শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ আগস্ট, ২০১৯ ২১:৫৪
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০১৯ ২২:১৩

পাপাচারে অভ্যস্ত হতে হতে সমাজটাকেও তাদের মতো বানিয়ে ফেলছে!

পীর হাবিবুর রহমান

পাপাচারে অভ্যস্ত হতে হতে সমাজটাকেও তাদের মতো বানিয়ে ফেলছে!
পীর হাবিবুর রহমান

নষ্ট হবি হ। হতে থাক। মিথ্যাচার করবি? কর। করতে থাক। চরিত্র বলে কিছু রাখবি না? রাখিস না! সমাজটাকে লোভের লাভের ফণার ছোবলে বিষাক্ত করে শেষ করবি ? কর। শেষ করে দে। মানুষের জীবন অভিষপ্ত করে সমাজের ১২টা বাজিয়ে দে। দিতে থাক। কাল নাগিনীর মতোন বিষের ছোবলে শেষ করে দে।

একদল নর-নারী আছে যারা আত্মমর্যাদা আভিজাত্য রুচিবোধ কি জানে না। মূল্যবোধ সততা সত্যবাদীতা বিনয় কি তাও শেখেনি! প্রেম সরলতায় কোন বিশ্বাস নেই। মিথ্যার আবরণে মিথ্যা অহংকারে বাস করে। আয়নায় ভিতরের কুৎসিত ভয়ঙ্কর চেহারাটাও দেখে না।

এসব সন্তানদের মনে মননে মগজে কেবল স্বার্থপরতা। লাভ লোভের হিসেব। হৃদয় নয় মাথার হিসেব। যাকে আড়ালে সমালোচনা করবে, ঘৃণা করবে, স্বার্থে লোভে সামনে গিয়ে পায়ে পরবে। আর যদি মানুষটি সামান্য ক্ষমতাবান বা বিত্তবান হয়, ডিআইজি মিজান মার্কা হলেও আপত্তি নেই, মাথা নত করে গদগদ হবে। সম্পর্ক করে গর্ববোধ করবে। এরা ক্ষমতাহীন হলে বা স্বার্থ না থাকলে চিনবেই না।

এই একদল নর-নারী কাল যেটি বলবে আজ সেটি অস্বীকার করে। নতুন করে সেটি তিনশো ষাট অ্যাঙ্গেলে ঘুরিয়ে নগ্ন মিথ্যাচার করবে। এদের স্বার্থ সুবিধা ছাড়া কোন নীতি আদর্শ চরিত্র নেই। মিথ্যা অসাড় জীবন এদের এভাবেই চলে।

মাদক যৌনতাসহ সামাজিক অবক্ষয়ে পচে যাওয়া সব কিছুর সঙ্গে সামাজিক সম্পর্কের বাধনে বসবাস করে এরা এমন ভাবে বেড়ে ওঠে যে তাদের ভাষা চিন্তা বিকৃতি রুচিহীনতা প্রকট হয়।

অর্থ বিত্ত ক্ষমতার লোভ এদের দিনে দিনে এতো নিচে নামাতে পারে যে স্বার্থে বেশ্যার দালাল থেকে যে কোন কিছু করতেও লজ্জা থাকে না। গ্লানি থাকে না। একদা সমাজ ও পরিবারের পাঠ মুছে ফেলে অনায়াসে। এরা মানুষের সর্বনাশ করেই থামে না, সমাজটাকেই খাদের দিকে টানতে থাকে। টানতেই থাকে। এরা লাভ লোভ স্বার্থে মিথ্যাচার অনাচার পাপাচারে অভ্যস্ত হতে হতে সমাজটাকেও তাদের মতোন বানিয়ে ফেলছে!

আহারে! আমাদের পূর্ব-পুরুষরা কি ছিলেন আর আমরা কি হয়েছি! নীতিহীনের সঙ্গে নীতিবানের সংঘাত সমাজে ছড়িয়ে পড়ছে! কি হবে এর পরিণতি??

বিডি প্রতিদিন/১৭ আগস্ট, ২০১৯/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর