শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:০৩, সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

আগামীর সমাজের মূল চালিকাশক্তি তরুণরাই

একান্ত সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ
অনলাইন ভার্সন
আগামীর সমাজের মূল চালিকাশক্তি তরুণরাই

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা পেয়েছি নতুন এক বাংলাদেশ। এই দেশে আমরা গড়তে চাই বৈষম্যহীন এক সমাজ। শিক্ষা হলো বৈষম্য দূর করার অন্যতম হাতিয়ার। প্রত্যেক ব্যক্তি যেন সমান অধিকার, সুযোগ ও মর্যাদা পায়, সেদিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আগামীর সমাজ কেমন হবে, কোথায় কোথায় পরিবর্তন আনতে হবে, এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের করণীয় কী- এসব নিয়ে কালের কণ্ঠের সঙ্গে কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ।

আগামীর সমাজের মূল চালিকাশক্তি কারা? ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা যে নতুন বাংলাদেশ পেলাম, সেখানে আপনার প্রত্যাশা কী?

আমাদের তরুণসমাজ জীবন বাজি রেখে দেশের স্বার্থে কাজ করেছে। তারা সত্যিকার অর্থেই মনে করেছে-কোনটা সত্য, কোনটা মিথ্যা, কোনটা সঠিক, কোনটা সঠিক নয়। অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে সঠিক এবং সত্যের পথ তারা বেছে নিয়েছে। তারা যে একটা সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দিল, সেটি ধারণ করে রাখার মতো। এটা একটা আশার আলো জাগিয়েছে। আমাদের এই নতুন বাংলাদেশ গড়তে ছাত্রসমাজ প্রথমে নেমে এলো, তারপর তারা জনগণকে সম্পৃক্ত করল। ছাত্ররা খুবই বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে এই কাজটা করেছে। তারা যে স্লোগানগুলো নিয়ে এলো, সেগুলোর মাধ্যমে তারা সবাইকে একত্র করেছে। মেয়েরা এগিয়ে এসেছে, বাচ্চারা এগিয়ে এসেছে। এটা শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো বিশ্ব বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করেছে। তারা বাংলাদেশকে একটা আলাদা জায়গায় নিয়ে গেছে। তরুণসমাজকে পুরো বিশ্বের সামনে নতুন করে চিনিয়েছে। তাদের ওপর মানুষ আস্থা রেখেছে। এই জুলাই-আগস্টের মধ্য দিয়ে কেমন বাংলাদেশ হওয়া উচিত বা ভবিষ্যতে কেমন বাংলাদেশ আমরা দেখব, সেটা কিন্তু তারা স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছে। এমন একটা বাংলাদেশ, যেখানে ন্যায়-অন্যায়ের মধ্যে মানুষ ন্যায়টা বেছে নেবে। সত্য-মিথ্যার মধ্যে মানুষ সত্যটা বেছে নেবে। এত দিন আমাদের বাকস্বাধীনতা রুদ্ধ হয়েছিল, আমরা চিন্তা করার শক্তি হারিয়ে ফেলেছিলাম। এই যে অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম, সেখান থেকে তরুণসমাজ আমাদের উদ্ধার করেছে, দেশকে উদ্ধার করেছে, জাতিকে উদ্ধার করেছে, জনগণকে উদ্ধার করেছে। আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। তারাই আগামীর সমাজের মূল চালিকাশক্তি।

বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে আমরা কতখানি এগোতে পেরেছি? সমাজ থেকে আমরা কিভাবে দুর্নীতি দূর করতে পারি?

এই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর বৈষম্য আর নেই, সেটাই আমাদের ধরে নিতে হবে। এত ত্যাগের পর আমরা এ অবস্থায় এসেছি; এখানে বৈষম্য থাকবে কেন?
মানুষকে বুঝতে হবে, এখন আর দুর্নীতির স্থান নেই। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি, শুনতে পাচ্ছি, এটা সম্পূর্ণভাবে এখনো নির্মূল হয়নি। এই জায়গাটায় এখনো আমরা আস্থায় আসতে পারিনি। প্রশাসনে দুর্নীতির জায়গাটা যে নেই, সেটা আমরা এখনো দেখতে পাচ্ছি না। আমাদের তো এখনো অনেক পথ চলার বাকি। এই জায়গাটায় আমাদের এখন ভালোভাবে দৃষ্টি রাখতে হবে। দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করতে হবে, সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। টাকা-পয়সা ছাড়াও আরো অনেক দুর্নীতি আছে, সেগুলোও ধরতে হবে। যারা খাবারে ভেজাল দিচ্ছে, তারা মানুষকে বিষ খাওয়াচ্ছে। শাকসবজি, মাছ-মাংসসহ নানা খাবারে ভেজাল করে আমাদের বিষ খাওয়ানো হচ্ছে। এটা একটা বিশাল দুর্নীতি। এদের সর্বোচ্চ পর্যায়ের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

বৈষম্য দূর করার অন্যতম হাতিয়ার হলো শিক্ষা। শিক্ষাক্ষেত্রে আমাদের মূল প্রতিবন্ধকতাগুলো কী এবং সেগুলো দূর করার উপায় কী?

আমরা শিক্ষা কমিশন শিক্ষা কমিশন খুব বেশি বলি। এটাও দেখি, যে সরকারই আসে তার সময়ে নতুন করে একটা শিক্ষা কমিশন হয়। কিন্তু আগের কমিশনের যে রিপোর্ট ছিল, সেটার মেরিট-ডিমেরিট না দেখে আবার নতুনভাবে একটা শিক্ষা কমিশন করে। আবার কমিশন করা হয় পছন্দের লোকদের দিয়ে। সে কতটুকু জনগণের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে এবং প্রকৃতভাবেই কন্ট্রিবিউট করতে পারে এদিকে সব সময় লক্ষ রাখা হয় না। এতে পরবর্তী সরকার সেটাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। একটা নিরপেক্ষ জায়গায় থেকে সত্যিকারভাবে সমাজে যাঁরা শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখছেন, যেসব শিক্ষাবিদ দেশের কল্যাণে কাজ করছেন তাঁদের নিয়ে কমিশন করা উচিত। আমাদের যেসব মেধাবী শিক্ষাক্ষেত্রে আসছে, তারা যাতে থাকতে পারে সে অনুযায়ী তাদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া উচিত। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেসব শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে, তারা সত্যিকার অর্থেই মেধাবী। কিন্তু আমরা তাদের থাকার জায়গা দিতে পারছি না। যারা হলে থাকে তারা পড়াশোনার পরিবেশ পায় না। তাদের দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে বাধ্য করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক নিয়োগে আগে ব্যাপক দলীয়করণের অভিযোগ ছিল। আর মান ও মর্যাদার দিক দিয়ে আমাদের শিক্ষকরা কি সঠিক জায়গায় যেতে পেরেছেন? এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দায়িত্ব কতখানি?

অতীতে যাঁরা মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন তাঁদের কি আমরা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলাম? যাঁরা শিক্ষকতায় সবচেয়ে বেশি ভালো করতে পারেন, এমন লোকজনকে আমরা সুযোগ দিইনি। রাজনৈতিক বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এগুলো বেসিক জায়গা। এ জন্য আমরা অটোমেটিক্যালি সাফার করছি। এগুলো যদি ঠিক করতে পারি, তাহলে শিক্ষা কমিশনের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একজন শিক্ষক ও ছাত্র দুজনেরই জ্ঞান সৃষ্টি করতে হবে। ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। একজন শিক্ষকের মনে রাখতে হবে, আমি এখন যে জায়গায় আছি, একজন ছাত্রও একদিন সেই জায়গায় আসবে। আর আমিও একসময় ছাত্র ছিলাম। বর্তমান ছাত্রসমাজের হাতের মুঠোর মধ্যে পৃথিবী। তারা একসঙ্গে পুরো পৃথিবী দেখতে পারছে, জানতে পারছে। তাই ছাত্ররা কী চাইছে সেটি একজন শিক্ষককে জানতে হবে। শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের যে সুযোগ-সুবিধা দরকার, সে ব্যাপারে সরকারকে খেয়াল রাখতে হবে। একজন শিক্ষককে যদি আমরা যথেষ্ট পরিমাণে আর্থিক সুবিধা দিতে না পারি, যদি দারিদ্র্য তাঁকে পেয়ে বসে, তাহলে তিনি কিভাবে অবদান রাখবেন? সেটা শুধু বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে না, প্রাথমিক পর্যায়েও। প্রাথমিকে নামকাওয়াস্তে বেতন দিয়ে তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়। ফলে যাঁরা খুব মেধাবী তাঁরা আসছেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনও বাড়ানো উচিত। একইভাবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকেও একই রকম বেতন দেওয়া উচিত। তাহলে মেধাবীরা সব পর্যায়েই শিক্ষকতায় আগ্রহ প্রকাশ করবেন। একইভাবে শিক্ষার্থীরা যাতে ন্যূনতম খরচে পড়ালেখা করতে পারে সে ব্যাপারেও রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নিতে হবে। যাঁরা বিত্তবান আছেন তাঁরাও শিক্ষাক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে পারেন। আমাদের জনসংখ্যা অনেক। আমাদের ছেলেমেয়েরা শুধু দেশে নয়, বিদেশেও অবদান রাখছে, ভবিষ্যতেও রাখতে পারবে। তাই শিক্ষাক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

স্বাস্থ্য খাতে আমাদের অগ্রগতি কতটুকু? স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে করণীয় কী?

আমাদের অনেক মেধাবী ডাক্তার আছেন। কিন্তু হাসপাতাল সুবিধা উন্নতমানের পর্যায়ে নেই। প্রপার নার্সিং আমরা পাই না, তারা যথেষ্ট প্রশিক্ষিত না। আমাদের প্রাইভেট সেক্টরে অনেক মেডিক্যাল কলেজ চলে এসেছে। ভালো ভালো হাসপাতালের জন্য বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে। ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা যাতে একজন মানুষ পেতে পারে সেই ব্যবস্থা রাষ্ট্রকে করতে হবে। হেলথ ইনস্যুরেন্স যেটা, এর মাধ্যমে সবাইকে নিয়ে আসতে হবে। যারা দরিদ্র তাদের ইনসুরেন্সের আওতায় আনা সম্ভব নয়। তবে তারা যাতে সরকারি ব্যবস্থায় স্বাস্থ্যসেবা পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া একজন মানুষের অধিকার। দেশ তাকে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারে না।

অপরাধ আমাদের সমাজকে কতটা পিছিয়ে দিচ্ছে? এ ক্ষেত্রে সাধারণ জনগণের দায়িত্ব কী?

আমাদের দেখতে হবে, অপরাধের পরিণতি কী হয়। অপরাধ করে পালাতে হয়। যারা অপরাধ করে তারা কি মাথা উঁচু করে থাকতে পারছে? আর কার জন্য সে অপরাধ করছে, সন্তানের জন্য তো, এই সন্তান তাকে মানবে না। এই সন্তান তাকে ঘৃণার চোখে দেখবে। আমাদের তরুণসমাজ, তারা অনেক মেধাবী, তারা যদি দেখে তার মা-বাবা দুর্নীতি-অপরাধ বেছে নিয়েছে, তাহলে তাদের সম্মানের চোখে দেখবে না। আপনি দরিদ্র হলেও যদি অপরাধী না হন তাহলে আপনার সন্তানের কাছে, দেশবাসীর কাছে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবেন। এখন অপরাধ থেকে দূরে থাকার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, আমাদের তরুণসমাজ পরিবেশটা সৃষ্টি করে দিয়েছে। ছাত্ররা যে প্রত্যাশার জায়গা তৈরি করল, সেটা ধারণ করে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারি তরফ, বেসরকারি তরফ- সর্বোপরি জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে। জনগণকেই সচেতনতা তৈরি করতে হবে। আইনের শাসনে যদি ঘাটতি থাকে, তাহলে আস্থার সংকট তৈরি হয়। তাহলে এটা খুবই দুঃখজনক হবে। আইনের প্রতি মানুষের আস্থা রাখতে হবে। এটা নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে অপরাধও কমে আসবে।

আগামীর সমাজ গঠনে নারীদের ভূমিকা কী? তারা কি আমাদের সমাজে সঠিক অবস্থানে আছেন?

আমি সব সময় বিশ্বাস করি বা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতাম, তখন দেখতাম মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে ভালো পারফরম করছে। আমি যখন সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলাম, তখন দেখেছি মেয়েদের যে কোটা ছিল, সেখানেও তারা মেরিটের জায়গা থেকে আসতে চাইত। এবারও আন্দোলনে আমরা দেখলাম, মেয়েদের কোটা থাকা সত্ত্বেও তারা এর বিপক্ষে অবস্থান নিল। এই আন্দোলনেও দেখলাম, তারা কিভাবে বেরিয়ে এলো। এটা বিশাল একটা বিষয়। মেয়েদের পেছনে তাকানোর বিষয়টা তো নেই, তারা এগিয়ে যাচ্ছে।

আগামীর সমাজ গঠনে আমাদের রাজনীতিবিদনের ভূমিকা কী হওয়া উচিত?

রাজনীতিবিদদের ওপর মানুষের আস্থার জায়গাটা সৃষ্টি করতে হবে। তরুণসমাজ যেন আস্থার জায়গা পায়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। রাজনীতিবিদরা জনগণের জন্য কাজ করছেন, এটা প্রতীয়মান হতে হবে। আখের গোছানোর জন্য, লাভবান হওয়ার জন্য রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। জনগণের উপকারের জন্য রাজনীতি করতে হবে। মানুষ এখন অত্যন্ত সচেতন। সে সব কিছু বুঝতে পারে। কিছু সময়ের জন্য মানুষকে হয়তো ধোঁকা দেওয়া যায়, কিন্তু লম্বা সময়ের জন্য ধোঁকা দেওয়া যায় না। তরুণসমাজও ঠিক ভালো করেই বুঝতে পারে, কোন ব্যক্তি কী করছে। কোন রাজনীতিবিদ কী করছেন? সুতরাং রাজনীতিবিদদেরও সচেতনতার জায়গায় ফিরে আসতে হবে। আমি কী করছি, কী করছি না, আমি তা যেভাবেই দেখি না কেন, জনগণ তা তীক্ষভাবে নজর রাখছে।

আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনাকেও ধন্যবাদ।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৬ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ
জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন
মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার
শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

১৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়