শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৩১, সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২১ আপডেট:

বিজয়- ভারত ও সোভিয়েতের অবিস্মরণীয় ভূমিকা

মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার পিএসসি (অব.)
অনলাইন ভার্সন
বিজয়- ভারত ও সোভিয়েতের অবিস্মরণীয় ভূমিকা

‘ইট ওয়াজ দ্য বেস্ট অব টাইমস, ইট ওয়াজ দ্য ওয়ার্স্ট অব টাইমস- চার্লস ডিকেন্সের এই জগদ্বিখ্যাত উক্তিটি একাত্তরে আমাদের জন্য শতভাগ সত্য ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধ, সেই যুদ্ধে বিজয়, তাও আবার মাত্র ৯ মাসে, পাকিস্তানের ৯৩ হাজার সৈন্যের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ। ভাবা যায় না, এমন উদাহরণ বিশ্বে দ্বিতীয়টি নেই। তাই সমগ্র বাঙালি জাতির জন্য নিশ্চিতভাবে এটা ছিল বেস্ট অব দ্য টাইমস। লেখাটি যখন শুরু করছি তখন হঠাৎ করে মনটা যেন ছড়াৎ করে ওঠল, আরে লেখাটি যেদিন ছাপা হবে তার পরের দিনই তো ১৪ ডিসেম্বর। কী নিদারুণ মর্মঘাতী এক বিয়োগান্তক দিন। পাকিস্তানের গণহত্যার একান্ত সহযোগী, বাঙালি নামের কলঙ্ক, রাজাকার-আলবদর বাহিনী বেছে বেছে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান, সব শ্রেণি-পেশার বুদ্ধিজীবীকে বাসাবাড়ি থেকে ধরে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। মিরপুর ও আশপাশের বধ্যভূমিতে মৃতদেহ ফেলে দেয়, স্বজনরা তাদের লাশটা পর্যন্ত পায়নি। এর থেকে ওয়ার্স্ট টাইমস আর কী হতে পারে। শুধুই কি তাই। ৯ মাস ধরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের নজির বিশ্বে বিরল। সত্যিই একাত্তর একই সময়ে ছিল আমাদের জন্য ওয়ার্স্ট অব দ্য টাইমস।

কথায় আছে, যত বড় ত্যাগ তত বড় অর্জন। রাষ্ট্রসমাজ বা ব্যক্তিজীবন, যেটাই বলি না কেন, ত্যাগ ব্যতিরেকে কোনো অর্জন সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধু, জাতির পিতা ও হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি এমনি এমনিই তিনি হয়ে যাননি। বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য শেখ মুজিবুর রহমানের ত্যাগ অদ্বিতীয় ও অসামান্য, এককথায় তুলনাহীন। নেলসন ম্যান্ডেলা, মহাত্মা গান্ধী অসামান্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন বলেই বিশ্বখ্যাত হয়েছেন। স্বার্থপর, নীতি-আদর্শহীন, লোভাতুর মানুষ দ্বারা জাতি-রাষ্ট্র, মানুষ, মানবতার কোনো উপকার হয় না। ধন, সম্পদ, ক্ষমতার লোভ মানুষকে অন্ধ করে ফেলে। বাঙালির শ্রেষ্ঠ নেতা মহানায়ক শেখ মুজিবুর রহমান উপরোক্ত সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠতে পেরেছিলেন বলেই সাড়ে সাত কোটি বাঙালি সব ত্যাগ করার সংকল্প নিয়ে একাত্তরে অস্ত্র হাতে যুদ্ধে নেমেছেন এবং অকাতরে জীবন দিয়েছেন বলেই মাত্র ৯ মাসের যুদ্ধে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করে বিশ্বের বুকে উদাহরণ সৃষ্টি করেছি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছি বলেই আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। তবে সংকট ও বিপদে বন্ধুর প্রয়োজন হয়। যার বন্ধু নেই, তার মতো কাঙাল আর হয় না। আর প্রয়োজন ও বিপদের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু, পরীক্ষিত বন্ধু। তাই বিপদ থেকে উদ্ধারে বন্ধুর অবদান কৃতজ্ঞতাসহকারে স্মরণ করার জন্য অনেক বড় মনের প্রয়োজন হয়। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ মানুষকে আরও বড় করে, সম্মানিত করে এবং মর্যাদা বাড়ায়, কখনো কমায় না। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত এবং তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন শেষ পর্যন্ত বন্ধুত্বের অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। সর্বাগ্রে ভারত দ্বিধাহীনচিত্তে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সঙ্গে থেকেছে। পরবর্তীতে চূড়ান্ত পর্বে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তাই ভারতের কথা দিয়েই শুরু করি। ভারত সিদ্ধান্ত নিতে সময়ক্ষেপণ করেনি। ২৬ মার্চের পর থেকে বাংলাদেশের নির্যাতিত মানুষের জন্য ভারত তার সব সীমান্ত খুলে দেয়। হাজার হাজার, তারপর লাখ লাখ থেকে প্রায় এক কোটি মানুষের জন্য আশ্রয়, খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসাসহ সব ব্যবস্থা করে। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, অস্ত্র ও গোলাবারুদ শুধু নয়, একেবারে শুরু থেকেই ভারতের বিএসএফ ও সেনাবাহিনী সীমান্ত এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের দ্বারা পরিচালিত অপারেশনে সক্রিয় সমর্থন দিতে থাকে। ৩১ মার্চ ভারতের পার্লামেন্টে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাব গ্রহণ করা হয় এই মর্মে যে, ‘পূর্ববাংলার সাড়ে সাত কোটি মানুষের ঐতিহাসিক সংগ্রাম অবশ্যই জয়ী হবে। ভারতের পার্লামেন্ট পূর্ববাংলার সংগ্রামী জনগণকে এই মর্মে আশ্বস্ত করছে যে, তাদের ত্যাগ ও সংগ্রামে ভারতের জনগণের সর্বাত্মক সমর্থন থাকবে। আমাদের স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরুর মাত্র ছয় দিনের মাথায় ভারতের পার্লামেন্টে এত বড় উৎসাহব্যঞ্জক প্রস্তাব সে সময়ে বাংলাদেশের মানুষের জন্য টনিক হিসেবে কাজ করেছে। তারপর থেকে চূড়ান্ত পর্বের জন্য ভারত প্রস্তুতি নিতে থাকে। আমেরিকা ও চীন পাকিস্তানের পাশে দাঁড়াবে তা জুন-জুলাই মাসে এসেই স্পষ্ট হয়ে যায়। তাই ভারতের জন্যও বৃহৎ শক্তির পার্টনারশিপ জরুরি হয়ে পড়ে। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ৯ আগস্ট সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ভারত ২০ বছর মেয়াদি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তির ৯ নম্বর অনুচ্ছেদে উল্লেখ ছিল, দুই পক্ষের কেউ আক্রান্ত হলে অথবা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে সেই আশঙ্কা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য উভয়পক্ষ অতিসত্বর আলোচনা করবে এবং সম্মিলিতভাবে নিজেদের স্বার্থ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। পরবর্তীতে দেখা যায়, যুদ্ধের শেষ পর্বে এই চুক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বিশাল ভূমিকা রাখে। সর্বাত্মক যুদ্ধে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পর বিশ্ব জনমত গঠনের লক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ২৪ অক্টোবর প্রায় তিন সপ্তাহের লম্বা সফরে আমেরিকাসহ পশ্চিম ইউরোপে যান। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর ২৫ নভেম্বর কংগ্রেস দলের কার্যকরী কমিটির এক সভায় তিনি ঘোষণা করেন, ‘বাংলাদেশ অবশ্যই জয়ী হবে, বিশ্বে এমন কোনো শক্তি নেই, যা এই বাস্তবতাকে রোধ করতে পারে। সব জল্পনা-কল্পনা পেরিয়ে ডিসেম্বর মাসের ৩ তারিখে পাকিস্তান পশ্চিম ফ্রন্টে ভারতের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালায় এবং যুদ্ধ ঘোষণা করে। সেই সূত্রে বাংলাদেশের সব সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় মিত্র বাহিনী পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সামরিক অভিযান শুরু করে। দ্রুতই বাংলাদেশের সব ফ্রন্টে পাকিস্তান বাহিনী পিছু হটতে থাকে। পাকিস্তানের চূড়ান্ত পরাজয় কেবল সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। পাকিস্তানের আসন্ন পরাজয় ঠেকানোর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপকভাবে কূটনৈতিক ও সামরিক তৎপরতা শুরু করে। ৪ ও ৫ ডিসেম্বর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি ও ভারতের সৈন্য প্রত্যাহারের জন্য পরপর দুটি প্রস্তাব উত্থাপন করে। দুটি প্রস্তাবের বিরুদ্ধেই সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেটো প্রয়োগ করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক কৌশল ব্যর্থ হয়ে যায়। ভারত সমান তালে কূটনৈতিক তৎপরতা এবং সামরিক অভিযান জোরদার করতে থাকে। ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়। ৭ ডিসেম্বর মিত্র বাহিনীর কাছে পাকিস্তানের শক্তিশালী ঘাঁটি যশোরের পতন ঘটে। চীনকে সামরিক অভিযানে যুক্ত করতে এবং সপ্তম নৌবহরকে নিয়োজিত করার জন্য ওয়াশিংটনে বসে হেনরি কিসিঞ্জার চীন সরকার ও মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের সঙ্গে অনবরত দেন-দরবার করতে থাকেন। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন ডেকে ১০৪-১১ ভোটে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পাস করিয়ে নেয়। ৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নিক্সন ফিলিপাইন ভিয়েতনাম উপকূলে অবস্থিত সপ্তম নৌবহরকে বঙ্গোপসাগরে অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাকিস্তান বাহিনীর পরাজয় ও পতন রোধের জন্য নৌ, বিমান ও স্থল অপারেশন চালানোর সম্ভাব্য মিশন দেওয়া হয় সপ্তম নৌবহরকে। ৫ হাজার সৈন্য, ৭৫টি জঙ্গি বিমান, মিসাইল ও ডেস্ট্রয়ারসহ ২৫টি অ্যাসল্ট হেলিকপ্টার নিয়ে সপ্তম নৌবহর টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়। ১০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নকে জানিয়ে দেয় ভারত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত না হলে সপ্তম নৌবহর নিয়োগসহ শক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আমেরিকার হুমকি মোকাবিলায় সোভিয়েত ইউনিয়ন পাঁচটি সাবমেরিনসহ ১৬টি যুদ্ধ জাহাজ বঙ্গোপসাগর ও তার আশপাশে মোতায়েন করে। সব মহলে উদ্বেগ ও আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়ে। যুদ্ধের গতিধারা এখান থেকে যে কোনো দিকে মোড় নিতে পারে। গভীর সংকটময় পরিস্থিতিতে ভারতের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃবৃন্দ প্রায় নিরুত্তর হয়ে পড়েন। অদম্য সাহস ও আত্মবিশ্বাসী ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী শান্ত ও ধীরস্থির অবস্থায় তিনটি নির্দেশ প্রদান করেন। প্রথমত, সপ্তম নৌবহরের মিশন ব্যর্থ করার জন্য ভারতীয় নৌবাহিনীর সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশের সব উপকূলে শক্তিশালী নৌ-ব্যারিকেড গড়ে তোলা। দ্বিতীয়ত, যৌথ বাহিনীর সামরিক অগ্রযাত্রার গতি আরও বৃদ্ধি এবং দ্রুত ঢাকা দখল করতে হবে। তৃতীয়ত, সপ্তম নৌবহর সামরিক অভিযানে নামলে সোভিয়েত ইউনিয়নের যুদ্ধে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তিনটি উদ্যোগ গ্রহণে সচেষ্ট হয়।

এক. জাতিসংঘের মাধ্যমে বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ থেকে ভারতকে বিচ্ছিন্ন করা।

দুই. দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির অজুহাত দেখিয়ে সপ্তম নৌবহরকে পাকিস্তানের পক্ষে সামরিক অভিযানে নিয়োজিত করা। তিন. ভারতের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে নামতে চীনকে সম্মত করা। ১২ ডিসেম্বর ভারতকে যুদ্ধ বিরতি মেনে নেওয়ার চরম হুমকি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পাল্টা কৌশল অবলম্বন করে সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীনকে হুঁশিয়ারি বার্তা দেওয়ার জন্য চীনের উত্তর সীমান্তে ব্যাপক সৈন্যের সমাবেশ ঘটায়। ১২ ডিসেম্বরের চরম হুমকি ভারত উপেক্ষা করার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে পাকিস্তানকে রক্ষার জন্য সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ ব্যতিরেকে আর কোনো উপায় নেই। কিন্তু তার জন্য চীনের সরাসরি সামরিক সংশ্লিষ্টতা আমেরিকার জন্য অত্যাবশ্যক। কিন্তু ১২ ডিসেম্বর শেষ প্রহরে চীন অতি গোপনে আমেরিকাকে জানিয়ে দেয় তারা সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপে যাবে না। তবে জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে সব রকম সমর্থন দিবে। হেনরি কিসিঞ্জার হতাশ হয়ে ১৩ ডিসেম্বর আবার নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। সোভিয়েত ইউনিয়ন তাতে তৃতীয়বারের মতো ভেটো দেয়। চীন সামরিক পদক্ষেপ থেকে পিছিয়ে যাওয়ায় এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের অনড় অবস্থানের কারণে যুক্তরাষ্ট্র সপ্তম নৌবহরকে সামরিক অভিযানের জন্য চূড়ান্ত নির্দেশ প্রদান থেকে বিরত থাকে। সপ্তম নৌবহরের সম্ভাব্য অবতরণের স্থান চট্টগ্রাম উপকূল ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নৌ, বিমান ও স্থলবাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। সব দিক থেকে সব রকমের সাহায্য থেকে বঞ্চিত হয়ে বাংলাদেশে পাকিস্তানি কমান্ডার জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজি ১৬ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে। ওইদিনই সবে সপ্তম নৌবহর বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করে। কিন্তু বাংলাদেশ তখন পাকিস্তানের দখল থেকে মুক্ত। সুতরাং আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অবিস্মরণীয় ভূমিকা কখনো আমরা ভুলব না। তাই আজ বাংলাদেশের ৫০তম বিজয় দিবসের প্রাক্কালে বিপদের বন্ধু ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি।

লেখক : রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
সর্বশেষ খবর
যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার এখন চীনের দখলে
যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার এখন চীনের দখলে

এই মাত্র | টেক ওয়ার্ল্ড

হরমুজের জন্য ‘যেকোনো উপায়ে’ নতুন সামুদ্রিক নিয়ম চায় ইরান
হরমুজের জন্য ‘যেকোনো উপায়ে’ নতুন সামুদ্রিক নিয়ম চায় ইরান

৫৫ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কলকাতার তারাতলায় নির্মাণাধীন গুদামের কাঠামো ধস, আহত অন্তত ১৩
কলকাতার তারাতলায় নির্মাণাধীন গুদামের কাঠামো ধস, আহত অন্তত ১৩

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেত্রকোনায় ৮৪ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা
নেত্রকোনায় ৮৪ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গ্রুপসেরার লড়াইয়ে মুখোমুখি সুইজারল্যান্ড ও কানাডা
গ্রুপসেরার লড়াইয়ে মুখোমুখি সুইজারল্যান্ড ও কানাডা

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেষমেশ কি এই বিশ্বকাপেই মুখোমুখি হচ্ছেন মেসি-রোনালদো, সম্ভাব্য তারিখ কবে
শেষমেশ কি এই বিশ্বকাপেই মুখোমুখি হচ্ছেন মেসি-রোনালদো, সম্ভাব্য তারিখ কবে

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুর পৌরসভার ৭০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
শেরপুর পৌরসভার ৭০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত
টঙ্গীতে ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত

১২ মিনিট আগে | নগর জীবন

সোনারগাঁয়ে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অনুদান বিতরণ
সোনারগাঁয়ে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অনুদান বিতরণ

১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

সিআর-সেভেনের জীবনের অসাধারণ উত্থানের ৬টি ধাপ
সিআর-সেভেনের জীবনের অসাধারণ উত্থানের ৬টি ধাপ

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু

১৮ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

হবিগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে ন্যাড়া করে জুতার মালা
হবিগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে ন্যাড়া করে জুতার মালা

১৮ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ভাতা পরিশোধে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ভাতা পরিশোধে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

১৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

জয়পুরহাটে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন
জয়পুরহাটে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়ার ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র
উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়ার ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শেরপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
শেরপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি
রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি

৩৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা
নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা

৩৭ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

৩৮ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ
ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ

৪২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা
বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা

৪৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি
তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে
একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে

৫২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা
‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা

৫৪ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার
বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?
দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা
ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ
নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?
‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!
বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে
বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা
মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ
যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার
ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা
খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়
‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?
পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা
বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!
মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!
'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার
স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো
সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন
রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন
হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান
বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান

পেছনের পৃষ্ঠা

নেইমার কি খেলবেন
নেইমার কি খেলবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ
বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের
অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের

পেছনের পৃষ্ঠা

চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি
চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি

পেছনের পৃষ্ঠা

নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?
শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?

শোবিজ

এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স
এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি

সম্পাদকীয়

নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের
নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট

সম্পাদকীয়

মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড
মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড

মাঠে ময়দানে

ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর
ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়
ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়

নগর জীবন

হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা
হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক
সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

জাকির হোসেন আর নেই
জাকির হোসেন আর নেই

শোবিজ

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

মিশা সওদাগর
মিশা সওদাগর

শোবিজ

চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর
চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে

দেশগ্রাম

তিনি কে?
তিনি কে?

শোবিজ

শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন
শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন

পেছনের পৃষ্ঠা