শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:১৮, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২০

মুজিববর্ষে সোনিয়া গান্ধীর আমন্ত্রণ নিয়ে অপপ্রচার!

হাসান ইবনে হামিদ
অনলাইন ভার্সন
মুজিববর্ষে সোনিয়া গান্ধীর আমন্ত্রণ নিয়ে অপপ্রচার!

বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গল্পটা বহু পুরোনো। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে ভারত। ভারত সরকারের পাশাপাশি ভারতীয় জনগণও বাংলাদেশের দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এক অদ্ভূত রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর দাঁড়িয়ে। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নীতির উপর ভিত্তি করে এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নানা সময়ে আমরা পরিবর্তন হতে দেখেছি। এরকম এক অদ্ভুত গোলকধাঁধাতেই কাটছে এ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, যাচ্ছে দিন। 

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক যখনি এক সুনির্দিষ্ট মাত্রা নিতে শুরু করে তখনি সর্বত্র ‘গেলো গেলো’ রব উঠে! দু’দেশের প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গের কোন সফর বা চুক্তি সম্পাদনের মুহুর্তে সোশাল মিডিয়া ও  গণমাধ্যমে এক শ্রেণীর মানুষের অপপ্রচার শুরু হয়ে যায়। যে কোন সময় যখন দু দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠক বা আলোচনা থাকে তখনি শুরু হয়ে যায় অপপ্রচার। আর চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক হলে তো কথাই নেই। ভয়াবহ সব মিথ্যাচার পরিলক্ষিত হয় সোশাল মিডিয়ায়। যে কোন ঠুনকো ইস্যুতেও চলে একের পর এক অপপ্রচার। 

মাঝেমধ্যে মেইনস্ট্রিম মিডিয়াও এসব গুজবের পেছনে দৌড়াতে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে এমনি একটি ঘটনা ঘটেছে খুব পরিকল্পিত উপায়ে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষকে কেন্দ্র করে যখন ভারত সরকারপ্রধান ও শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ আসবেন তখনি এমন এক অহেতুক অপপ্রচার শুরু হলো বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে।

বাংলাদেশের একটি ইংরেজি দৈনিকে দাবী করা হয়, বিজেপি নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর ঢাকা সফরের জন্য দেওয়া আমন্ত্রণ বাতিল করার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের সাথে তদবির শুরু করেছে। 

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এর আগে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যোগাযোগ করেছিলেন সোনিয়া গান্ধীকে আমন্ত্রণ না জানাতে। ঐ গণমাধ্যম আরো দাবী করে, গত ২ মার্চ হর্ষবর্ধন শ্রিংলা যখন বাংলাদেশ সফরে আসেন তখন উচ্চ পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিদের সাথে এক বৈঠকে এই দাবীটি উত্থাপন করে ভারত সরকারের এক প্রতিনিধি। তারা এও জানায়, ভারত সরকার প্রত্যাশা করেছিল সোনিয়া গান্ধীকে শিগগিরই বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানানো হবে না। 

যে বা যারা পরিকল্পিতভাবে এই গুজবটি ছড়াচ্ছেন তাদের চিন্তা অনেক সুদূরপ্রসারী। এই ঘটনায় এক ঢিলে দুই পাখি মারা যায়। একদিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির মাঝে বাংলাদেশকে টেনে বিভেদ রেখা টেনে দেয়া অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে ভারতের সরকার এবং ব্যক্তি ইন্দিরা গান্ধীর পরিবারের সম্পর্কেও ছেদ টানা। অথচ বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারতের সকল রাজনৈতিক দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অক্টোবরে যখন দিল্লী সফরে যান তখন নিজে সোনিয়া গান্ধীকে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সোনিয়া গান্ধীও বাংলাদেশে আসবেন ২৬ মার্চ এমনটাই আগে থেকে পরিকল্পনা করা। শেখ হাসিনা একইসাথে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াংকা গান্ধীকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কেননা এই দুই পরিবারের সম্পর্ক রাজনীতির বন্ধনে আবদ্ধ না বরং অনেকবেশী পারিবারিক ও আন্তরিকতার। অপরদিকে ভারতের সরকারপ্রধান হিসেবে নরেন্দ্র মোদীকে বাংলাদেশ সরকার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ১৭ ও ১৮ মার্চ। 

একইদিনে একইমঞ্চে যে তারা আসবেন বিষয়টা তেমনও না তারপরেও একদল গুজবে লিপ্ত। একটা বিষয় মাথা রাখা উচিত ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এই দুই দল একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী একথা যেমন সত্য আবার নিজ দেশের জাতীয় ইস্যুতে নানাসময় কংগ্রেস-বিজেপি এক সুরেও কথা বলেন। এতো নির্বুদ্ধিতার ছক কষে নিশ্চয়ই ভারত সরকার চলে না যে, ভিন্ন রাষ্ট্রের আমন্ত্রণ কাকে করবে না করবে সেখানে তারা নাক গলাবে! এই কথাটা বোধহয় আমাদের সবার মাথায় রাখা উচিত। প্রত্যেক দেশের স্ব স্ব পররাষ্ট্র নীতি আছে আর এই নীতির ভিত্তিতেই তারা চলে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতিতে অনধিকার চর্চা করার অধিকার বাংলাদেশ যেমন কাউকে দেয়নি আবার নিমন্ত্রণের মতো বিষয় নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করার রাজনীতিও যে বালখিল্য আচরণ তা আশা রাখি স্বাভাবিকভাবে যেকেউ বুঝতে পারে। 

গান্ধী পরিবারের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বহু পুরোনো। ইন্দিরা গান্ধী নামটি বাংলাদেশের মানুষের কাছে আজীবন শ্রদ্ধেয়। ১৯৭১ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে যে নামটি ওতপ্রোতোভাবে জড়িত তা হল শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী। বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নামটির সঙ্গে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকালীন বন্ধু রাষ্ট্রগুলো বা রাষ্ট্রনায়কদের নামের তালিকায় যাঁর নামটি কৃতজ্ঞচিত্তে বেশি স্মরণ করা হয়, তিনি হলেন ভারতের মহীয়সী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। স্বাধীন বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও ইন্দিরা গান্ধী নামগুলো খুবই অবিচ্ছেদ্য। 

১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে সশস্ত্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঠিক আগ মুহুর্তে ভারতের সাধারণ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক ভোট পেয়ে ইন্দিরা গান্ধী দ্বিতীয় বারের মত প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন ৷ শপথ গ্রহণের আগেই এই উপমহাদেশের ভয়াবহ গণহত্যা প্রত্যক্ষ করতে হয় ইন্দিরা গান্ধীকে। রক্তের হোলিখেলার মাঝে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয়বার চিন্তা করতে হয়নি কোন পক্ষে যাবেন তিনি। একটি উদার ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের সরকার প্রধান হিসেবে ইন্দিরা গান্ধী দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেন এবং নির্যাতিত  জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ান। মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করে গোটা বিশ্বে আমাদের গণহত্যার চিত্র তুলে ধরেন তিনি। তাই গান্ধী পরিবার ব্যতিরেকে জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকী কখনোই যে বাংলাদেশ পালন করবেনা একথা ষড়যন্ত্রকারীরা জানে। আর জানে বলেই, একটা গুজব উত্থাপন করার চেষ্টা করেছে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধির বরাত দিয়ে। 

অবশ্য ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে গুজব নতুন কিছু নয়। একের পর এক অপপ্রচার এই দুই দেশকে প্রতিনিয়ত মোকাবেলা করতে হয়। সাম্প্রতিক এনআরসি ইস্যুতে সোশাল মিডিয়া এমনকি গণমাধ্যমেও লাগাতার অপপ্রচার দেখছি। আসামের সব লোক নাকি আমাদের দেশে আসছে, সীমান্ত দিয়ে শত শত মানুষ বাংলাদেশে আসার ফেক ভিডিও অনলাইনে দেখা যাচ্ছে। আবার গত বছর দেখলাম রেমিটেন্স সংক্রান্ত এক ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে এই মর্মে যে, ভারতের শীর্ষ রেমিটেন্স উৎস বাংলাদেশ। অথচ পরে বেরিয়ে এলো ভিন্ন তথ্য, দ্যা ইকোনোমিক টাইমস ও ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের অফিসিয়াল তথ্যে দেখা গেল, ভারতের শীর্ষ রেমিটেন্স আসে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। পরবর্তী রাষ্ট্রগুলো যথাক্রমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, ইংল্যান্ড, ওমান, নেপাল, কানাডা, অষ্ট্রেলিয়া। 

শীর্ষ বিশ রাষ্ট্রের তালিকাতেও বাংলাদেশের নাম নেই। অথচ গুজবের মাধ্যমে তারা রটিয়ে দিলো, ভারতের শীর্ষ রেমিটেন্স উৎস বাংলাদেশ! এছাড়াও বিদ্যুত ও জ্বালানী সংক্রান্ত, বিনিয়োগ ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে হরহামেশাই অপপ্রচার চলতে থাকে। আর নির্বাচন এলে তো কথাই নেই। একের পর এক গুজবে টালমাটাল থাকে গণমাধ্যম। মনে হয় ভারতের সরকার বুঝি বাংলাদেশের নাগরিকের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছে! 

রোহিঙ্গা ইস্যুতেও একের পর এক অপপ্রচার ভারতের বিরুদ্ধে হয়েছে। অবস্থাটা দাঁড়িয়েছিলো এমন যেনো, ভারত চাইলেই রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান করতে পারে কিন্তু করছে না! একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে, ভারত যেমন বাংলাদেশের আন্তরিক বন্ধু, তেমনি মিয়ানমারের ওপরও ভারতের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। তবে ভারত চাইলেই তা একদিনে সমাধান করে দেয়া সম্ভব, এই ধারণা পোষণ করা উচিত নয়। 

ভারত তার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা নিয়েই এই সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের পাশে আছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। কেননা সর্বশেষ জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ৩৬তম অধিবেশনে ভারত সুস্পষ্টভাবে ‘কফি আনান কমিশন’-এর সুপারিশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সংকটের সমাধান চেয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও বার বার ‘কফি আনান কমিশন’ এর সুপারিশ বাস্তবায়নের দিকে আলোকপাত করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনেও এই সুপারিশের পক্ষে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য বিশ্বশক্তিকে আহবান জানিয়েছেন। 

ভারত সরকার ‘জেনেভা কনভেনশন’এ বাংলাদেশের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে যেখানে চীন, রাশিয়া সরাসরি মিয়ানমারের পক্ষাবলম্বন করেছে। তাই রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ভারত সঠিক অবস্থানেই আছে, এ নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। তবে এই সংকট সমাধানে কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে ভারত অবশ্যই তার জাতীয়, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক স্বার্থকে গুরুত্ব দেবে- এটাই স্বাভাবিক। মোদ্দা কথা, এক ইস্যু যায় তো আরেক ইস্যু আসে কিন্তু অপপ্রচারকারীদের গুজব রটানো বন্ধ হয়না। এমন অসংখ্য অপপ্রচারের মাঝেই এগিয়ে চলছে এই দুই দেশের সম্পর্ক। 

সবশেষে বলবো, ইন্দিরা গান্ধীর হাত ধরে ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুতার সূচনা। আমরা আজ যে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের কথা বলি তার মূল ভিত্তি তৈরি করেছিলেন তারা। মুজিব-ইন্দিরা চুক্তিই বাংলাদেশ ভারতের দ্বিপক্ষীয় সমস্যা সমাধানের মূল অস্ত্র। আজো দুই দেশ নিজেদের সমস্যা সমাধান করে চলছে সেই চুক্তির উপর ভিত্তি করেই। তাই যে বা যারা এই সম্পর্ককে নষ্ট করতে অপপ্রচারে লিপ্ত তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সকলকেই সচেতন থাকা আবশ্যক। 

লেখক: রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৯ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৯ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়