শিরোনাম
প্রকাশ: ১৮:৫৩, মঙ্গলবার, ০৯ আগস্ট, ২০২২ আপডেট:

বাংলাদেশ কি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যাচ্ছে?

ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টন
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশ কি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যাচ্ছে?

শারীরিকভাবে দূরে থাকলেও মানসিকভাবে বাংলাদেশ থেকে দূরে থাকতে পারি না। মাঝেমধ্যে যে দূরে থাকার চেষ্টা করিনি তা নয়, তবে শেষমেষ পারিনি। এই যেমন এখন ইংরেজিতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার জীবনী লেখা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় নিজেকে অনেককিছু থেকেই গুটিয়ে নিয়েছি। সমসাময়িক বিশ্বে শেখ হাসিনার মতো এত ঘটনাবহুল, বেদনায় মোড়া জীবনের অধিকারী আমি আর কোন রাজনৈতিক নেতা দেখিনি। আমার তাই মনে হয়েছে, সারা বিশ্বের মানুষের এরকম একজন নেত্রীর সম্পর্কে, এরকম একজন মানুষ সম্পর্কে জানা উচিত। 

গত কয়েকদিন ধরে কাজটা ঠিকমতো করতে পারছি না। এর প্রধান কারণ বাসার সবার জ্বর। দিন দশেক আগে সন্ধ্যায় এক বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলাম। পরেরদিন সেই বাসা থেকে জানানো হলো তাদের দুই বাচ্চাই কোভিড পজিটিভ। অচিরেই আমাদের চারজনেরও উপসর্গ দেখা দিল, যদিও কিট টেস্টে বারবার নেগেটিভ এসেছে। এখন আর কোভিডকে কেউ অতটা পাত্তা দেয় না, প্রায় সবারই ‘যা হবার তাই হবে’ মনোভাব। আমার চিকিৎসক বউ ছাড়া আর কেউই আমরা তাই আর ল্যাবরেটরি টেস্ট করাইনি। কোভিড হোক না হোক, সপ্তাহখানেক বেশ ভুগলাম।   

এই সময়ে পত্রিকা পড়ে এবং ফেসবুকেও বেশ সময় কাটালাম। ফেসবুকে কিছু মানুষের স্ট্যাটাস ও মন্তব্য পড়ে তো খুবই টেনশনের পড়ে গেলাম। তাদের কথাবার্তা আর ভাবসাবে মনে হয় বাংলাদেশ বোধ হয় একেবারে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে। সেই সাথে আছে বিএনপি মহাসচিব শ্রদ্ধেয় মির্জা ফখরুল ইসলামের ভিত্তিহীন কথাবার্তা। কদিন আগে তিনি বাংলাদেশকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বলে দিলেন। বুঝতে পারি না এটা কি ওনার কথার কথা নাকি এটাই ওনার রাজনৈতিক জ্ঞানের পরিধি? উনি কি ব্যর্থ রাষ্ট্রের সংজ্ঞা জানেন না?

এখন তো অবাধ তথ্যপ্রবাহের যুগ, আঙ্গুলের ডগায় পৃথিবী। একটু কষ্ট করে গুগলে খোঁজ করলে অধিকাংশ প্রয়োজনীয় তথ্যই পাওয়া যায়। তার পরেও কেন মিথ্যাচার, মানুষের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে ঘোলাজলে শিকারের ব্যর্থ চেষ্টা? বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা কি আসলেই খুব ভঙ্গুর? বাংলাদেশ কি মেগাপ্রজেক্ট করতে গিয়ে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ নিয়ে ফেলেছে? শুধু কি বাংলাদেশেই মুদ্রাস্ফীতি ব্যাপক বেড়েছে?    
ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক্স ও ট্রেডিং ইকোনোমিক্সের ওয়েবসাইটে গিয়ে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের মুদ্রাস্ফীতির হার এবং তাদের জিডিপির তুলনায় ঋণের পরিমাণ দেখলাম।  

ট্রেডিং ইকোনোমিক্সের ওয়েবসাইট অনুযায়ী বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতির হার ৭.৫৬ শতাংশ। এবার বিশ্বের অন্যান্য কয়েকটি দেশের বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির অবস্থাও একটু জেনে নেই। বর্তমানে অন্যান্য দেশের মুদ্রাস্ফীতির হার এরকম: আমেরিকার ৯.১ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের ৯.৪ শতাংশ, জার্মানি ৭.৫ শতাংশ, কানাডা ৮.১ শতাংশ, রাশিয়া ১৫.৯ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়া ৬.১ শতাংশ, নেপাল ৮.৫৬ শতাংশ, ভুটান ৫.৯৫ শতাংশ, কম্বোডিয়া ৭.২ শতাংশ , থাইল্যান্ড ৭.৬১ শতাংশ, ভারত ৭.০১ শতাংশ, পাকিস্তান ২৪.৯ শতাংশ, মায়ানমার ১৭.৩ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়া ৪.৯৪ শতাংশ, সৌদি আরব ২.৩ শতাংশ, ইরান ৫৪ শতাংশ, শ্রীলঙ্কা ৬০.৮ শতাংশ, এবং তুরস্ক ৭৯.৬ শতাংশ। 

আমি অর্থনীতিবিদ না হলেও জনস্বাস্থ্য বিষয়ে কাজ করতে গিয়ে মাঝেমধ্যে টুকটাক অর্থনৈতিক বিষয়াদি সম্পর্কে জানতে হয়। এসব কাজ করতে গিয়েই জেনেছিলাম, কোন দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটলে সেখানে মুদ্রাস্ফীতির হারও কিছুটা বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গ্রাফ অনেকদিন ধরেই ঊর্ধ্বমুখি। সুতরাং, একারণে মূল্যস্ফীতির হারের কিছুটা বৃদ্ধি স্বাভাবিক। তবে গত কয়েকমাসে বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতির হার অনেক বেড়েছে। এই বৃদ্ধির কারণ কী? অর্থনীতিবিদরা এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারবেন। তবে দুই বছরের কোভিড সংকটের পর রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ যে বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতির হার বাড়িয়ে দিয়েছে, তা বুঝতে অনেক বড় অর্থনীতিবিদ হবার প্রয়োজন নাই। রাশিয়া-ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধের কারণে ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতি রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ তো পৃথিবীর বাইরের কোন দেশ নয়, চাইলেই কি আমরা যুদ্ধের এই বিরূপ প্রভাব এড়াতে পারি? 

এবার ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক্সের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখলাম বিশ্বের কোন দেশের জিডিপির তুলনায় তাদের ঋণের পরিমাণ কত। এই অনুপাত দেখে কোন দেশের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা বোঝা যায়। বাংলাদেশের ঋণের পরিমাণ জিডিপির ৩১.৭ শতাংশ। বাংলাদেশের কোন পত্রিকায় এই পরিমানকে ৪১ শতাংশ বলা হয়েছে। এই ঋণের কিছুটা বৈদেশিক উৎস থেকে, বাকিটা দেশীয় সূত্র থেকে নেওয়া। অর্থনীতির ভাষায়, যে কোন দেশের ঋণ জিডিপির ৭০ শতাংশ পর্যন্ত হলে তা গ্রহণযোগ্য। এবার বিশ্বের অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে জিডিপির কত শতাংশ ঋণ তা জেনে নেই: চীনের ক্ষেত্রে এই অনুপাত ৬৬.৮ শতাংশ, জাপানের ক্ষেত্রে ২৬৬.২ শতাংশ, ভারতের ক্ষেত্রে ৭৩.৯৫ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার ক্ষেত্রে ৩৮.৫ শতাংশ, সৌদি আরবের ক্ষেত্রে ৩২.৫ শতাংশ, থাইল্যোন্ডের ক্ষেত্রে ৫০.৫ শতাংশ, সিঙ্গাপুরের ক্ষেত্রে ১৩১ শতাংশ, ভিয়েতনামের ক্ষেত্রে ৪৬.৭ শতাংশ, পাকিস্তানের ক্ষেত্রে ৮৪ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রে ১০১ শতাংশ, মায়ানমারের ক্ষেত্রে ৪২.৪ শতাংশ, নেপালের ক্ষেত্রে ৩৭.৭ শতাংশ, ভুটানের ক্ষেত্রে ১৩৪.৯৪ শতাংশ, ভিয়েতনামের ক্ষেত্রে ৪৬.৭ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রে ২৪.৮ শতাংশ, নিউজিল্যান্ডের ক্ষেত্রে ৩০.১ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে ৯৫.৯ শতাংশ, জার্মানির ক্ষেত্রে ৬৯.৩ শতাংশ, ইতালি ১৫০.৮ শতাংশ, রাশিয়ার ক্ষেত্রে ১৮.২ শতাংশ, গ্রীসের ক্ষেত্রে ১৯৩.৩ শতাংশ, আমেরিকার ক্ষেত্রে ১৩৭.২ শতাংশ, এবং কানাডারে ক্ষেত্রে ১১৭.৮ শতাংশ। 

উপরের দুটো সূচক দেখলে বোঝা যায়, বিশ্বের বর্তমান প্রতিকূল পরিবেশ বিবেচনায় নিয়েও বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন পর্যন্ত তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে আছে। তারপরও সবার সতর্ক থাকার সময় এখন। পৃথিবীর সামনে এখন নানামুখি অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। বিশ্ব অর্থনীতি আগামীতে আরো খারাপের দিকে যেতে পারে বলে অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা করছেন। বাংলাদেশ সরকারের গৃহিত সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপেও তাদের সতর্ক মনোভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা এই মুহূর্তে জরুরি। 

কোভিড ও যুদ্ধের কারণে বিশ্বের অনেক দেশেরই মানুষই এখন কষ্টে  আছে। স্বভাবতই বাংলাদেশের মানুষও কষ্টে আছে। অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশে থেকে আমরাও কিছুটা কষ্টে আছি। গাড়ির তেলের দাম অনেক বেড়েছে। সপ্তাহের বাজার করতে গেলে টের পাই নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়েছে বেশ। তাই বলে অস্ট্রেলিয়ার রাজপথে কি বিক্ষোভ হচ্ছে? ফেসবুকে সরকারকে তুলোধুনা করা হচ্ছে? এর কিছুই হচ্ছে না। এর অন্যতম কারণ হলো সরকার এবং বিরোধীদলগুলোর পক্ষ থেকে পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করা হচ্ছে এবং এর থেকে উত্তরণের কার্যকর পথ খোঁজা হচ্ছে। সরকার এবং নীতিনির্ধারকরা এখানে সাধারণ মানুষের প্রতি যথেষ্ট সহমর্মী। যদিও বাংলাদেশের সাথে অন্য কোন দেশের তুলনাই আমাদের কাছে তেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তা যত যৌক্তিক এবং প্রাসঙ্গিক হোক না কেন।  অথচ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অপ্রাসঙ্গিক হলেও বাংলাদেশের কিছু মানুষ দেশটা এই বুঝি শ্রীলঙ্কা হলো ভেবে ইতিমধ্যেই এক ধরনের গোপন আনন্দ উপভোগ করতে শুরু করেছেন। 

গত তেরো বছরে শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভাবিত উন্নয়ন হয়েছে এটা যেমন সত্য, তেমনি কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনাকাঙ্খিত ঘটনাও ঘটেছে। তার মধ্যে একটা হলো ব্যাংকিং খাত। অনেক ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান ব্যাংক থেকে ইচ্ছেমত লুটপাট করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং বারবার দুনীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিলেও বাস্তবে রাঘববোয়ালদের দুর্নীতি খুব একটা কমেছে বলে মনে হয় না। প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় কিছু প্রতিষ্ঠানের রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণও কম নয়। বিদেশে অর্থ পাচারে আমরা রাজনৈতিক নেতাদের গালি দিলেও কতিপয় দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ী এবং আমলারাই এক্ষেত্রে প্রধানত এগিয়ে। এসবের সাথে আছে গণপরিবহন খাতের নৈরাজ্য। পাশাপাশি আছে কয়েকজন মন্ত্রীর মুখের লাগামহীন কথাবার্তা। এসব কারণে মানুষ ক্ষুব্ধ হচ্ছে। বর্তমান পৃথিবীর এই অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ চায়, দেশের মন্ত্রী-নেতারা কথাবার্তায় সংযত হবেন, তাদের প্রতি সহমর্মী হবেন।

বাংলাদেশের কথা মনে হলে আমার আজকাল সেই গ্লাসটার কথা মনে পড়ে, যার আধেক পানিতে ভরা আর আধেক খালি। এক যুগ আগেও এই দেশটার নাম সারা পৃথিবীর মানুষ তেমন জানতো না। যারাও বা জানতো, তাদের কাছে গরিব, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কবলিত দেশ হিসেবেই মূলত পরিচিত ছিল দেশটা। সেখানে থেকে এক যুগের ব্যবধানে বর্তমান অবস্থানে পৌঁছানোটা চাট্টিখানি ব্যাপার নয়। গরিব দেশের তকমা থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে আজ সমীহ জাগানো একটা নাম। এর জন্য অবশ্যই শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারকে কৃতিত্ব দিতে হবে। কৃতিত্ব দেবার পাশাপাশি এখনো অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যথেষ্ট সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। প্রতিনিয়তই নতুন নতুন চ্যালেঞ্জেরও মুখোমুখি হতে হচ্ছে দেশটাকে। সব মিলিয়ে আধেক ভরা, আধেক খালি গ্লাসের মতোই অবস্থা। এ অবস্থা মোকাবেলা করেই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। নিয়ন্ত্রণযোগ্য যেসব সীমাবদ্ধতা আছে, তাও কার্যকরভাবে অতিক্রম করতে হবে। সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশ নিশ্চয়ই পারবে, গত এক যুগের অভিজ্ঞতায় এটুকু তো বলাই যায়। শেখ হাসিনার উপর আস্থা রাখা যায়। বাংলাদেশের অকল্যাণ কামনা করে ফেসবুকের অযৌক্তিক, অপ্রাসঙ্গিক, ভুল পরিসংখ্যানে ভরা আলোচনায় কারো কিছু যায় আসবে না। 

লেখক : কবি, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।       
     
বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়