শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৪৫, মঙ্গলবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ আপডেট:

কানাডার গণতন্ত্র ও ট্রাক চালকদের আন্দোলনের বিচিত্র রূপ

ড. মঞ্জুরে খোদা
অনলাইন ভার্সন
কানাডার গণতন্ত্র ও ট্রাক চালকদের আন্দোলনের বিচিত্র রূপ

অটোয়া অবরোধের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে- কানাডার মূলধারার প্রধান সংবাদ মাধ্যম সিবিসি সংবাদ দেখছিলাম। সেখানে অনেক দৃশ্য দেখে খুব চমকিত হয়েছি। কারণ আমাদের দেশের আন্দোলন-সংগ্রামের সাথে এর পার্থক্য অনেক। এগুলো দেখার সময় আমাদের আন্দোলনের দৃশ্যগুলো চোখের সামনে ভাসছিল। কানাডার মত একটি দেশের গণতন্ত্র ও নাগরিক ও মানবাধিকার অধিকার কিভাবে সংরক্ষিত হয়, এবং একটি তীব্র উগ্রবাদী আক্রমনাত্মক আন্দোলনকে (?) কিভাবে দমন করা হয়, সেটা দেখার সুযোগ হলো। 

কানাডা পুলিশ এরমধ্যে ‘ফিডম কনভয়’ আন্দোলনের মূল নেতৃত্বসহ ১৯১ জনকে গ্রেফতার করেছে। ৭৩টি গাড়ী তুলে নিয়ে গিয়েছে। পুলিশবাহিনী আন্দোলনকারীদের বারবার অবস্থান ত্যাগ করার অনুরোধ করে না ফল না পেয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে- টিয়ারগ্যাস-পিপার স্প্রে নিক্ষেপ করেন। একপ্রকার শক্তিপ্রয়োগ করে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। টানা ২৪দিন অবরুদ্ধ থাকার পর গতকাল পার্লামেন্ট হিল এলাকাকে মুক্ত করা হয়। 
   
পুলিশের বক্তব্য, যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদেরকে তাদের আন্দোলন-বক্তব্য-দাবীর জন্য গ্রেফতার করা হয়নি। বরং তাদের বিরুদ্ধে আইনভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও তথ্য-প্রমানের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা করেছে। আন্দোলনে শিশুদেরকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, সে জন্যও তাদেরকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানের জন্য ড্রোন ভিডিও ব্যবহার করে তাদের কর্মকান্ড-তৎপরতার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।  
 
অটোয়ায় ট্রাক চালকদের অবরোধে নাগরিক জীবন সংকটাপন্ন হলে প্রথমে অটোয়া পৌরসভা জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেন। তারপর অন্টারিও প্রাদেশিক সরকার জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেন এবং সর্বশেষ কেন্দ্রীয় সরকার জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেন। তারমানে অটোয়ায় তিনস্তর বা তিনটি জরুরী অবস্থা চলছে। কানাডায় জরুরী অবস্থা বজায় থাকলেও শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিষিদ্ধ নয়।  

জরুরী অবস্থা ঘোষণার পরও কেন ট্রাকচালকদের অবস্থান ও অবরোধ অব্যাহত ছিল?  কারণ এখানে স্থানীয়-প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় সরকারের পুলিশ ও প্রশাসন প্রতিমূহুর্তে নাগরিকের আইনগত ও সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে ভাবতে হয়। কোন কারণেই তাদের সে স্বাধীনতা-অধিকার হরণ করা যায় না। পুলিশের শক্তিপ্রয়োগের পদ্ধতি-কৌশল নিয়ে ভাবতে হয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়-স্তরের সরকার ও প্রশাসনের সমন্বয় ও সংযোগ করেই তা করেই তা করতে হয়েছে। 

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, আন্দোলনকারীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমান আগ্নেয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাওয়া গেছে। যে কারণে পুলিশবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ও তাৎক্ষনিক সব গাড়িতে তল্লাসি চালাতে দ্বিধান্বিত ছিল ও সময় নিচ্ছিল।   

পুলিশ বলছে, যারা এই অবরোধ করছে তারা অত্যন্ত সংগঠিত ও বেপরোয়া। সব কিছু তারা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে করছে। যে কারণে তাদের শুধু ঘোষণা দিয়ে সরানো যাচ্ছে না। পুলিশের অনুরোধ-হুমকি, মামলা-জরিমানা, গাড়ী তুলে নিয়ে- তাদেরকে নিবৃত করা যাচ্ছে না। তাদের বক্তব্য আমরা পথেই থাকবো যতদিন না দাবী আদায় হবে। হয় রাজপথ নয় কারাগার তবু আমরা অনড়। কোন কিছু আমাদের টলাতে পারবে না। এই হচ্ছে আন্দোলনকারীদের মনোবল ও দৃঢ়তার দিক।

কিভাবে তারা হিমাংকের নীচের তাপমাত্রায় বরফের উপর অবস্থান করছে? 
তারা সেখানে তাবু টানিয়েছেন, অস্থায়ী কাঠের ঘরবাড়ী বানিয়েছেন। গোসলখানা বানিয়েছেন, সারি সারি অস্থায়ী প্রাস্টিকের টয়লেট বসিয়েছেন, এমন কি গরমপানি দিয়ে গোসল করার ব্যবস্থাও করেছেন, সোলার এনার্জি লাগিয়ে বিদ্যুতে ব্যবস্থা করেছে। খাদ্য ও অন্যান্য সামগ্রী সরবরাহ করার দোকান/কেন্দ্রও স্থাপন করেছেন। আগুন লাগাতে কাঠের মজুত রেখেছে।

পুলিশ এসে তাদের গাড়ীতে হাজার হাজার ডলারের টিকিট বসিয়ে দিচ্ছেন আর তারা পুশিলের সামনেই তা তুলে ছিড়ে কুচিকুচি করে রাস্তায় ছুড়ে ফেলছেন, পায়খানার মধ্যে ফেলে দিচ্ছেন। কিন্তু পুলিশ তাদের কিছুই বলছেন না। কারণ তারা সবাই জানে কথা যা হবার কোর্টেই হবে। 

কেউ কেউ তাদের পরিবার বউ, ছেলে-মেয়ে নিয়ে রাস্তাতেই থাকছেন। ট্রাকের সামনে বাচ্চাদের রাখছেন পুলিশ সে কারণে গাড়ীও নিয়ে যেতে পারছেন না। সপ্তাহের পর সপ্তাহ ট্রাকের মধ্যেই থাকছেন। 

গীর্জা-চার্চসহ বিভিন্ন সংস্থা-সংগঠন-ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান থেকে তাদের জন্য খাবার, তেল ও অন্যান্য সহায়তা আসছে। সেখানে তারা ক্যাম্প ফায়ার করছে। মদ বিয়ার খাচ্ছে। ঢাকঢোল নিয়ে নাচ-গান করছে। গোটা শুকর রাস্তার পাশে তারা গ্রীল করে খাচ্ছে। ক্যাম্প ফায়ার করছে। 

স্বাধীনতার আন্দোলনে অংশগ্রহনকারী বিভিন্ন-বিচিত্র মতাদর্শে বিশ্বাসীরা প্রকাশ্যে মুক্তভাবে উগ্রতা, ঘৃণার প্রতীক, স্বেতাঙ্গ জাতীয়তা, কনফেডারেশনসহ বিভিন্ন ধরণের পতাকা, প্রতীক-চিহ্ন বহন করছেন। কিন্তু পুলিশ তাদের সাথে গা লাগিয়ে অবস্থান করলেও কোন বাধা দিচ্ছে না, তাদের নিবৃত্ত করছে না। এ জন্য তাদের কারো বিরুদ্ধে দেশদ্রোহ-রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হচ্ছে না, গ্রেফতার করা হচ্ছে না। 
          
একটি সভ্য ও উন্নত দেশে নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার কতটা কার্যকর থাকলে- নাগরিকরা তাদের অধিকার আদায়ে এতটা জোরালো ভূমিকা রাখতে পারে তা দেখার সুযোগ হলো। যেখানে পুলিশদের দেখছি আন্দোলনকারীদের সাথে কতটা সংযত আচরণ করছে। বরং পুলিশের সাথেই তারা দূর্ব্যবহার করছে, তাদের গায়ে পোস্টার সেটে দিচ্ছে, হাত তুলছে। 

ব্যক্তিগতভাবে আমি তাদের এই তথাকথিত স্বাধীনতার ফ্রিডম কনভয় আন্দোলনকে সমর্থন করি না। এ দেশের অধিকাংশ মানুষও তাদের সমর্থন করছে না। শিশুরা বাদে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ ইতোমধ্যে লাইন ধরে স্বতস্ফুতভাবেই টিকা নিয়েছেন। সেখানে গুটি কয় মানুষ স্বাধীনতার কথা বলে টিকা না নেয়ার দাবী করছেন- সেটা অন্যায় ও কান্ডজ্ঞানহীন। 

তারা টিকা না নিতেই পারেন, তাদের সে স্বাধীনতা থাকতে পারে। কিন্তু তারা টিকা না নিয়ে কি ঘরে বসে থাকবেন? মানুষের সাথে মিশবেন না? সমাজে চলবেন না? কারণ টিকা না নিয়ে তারা হোটেল-রেস্ট্রুরেন্ট, দোকান-বাজার, বাস-ট্রেন-বিমান, অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ, জনপদ-সমাজে চলাফেরা করে আমাকে-আমাদের যে সংক্রমিত করবে, সে দায়িত্ব কে নেবে? আমার তো নিজেকে-পরিবারকে সুরক্ষিত রাখার অধিকার আছে। কিন্তু এই তথাকথিত স্বাধীনতার আবদারকারীদের জন্য রক্ষা হবে না, তা হয় না, হতে পারে না। এমন অদ্ভুদ স্বাধীনতার দাবী আদায় হলে, তারা রাষ্ট্রের কাছে আরো অনেক উদ্ভট স্বাধীনতার দাবী করতে পারে, সেটা ভাবতেই আমি শিউরে উঠছি। সে জন্যই বলি, স্বাধীনতার অর্থ সবসময় যার যা ইচ্ছে তাই করতে পারা নয়, বরং যার যা ইচ্ছে তা’ করতে না পারাই স্বাধীনতা। 

তাদের আন্দোলনের ধরণ, নিবেদিতবোধ দেখে চমকিত হচ্ছিলাম। এতে অংশ নেয়া অনেকে তাদের পুরো পরিবার নিয়েই রাস্তায় পরে আছে। একটা উৎসবের আমেজে ও ভিষন দৃঢ়তা নিয়ে লেগে আছে। পুলিশ ও সরকার গণস্বার্থ বিরোধী এ আন্দোলনকে বন্ধ করতে সব দিক ঠিক রেখে- নাগরিক অধিকার ও আইন-সংবিধান নিদেশিত পথেই অগ্রসর হয়েছে। সেটা ভাল লেগেছে। এখান থেকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শেখার আছে অনেক কিছু। আমি এ আন্দোলনকে সমর্থন না করলেও তাদের কথা বলার ও দাবীর জানানোর অধিকারকে সমর্থন করি। কিন্তু সেটা কোনভাবেই জনদূর্ভোগ বাড়িয়ে নয়।  

লেখক, গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়