধান প্রদত্ত স্বাধীনতাও ভালো অবস্থায় নেই। সরকার দ্বারা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রিত জাতীয় সংসদ এখন সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিদের বরখাস্ত করার ক্ষমতা হাতে নিয়েছে। সংবিধানের রক্ষক হিসেবে বিচার বিভাগকে অবশ্যই পদানত করার এ চেষ্টা প্রতিহত করতে হবে। সংবিধান রক্ষা করা বিচার বিভাগের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা না করতে পারলে শাসনতন্ত্রও রক্ষা পাবে না।

বিচার বিভাগের ক্ষমতা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অধিকার। তাই বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা করার দায়িত্ব বিচার বিভাগের একার নয়। জনগণের বর্তমান অসহায় অবস্থায় বিচার বিভাগের শাসনতান্ত্রিক ও আন্তর্জাতিক শক্তি সম্পর্কে তারা আশাবাদী হতে চায়। ক্ষমতার নেশা খুব খারাপ নেশা। বিচার ব্যবস্থা এর প্রতিষেধক। সবকিছুর পরও আশার কথা, সুপ্রিমকোর্টকে ভয় করে চলতে হয় সরকারি নেতা-কর্মীদেরও। বিচার বিভাগের ওপর প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ।   

আমাদের রাজনীতির ধরন দেখে বুঝতে হবে যে, বিচারকদেরই একটি সুষ্ঠু বিচার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। ক্ষমতাসীনরা যাতে ক্ষমতাপাগল না হতে পারেন সে জন্যই বিচার বিভাগের স্বাধীনতা। অর্থাৎ ক্ষমতাপাগল তারা রাজনীতিবিদ হোক বা পুলিশ হোক তাদের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করা স্বাধীন বিচার বিভাগেরই দায়িত্ব। এ জন্যই বলা হয় বিচার বিভাগের হাত অনেক লম্বা।

সুসভ্য জীবনযাপনের শর্ত হচ্ছে বিচার ব্যবস্থা দ্বারা নাগরিক অধিকারের সুরক্ষা করা। স্বাধীন দেশে বিচার ব্যবস্থাকে প্রহসনে রূপান্তরিত করার চিন্তা-ভাবনা কারও থাকার কথা নয়। জনগণ হিসেবে আমাদের প্রদত্ত শাসনতন্ত্র ও নিজস্ব শাসনতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করার ব্যাপারে আমরা নিজেদের অতিমাত্রায় ভীতু একটা জাতি হতে দিতে পারি না। সবকিছু শেষ হতে দেওয়ার আগেই আমাদের সতর্ক হতে হবে। সাহস দেখাতে হবে। সাধারণ মানুষকে সাহস দেখাতে বলা ধোঁকাবাজি, সাহস দেখাতে হবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের দায়িত্ব পালনে।

লেখক : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়