শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৫১, সোমবার, ২১ মার্চ, ২০১৬ আপডেট:

বিএনপির কাউন্সিল কি শুধুই নাটক?

আবু হেনা
Not defined
অনলাইন ভার্সন
বিএনপির কাউন্সিল কি শুধুই নাটক?

সম্প্রতি আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা দেখলাম বিএনপির চেয়ারম্যান ও ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হলো। নাটকটা ভালোই করেছে। কাকে নির্বাচিত করা হলো? দুজনই আসামি। একজন এতিমের টাকা আত্মসাৎ মামলার আসামি। আরেকজন তো ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা—যেখানে আইভি রহমানসহ অনেককে হত্যা করা হয়, মানি লন্ডারিং দুর্নীতির মামলায় পলাতক আসামি। সে পলাতক আসামির নাম ইন্টারপোলে। ইন্টাপোলে যার নাম আসামি হিসেবে ওয়ান্টেড হিসেবে আছে সে হলো বিএনপি নেতা। তাহলে সে দল মানুষকে কী দেবে?

প্রধানমন্ত্রীর শেষ প্রশ্নটির উত্তর এদেশের জনগণের জানা। বিএনপি এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান (বীরউত্তম) বাংলাদেশের মানুষকে অনেক কিছু দিয়েছে। মহিউদ্দিন আহমদের লেখা ‘বিএনপি সময় অসময়’ বইটিতে এর কিছু বর্ণনা দেওয়া হয়েছে; জিয়াউর রহমান সেনানায়ক থেকে রাষ্ট্রনায়ক হয়েছিলেন। বিএনপি নামের একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি, যা টিকে আছে আজও। তার নেতৃত্বের স্ফুরণ ঘটেছিল ১৯৭১ সালেই। মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরে। তার উত্থান ছিল নাটকীয়তায় ভরা। অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের উপ-অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান ২৫ মার্চ রাতে পাদপ্রদীপের আলোয় চলে আসেন। ...২৫ মার্চের মধ্যরাতে জিয়ার নেতৃত্বে অষ্টম বেঙ্গলের বাঙালি সদস্যরা বিদ্রোহ করলেন। এর আগে জিয়া সবার কাছে আনুগত্য চেয়েছিলেন। ...একটা চরম মুহূর্তে জিয়াউর রহমান সিদ্ধান্তটি নিতে পেরেছিলেন। তার সঙ্গে সঙ্গে মেজর মীর শওকত আলী, ক্যাপ্টেন খালেকুজ্জামান, ক্যাপ্টেন অলি আহমদ, ক্যাপ্টেন সাদেক হোসেন, লে. শমসের মবিন চৌধুরী, লে. মাহফুজুর রহমান এবং অষ্টম বেঙ্গলের অন্যান্য বাঙালি সদস্য ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলেন। একই বইয়ে মহিউদ্দিন আহমদ লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে বিভাজনের রাজনীতির বিয়োগান্ত শিকার হয়েছেন যে কয়েকজন জিয়াউর রহমান তাদের একজন। জিয়া শেখ মুজিবকে নেতা মানতেন এবং সব সময় তার সম্বন্ধে ইতিবাচক কথা বলতেন। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাকে যথেষ্ট সম্মান দেয়নি। ‘সেক্টর’ কমান্ডাররা বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মরণীয় ঘটনা বইতে শাহরিয়ার কবির মন্তব্য করেছেন, ‘আমরা বীরের সম্মান দিতে জানি না। কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে বাংলাদেশের একজন মাত্র মুক্তিযোদ্ধার ছবি আছে, বুকের ওপর দুহাত আড়াআড়ি করে দাঁড়ানো। তিনি জিয়াউর রহমান।’

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর দেশে যে ভয়াবহ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল তাতে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হয়ে পড়েছিল। ১৫ আগস্ট থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলেছিল ক্ষমতার লড়াই আর রাজনৈতিক উথালপাতাল। ১৫ আগস্ট মোশতাকের ক্ষমতা গ্রহণ এবং সামরিক আইন জারি, তারপর খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থান, একই দিনে চার জাতীয় নেতাকে কারাগারে হত্যা এবং ৭ নভেম্বর কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে সিপাহি-জনতার বিপ্লবের দিন খালেদ মোশাররফসহ শীর্ষ সামরিক অফিসারদের হত্যা— এসব কিছুর মাঝখানে সমাজ ও রাষ্ট্র উভয়ই এক বিরাট ঝুঁকির মধ্যে পড়েছিল। এ অবস্থায় মানুষ একটি স্থিতিশীল পরিস্থিতি চেয়েছিল। আর এ প্রেক্ষাপটেই জিয়াউর রহমানের একটি দেশপ্রেমিক এবং জাতীয়তাবাদী ভাবমূর্তি গড়ে ওঠে এবং বিএনপির মতো একটি রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব অনিবার্য হয়ে ওঠে। এ প্রসঙ্গে জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহকর্মী এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর একটি বক্তব্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক : ‘...রাজনৈতিক শূন্যতা তখন ব্যাপকভাবে অনুভূত হচ্ছিল। জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্ভূত বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, উত্পাদন ও সমাজকর্ম সমন্বিত রাজনীতি দিতে পারবে এমন রাজনীতির জন্য দেশ ও জাতি তাকিয়ে ছিল অনেক আশা-ভরসা নিয়ে। কেননা এগুলোই ছিল মুক্তিযুদ্ধের আসল চেতনা।’

জিয়াউর রহমান সামরিক বাহিনীর অফিসারদের জনপ্রশাসনে এনে সিভিল-মিলিটারি দ্বন্দ্বের ভারসাম্য রাখার নীতি প্রণয়ন করলেও প্রশাসন থেকে তিনি যথাসম্ভব সামরিক বাহিনীকে দূরে রেখেছিলেন। জিয়া তার সরকারের সম্পূর্ণ দলীয়করণও করেননি। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে তিনি নির্দলীয় ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়েছিলেন। এদের মধ্যে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী শামস্-উল হক। পরিকল্পনামন্ত্রী ফসিহ উদ্দিন মাহতাব, কৃষিমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) নুরুল ইসলাম, জনপ্রশাসনমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) মাজেদুল হক, শিল্পমন্ত্রী এস এম শফিউল আযম এবং অর্থমন্ত্রী ড. এম এন হুদা। তিনি অর্থনীতিতে ব্যক্তিপুঁজি এবং ব্যক্তিমালিকানার গুরুত্ব দিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতি এবং জাতীয় সংসদের মধ্যে এক ধরনের ভারসাম্য বজায় রাখেন। তিনি ১৯ দফা কর্মসূচির ওপরই বিএনপির ভিত রচনা করে গেছেন। ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ জাতীয় সংসদের ৩০০টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে বিএনপি ২০৭ আসনে জয়ী হয়ে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। ৭ মে ১৯৮৬ জাতীয় সংসদের নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করেনি। এরপর ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদের অরাজনৈতিক ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে যে নির্বাচন হয় তাতে বিএনপি ১৪০টি আসনে জয়ী হয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। পরে ২৮টি মহিলা সদস্য যুক্ত হলে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬৮টি। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিএনপির সংসদ সদস্য সংখ্যা ছিল ৩০০। ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে বিএনপির সংসদে আসন ছিল ১১৬টি। এরপর ২০০১ এ বিচারপতি লতিফুর রহমানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তাতে বিএনপি ১৯৩টি আসন পায় এর সঙ্গে যুক্ত হয় ৩৬টি মহিলা আসন। ফলে মোট আসন হয়ে যায় ২২৯টি। ২০০৮ এর নির্বাচনে বিএনপির আসন ছিল ৩০টি। ১৯৭৯ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্যরা সর্বমোট ১০২৮টি আসনে জয়ী হয়ে জাতীয় সংসদে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তারাই এ দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, জনগণের সেবা দিয়েছেন, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির স্থাপন করেছেন, গ্রামগঞ্জের প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছে দিয়েছেন রাস্তা, ব্রিজ, কালভার্ট, বিদ্যুৎ আর টেলিফোন সংযোগ। এই দল জনগণের সরাসরি নির্বাচনে নির্বাচিত দুজন রাষ্ট্রপতি জাতিকে উপহার দিয়েছে। বেগম খালেদা তিনবার প্রধানমন্ত্রী এবং দুবার বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ৫ম সংসদে সংসদীয় গণতন্ত্রের ভিত রচনা করে এবং ৬ষ্ঠ সংসদে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচনের প্রচলন করে। ১৯৯১ সালে ভ্যাট পদ্ধতি চালু করে বিএনপি এদেশের রাজস্ব প্রশাসনের বৈপ্লবিক গতি সঞ্চার করে। দলের চেয়ারপারসন এবং সিনিয়র ভাইস চেয়ারপারসন সম্বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অসত্য নয়। এ কথা সত্য যে, তারা দুজনই বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত আসামি। কিন্তু তারা কেউই আদালতের রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত নন। তাদের নির্বাচনের মধ্যে কোনো নাটকীয়তা নেই। বরং বিএনপির গঠনতন্ত্রে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বেগম খালেদা জিয়া গঠনতন্ত্র সংশোধন করে তার এবং তার পুত্র তারেক রহমানের নির্বাচন একই সঙ্গে কাউন্সিল অধিবেশনের আগেই সমাপ্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। সে অনুযায়ী একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে। তফসিল ঘোষিত হয়েছে এবং কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় কমিশন দুজনকেই নির্বাচিত ঘোষণা করেছে। কিন্তু গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় কাউন্সিলের পরবর্তী সভায় মোট কাউন্সিলরদের তিন ভাগের দুই ভাগ প্রস্তাবের অনুকূলে ভোট দিয়ে সংশোধনী গ্রহণ না করা পর্যন্ত এই নির্বাচন গঠনতন্ত্র মতে বৈধ বলে বিবেচিত হবে না।

অতএব, ১৯ মার্চ ২০১৬ বিএনপির যে ‘জাতীয় কাউন্সিল’ অনুষ্ঠিত হলো— তা এখন সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিএনপির গঠনতন্ত্রের ১০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘জাতীয় কাউন্সিল’ নামে দলের একটি জাতীয় কাউন্সিল থাকবে যার গঠন পদ্ধতি নিম্নরূপ হবে— প্রতি উপজেলা/থানা নির্বাহী কমিটির (মহানগর থানাসহ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক; ২) প্রতি পৌরসভা নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক; ৩) প্রতি জেলা নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক; ৪) প্রতি মহানগর নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক; ৫) প্রতি জেলা ও মহানগর নির্বাহী কমিটির কর্তৃক মনোনীত প্রতি জেলা ও মহানগর হতে দুজন মহিলা সদস্য; ৬) পার্লামেন্টারি পার্টির সদস্যবৃন্দ; ৭) জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ; ৮) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ; ৯) চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত উপরে বর্ণিত ১) হতে ৮) এর মোট সদস্য সংখ্যার শতকরা ১০ ভাগ।

গঠনতন্ত্রের পৃষ্ঠা ১১-তে বর্ণিত ‘জাতীয় কাউন্সিলের মূল দায়িত্ব ও ক্ষমতা হলো দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এবং জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করা এবং দলের গঠনতন্ত্র সংশোধন করা। এ ছাড়া গঠনতন্ত্রের ৩৩ পৃষ্ঠায় বর্ণিত বিধান অনুযায়ী জাতীয় কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দের সরাসরি ভোটে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে ৩ বছরের জন্য দলের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন। দলের সাংগঠনিক কাঠামোর গঠন প্রণালী অনুযায়ী উপজেলা/ থানাভুক্ত প্রতিটি ইউনিয়নের কাউন্সিলরদের মাধ্যমে নির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সদস্যদের নিয়ে দলের উপজেলা/থানা কাউন্সিল গঠিত হবে। এই কাউন্সিল দুই বছর মেয়াদি ১০১ জনের অনূর্ধ্ব একটি উপজেলা নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করবে। একইভাবে দলের পৌরসভা কাউন্সিলের মাধ্যমে পৌরসভা নির্বাহী কমিটি গঠিত হবে। এসব কমিটি জেলা কমিটি অনুমোদন দেবে। দলের জেলা কাউন্সিল প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক জেলাভুক্ত প্রতিটি উপজেলা/থানার ও পৌরসভার নির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সদস্যদের দিয়ে গঠিত হবে। অতঃপর কাউন্সিল সদস্যদের মধ্য থেকে দুই বছর মেয়াদে কাউন্সিল সদস্যদের মধ্য থেকে ১৫১ জনের অনূর্ধ্ব একটি জেলা নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত হবে।

দলের গঠনতন্ত্রের ১১ পৃষ্ঠা থেকে ২০ পৃষ্ঠায় দলের সাংগঠনিক নীতিমালা ও কাঠামো সন্বন্ধে বিস্তারিত বলা হয়েছে। দলের কেন্দ্রীয় দফতরে রক্ষিত নথিপত্র অনুযায়ী গত ৮-১১-২০১৪ এ যে জেলা/মহানগর আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছিল তারও মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর গত ৯ আগস্ট ২০১৫ দলের যুগ্ম মহাসচিব মো. শাহজাহান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি জেলা/ মহানগর সাধারণ সম্পাদক এবং আহ্বায়ক বরাবর পাঠানো হয়। চিঠিটির বিষয় ছিল : দলকে অধিকতর সংগঠিত ও সক্রিয় করা প্রসঙ্গে চিঠিতে বলা হয়; ‘দলের বিভিন্ন পদে দীর্ঘ দিন ধরে অধিষ্ঠিত অনেক পদধারী নেতা দায়িত্ব পালনে অযোগ্য, অনিচ্ছুক, নানা কারণে অক্ষম কিংবা স্বভাবগত ভীতি ও আপসকারিতার কারণে অথবা ব্যক্তিগত পারিবারিক কিংবা পেশাগত কারণে নিজ জেলা/মহানগর/উপজেলা/থানা/পৌর এলাকায় দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত থাকার ফলে দলের কার্যক্রম দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ব্যক্তির অনেকেই কোনো দায়িত্ব পালন না করেও নিজেদের পদ ও নেতৃত্ব ধরে রাখার লক্ষ্যে নতুন কমিটি গঠনে বাধা সৃষ্টি করে থাকেন এবং যোগ্য ও নতুন নেতা-কর্মীদের সক্রিয় হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার পরিবর্তে নানাভাবে বাধা সৃষ্টি করে।’ ‘অনিবার্য কোনো কারণে অথবা নেতৃত্বের অনীহা কিংবা অবহেলার কারণে যথাসময়ে কমিটি পূর্ণাঙ্গ/পুনঃগঠন/গঠিত না হওয়ার ফলে দল নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ও হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে দেওয়া যায় না। যত দ্রুত সম্ভব এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটার কোনো বিকল্প নেই।’  ‘এই লক্ষ্যে আপনাদের জেলা/মহানগরাধীন উপজেলা/থানা/ পৌর এলাকায় দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কমিটি গঠন করে তাদের প্রতিনিধিদের সম্মেলনের মাধ্যমে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ তারিখের মধ্যে জেলা/মহানগরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য আপনাদের দলের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে।’ দুর্ভাগ্য, ৯ আগস্ট ২০১৫ এর পর দীর্ঘ ৭ মাস অতিক্রান্ত হয়েছে কিন্তু চেয়ারপারসন কর্তৃক অনুমোদিত ও নির্দেশিত, দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের পক্ষে স্বাক্ষরিত পত্রটির নির্দেশনাবলি পরিপালিত হয়নি। পরিপালিত হলে অনেক আগেই সবকটি উপজেলা/জেলা/ থানা/পৌর থানা কমিটিগুলো গঠন হয়ে যেত এবং ২০০০ নির্বাচিত কাউন্সিলর ১৯ মার্চ ঢাকায় কাউন্সিলে যোগদান করত এবং চেয়ারপারসনসহ অন্য সব কর্মকর্তাকে নির্বাচিত করে দলের একটি বলিষ্ঠ নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে পারত, যা এই মুহূর্তে সবচাইতে বেশি প্রয়োজন। শেষ অবধি ৯ আগস্ট এর চিঠির কথাগুলোই স্বপ্রমাণিত হলো; ‘এসব ব্যক্তির অনেকেই কোনো দায়িত্ব পালন না করে ও নিজেদের পদ ও নেতৃত্ব ধরে রাখার লক্ষ্যে নতুন কমিটি গঠনে বাধা সৃষ্টি করেন এবং যোগ্য ও নতুন নেতা-কর্মীদের দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার পরিবর্তে নানাভাবে বাধা সৃষ্টি করেন।’ আজ এদের কারণেই পুরো কাউন্সিলটিই প্রশ্নবিদ্ধ। ১৯ মার্চ কাউন্সিলরবিহীন যে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হলো— তা দলকে এগিয়ে নিতে আদৌ কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে কিনা তা এখন দেখার বিষয়।  

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়